ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মাণ, এবার উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি পাউবোর


নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মাণ, এবার উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি পাউবোর

ভোলার চরফ্যাশনে অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধিগ্রহণ করা সরকারি জমিতে। পূর্বে পাউবো কর্তৃক প্রদত্ত একাধিক লিখিত ও মৌখিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে কর্তৃপক্ষ আইনানুগ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাউদ্দিন দ্বারা স্বাক্ষরিত (স্মারক নং-এল-২/৪৮৫) এক পত্রে এ চূড়ান্ত নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

পাউবোর নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. জুয়েল (পিতা: আবুল কালাম) উপকূলীয় বাঁধ প্রকল্পের (১৯৬৬-৬৭) আওতায় পাউবোর অধিগ্রহণ করা জমিতে অবৈধভাবে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন। এর আগে ২৭ আগস্ট (স্মারক নং-এল-২/২৮৭) পাউবো লিখিতভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ এবং স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু ওই নির্দেশনা অমান্য করে কাজ অব্যাহত রাখায় কর্তৃপক্ষ এবার চূড়ান্ত নোটিশ জারি করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ডিজিটাল ‘মব সন্ত্রাস’: কারা এর পেছনে?

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩’-এর ২১(১) ধারার বিধান অনুযায়ী, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বাঁধ বা এর সংলগ্ন জমিতে ঘরবাড়ি কিংবা অন্য কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নিরাপত্তা ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে চরম ঝুঁকি তৈরি করছে।

চূড়ান্ত নোটিশে সংশ্লিষ্ট স্থানে সব ধরনের নির্মাণকাজ, নির্মাণসামগ্রী পরিবহন ও স্থাপনা সম্প্রসারণ অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশ জারির সাত দিনের মধ্যে নিজ খরচে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে জমি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এবং তা লিখিতভাবে পাউবো কার্যালয়কে জানাতে বলা হয়েছে।

ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করা হলে কোনো প্রকার অতিরিক্ত নোটিশ ছাড়াই আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এই ক্ষেত্রে উচ্ছেদ অভিযানের যাবতীয় ব্যয় ও আইনি দায়ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির ওপরই বর্তাবে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কলেজ শিক্ষক মোসাদ্দেক হাসানের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ এম


নরসিংদীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কলেজ শিক্ষক মোসাদ্দেক হাসানের মৃত্যু

নরসিংদীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোসাদ্দেক হাসান (২৬) নামে এক কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি তিন দিন ধরে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মোসাদ্দেক হাসান নরসিংদী মডেল কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া এলাকার মোশাররফ মিয়ার পুত্র।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, মোসাদ্দেক হাসান ৯ মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মাসখানেক আগে তিনি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তবে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তিনদিন আগে আবার তিনি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নরসিংদীর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে তার জ্বর বৃদ্ধি পায় এবং খিচুনি শুরু হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে রাত ১০টায় খিলপাড়া ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় এবং তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নরসিংদীর সিভিল সার্জন ডা. বুলবুল কবির জানিয়েছেন, চলতি বছরে নরসিংদীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ হাজার ৯৬ জন। তাদের মধ্যে শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলায় এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।

অন্যদিকে, গত ১২ অক্টোবর সোমবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তারতীলুল কোরআন একাডেমি নামের একটি বেসরকারি মাদরাসার পরিচালক হাফেজ শামসুল ইসলাম। তিনি ৯ অক্টোবর থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছেলে আজহারুল ইসলাম জাহিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিমন্ত্রী: নাগরিকের অধিকার সমান, সবার জন্য আইন কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ এম


কৃষিমন্ত্রী: নাগরিকের অধিকার সমান, সবার জন্য আইন কার্যকর

রাজধানীর পল্লবী থানায় করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা কাজী গুলশান আরা (৪৩) ও দেবাশীষ নারায়ণ পালকে (৪৭) সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, সহিংস উসকানি, অবৈধ অর্থায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক শেখ বশির আহমেদ চার দিনের রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। রিমান্ডে তাদের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাদের ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করার জন্য আরও রিমান্ড চাওয়া হবে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের জেলহাজতে রাখা আবশ্যক।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাওসার আহমেদ জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকু ও মো. মশিউর রহমান জামিনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত তাদের চার দিনের রিমান্ড নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে, ১১ অক্টোবর রাতে পল্লবী জোনাল টিমের একটি দল অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত আড়াইটার দিকে বনানীর বাসা থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) দেবাশীষকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা রাজধানীর পল্লবীতে কাজী গুলশান আরার বাসায় অবস্থান করে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা ১’ এবং ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত থেকে সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ ও সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করতেন। এছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

‘আজকাল ডটকম’ নামে একটি পেজ তৈরি করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার মতো কনটেন্ট প্রচার করা হতো। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজী গুলশান আরার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রচার ও পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের আগে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি প্রকাশ্যে আনুগত্য প্রকাশ করেন কাজী গুলশান আরা। পরে সহযোগীদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ নামে একটি কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টকশোতে সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অবজ্ঞা ছড়ানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসামিরা সহযোগীদের নিয়ে সরকার ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং কুৎসামূলক প্রচার চালিয়ে আসছিলেন। তাদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরের যোগাযোগ রয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা, সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে পল্লবী থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. আলী আকবার মামলা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ অর্থায়নে ২৮০০ গরিবকে পূজার উপহার দিলেন টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ এম


নিজ অর্থায়নে ২৮০০ গরিবকে পূজার উপহার দিলেন টুকু

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে, টাঙ্গাইলের ২ হাজার ৮০০ গরিব ও দুস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শাড়ি-পাঞ্জাবি ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যা তিনি নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে করেছেন।

উপহার হিসেবে ২ হাজার ৫০০ নারী-পুরুষের মধ্যে শাড়ি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, হরিজন সম্প্রদায়ের ৩০০ জনকে প্রত্যেকে ২ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার, টাঙ্গাইলের শ্রীশ্রী কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে উপহার বিতরণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরে, দিনব্যাপী সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ও সদুল্যাপুরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং উপহারসামগ্রী বিতরণ করেন।

উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ঈদের সময় ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নেও উপহার দিয়েছি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আপনাদের জন্য উপহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তাই ভয়ভীতির কোনো কারণ নেই। সবাই নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।” তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই—আমরা সবাই বাংলাদেশি। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।”

উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বাবু শ্যামল হোড়, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অমল ব্যানার্জি, শ্রীশ্রী কালীবাড়ির সভাপতি স্বপন ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি’র বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে —মাহফুজ আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ এম


বিএনপি’র বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে —মাহফুজ আলম

মাহফুজ আলম, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, মন্তব্য করেছেন যে বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে ‘জাশি’র (জামায়াত-শিবির) কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে। গত বৃহস্পতিবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এই বক্তব্য প্রদান করেন।

‘জুলাই পরবর্তী রাজনীতির আজব দশা’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই পোস্টে মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, অন্তরীণ (অন্তর্বর্তী) সরকারের সময় থেকেই সেকুলার সিভিল সোসাইটি, ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্সের প্রতি সাষ্টাঙ্গ প্রণাম প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতার জন্য এবং সংস্কারের নামে বিএনপি বিরোধিতার উদ্দেশ্যে যারা আসলে আজীবন কালচারালি লীগ ছিলেন, তাদের জাশির কোলে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা লক্ষ্য করেছেন। কোলে ওঠার পর অনেকে নামতে পারবে না দেখে, এখনো জাশির কোলবন্দি হয়ে আছেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল মবের চাপে অনেককে ডানপন্থি থেকে উগ্র-ডান হিসেবে পরিবর্তিত হতে দেখা গেছে। এসব ডিজিটাল মব আসলে সিস্টেমেটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন মেকানিজম। এই মেকানিজমকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় খুব সহজ নয়। দেশ বর্তমানে (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। বিভিন্ন ধরনের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিত করবে। মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কারের নামে (ক্ষমতার জন্য?) বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কাছে যাওয়ার খেসারত সেকুলার সমাজকে দিতে হবে। ট্রাডিশনাল আলেম সমাজকেও জাশিকে সার্ভিস দেওয়ার খেসারত দিতে হবে। এখানে কেবলই জাশির লাভ। লাভের গুড় খাওয়ার পর দুই গোষ্ঠীকেই ছুড়ে ফেলা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্স। এই আশু ভবিষ্যত পাল্টানোর ক্ষমতা আপাতত কারো নেই। আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। মাহফুজ আলম বলেন, উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায় এবং অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে। তিনি বাকিদের আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখার পরামর্শ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%