সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৩ এম
অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের প্রথম বাজেট ঘোষণার পূর্বে সোমবার যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী জন হিলি সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন।
জানা গেছে, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, তরুণদের বেকারত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের ফলে বেড়ে যাওয়া জ্বালানি দামের চাপের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে অর্থমন্ত্রী হিলি তার বক্তৃতায় পরিস্থিতির একটি সতর্ক আশাবাদী চিত্র তুলে ধরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা, যেখানে তিনি ‘ব্রিটেনকে নিয়ে একটি নতুন গল্প— আশাবাদ ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প’ তুলে ধরার পরিকল্পনা করছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সরকারি দপ্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং উত্তর ইংল্যান্ডে ব্যবসায়িক উদ্ভাবন বাড়াতে ১৫ কোটি পাউন্ডের একটি নতুন তহবিল গঠন। লন্ডনের বাইরে বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রধানমন্ত্রী বার্নহামের পরিকল্পনার সঙ্গে এসব উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
হিলি তার বক্তৃতায় উল্লেখ করবেন, ‘আমি এই দেশে সম্পদ সৃষ্টি দেখতে চাই। আমি চাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো লাভ করুক।’
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সরকারি ব্যয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখাও জরুরি।
বাড়তি ব্যয়ের সুযোগ সীমিত
সপ্তাহান্তে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে হিলি জানান, আগামী ২৮ অক্টোবরের বাজেট ব্যবহার করে তিনি অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে একটি ‘সুরক্ষা ব্যবস্থা’ তৈরি করতে চান।
এর আগে তিনি তার পূর্বসূরি র্যাচেল রিভসের নির্ধারণ করে যাওয়া আর্থিক নীতিমালা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে সরকারি রাজস্ব দিয়ে সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় মেটানো।
তবে বাজেটে সম্ভাব্য কর বাড়ানো বা পরিবারগুলোকে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে হিলি এখনো স্পষ্ট কোনো ধারণা দেননি।
জুলাইয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম সাধারণ মানুষের জন্য বেশ কিছু কম খরচের সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে বাসভাড়া কমানো ও বিদ্যুৎ বিলের ওপর কর কমানো।
তবে সরকারি বন্ডের সুদের হার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে এবং সরকারের বিপুল ঋণের কারণে বাজেটে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে।
সমালোচকদের মতে, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বার্নহামের জন্য বড় ধরনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা কঠিন হবে। এর মধ্যে রয়েছে গণপরিষেবার ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো, গৃহহীনতার সমস্যা দূর করা এবং প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের অর্থের ঘাটতি পূরণ করা।
হিলি এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন। পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
এখন তার ওপর ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার চাপ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে গত রবিবার স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে। ভরির মূল্য ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ সোমবারও স্বর্ণ বিক্রি হবে একই দামে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দামের ভিত্তিতে, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২ হাজার ২১৬ টাকা কম। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, যা ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা, যা এক হাজার ৭৫০ টাকা কমানো হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এক হাজার ৪৫৮ টাকা কম।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপে নির্ধারিত হয়েছে—
জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টায়।
আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ২৫ মিনিটে।
মাগরিবের সময় ৬টা ১৪ মিনিটে।
এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ২৯ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ২৯ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ১৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৪১ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, মালয়েশিয়ার শহর কুচিং ১৯২ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে।
এই বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১৫২ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানও ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৯২ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার কুচিং শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি ১৭৫ স্কোর নিয়ে, তৃতীয় স্থানে মালয়েশিয়ার আরেকটি শহর কুয়ালালামপুর ১৭০ স্কোর নিয়ে, চতুর্থ স্থানে বাংলাদেশের ঢাকা ১৫২ স্কোর নিয়ে এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা ১৫১ স্কোর নিয়ে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ বলে ধরা হয়।
অন্যদিকে, ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে সেটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া, স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে সেটি ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে জারি করা হয়েছে।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এই নতুন বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
নতুন বিধিমালায় নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি মিছিল-শোডাউন, হেলিকপ্টার ব্যবহার, সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
নতুন বিধিমালায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রচারণার ধরন ও ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
নতুন আচরণবিধির অন্যতম উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো পোস্টার নিষিদ্ধ করা। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ভবন, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকবে।
তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিল করার সুযোগ থাকবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান ও ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ধরনের প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থীকে কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে হবে।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যয় হওয়া অর্থও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে।
ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।
নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এমন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও নিষিদ্ধ। এআই ব্যবহার করে এ ধরনের ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা যাবে না।
ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থ, খাদ্য, পানীয় বা উপহার দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির ব্যবহার কিংবা কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা বা ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক প্রচারণাও নিষিদ্ধ থাকবে।
সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেও কোনো প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বা অন্য কোনো সরকারি সম্পদ নির্বাচনী কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ওপর বিধিনিষেধ থাকবে।
নির্বাচনের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহারের সুযোগও থাকবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় নির্ধারিত সীমার বাইরে ক্যাম্প স্থাপন ও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিমালায় নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে।
নতুন বিধিমালায় নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাও জোরদার করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন বলে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।
এ ছাড়া নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করা, অর্থ বা পেশিশক্তি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের নতুন এ বিধিমালার মূল লক্ষ্য হলো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে আরও অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
বিশেষ করে পোস্টার, মিছিল ও শোডাউন বন্ধ এবং ডিজিটাল প্রচারণায় এআই-নির্ভর অপপ্রচার ঠেকানোর বিধান এবারের উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ