সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং অংশীদারত্ব গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সরকার নীতিগত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করবে; তবে বেসরকারি খাতকে পর্যটন খাতের নেতৃত্ব, বিপণন ও ব্র্যান্ডিংয়ে অগ্রসর হতে হবে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মীর হেলাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা অনেক বেশি, তবে সমন্বয় এবং যোগাযোগের অভাব রয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে পর্যটন খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিনিয়োগের প্রয়োজন, বাস্তবায়নের পদ্ধতি এবং সরকারের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তিনি বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য ইতিবাচক প্রচারের গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। তাঁর মতে, দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং অন্যান্য ইতিবাচক দিকগুলোকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। নতুন এলাকা পর্যটনের আওতায় আনতে পারলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য নতুন গন্তব্য তৈরি হবে।
বিদেশি পর্যটকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমসসহ বিভিন্ন সেবায় সমন্বয় বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত দক্ষতার সঙ্গে সেবা দিতে পারে, সেখানে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, পর্যটন উন্নয়নে ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত করতে অটোমেশন এবং অনলাইন সেবা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মীর হেলাল বলেন, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজনকে নিয়ে নিয়মিত সমন্বয় সভার প্রয়োজন রয়েছে। পর্যটনের উন্নয়নে একাধিক মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি কক্সবাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় পর্যটন পুলিশের সক্ষমতা এবং জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়মিত পুলিশকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিলে তাদের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আক্তার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ সরকারি কর্মকর্তা, পর্যটন খাতের উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সামীমুজ্জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মধ্যে পাকিস্তানি নাটকের অসাধারণ জনপ্রিয়তা কমার কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। আবেগঘন কাহিনী, জনপ্রিয় থিম সং (ওএসটি) এবং অভিনয়শিল্পীদের পরিচিতির কারণে পাকিস্তানি ধারাবাহিকগুলো একের পর এক ভারতীয় দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিচ্ছে।
এখন একটি পাকিস্তানি নাটক নতুন এক ইতিহাস তৈরি করেছে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই নাটকটি ভারত থেকেই প্রায় ২০০ কোটি বা ২ বিলিয়ন ভিউ অর্জন করেছে।
হ্যাঁ, এটি একদম সঠিক।
পাকিস্তানি বিভিন্ন পোর্টাল এবং সোশ্যাল মিডিয়া পেজের তথ্য অনুযায়ী, হানিয়া আমির ও বিলাল আব্বাস খান অভিনীত জনপ্রিয় নাটক 'মেরি জিন্দেগি হ্যায় তু' ইউটিউবে ভারত থেকে ২ বিলিয়নের (২০০ কোটি) বেশি ভিউ পেয়েছে।
নাটকটি বিশ্বব্যাপী ইউটিউবে একটি বিশাল ডিজিটাল ব্লকবাস্টার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ইউটিউবে এর মোট ভিউ সংখ্যা ৩.৩৫ বিলিয়ন (৩৩৫ কোটি) অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে ২ বিলিয়নেরও বেশি ভিউ এসেছে এককভাবে ভারত থেকে।
এই বিপুল পরিসংখ্যানটি আবারও প্রমাণ করে যে ভারতীয় দর্শকদের কাছে পাকিস্তানি টেলিভিশনের কনটেন্ট, বিশেষ করে হানিয়া আমির এবং বিলাল আব্বাস খানের মতো তারকাদের নাটকের চাহিদা কতটা ব্যাপক।
ভারতে পাকিস্তানি বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখার সুযোগ সীমিত হলেও, সেখানে তাদের তারকাদের বিশাল ফ্যান বেস গড়ে ওঠা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে হানিয়া আমির এবং বিলাল আব্বাস খানের নাটক দেখার জন্য ভারতীয় দর্শক সবসময় আগ্রহী থাকেন।
ধারাবাহিকটি ২০২৫ সালের শেষের দিকে সম্প্রচার শুরু হয় এবং ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ৩৪ তম পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়। নাটকটির কাহিনী গড়ে উঠেছে কামিয়ার (অভিনয়ে বিলাল আব্বাস খান) এবং ডক্টর আয়রাকে (অভিনয়ে হানিয়া আমির) কেন্দ্র করে।
রোমান্টিক ঘরানার এই নাটকটি দ্রুতই দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এর গল্প, চমৎকার অভিনয় এবং মূল জুটির অনবদ্য কেমিস্ট্রি পাকিস্তান ও ভারতের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে।
সিক্স সিগমা প্লাস-এর ব্যানারে হুমায়ুন সাঈদ ও শাহজাদ নাসিব প্রযোজিত এই ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন মুসাদ্দিক মালেক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় রেললাইনে আটকে থাকা পিকআপের সঙ্গে চলন্ত ট্রেনের সংঘর্ষের ফলে ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পিকআপটি দ্বিখণ্ডিত হয়েছে। পিকআপের চালক আহত হয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে কক্সবাজার এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি ঢাকায় যাওয়ার সময় পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের কমলমুন্সির হাট-মল্লাপাড়া সড়কের রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এবং চালক সামান্য আহত হন। দুর্ঘটনার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও সন্ধ্যার পর আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী কক্সবাজার এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি পটিয়ায় পৌঁছালে রেললাইনে আটকে থাকা একটি পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় পিকআপটি অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।
পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আবদুস সালাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ পিকআপটি জব্দ করেছে। এই ঘটনার পর নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পিকআপচালক সামান্য আহত হলেও ট্রেনের যাত্রীরা সকলেই অক্ষত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ৬নং উত্তর-পূর্ব চেঁচরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চরম প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, শিক্ষকদের পাঠদানে অবহেলা এবং সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির পুষ্টিকর খাবার বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টির এই বেহাল দশার কারণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছেন। শিক্ষার এই চরম অবক্ষয় রুখতে এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শ্রেণীকক্ষ ফাঁকা, অলস সময় পার শিক্ষকদের: বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ৬৩ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত থাকলেও আজ ২১ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল মাত্র ৭ জন শিশু। এর আগের দিনও উপস্থিতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ জন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং ক্লাসে পাঠদানে চরম অবহেলার কারণে বিদ্যালয়টির সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন।
আজ সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায় এক নজিরবিহীন দৃশ্য। পুরো প্রাঙ্গণ ও শ্রেণীকক্ষ ফাঁকা পড়ে আছে। মাত্র ৭ জন শিশু বেঞ্চে বসে থাকলেও প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন হালদার, সহকারী শিক্ষিকা বিজলী রানী এবং সহকারী শিক্ষিকা মোসা. ইসরাত জাহান উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাদের পড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেননি। শিক্ষকরা ক্লাস না নিয়ে অলস সময় পার করছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "স্কুলে আজ প্রধান শিক্ষকসহ তিনজন শিক্ষক উপস্থিত আছেন। অথচ ৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে আজ আসছে মাত্র ৭ জন! শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না বলেই বাচ্চারা স্কুলে আসতে চায় না। আমরা এই অব্যবস্থাপনার দ্রুত প্রতিকার চাই।
"সরকারি পুষ্টিকর খাবারের ‘হরিলুট’: শিক্ষকদের এই দায়িত্বহীনতার পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার বিতরণ নিয়ে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, কোমলমতি শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকারের বরাদ্দকৃত উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ফোর্টিফাইড বিস্কুট, সেদ্ধ ডিম, তরল ইউএইচটি দুধ, কলা ও পাউরুটি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় না। অনেক সময় এসব পুষ্টিকর খাবার বিদ্যালয়ে আসার পর তা কালোবাজারে বা বাইরে সরিয়ে ফেলা হয়। আবার কখনো কখনো অত্যন্ত নিম্নমানের, অস্বাস্থ্যকর ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সরবরাহ করা হয় এবং বিতরণের ক্ষেত্রে চরম নয়ছয় করা হয়। ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা একে সরকারি বরাদ্দের "হরিলুট" বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ: এদিকে, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও অপমান-অপদস্থ করার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের জমিদাতা পরিবারের সদস্য শুশান্ত কুমার মিস্ত্রি বলেন, "আমার বাবা এই বিদ্যালয়ের জন্য জমি দিয়েছেন। কিন্তু সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিন আমাকে নানাভাবে অপমান-অপদস্থ করেছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বর্তমানে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বাধ্য হয়ে আমি আমার ছেলেকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছি।" এই শিক্ষকের ভয়ে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
অভিযুক্তদের বক্তব্য: অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, সার্বিক অনিয়ম ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণের দুর্নীতি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন হালদার বলেন, "যাতায়াতের রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা সময়মতো আসতে পারে না। আর এত কম শিক্ষার্থী নিয়ে স্বাভাবিকভাবে ক্লাস পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আমরা শিক্ষার্থীদের অবহেলা করছি না।" স্কুল ফিডিংয়ের পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার বিতরণের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, রাস্তা খারাপ হওয়ায় খাবার স্টকে রেখে পরের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তা সমন্বয় করে বিতরণ করা হয়। তবে সহকারী শিক্ষক নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা ব্যক্তিগত অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল জানান, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে একটি পক্ষ-বিপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সঠিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে অনিয়মের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বিদ্যালয়টির শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি বিস্কুট, ডিম ও দুধ চুরির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে দ্রুত একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন এবং আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য নিয়োগের ৫৬ দিন পর আবারও উপাচার্য পরিবর্তন করা হয়েছে। গত ২৭ জুলাই অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলেও সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৩-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।
এর আগে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ২৮ জুলাই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ