প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গুজ্বরে এবার দুজনের অকাল মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে একজন হলো মাজাহারুল মুন্না অপু (১৭)। অপু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্সের সহকারী (হেলপার) হিসেবে কাজ করতেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৮ টার দিকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে (হেলথ কেয়ার ক্লিনিক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপু'র মৃত্যু ঘটে। তিনি উপজেলার গড়ইখালী ইউপি'র শান্তা'র মাসুম বিল্লাহ সরদার ও বেলী দম্পতির সন্তান ছিলেন।
অপু ছোটবেলা থেকে নানার বাড়ি ভিলেজ পাইকগাছায় বসবাস করতেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিকেলে ভিলেজ পাইকগাছার উত্তর পাড়া শাহী জামে মসজিদে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে সরকারি কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার মন্ডলের অকাল মৃত্যু ঘটে। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার লস্কর ইউপি'র ঠাকুরনবাড়ীতে অবস্থিত।
উপজেলায় প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই মুহূর্তে কার্যকর পদক্ষেপ বা মশক নিধনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বিভিন্ন রোগ নিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১১০-১২০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর জন্য মাত্র ৫টি বেড রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না জানিয়েছেন, হাসপাতালে প্রতিদিন ১০-১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন।
মশক নিধন বা সচেতনতা না বাড়ালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন