ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মহাকাশে আয়না বসিয়ে রাতেও রোদ বিক্রির পরিকল্পনা


মহাকাশে আয়না বসিয়ে রাতেও রোদ বিক্রির পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক মহাকাশ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘রিফ্লেক্ট অরবিটাল’ মহাকাশে বিশাল আয়না বসানোর পরিকল্পনা করেছে, যা রাতের অন্ধকারে সূর্যের আলো পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য হলো, পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে হাজার হাজার আয়না-উপগ্রহ স্থাপন করে সূর্যের আলো প্রতিফলিত করা এবং গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট এলাকায় সেই আলো পৌঁছে দেওয়া। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, দুর্যোগকবলিত এলাকায় আলোর ব্যবস্থা করা এবং রাতের উদ্ধার অভিযান সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

তবে, মহাকাশে এত বিপুলসংখ্যক আয়না-উপগ্রহ স্থাপন এবং রাতের আকাশে কৃত্রিম আলো ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদেরা। তাদের আশঙ্কা, এই উদ্যোগের ফলে আলোকদূষণ বাড়বে, বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক জীবনচক্র ব্যাহত হবে এবং মানুষের ঘুমের জৈবিক ছন্দেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

রিফ্লেক্ট অরবিটাল জানিয়েছে, তারা ভারতের মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ‘স্কাইরুট অ্যারোস্পেস’-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে এ প্রযুক্তি পরীক্ষার জন্য। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ‘ইয়ারেন্ডিল-১’ নামে প্রথম পরীক্ষামূলক উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হবে। এর আগে, গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) পরীক্ষামূলক উপগ্রহ উৎক্ষেপণের অনুমোদন দেয়।

আরও পড়ুন: আলাস্কার সিনেট নির্বাচনকে ‘জালিয়াতি’ বললেন ট্রাম্প

প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৪৫ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ১৮ মিটার বাই ১৮ মিটার আকারের বিশাল প্রতিফলক আয়না স্থাপন করা হবে। সূর্য অস্ত যাওয়ার পরও এসব আয়নার অবস্থান ও অভিমুখ নিয়ন্ত্রণ করে পৃথিবীর নির্দিষ্ট এলাকায় সূর্যের আলো প্রতিফলিত করা সম্ভব হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি আয়না প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে আলো ফেলতে পারবে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

গ্রাহকদের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পছন্দের এলাকার জন্য আলোর বরাত দিতে হবে এ সেবা পেতে। অর্থের বিনিময়ে নির্ধারিত স্থানে আলো পৌঁছে দিতে মহাকাশে থাকা আয়না-উপগ্রহগুলোর অবস্থান ও দিক পরিবর্তন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৩৫ সালের মধ্যে মহাকাশে ৫০ হাজার আয়না-উপগ্রহ পাঠাতে চায় রিফ্লেক্ট অরবিটাল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শুরুতে এসব আয়নার প্রতিফলিত আলো পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মতো হবে। তবে উপগ্রহের সংখ্যা বাড়লে আলোর তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। কৃষিজমিতে আলো সরবরাহ, নষ্ট হয়ে যাওয়া সড়কবাতির বিকল্প ব্যবস্থা এবং সামরিক অভিযানে সৌরশক্তি জোগানোর মতো কাজেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখছে তারা।

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার সিয়েরা নেভাদা অঞ্চলের লোন পাইনের কাছে মাউন্ট হুইটনির আশপাশে এ প্রযুক্তির একটি প্রদর্শনী চালিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত ওই পরীক্ষায় মরুভূমির একটি এলাকায় শক্তিশালী কৃত্রিম আলো ফেলা হয়। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ তীব্র আলো দেখে বিস্মিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের একজন আলোটিকে ‘চোখধাঁধানো’ বলে বর্ণনা করেন।

আরও পড়ুন: কপাল পুড়ছে নেতানিয়াহুর, সরকার সরানোর জন্য জোট গঠনের আলোচনা শুরু

রিফ্লেক্ট অরবিটালের মুখপাত্রের দাবি, রাতের অন্ধকারে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলগুলোই এ সেবার প্রথম গ্রাহক হতে পারে। উদ্ধার অভিযানে এ প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করতে পারে, তা তুলে ধরতেই ওই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।

আলোকদূষণ ও প্রাণবৈচিত্র্য নিয়ে শঙ্কা

প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের বড় কারণ বায়ুমণ্ডলে আলোর বিচ্ছুরণ। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, মহাকাশ থেকে প্রতিফলিত সূর্যের আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় বায়ুর অণু ও অ্যারোসল কণার সঙ্গে সংঘর্ষে ছড়িয়ে পড়বে। ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর পরও আলোর একটি অংশ প্রতিফলিত হয়ে আবার বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে শুধু নির্ধারিত এলাকাই নয়, এর আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলও আলোকিত হয়ে উঠবে।

গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, মূল আলোকিত এলাকা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরেও এ আলোর তীব্রতা পূর্ণিমার চাঁদের আলোর চেয়ে বেশি হতে পারে। অর্থাৎ, যারা অর্থের বিনিময়ে এ সেবা নেবেন না, তাদেরও অনিচ্ছায় কৃত্রিম আলোর প্রভাবের মধ্যে পড়তে হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ৬৯ জনের পরিচয় শনাক্ত

প্রকল্পটির বিরোধিতায় গত আগস্টে পরিবেশবিষয়ক আইনি সংস্থা আর্থজাস্টিসের মাধ্যমে চারটি সংগঠন এফসিসির কাছে অনুমোদন পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে। আর্থজাস্টিসের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জ্যান হ্যাসেলম্যান এ পরিকল্পনাকে ‘নির্বোধ’ ও ‘পাগলামি’ বলে সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, পৃথিবীর সব প্রাণীর বিবর্তন দিন ও রাতের স্বাভাবিক ছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হয়েছে। সেই প্রাকৃতিক ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। ৫০ হাজার আয়না-উপগ্রহ স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মানুষের পরিচিত রাতের আকাশ চিরতরে বদলে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞানীদের মতে, পাখি, পোকামাকড় ও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের খাদ্য সংগ্রহ, আশ্রয় নেওয়া এবং প্রজননের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম দিন-রাতের স্বাভাবিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। রাতের অন্ধকারে কৃত্রিম আলোর মাত্রা বেড়ে গেলে এসব প্রাণীর স্বাভাবিক আচরণ ও জীবনচক্র ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে মানুষের ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদমেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটিও এ প্রযুক্তি নিয়ে সতর্ক করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে সরাসরি প্রতিফলিত তীব্র আলোর দিকে তাকালে চোখের ক্ষতি হতে পারে।

আরও পড়ুন: চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সউদী আরামকোর সমন্বিত নিট আয় ৯ শতাংশ বেড়েছে

এ ছাড়া পৃথিবীর কক্ষপথে ক্রমবর্ধমান উপগ্রহের সংখ্যা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স কক্ষপথে ১০ লাখ ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এর সঙ্গে হাজার হাজার আয়না-উপগ্রহ যুক্ত হলে রাতের আকাশে নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি মহাকাশে আবর্জনার পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও করছেন সমালোচকেরা।

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়েও বিতর্ক

রিফ্লেক্ট অরবিটালের যুক্তি, রাতের বেলায় সৌর প্যানেলে সূর্যের আলো প্রতিফলিত করতে পারলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় বাড়বে। এতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে, যা পরিবেশের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

তবে জলবায়ু বিজ্ঞানীদের একাংশ পৃথিবীতে সূর্যের শক্তির পরিমাণ ও বণ্টন নিয়ে এ ধরনের কৃত্রিম পরিবর্তনের বিরোধিতা করছেন। হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিজ্ঞানী ডেভিড হো বলেন, বায়ুমণ্ডলে বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণে পৃথিবীর শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যার ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ছে।

আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের ১৩ জেলায় খ্রিস্টানদের ওপর হামলা ও প্রার্থনাসভায় বাধার অভিযোগ

তিনি বলেন, উষ্ণায়ন কমানোর লক্ষে কেউ কেউ মহাকাশে আয়না বসিয়ে সূর্যের আলো পৃথিবী থেকে দূরে প্রতিফলিত করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। অথচ রিফ্লেক্ট অরবিটাল সেই আয়না ব্যবহার করে সূর্যের আলো পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ জলবায়ুর ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।

সমালোচনার মুখে রিফ্লেক্ট অরবিটাল জানিয়েছে, মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, জাতীয় উদ্যান ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলগুলোকে কৃত্রিম আলোর আওতার বাইরে রাখার বিষয়ে বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা।

প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র বলেন, তারা নজরদারি ও সমালোচনাকে স্বাগত জানান। সরকার, বিজ্ঞানী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করাকেই নিজেদের দায়িত্ব বলে মনে করেন তারা।

তবে প্রযুক্তিটির সম্ভাব্য সুবিধার পাশাপাশি পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও রাতের আকাশের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কতটা হবে, তা নিয়ে বিতর্ক এখনো কাটেনি।

আরও পড়ুন: ইরানি টিভিতে পরমাণু হামলার জন্য ৫টি জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি ছাড়া ২১ বছর পর আর্জেন্টিনার নতুন দল ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


মেসি ছাড়া ২১ বছর পর আর্জেন্টিনার নতুন দল ঘোষণা

এই প্রথমবার লিওনেল মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে, যা ২১ বছরের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি নতুন দলটি সাজিয়েছেন মেসির অনুপস্থিতিতে।

২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক ঘটে মেসির। এরপর থেকে তিনি জাতীয় দলের আক্রমণভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা জিতেছেন। তার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালে ফিনালিসিমা, কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার শিরোপা অর্জন করে।

মেসির জাতীয় দল থেকে বিদায়ের পর এটি স্ক্যালোনির প্রথম দল ঘোষণার ঘটনা। আগামী নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে আর্জেন্টিনা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ১৩ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসের লা বোমবোনেরায় তারা উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে। এরপর ১৭ নভেম্বর কর্দোবার এস্তাদিও মারিও আলবার্তো কেম্পেসে কোস্টারিকার মুখোমুখি হবে।

নতুন স্কোয়াডে তিনটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন রয়েছে। প্রথমবার ডাক পেয়েছেন চেলসির ২১ বছর বয়সি ডিফেন্ডার অ্যারন আনসেলমিনো। দলে ফিরেছেন রিভার প্লেটের গঞ্জালো মন্তিয়েল ও পারমার মারিয়ানো ত্রোইলো। স্ক্যালোনি পালমেইরাসের আগুস্তিন জিয়াই ও ফ্লাকো লোপেজকেও দলে রেখেছেন। তবে মেসির ঘনিষ্ঠ সতীর্থ রদ্রিগো দি পল ও জিওভানি লো সেলসো এবার দলে জায়গা পাননি।

আর্জেন্টিনার স্কোয়াড

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, হেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো, সান্তিয়াগো বেলত্রান।

ডিফেন্ডার: গনজালো মন্তিয়েল, অগাস্তিন গিয়াই, অ্যারন আনসেলমিনো, মারিয়ানো ত্রোইলো, লিওনার্দো বালের্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রোমান ভেগা, এজেকুয়েল ফার্নান্দেজ।

মিডফিল্ডার: ম্যাক্সিমো পেরোনে, এজেকুয়েল পালাসিওস, ভ্যালেন্তিন বারকো, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, নিকোলাস পাজ, মাতিয়াস সুলে, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো, জিউলিয়ানো সিমিওনে, থিয়াগো আলমাদা, হুয়ান হোসে লোপেজ।

ফরোয়ার্ড: জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি, সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, হুলিয়ান আলভারেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ৬৯ জনের পরিচয় শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ৬৯ জনের পরিচয় শনাক্ত

ঢাকা, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : স্পেনে গত সপ্তাহে সংঘটিত দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৯ জনের পরিচয় সম্পূর্ণরূপে শনাক্ত করা হয়েছে।

সোমবার দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, সর্বশেষ তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবারের এই দুর্ঘটনা চলতি শতাব্দীর মধ্যে ইউরোপের অন্যতম প্রাণঘাতী রেল দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ফরেনসিক দল নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করার কাজ অব্যাহত রাখায় স্বজনদের দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক অপেক্ষার মধ্যে থাকতে হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে দেহের বিচ্ছিন্ন অংশ পরীক্ষা করেও তাদের পরিচয় নির্ধারণ করতে হয়েছে।

মাদ্রিদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানিয়েছে।

নিহতদের শনাক্তকরণের দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি আইনি সংস্থা সোমবার রাতে সর্বশেষ শনাক্ত হওয়া তিনজনের পরিচয় প্রকাশ করে। তাদের মধ্যে দুজন অস্ট্রেলীয় এবং একজন জাপানি নাগরিক রয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ৫৪ জন স্পেনের নাগরিক এবং ১৫ জন বিদেশি। বিদেশিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চারজন, অস্ট্রেলিয়ার দুজন, জাপানের দুজন এবং আর্জেন্টিনা, কানাডা, ফ্রান্স, মেক্সিকো, পর্তুগাল, তিউনিসিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের একজন করে নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার ও বীজে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা, কর্মকর্তাদের বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ ঝালকাঠির জেলা প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রব্বানী, স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


সার ও বীজে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা, কর্মকর্তাদের বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ ঝালকাঠির জেলা প্রশাসকের

ঝালকাঠিতে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা এবং নবনিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলারদের সাথে চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ মমিন উদ্দিন।

সভায় জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মমিন উদ্দিন জেলার কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং কৃষকদের অধিকার রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। নবনিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের নিকট মানসম্মত সার ও বীজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সার বিতরণ ব্যবস্থায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে; এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করা হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সারের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নবনিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলারগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলার সামগ্রিক কৃষি উপকরণ সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সার ডিলারদের সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিরাইয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই, দুশ্চিন্তায় ক্ষতিগ্রস্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


দিরাইয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই, দুশ্চিন্তায় ক্ষতিগ্রস্তরা

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২টি পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মুহূর্তের আগুনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। বসতঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেওয়া এসব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা।

হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ির ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। নিজেদের শেষ সম্বল হারিয়ে অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। নতুন করে ঘর তৈরি, পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন জীবনযাপন নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা দুশ্চিন্তা।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরমঙ্গল ইউনিয়নের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে ছুটে যান বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংবাদিকরা। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুর্দশার কথা শোনেন এবং এই কঠিন সময়ে মানসিকভাবে সাহস জোগানোর চেষ্টা করেন।

ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দিয়ে তাঁ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%