ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমার অপেক্ষাটা সার্থক : মিম


আমার অপেক্ষাটা সার্থক : মিম

দুই বছরের বিরতির পর এবারের ঈদুল আজহায় নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র ‘মালিক’-এ তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে এবং দীর্ঘ বিরতি নিয়ে এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন তিনি।

মিম বলেন, ‘দুই বছরের এই বিরতি আমার কাছে অনেক দীর্ঘ সময় মনে হয়েছে। এই সময়ে দর্শকরা বারবার জানতে চেয়েছেন, নতুন সিনেমা কবে আসবে। আমি আসলে তাদের জন্য কাজ করতে চেয়েছি, কিন্তু নানা কারণে হয়ে ওঠেনি। তাই এবার ঈদে ‘মালিক’ নিয়ে ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে। দর্শকদের ভালোবাসা ও আগ্রহ দেখে মনে হচ্ছে অপেক্ষাটা সার্থক হয়েছে।’

দীর্ঘদিন নতুন সিনেমায় দেখা না যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, কাজের প্রস্তাবের অভাব ছিল না। তবে তিনি গল্প, চরিত্র এবং পুরো প্রজেক্ট বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর ভাষায়, ‘শুধু পর্দায় উপস্থিত থাকার জন্য কাজ করা উচিত নয়; এমন কিছু করা উচিত, যা দর্শকের মনে থাকে।’

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

‘মালিক’ সিনেমায় কাজ করার বিষয়টি সম্পর্কে মিম জানান, এটি ঈদকে সামনে রেখে পরিকল্পিত একটি বড় প্রজেক্ট ছিল। গল্প এবং অ্যাকশনধর্মী উপস্থাপনাও তাঁর কাছে আলাদা লেগেছে। পাশাপাশি আরিফিন শুভর উপস্থিতিও তাঁকে আগ্রহী করেছে।

সিনেমায় মিম অভিনয় করেছেন ‘মায়া’ চরিত্রে। চরিত্রটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দর্শক আমাকে এখানে দুই রূপে দেখতে পাবেন। একদিকে সে খুব চঞ্চল ও প্রাণবন্ত, অন্যদিকে তার আরেকটি ভিন্ন দিকও রয়েছে। চরিত্রটির বিভিন্ন স্তর আছে, যা অভিনয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।’

চরিত্রটিকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে মিম বলেন, ‘আমি তো দশে দশই দেব। তবে স্বীকৃতি দিতে হবে দর্শকদের। যদি চরিত্রটি দর্শকদের ভালো লাগে, তাহলেই আমার কাছে এটা বড় প্রাপ্তি।’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী মিম। তিনি মনে করেন, দর্শক এখন হলে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখছেন, নতুন গল্প গ্রহণ করছেন এবং ভালো কনটেন্টকে সমর্থন দিচ্ছেন, যা চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য ইতিবাচক সংকেত।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মিম জানান, তিনি সব সময় ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করতে চান। সংখ্যার চেয়ে মানসম্পন্ন কাজকেই বেশি গুরুত্ব দেন তিনি।

সবশেষে দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মিম বলেন, দীর্ঘ বিরতির পরও তারা আমাকে এত ভালোবাসা দিয়েছেন, এটা আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। আশা করি সবাই পরিবার নিয়ে ‘মালিক’ উপভোগ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের দীর্ঘকালীন অবস্থান নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


রোহিঙ্গাদের দীর্ঘকালীন অবস্থান নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে নরওয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নরওয়ে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি-সহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ১৯৭২ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে নরওয়ের প্রারম্ভিক স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বৈদেশিক নীতিতে জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার মূল ভিত্তি হলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং জানান যে, নরওয়ে এখন চিরাচরিত উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে সরে এসে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিচ্ছে। মন্ত্রী নরওয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ থেকে নরওয়েতে রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের ওপর জোর দেন।

তিনি নরওয়ের বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প চামড়াজাত পণ্য, আইটি সেবা, পাটজাত পণ্য এবং হস্তশিল্পের মতো উচ্চ-মূল্যের পণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জাহাজ নির্মাণ এবং প্যাকেজিং শিল্পে নরওয়ের উদ্যোক্তাদের বড় আকারের বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নরওয়ের আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে থাকা অন্যতম প্রধান দেশ। গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এবং নরফান্ড-এর ক্লাইমেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব ও কম-কার্বন প্রযুক্তির প্রকল্পগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও, তিনি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, ডিজিটাল উদ্ভাবন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিময় বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে নরওয়ের শিক্ষাবৃত্তির আওতা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সম্প্রসারণের অনুরোধ জানান।

বৈঠকে নরওয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি জনগণের চমৎকার ভূমিকার প্রশংসা করা হয়, যা দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করছে।

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) প্রতি নরওয়ের ধারাবাহিক মানবিক সহায়তা এবং নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের সক্রিয় কার্যক্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নরওয়ে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যকার অভিন্ন মূল্যবোধের কথা উল্লেখ করে আশ্বস্ত করেন যে, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশের একাত্মতা ও সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় নরওয়ে সবসময় পাশে থাকবে।

সভায় নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার সারোয়ার জাহান চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং রাজনৈতিক-৩ শাখার উপসচিব মো. আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদিকে হটাতে রাজপথে নামছে ভাইরাল জেন-জি সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


মোদিকে হটাতে রাজপথে নামছে ভাইরাল জেন-জি সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা জেন-জি ও যুব সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এখন রাজপথে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির লক্ষ্য হচ্ছে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা, এমনটাই জানা যায় রয়টার্সের এক প্রতিবেদনের সূত্রে।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে রয়টার্সকে বলেছেন, তিনি নিজে ভারতে ফিরে গিয়ে দিল্লিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য তিনি দাবি করেছেন যে এই আন্দোলন করা হবে।

জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা ইতোমধ্যেই ২ কোটির বেশি ছাড়িয়েছে। মূলত ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি এবং শিক্ষা খাতে অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ থেকেই এই আন্দোলনের শুরু।

বিশেষ করে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং মূল্যায়নে ভুলের অভিযোগের কারণে সম্প্রতি হাজারো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই কারণে আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় আট লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে অনলাইনে স্বাক্ষর দিয়েছে বলেও জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে রয়টার্সকে বলেছেন, “কতদিন আমরা ভয়ের মধ্যে থাকব? এবার জবাবদিহির সময় এসেছে।” কিন্তু তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ভারতে ফিরে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

এদিকে, সরকার ইতোমধ্যেই সংগঠনটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিজিৎ অভিযোগ করেছেন যে, অজ্ঞাত হ্যাকারদের মাধ্যমে তার দলের ইনস্টাগ্রাম পেজ দখলের চেষ্টা করা হয়েছে।

ভারতের একজন শীর্ষ মন্ত্রী সংগঠনটিকে বিদেশি প্রভাবিত বলেও আখ্যা দিয়েছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখনো এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইন থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ভারতের তরুণ সমাজের বেকারত্ব ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে গভীর অসন্তোষের প্রতিফলন হিসাবে দেখা যায়, যা ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে কর্মী পাঠাতে কোনো সিন্ডিকেট চলবে না: আরিফুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


বিদেশে কর্মী পাঠাতে কোনো সিন্ডিকেট চলবে না: আরিফুল হক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক বলেছেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না। সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে, যা জনশক্তি রপ্তানি খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর হবে।

আজ মঙ্গলবার, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক ও সচিব মোখতার হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। তিনি আরো বলেন, প্রবাসী কার্ড হলে এখানে আর বিএমইটি কার্ড থাকবে না। আমরা কাজ করছি যে, একটি কার্ড দিয়ে প্রবাসীরা যেন সব ফ্যাসিলিটি এনজয় করতে পারে। কারণ এত সব কার্ড দিয়ে কি করা হবে?

রাশিয়ায় মানবপাচার এবং কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি জানান, অভিযোগের তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান, বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসের অনুমোদন ছাড়া কোনো কাগজপত্র বা কার্ড ইস্যুর ঘটনা ঘটেছে কিনা, সেটিও তদন্ত করা হবে।

প্রবাসীদের অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয়ে বিশেষ একটি সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা তাদের সমস্যা, বিনিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির বিষয়ে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

আরিফুল হক বলেন, অনেক প্রবাসী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত শ্রমিকরা ই-মেইল ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। তাই হোয়াটসঅ্যাপসহ সহজ যোগাযোগ মাধ্যমের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি রয়েছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সুসংবাদ পাওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, শ্রমবাজার খুললে সেটি হবে স্বচ্ছ ও সিন্ডিকেটমুক্ত। অতীতের মতো কোনো গোষ্ঠীকে একক সুবিধা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

তিনি প্রবাসীদের জন্য একটি ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান। তিনি বলেন, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো প্রবাসীরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণে বিশেষ সুবিধা পাবেন।

মন্ত্রী জানান, ব্যাংকিং সুবিধা, ডিজিটাল পরিচয়, ভূমিসংক্রান্ত সেবায় অগ্রাধিকার এবং স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধার বিষয়গুলো বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের ১০১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং জনশক্তি রপ্তানি ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করা অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। ‘এটি আমার অন্যতম অঙ্গীকার। যদি এই খাতকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে না পারি, তবে নিজেকে সফল মনে করব না,’ বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে আরিফুল হক বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। তিনি জানান, আপনারা তথ্য দিন, আমরা ব্যবস্থা নেব। কোথাও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

 

আজ দেশব্যপী উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ুন) অন্যান্য পরিচালকদের ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের সাথে নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. খান বেলাল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, উদ্যোক্তা পরিচালক এ.এস.এম. ফিরোজ আলম, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম ও প্রফেসর নাসরিন সুলতানা, পিএইচডি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ মোঃ জাকির হোসাইন, শামীম আহম্মদ, অসীম কুমার সাহা, ড. মোঃ জাহিদ হোসেন ও ড. তাপস চন্দ্র পাল, এসইভিপিবৃন্দ মোহাম্মদ ইকবাল রেজওয়ান, মোঃ আব্দুল হালিম ও মেইন শাখার প্রধান মোঃ আব্দুল আউয়াল সহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যপী ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা ও প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগে কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করা হয় এবং গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ুন) তাঁর বক্তব্যে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা, শাখা, আমানত সংগ্রহসহ ব্যাংকের সামগ্রীক চিত্র তুলে ধরে বলেন, 'বাংলার ব্যাংক' খ্যাত মার্কেন্টাইল ব্যাংক ১৯৯৯ সালের ২ জুন যাত্রা শুরু করে গত ২৭ বছরের কঠোর পরিশ্রমে মার্কেন্টাইল ব্যাংক একটি গ্রাহকবান্ধব, বিশ^স্ত ও টেকসই ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতেও করপোরেট সুশাসনকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবার প্রতিশ্রæতি দেন।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান বলেন, গ্রাহকদের চাহিদার বাস্তবায়নে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা আরো ব্যাপক ও বিস্তৃত করাসহ চলতি বছর খেলাপি ঋণ আদায়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে। নতুন ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে কৃষি, এসএমই ও রিটেইল খাতকে গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে দেশের প্রত্যন্ত জনপদে শাখা-উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট স্থাপন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%