শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:০৬ এম
মাদারীপুরে সব ধরনের শাকসবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে। শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিক্রেতা ও আড়তদাররা উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শহরের পুরান বাজার এলাকার প্রধান পাইকারি কাঁচাবাজার পরিদর্শন করা হলে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে সারি সারি সবজির দোকান রয়েছে। সেখানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দূরদূরান্ত থেকে পাইকাররা সবজি কিনতে আসছেন। কিন্তু বাড়তি দামে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
বিভিন্ন জেলা, যেমন বগুড়া, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী থেকে ট্রাকে করে বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, গাজর, পেঁপে সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি মাদারীপুরের পাইকারি আড়তে নিয়ে আসা হচ্ছে। পরে সেগুলো পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। পাইকারদের কাছ থেকে সবজি কিনে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেন খুচরা বিক্রেতারা। এভাবে কয়েক হাত ঘুরে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছায় সবজি, যা দামে প্রভাব ফেলে। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পরিবহন খরচ কমলে সবজির দামও কমতে পারে।
আড়তদারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৮ টাকা, আদা ১৭০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, আলু ১৭ থেকে ১৮ টাকা, পেঁপে ১০ থেকে ১২ টাকা, পটল ৩৬ টাকা, বেগুন ৭৫ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে বাড়তি দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘জেলার সব পাইকারি বাজারেও শাকসবজির বাড়তি দাম। শুধু দাম বেড়েই যায়, কিন্তু কখনই কমে না। এটি দেখার যেন কেউই নেই। কী করব, আমাদের তো কিনে খেতেই হবে। আমরা ক্রেতারা অসহায়।’
ব্যবসায়ী ইরফান আহম্মেদ রেজা বলেন, ‘প্রতিদিনই বাজারে শাকসবজির দাম বেড়েই চলছে। পাইকারি কিনতে গেলে দাম বেশি, বিক্রি করতে গেলে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া করতে হয়। আমরা চাই বাজার স্থিতিশীল থাকুক। কিন্তু তাও কখনই হয় না।’
আড়তদার বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘পরিবহন খরচ বেড়েছে, তাই কাঁচামালের দাম কিছুটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই।’
আবু তালহা বাণিজ্যালয়ের ব্যবসায়ী বাবুল মাতুব্বর বলেন, ‘একদিকে উৎপাদন কম, অন্যদিকে হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কিছুটা বেড়েছে দাম। আমরা সাধ্যমতো দাম কম রাখার চেষ্টা করছি।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল বলেন, ‘কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কোনো পণ্যের দাম বেশি রাখে, এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ওরেগনের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক শিক্ষক ও তিন শিশু নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, হামলাকারীও গুলিতে নিহত হয়েছে।
বেন্ড পুলিশ বিভাগের প্রধান মাইক ক্র্যান্তজ সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাস্থলে নিহতদের মধ্যে পাঁচ, আট এবং ১১ বছর বয়সি তিন শিশু এবং একজন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ওরেগনের স্কুলে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে একটি ১৬ বছর বয়সি কিশোরকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা জানায়, হামলাকারীকে ‘গুলি করা হয়েছে এবং সে মারা গেছে’ বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বেন্ড পুলিশ বিভাগের প্রধান বলেন, ‘আমরা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছি; সে বেন্ড শহরের বাসিন্দা এবং তার বয়স ১৬ বছর।’
তিনি আরও জানান, ‘স্কুলে ওই সন্দেহভাজনকে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করে স্কুলের ভেতরে যান এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন; একপর্যায়ে ওই স্থানীয় ব্যক্তি সন্দেহভাজনকে গুলি করে।’
বেন্ড পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র শিলা মিলার জানিয়েছেন, একটি গাড়িতে গুলি চালানোর খবরের প্রেক্ষিতে পুলিশ সদস্যরা সাড়া দেন; এরপর কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্কুলের ভেতরে একজন বন্দুকধারী সক্রিয় রয়েছে, এমন একাধিক জরুরি কল আসতে থাকে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বরাত দিয়ে সিএনএন ও সিবিএস নিউজ হতাহতের খবর জানায়।
মিলার জানিয়েছেন, সিলভার রেল এলিমেন্টারি স্কুলে ৪০০ থেকে ৪৫০ শিশু পড়াশোনা করে এবং সেখানে ৪০ জনেরও বেশি কর্মী কাজ করেন।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলে নুরুল আলমের (৪৫) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, নেশার টাকার জন্য ঘুমন্ত মা রেজিয়া খাতুনকে (৭০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
এটি ঘটেছে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামে, যেখানে রেজিয়া খাতুন ওই গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, নুরুল আলম নিয়মিতভাবে মাদক সেবন করতেন। নেশার টাকা সংগ্রহ নিয়ে তার মা রেজিয়া খাতুনের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। শুক্রবার ভোরে, যখন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন, নুরুল আলম হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে বসতঘরে রাখা ধারালো দা দিয়ে বিছানায় ঘুমন্ত মায়ের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপাতে শুরু করেন।
রেজিয়া খাতুনের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘুম থেকে উঠে দেখেন, নুরুল আলম মাকে বিছানায় কুপিয়ে হত্যা করে পালানোর চেষ্টা করছেন। পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানালে গ্রামবাসী ও স্বজনরা মিলে নুরুল আলমকে আটক করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশের কাছে তুলে দেন।
নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলী জানান, নেশার টাকার জন্য মা ও ছেলের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো। ভোরে যখন পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন নুরুল আলম ঘুম থেকে উঠে বিছানায় ঘুমন্ত মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রথমে গলা কেটে এবং পরে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন, যা ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যুর কারণ হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া নিহত রেজিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি ঘটনায় প্রেমিকার ফোন নম্বর চাওয়ার কারণে এক উবার ইটস ডেলিভারি চালককে গুলি করার অভিযোগে পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চালক প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলার পর তার ফোন নম্বর চাইতে ফিরে আসেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত যুবক তাকে গুলি করেন। গুলির ফলে চালকের নিতম্বে আঘাত লাগে। খবর এনডিটিভির
অভিযুক্ত যুবকের নাম খুসলেন সারুলতুয়া (৩৩)। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, প্রাণঘাতী অস্ত্র দিয়ে গুরুতর হামলা এবং মাদক পাচারের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে মিয়ামি-ডেড কাউন্টির টার্নার গিলফোর্ড নাইট সংশোধনাগারে জামিন ছাড়া আটক রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে মিয়ামি-ডেডের পার্ল ডেডল্যান্ড অ্যাপার্টমেন্টে গুলির শব্দ শোনা যায়। পুলিশকে খবর দেওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, সেখানে কয়েকজনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল, এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায়। একই সময়ে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি ব্যাপটিস্ট হেলথ সাউথ মিয়ামি হাসপাতালে পৌঁছান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ডেলিভারি চালক পুলিশকে জানান, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা আগে তিনি অ্যাপার্টমেন্টের এক নারীর কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছিলেন। সে সময় তাদের মধ্যে কিছু কথাবার্তা হয়। নারীটির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি রাত ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে সেখানে ফিরে যান ফোন নম্বর নেওয়ার আশায়।
কিন্তু ওই নারী ফোন নম্বর দিতে রাজি হননি। এরপর চালক নিজের গাড়ির দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় একটি শেভ্রোলেট করভেট গাড়ি নিয়ে সেখানে হাজির হন সারুলতুয়া। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি বন্দুক তাক করে চালককে মাটিতে শুয়ে পড়তে বলেন। এরপর গুলি ছুড়লে চালকের ডান নিতম্বে আঘাত লাগে। পরে বন্দুক দিয়ে তার মাথার পেছনে আঘাত করেন অভিযুক্ত, যার ফলে মাথায় প্রায় দুই ইঞ্চি লম্বা ক্ষত তৈরি হয়।
চালককে উঠে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়ে তার মাথায় বন্দুক তাক করেন সারুলতুয়া। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি তোমাকে মেরে ফেলব।’ অভিযুক্তের প্রেমিকা তাকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং চিৎকার করে গুলি না চালাতে বলেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে, সারুলতুয়া চালককে লক্ষ্য করে গাড়ির চারপাশে ধাওয়া করতে থাকেন।
পুলিশ গাড়ির নম্বরপ্লেটের সূত্র ধরে সারুলতুয়াকে শনাক্ত করে। পরে ছবির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করেন ভুক্তভোগী চালক। এরপর অভিযুক্তকে অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক ও ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে কেটামিন, কোকেন, এমডিএমএ, সাইলোসাইবিন মাশরুম, গাঁজা, অ্যাডেরল, অক্সিকোডোন, অ্যামফেটামিন, জ্যানাক্স, ১৬টি সিয়ালিস বড়ি এবং ‘পিংক কোকেন’ নামে পরিচিত মাদকের দুটি প্যাকেট।
আদালতে হাজির করা হলে সারুলতুয়া দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলো তার প্রেসক্রিপশনের ওষুধ।
এদিকে, উবার নামক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অভিযোগগুলো গুরুতর এবং তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ৬ নং সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান। নতুন মুখ হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমে তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় মসজিদ মাদ্রাসা ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। পাশাপাশি সবার কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন তিনি।
প্রচারণার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নেওয়া, এলাকার সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনা এবং জনসেবার মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর এই প্রচারণায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ মোস্তাফিজুর রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কথাবার্তা ও মানুষের সঙ্গে মেশার ধরনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, তিনি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
আলেপের তেপথী এলাকার বাসিন্দা মো. আবু তালেব বলেন,মোস্তাফিজুর রহমান একজন শিক্ষিত ছেলে। সে এলাকার মেম্বার নির্বাচিত হলে তার মাধ্যমে ভালো কিছু হবে বলে আমি আশা করি। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে বিশ্বাস করি।
অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা বৃদ্ধা ঝরিমন বেওয়া বলেন,তার কথাবার্তা অনেক ভালো। অন্যদের তুলনায় তাকে একটু আলাদা মনে হয়। সে মানুষের কাছে এসে খোঁজখবর নেয়, কথা বলে এবং মানুষের কথা শোনে। এমনভাবে কাছে এসে খোঁজ নেওয়ার বিষয়টি আমার ভালো লাগে।
স্থানীয় এই দুই বাসিন্দার বক্তব্যে মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে শিক্ষিত নেতৃত্ব, ভালো ব্যবহার এবং মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রত্যাশার বিষয়টি উঠে এসেছে।
মোস্তাফিজুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার লিফলেটে ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ, সন্ত্রাস ও অপরাধ প্রতিরোধ এবং যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে।
এ ছাড়া সামাজিক ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখা, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে তাঁর নির্বাচনী পোস্টারে।
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নতি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। এসব অঙ্গীকারের মাধ্যমে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও জনবান্ধব ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রত্যাশা তুলে ধরছেন এই সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান ঢাকা সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে মাস্টার্স (এমএ) সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি কুড়িগ্রাম শহর শাখার ফার্মা বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় মোস্তাফিজুর রহমান ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন। তাঁর নির্বাচনী পোস্টারে সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে সমর্থন চাওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা ও প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকার সব মিলিয়ে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর প্রচারণা ঘিরে জনসম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আসছে। তবে নির্বাচনে বিজয়ী হলে ঘোষিত অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়ন এবং এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারাই হবে তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ