রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৬ পি.এম
আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে নিজেদের কম্বিনেশন পরীক্ষা করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এই ম্যাচে ভারতীয় দুই ব্যাটিং মাস্টার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির প্রত্যাবর্তন ঘটেছে, পাশাপাশি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের তারকা নমন ধীরও অভিষেক ঘটিয়েছেন।
সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী বিশ্বকাপের আগে এই ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়ানডে অধিনায়ক শুভমান গিল।
টসের পর গিল বলেন, ‘পিচ দেখে বেশ ভালো হচ্ছে। আলো জ্বললে আরও ভালো ব্যাটিং করা যাবে। আমরা এখানে রান তাড়া করতেই চাইব। আমাদের দলে চার জন বোলার এবং দু’জন অলরাউন্ডার। ভালো একটা কম্বিনেশন।’
বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে এই ম্যাচগুলি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে গিল বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো বিশটির বেশি ম্যাচ বাকি। কোন কম্বিনেশনটা আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো, সেটা দেখে নেওয়ার এটাই সময়। যে দল বা খেলোয়াড়দের নিয়ে এগোব, তাদের যথেষ্ট সময় দিতে হবে।’
ক্যারিবিয়ান সিরিজের প্রস্তুতি নিয়ে গিল জানান, প্রস্তুতি ভালোই হয়েছে। তবে বৃষ্টি কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
ভারতীয় দলে বিশেষ কোনো চমক নেই। জশপ্রীত বুমরাহ, শ্রেয়স আইয়াররা এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে জাপানে অবস্থান করছেন। প্রত্যাশামতো দলে রয়েছেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি। নতুন সুযোগ পেয়েছেন ঋতুরাজ গায়কওয়াড়। অলরাউন্ডার হিসেবে নমন ধীর, রবীন্দ্র জাদেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি রয়েছেন। পেসারদের মধ্যে গুর্নুর ব্রার, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং ‘চায়নাম্যান স্পিনার’ কুলদীপ যাদবও দলে অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক শাই হোপের মন্তব্য, ‘টস জিতলে আমরা আজ আগে ব্যাটই করতাম। সময়ের ব্যবধানটা খুব কম। সিপিএলের থেকে পরিস্থিতিটা আলাদা।’
ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে হোপ জানান, ‘আমরা বিশ্বের সেরা দলগুলির বিরুদ্ধে খেলতে চাই। ছেলেরা ভারতের বিরুদ্ধে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলা।’
কেরলের এই শহরটি তার বেশ পছন্দ হয়েছে। হোপের কথায়, ‘এই শহরটাকে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে কাছের জায়গা বলেই মনে হচ্ছে।’
ভারতের প্রথম একাদশ: রোহিত শর্মা, শুভমান গিল (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋতুরাজ গায়কওয়াড়, কেএল রাহুল (উইকেটরক্ষক), নমন ধীর, রবীন্দ্র জাদেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, গুর্নুর ব্রার, কুলদীপ যাদব, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম একাদশ: জন ক্যাম্পবেল, জাস্টিন গ্রিভস, কেসি কার্টি, শাই হোপ (উইকেটরক্ষক, অধিনায়ক), আমির জাঙ্গু, জুয়েল অ্যান্ড্রু, রস্টন চেজ, ম্যাথিউ ফোর্ড, গুডাকেশ মোতি, আলজারি জোসেফ, জেইডেন সিলস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ থেকে অস্কারের ৯৯তম আসরে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে সিনেমাটি নির্বাচিত হয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসর।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের পদ্মা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘রইদ’-এর নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের জন্য ছবিটিকে চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের (বিএফএফএস) অধীনে গঠিত অস্কার বাংলাদেশ কমিটি।
সংবাদ সম্মেলনে অস্কার বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারম্যান ও বিএফএফএসের সভাপতি ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাংলাদেশের নির্বাচিত চলচ্চিত্র হিসেবে ‘রইদ’-এর নাম ঘোষণা করেন।
অস্কারের আন্তর্জাতিক বিভাগে বাংলাদেশের হয়ে লড়াই করার জন্য মোট পাঁচটি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা পড়া ছবিগুলোর মধ্যে ছিল মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, রেদওয়ান রনির ‘দম’, নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, মোহাম্মদ তৌকির ইসলামের ‘দেলুপি’ এবং মনিরুল আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চাঁনখারপুল’।
তবে পরবর্তী সময়ে ‘মানুষের বাগান’ স্বেচ্ছায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর বাকি চারটি চলচ্চিত্র নিয়ে সার্বিক পর্যালোচনা ও গুণগত বিশ্লেষণ করে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি। সিলেকশন কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত ‘রইদ’কে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
অস্কার বাংলাদেশ কমিটির সমন্বয়ক আবদুল্লাহ আল মারুফ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নির্বাচিত ছবির পরিচালক, প্রযোজক ও পুরো কলাকুশলী দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে কমিটি।
‘হাওয়া’র পর সুমনের ‘রইদ’
মেজবাউর রহমান সুমনের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হাওয়া’ মুক্তির পর দর্শক ও চলচ্চিত্রাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এবার তাঁর দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রইদ’ যাচ্ছে অস্কারের মঞ্চে।
‘রইদ’-এর গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে সাধু ও তাঁর মানসিকভাবে অসুস্থ স্ত্রী। তাঁদের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও জীবনের নানা বাস্তবতা ঘিরেই এগিয়েছে সিনেমার কাহিনি। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।
মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, মানসিক টানাপোড়েন ও জীবনের জটিল বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। ‘হাওয়া’র পর সুমনের নতুন এই চলচ্চিত্র ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে ‘রইদ’
বাংলাদেশের হয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে অস্কারের ৯৯তম আসরে অংশ নেবে ‘রইদ’। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি ও জীবনবোধ তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে সিনেমাটি।
অস্কারের মূল প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া আলাদা বিষয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর ‘রইদ’ এখন সেই বাছাই প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে অংশ নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পাশাপাশি শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন।
আইনের শাসনকে সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসনকে সুদৃঢ় করার, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা আসিয়ান কাপের ম্যাচে লাওসকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে সহ-আয়োজক হংকং। লাওসকে ৪-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে নিজেদের অবস্থানকে আরো সুসংহত করলো স্বাগতিকরা।
ভিয়েতনাম ডট ভিএনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, হংকংয়ের কাই তাক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের শুরু থেকেই লাওসকে চেপে ধরে রেখেছিল স্বাগতিকরা। পুরো ম্যাচ জুড়ে ছিল হংকংয়ের একচেটিয়া আধিপত্য।
ম্যাচের ১২ মিনিটে প্রথম সাফল্যের দেখা পায় স্বাগতিকরা। সান মিং হিমের অসাধারণ একটি গোলে লিড নেয় হংকং। এরপর ৩৩ মিনিটে এভারটন কামারগো ব্যবধান দ্বিগুণ করে প্রথমার্ধ শেষ করে।
দ্বিতীয়ার্ধেও লাওসকে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ দেয়নি হংকংয়ের ফুটবলাররা। ৫৫ মিনিটে ডুদুর দুর্দান্ত এক হেডারে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দল। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+১ মিনিটে) লাওসের বক্সে ফাউল হলে পেনাল্টি পায় হংকং। পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে গোল করে লাওসের বড় পরাজয় নিশ্চিত করেন ম্যাট ওর।
এই জয়ের ফলে হংকং আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থানকে আরো মজবুত করলো এবং ফাইনাল খেলার দৌড়ে এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে ব্রুনাইয়ের বিপক্ষে জয় পেলেও, হংকংয়ের কাছে এই বিধ্বস্ত পারফরম্যান্সের কারণে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে লাওসের জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর কেফায়াত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ জুবায়ের (২৫)কে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের ডি/৯ ব্লকে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার হওয়া জুবায়ের মৃত কবির আহমেদ ও জুহুরা বেগমের ছেলে।
এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-২, হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানায়, ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ৫ মিনিটের দিকে টহল দেওয়ার সময় তারা জানতে পারে, কুতুপালং ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের ডি/৯ ব্লকে জুবায়েরের বসতঘরে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একজন ব্যক্তি অবস্থান করছে। পরে রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জুবায়ের পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।
পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ, বসতঘর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার হেফাজতে একটি দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করলে, তার দেখানো মতে বসতঘরের শয়নকক্ষসংলগ্ন উত্তর পাশের ডাইনিং কক্ষে প্লাস্টিকের টেবিলের নিচ থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
এসআরবি-১৫ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার নথি পর্যালোচনায় জুবায়েরকে উখিয়ার আলোচিত কেফায়াত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম প্রধান আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং পলাতক অবস্থায় আত্মগোপনে ছিল বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় আরও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
গ্রেফতার জুবায়েরকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ দমন, অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় এসআরবি-১৫।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ