সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৩ এম
আশাশুনিতে মাসব্যাপী দাওয়াতী গণসংযোগের অংশ হিসেবে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সমাবেশটি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেয়ারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি ও শোভনালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আবু বক্কর সিদ্দীক।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সভাপতি প্রফেসর শাহজাহান হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি বোরহান উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওঃ আব্দুল গফ্ফার, জেলা উপদেষ্টা এড. আব্দুস সোবহান মুকুল এবং উপজেলা উপদেষ্টা আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, মাওঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ইসলাম ধর্মে শ্রমিকের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, "শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, দাওয়াতী গণসংযোগ উপলক্ষে পেশাভিত্তিক উপজেলার প্রত্যেক শ্রমিকের কাছে ইসলামের দাওয়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। সমাবেশে শোভনালী, আশাশুনি সদর, বড়দল ও শ্রীউলা ইউনিয়নের কর্মীগণ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরীন-এর আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওঃ খলিলুর রহমান আজাদী এবং সেক্রেটারী হিসেবে হাফেজ মাওঃ আবু হুসাইন বুলবুলকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, সহ-সভাপতি হিসেবে মাওঃ মোফাজ্জেল হোসেন হেলালী, মাওঃ গোলাম মোস্তফা ও হাফেজ শাহিদুল ইসলাম, সহ-সেক্রেটারী হিসেবে মাওঃ হাবিবুল্লাহ বাহার হাবিবী, অর্থ সম্পাদক এম আনোয়ার হোসাঈন সাঈফী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ জাহিদুল ইসলাম আনছারী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওঃ আমানুল্লাহ আমান, মিডিয়া সম্পাদক মাওঃ আবু ঈসা আজাদী, অফিস সম্পাদক হাফেজ ক্বারী আঃ হাসান জামিল, ফতোয়া বিষয়ক সম্পাদক মুফতী নজরুল ইসলাম কাছেমী, প্রচার সম্পাদক হাফেজ নাসির উদ্দিন, শিল্পী ও সাহিত্যিক সম্পাদক মুফতী গাজী তরিকুল ইসলাম এবং সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ তরিকুল ইসলাম বেলালী।
এছাড়া, সদস্য হিসেবে মাওঃ গাজীঃ শফিকুল ইসলাম, হাফেজ মাওঃ মনিরুল ইসলাম, মাওঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ, হাফেজ মেহেদী হাসান, হাফেজ ফরিদউজ্জামান ফরিদ, ক্বারী মাওঃ ইয়াছিন আরাফাত, মাওঃ নাসিরুল ইসলাম এবং হাফেজ ইয়াছিন আরাফাত অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, উপদেষ্টা হিসেবে মাওঃ শামসুল আরেফিন, মাওঃ আব্দুল আলিম এবং মাওঃ ফরিদউদ্দীন আরারীকে মনোনীত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে মাদকদ্রব্যের চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান চলমান রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, ২০ সেপ্টেম্বর, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মথুরাপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মথুরাপুর মাঠে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের সময় বিজিবি টহল দলের কার্যক্রমের ফলে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫ বোতল ভারতীয় মদ এবং ২,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ছয় লক্ষ সাত হাজার পাঁচশত টাকা। উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য বিধি অনুযায়ী কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানায় জমাকরণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত রাখতে বিজিবির এই কঠোর ও ধারাবাহিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গুজ্বরে এবার দুজনের অকাল মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে একজন হলো মাজাহারুল মুন্না অপু (১৭)। অপু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের সহকারী (হেলপার) হিসেবে কাজ করতেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৮ টার দিকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে (হেলথ কেয়ার ক্লিনিক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপু'র মৃত্যু ঘটে। তিনি উপজেলার গড়ইখালী ইউপি'র শান্তা'র মাসুম বিল্লাহ সরদার ও বেলী দম্পতির সন্তান ছিলেন।
অপু ছোটবেলা থেকে নানার বাড়ি ভিলেজ পাইকগাছায় বসবাস করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিকেলে ভিলেজ পাইকগাছার উত্তর পাড়া শাহী জামে মসজিদে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে সরকারি কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডলের অকাল মৃত্যু ঘটে। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার লস্কর ইউপি'র ঠাকুরনবাড়ীতে অবস্থিত।
উপজেলায় প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই মুহূর্তে কার্যকর পদক্ষেপ বা মশক নিধনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বিভিন্ন রোগ নিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০-১২০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর জন্য মাত্র ৫টি বেড রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না জানিয়েছেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০-১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
মশক নিধন বা সচেতনতা না বাড়ালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা।
রোববার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বাবু, প্রধান শিক্ষক আজমল হাসান টিপু, সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শিবুপদ বিশ্বাস, প্রকল্প কর্মকর্তা মটর কুমার মণ্ডলসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হামিদুল ইসলাম হামিদ বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।" তিনি আরও বলেন, "সরকার পাঁচ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।"
শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তাদের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যদি একটি করে গাছ লাগিয়ে সেটি পরিচর্যা করে বড় করে তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে এর সুফল পুরো সমাজ পাবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজমল হাসান টিপু বলেন, "শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করে তোলা আমাদের দায়িত্ব। আজ যারা গাছের চারা সংগ্রহ করেছে, তারা যদি নিয়মিত গাছগুলোর পরিচর্যা করে, তাহলে এই ছোট উদ্যোগ একসময় বড় একটি সবুজ কর্মসূচিতে পরিণত হবে।"
সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শিবুপদ বিশ্বাস বলেন, "শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি এবং বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তোলাই আমাদের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। শুধু চারা বিতরণ নয়, শিক্ষার্থীরা যেন গাছগুলো রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করে এবং অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করে সেদিকেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ