শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৩ পি.এম
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী এলাকায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল দশটার দিকে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত যুবক, মোটরসাইকেল চালক অপু মাঝি, স্থানীয় কটকস্থল গ্রামের ছালেক মাঝির পুত্র।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার এসআই মোহাম্মাদ রোমান জানিয়েছেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে চলে যায়। ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেল চালক অপু মাঝি (২৬) নিহত হন।
হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর নিহতের লাশ উদ্ধার করে। পাশাপাশি, হানিফ পরিবহনের বাসটিও আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তারা অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি জানিয়েছেন, এই বিক্ষোভের প্রভাব কোনোভাবেই পশ্চিমবঙ্গে পড়তে দেওয়া হবে না।
শুভেন্দু অধিকারি বলেন, ‘অশান্তি তৈরির জন্য দেশে থেকেই দেশকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে। দেশের মানুষ এসব মেনে নেবে না।’ তিনি অভিযোগ করেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা হচ্ছে এবং বলেন, ‘আমরা এই রাজ্যে কোনোভাবে এসব করতে দেব না।’
দিল্লিতে ‘তেরঙা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তাদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মসূচি বন্ধ করতে অভিজিৎ দীপকের কাছে নোটিস পৌঁছে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
শুক্রবার নোটিশ পৌঁছে দিতে পুলিশের একটি প্রতিনিধিদল দীপকের বাসভবনে যায়। ভোটার তালিকা বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে সিজেপি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দলটির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। শুক্রবারের এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উড়ন্ত গাড়ির ধারণাকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছে টেসলার পরবর্তী প্রজন্মের রোডস্টার স্পোর্টস কার। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অনুষ্ঠিত এক প্রদর্শনীতে গাড়িটিকে বিশেষভাবে তৈরি র্যাম্পের মাধ্যমে অল্প সময়ের জন্য বাতাসে ভেসে আবার মাটিতে অবতরণ করতে দেখা গেছে। এই কৌশলটি স্পেসএক্সের তৈরি কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার ব্যবহার করে দেখানো হয়। তবে প্রদর্শনীটি গাড়িটির দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার বা উড়ন্ত অবস্থায় দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সক্ষমতা প্রমাণ করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের পরীক্ষাকেন্দ্রে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে রোডস্টারকে একটি বিশেষ বাঁকানো র্যাম্প বেয়ে ওপরে উঠতে এবং প্রায় উল্টো অবস্থায় চলতে দেখা যায়। এরপর গাড়িটি থ্রাস্টারের সাহায্যে র্যাম্প থেকে নেমে বাতাসে কৌশল দেখিয়ে মাটিতে অবতরণ করে। প্রদর্শনীতে অন্যান্য কয়েকটি টেসলা গাড়ির ওপর দিয়েও লাফিয়ে যেতে দেখা যায় রোডস্টারটিকে। উল্লেখযোগ্যভাবে, গাড়িটি চালক ছাড়াই এই প্রদর্শনীতে অংশ নেয়।
গাড়িটি ঠিক কত উঁচুতে উঠেছিল, অনুভূমিকভাবে কত দূরত্ব অতিক্রম করেছে কিংবা কতক্ষণ বাতাসে ছিল, সে বিষয়ে টেসলা সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি। তবে প্রদর্শনীসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে প্রায় ২১ মিটার উচ্চতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিমাপ র্যাম্পে থাকা অবস্থায় গাড়িটির অবস্থান নির্দেশ করে; এটিকে মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় গাড়িটির নিশ্চিত উড্ডয়ন-উচ্চতা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
প্রদর্শনীতে দেখা কৌশল থেকে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, রোডস্টারটি বড় বাধা অতিক্রম করতে পারবে কি না, দীর্ঘ সময় বাতাসে থাকতে পারবে কি না কিংবা মাটিতে না নেমে উল্লেখযোগ্য দূরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম কি না। তাই এটিকে আপাতত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে দেখানো একটি সংক্ষিপ্ত উড্ডয়ন-কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
রোডস্টারের প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় স্পেসএক্সের তৈরি কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত রকেট ইঞ্জিনের মতো এতে জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি উৎপন্ন করা হয় না। বরং উচ্চচাপে সংরক্ষিত গ্যাস নির্গত করে ধাক্কা বা বল সৃষ্টি করা হয়। গাড়িটিকে বাতাসে তোলা এবং এর চলাচলের দিক নিয়ন্ত্রণে এই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখে। প্রদর্শনীতে গাড়িটির র্যাম্প বেয়ে ওঠার জন্য বিশেষ ফ্যানভিত্তিক সাকশন ব্যবস্থাও ব্যবহার করা হয়।
গাড়িটির উড্ডয়নব্যবস্থা ব্যবহারের জন্য বিশেষ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ কিংবা বিমা লাগবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত নিয়ম ঘোষণা করা হয়নি। বিষয়টি গাড়িটির চূড়ান্ত নকশা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এর উড্ডয়ন সক্ষমতাকে কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করবে, তার ওপর নির্ভর করবে। সাধারণ সড়কে চলাচলের অনুমোদন পেলেও উড্ডয়নব্যবস্থা ব্যবহার করতে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিমান চলাচলবিষয়ক বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হতে পারে।
বিমার ক্ষেত্রেও জটিলতা দেখা দিতে পারে। সাধারণ মোটরযান বিমা আকাশে লাফ দেওয়ার সময় দুর্ঘটনা বা ক্ষয়ক্ষতি হলে তা কভার করবে কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। এ ধরনের ঝুঁকির জন্য বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা শর্ত ও সুরক্ষা নির্ধারণ করতে হতে পারে।
নতুন রোডস্টারের চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য এখনো নিশ্চিত করেনি টেসলা। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের গাড়িটি প্রথম ঘোষণার সময় এর প্রারম্ভিক দাম ২ লাখ ডলার বলা হয়েছিল। তবে সেই মূল্যকে নতুন নকশার মডেলটির নিশ্চিত বিক্রয়মূল্য হিসেবে ধরা যাবে না। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে বিভিন্ন সংস্করণের বুকিংয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ জমা দেওয়ার তথ্য এসেছে। কিন্তু চূড়ান্ত মূল্য, সংস্করণভেদে সুবিধা এবং সরবরাহের বিস্তারিত এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
টেসলা জানিয়েছে, গাড়িটির উৎপাদন ২০২৮ সালে শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে উৎপাদনের সম্ভাব্য সময়সীমা ঘোষণার অর্থ এই নয় যে ওই সময়েই গাড়িটির সরবরাহ নিশ্চিতভাবে শুরু হবে। নতুন মডেলটি বাজারে আসার আগে এর নকশা, কার্যক্ষমতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।
প্রদর্শনীটি উড়ন্ত গাড়ির ধারণাকে আলোচনায় আনলেও দৈনন্দিন যাতায়াতের বিকল্প হিসেবে এমন গাড়ি ব্যবহারের আগে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। নিয়মিত উড্ডয়ন ও অবতরণের নিরাপত্তা, কার্যক্ষমতা, পরিচালন ব্যয় এবং সড়ক ও বিমান চলাচলবিষয়ক অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে। ফলে রোডস্টারের এই প্রদর্শনীকে আপাতত ভবিষ্যৎ পরিবহন প্রযুক্তির একটি পরীক্ষামূলক প্রদর্শন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার নাদুরিয়া ঘাটে গড়াই নদীর ওপর ৬৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পন্ন হয়নি। তিন দফা সময় বাড়ানোর পরও ৬৫০ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
সেতুটি চালু হলে রাজবাড়ী, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হবে। স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে দুর্ভোগ কমবে বলেই আশা করছেন এলাকাবাসী।
এছাড়া, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার সঙ্গে ঢাকার সড়ক পথে যোগাযোগের দূ mesা ৬০ কিলোমিটার কমে যাবে।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩ জুন সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ৩ জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তিন দফায় সময় বৃদ্ধি করা হয়। সর্বশেষ গত ১০ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ৬০ ভাগ। রাজবাড়ীর এলজিইডিতে এখনো অসমাপ্ত কাজের শেষ সময় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
সম্প্রতি নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, সেতুটির চারটি স্প্যান ও দুটি গার্ডার বসানো বাকি রয়েছে। রাজবাড়ী প্রান্তে মাত্র তিনজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। শ্রমিকসংকটের কারণে কাজের গতি কমে গেছে বলে জানা গেছে।
নাদুরিয়া গ্রামের শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ প্রতিদিন নৌকায় গড়াই নদী পার হয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ উচ্চবিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হন। তিনি বলেন, "সেতু নির্মাণের আশায় বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। তখন ভেবেছিলাম, সেতু চালু হলে বাড়ি থেকে স্কুলে যেতে মাত্র ১০ মিনিট লাগবে। কিন্তু তার স্কুলজীবন প্রায় শেষ হলেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি।"
লাঙ্গলবাঁধ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, রাজবাড়ী থেকে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী তার বিদ্যালয়ে পড়তে আসে। নদী পারাপারের সমস্যার কারণে তারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হতে পারে না। সেতু চালু হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিক পিকুল হোসেন জানান, নিয়মিত মজুরি না পাওয়ার কারণে ১৫ জন শ্রমিকের মধ্যে ১২ জন কাজ ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি বলেন, "গত চার মাস ধরে তারাও মজুরি পাননি।"
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আবদুল হামিদ বলেন, সেতুর কাজ শেষ করতে আরও এক বছর সময় লাগবে। সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে।
রাজবাড়ী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদ হাসান জানান, সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে কাজের গতি কমেছে। জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ক্ষতিপূরণ পরিশোধের পর সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা যাবে। তারা দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার আশা প্রকাশ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম সার্কিট হাউসে ফিরেছেন। ফিরে আসার পর তিনি অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছেন।
চুয়েটের একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে এই সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সদস্যরা সভায় অংশগ্রহণ করবেন কি না, জানতে চাইলে কেউই নিশ্চিত করে কিছু বলেননি।
চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রাশিদুল হাসান মন্তব্য করেন, "আমি ছুটিতে আছি। সভায় যোগ দিতে পারব কি না, তা নিশ্চিত নই।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী দেলোয়ার হোসাইন বলেন, "উনি মেসেজ পাঠিয়েছেন। মেসেজ পাঠিয়ে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা যায় কি না, কিংবা এটি নিয়মের মধ্যে পড়ে কি না, তা জানি না। নিয়ম অনুযায়ী, রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে চিঠি আসে।"
এদিকে, চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি আগেই রেজিস্ট্রারের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
সিন্ডিকেট সভা আহ্বানের বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় মুক্ত হন উপাচার্য। পরে জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সার্কিট হাউসে ফিরে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ