কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৬ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙনে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের বাসিন্দারা। নদীর তীব্র ভাঙনে ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে জনপদ। হুমকির মুখে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন রোধ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের চরখোলাবাড়িয়া এলাকায় চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
স্থানীয়রা জানান, মধুমতি নদীর ভাঙন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। নদী থেকে মাত্র প্রায় ৫০ মিটার দূরে চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রায় ৪০ মিটার দূরে রয়েছে আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসা। ভাঙন অব্যাহত থাকলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এ ছাড়া ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে স্থানীয় মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, গোরস্থান, মোখছেদ মোল্লা এতিমখানা, পোস্ট অফিস ও দিগনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। একই সঙ্গে অসংখ্য বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমিও রয়েছে ঝুঁকিতে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মধুমতির ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ছোট হয়ে আসছে এলাকার জনপদ। চোখের সামনে নদীতীরবর্তী জমি ও স্থাপনা বিলীন হতে দেখে আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও বসতভিটা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন শত শত পরিবারের মানুষ।
মানববন্ধন শেষে নদীভাঙনের ভয়াবহতা থেকে চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগরসহ আশপাশের জনপদ, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি রক্ষায় মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে নদীভাঙনের কবল থেকে এলাকাবাসীর জানমাল ও সম্পদ রক্ষা এবং বিপদ থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করা হয়।
আল আমিন মিয়া, রবিউল ইসলাম রাকিব মিয়াসহ একাধিক যুবক বলেন, নদীভাঙন এখন আমাদের এলাকার সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। চোখের সামনে নদী যেভাবে তীর ভাঙছে, তাতে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি রক্ষা করা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে অনেক পরিবার বসতভিটা হারাবে।
আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ আবদুর রব ফারুকী বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙন অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদ্রাসাটি নদীর খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মাদ্রাসাসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন, বিদ্যালয়টি নদী থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূরে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে বিদ্যালয়টি বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙন পরিস্থিতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে রয়েছে। নদীতে এখন অনেক পানি রয়েছে। পানি কমলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছরই তাদের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। তবে এবারের ভাঙন তীব্র হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলি জমি রক্ষায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘আওয়ামী লীগের নেতাকে ভালো লাগে না, আওয়ামী লীগ নেতার গাড়ি ভালো লাগে’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন মন্তব্য ও একটি গাড়ি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসার পর এবার মনিরুল ইসলাম তুষার ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে মাদারীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।
সম্প্রতি এনসিপির লংমার্চে দলটির নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ব্যবহৃত একটি গাড়ির মালিকানা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে গাড়িটির মালিকানা সম্পর্কে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘এই গাড়ির মালিকের কথা জানলে আপনারা গাড়ি ভেঙে ফেলবেন।’ এরপর গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও যাচাই-বাছাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গাড়ির সঙ্গে তুষার ভূঁইয়ার নামের যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে তুষার ভূঁইয়ার সম্পর্ক এবং লংমার্চে গাড়িটি ব্যবহারের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। তবে গাড়িটির মালিকানা ও ব্যবহারের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো নথি বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মনিরুল ইসলাম তুষার ভূঁইয়া এর আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি দলটির স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। তৎকালীন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও স্থানীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি ছিল।
৫ আগস্টের পর তুষার ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ার কথাও স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার রাজনৈতিক উত্থান ও প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তুষার ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিপুল অর্থ-সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেন, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এরই মধ্যে গাড়ি বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই তুষার ভূঁইয়াকে মাদারীপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের খবর প্রকাশ্যে আসে। ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা একজন ব্যক্তি কীভাবে নতুন রাজনৈতিক শক্তি এনসিপির জেলা নেতৃত্বে এলেন?
বিশেষ করে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে গাড়ি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার পরপরই তুষার ভূঁইয়ার এনসিপির জেলা আহ্বায়ক হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক পুনর্বাসনের প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন। আবার অনেকে বলছেন, অতীত রাজনৈতিক পরিচয় ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান—দুই বিষয়ই দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে মূল্যায়ন করা উচিত।
এদিকে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর আগের একটি বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে সামনে এসেছে। তিনি বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের দায়িত্ব যদি তাদের হাতে থাকে, তাহলে এর ফয়সালা রাজপথে হবে এবং ‘পিঠের চামড়া থাকবে না’।
তবে তুষার ভূঁইয়াকে জেলা আহ্বায়ক করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে এনসিপির স্থানীয় নেতৃত্বের ব্যাখ্যা এবং তার বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য জানা যায়নি। একইভাবে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক, লংমার্চে ব্যবহৃত গাড়ির মালিকানা এবং গাড়িটি ব্যবহারের কারণ নিয়েও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফলে তুষার ভূঁইয়ার অতীত রাজনৈতিক পরিচয়, আওয়ামী লীগ আমলে তার উত্থান, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঙ্গে গাড়ি বিতর্ক এবং সর্বশেষ এনসিপির জেলা নেতৃত্বে তার অন্তর্ভুক্তি—সব মিলিয়ে মাদারীপুরের রাজনীতিতে নতুন করে তৈরি হয়েছে আলোচনা। বিষয়গুলো নিয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের মেয়েরা সেমিফাইনালে ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন যেকোনো উপায়ে। যদিও গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে পরাজিত হওয়ার ফলে তাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
আজ নারী এশিয়া কাপে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশ মাঠে নামবে ভারতের বিপক্ষে। প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল, এবং বাংলাদেশের জন্য ব্যাটিং নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচেই বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে সমস্যায় পড়েছিল। দলের সংগ্রহ ১০০ রানের বেশি করতে তাদের হিমশিম খেতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে বাংলাদেশের ব্যাটার শারমিন আক্তার সুপ্তা প্রতিপক্ষের শক্তি কিংবা ম্যাচের গুরুত্বকে চাপ হিসেবে দেখছেন না। বরং তিনি ভারতের মতো দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগটিকে বড় করে দেখছেন। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, মাঝেমধ্যে চাপ থাকবে, যদি সেভাবে ভাবা হয়। তবে একদিক থেকে এই ম্যাচ আমাদের জন্য আনন্দের।
আমরা ভারতের মতো দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাচ্ছি, তারা শীর্ষ দল। যদি চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাহলে এমন দলের বিপক্ষে খেলতে হবে। ফলে ব্যাপারটা আনন্দের, চাপের নয়।”
দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক নিগার সুলতানার কণ্ঠে ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছিল। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আর ফাইনাল খেলতে পারেনি।
বেশির ভাগ সময় সেমিফাইনালে তাদের যাত্রা থেমে গেছে, যেখানে ভারত বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে। তাই এবার বাংলাদেশ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেরা চারে ভারতকে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিল; কিন্তু গ্রুপ পর্বে ব্যাটিং ব্যর্থতায় লঙ্কান মেয়েদের বিপক্ষে হার তাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ব্যাটিংয়ে দ্রুত উইকেট হারানো। ফলে স্কোরও বড় হচ্ছে না। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের দুটি জয়েই বোলারদেরই এগিয়ে আসতে হয়েছে।
সেমির আগে ব্যাটিংয়ে আরো ভালো করার তাগিদ স্পষ্ট শারমিনের কথায়। তিনি বলেন, “আসলে সে রকম না (ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্ট না)। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবাই চার-ছক্কা দেখতে চায়। বাউন্ডারি দেখতে চায়। তারা এসব দেখতেই আসে। সেগুলো এনে দিতে হলে ভালো পিচ দরকার। তবে ক্রিকেটার হিসেবে তো মানিয়ে নিয়ে খেলতেই হবে।”
অন্যদিকে, গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে ভারত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ছয় কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। একই সময়ে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম সাইফুল আলম খানের পূর্বের বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান কর্তৃক সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে পাঁচ কর্মকর্তাকে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে বিভিন্ন পদে পদায়ন করা হয়েছে। তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম সাইফুল আলম খানের পূর্বের বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং এর আগে তাকে মাগুরার সদর সার্কেলে বদলি করা হয়েছিল।
এছাড়া, অপর এক প্রজ্ঞাপনে ফারিয়া আফরোজকে এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ থেকে বদলি করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা (টিআর) পদে পদায়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ