০৪:১১ পি.এম
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর সোনারচরে দস্যুতার অভিযোগে ৯ জন জেলেকে আটক করে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সোনারচরের বড় খাল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রায় ১৫ দিন আগে মাছ ধরার সময় হামলা, মারধর, জাল, মাছ এবং অন্যান্য মালামাল লুটের অভিযোগে ডাকাত হিসেবে তাদের চিহ্নিত করে চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে নিয়ে এসে নৌপুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রাতের মধ্যেই তাদের রাঙ্গাবালী থানায় স্থানান্তর করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশের কর্মকর্তারা।
আটক ৯ জন জেলে চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার আহমেদপুর ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের রাসেল মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
আরও পড়ুন: বরিশালে মাদকের টাকা না পেয়ে স্ত্রী-শাশুড়িকে মারধর ও হত্যার হুমকি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
দস্যুতার শিকার হয়েছেন দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রণগোপালদীর আবু তালেব গাজীর মালিকানাধীন ট্রলার। ওই ট্রলারের জেলে আবুল বশার সরদার জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ দিন আগে সোনারচরের দক্ষিণে তাদের ট্রলার অবস্থান করছিল। এসময় রূপারচরের দিক থেকে আসা একটি ট্রলার তাদের থামার সংকেত দেয়। পরে সেই ট্রলার এসে তাদের ট্রলারের গতিরোধ করে। এ সময় জাল-হুতা টেনে নেওয়া, মারধর এবং তেল, দুই ককসিট মাছ, প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট জাল, মোটর-লাইট ও মোবাইল ফোন লুটের অভিযোগ করেন তিনি।
আবু তালেব গাজী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোনারচরের বড় খালের কাছে তাদের বোট বাঁধা ছিল। এ সময় সাগর থেকে একটি বোট এসে তাদের বোট দেখে আবার সাগরের দিকে চলে যায়। পরে সেটি ফিরে এসে মাছ বিক্রি করতে শুরু করলে তারা বোটটি চিনতে পারেন। এরপর ৯ জেলেকে ধরে চরমোন্তাজ ঘাটে এনে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ জানিয়েছেন, ১০-১৫ দিন আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবারের এই ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষের লোকজনের বক্তব্য শোনা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন: ভালো ফল অর্জন করলেই হবে না, সুনাগরিক হতে হবে: বিসিসি প্রশাসক শিরিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন