মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৩ পি.এম
জাতিসংঘ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও মালয়েশিয়া প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন মিয়ানমার নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার, তাদের মধ্যে শিশু এবং নারীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম মিয়ানমারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় শুরু হয়েছে। তবে দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
মালয়েশিয়ার সরকার জানিয়েছে, এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপ হিসেবে প্রায় ৫ হাজার মিয়ানমার নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তারা দাবি করেছে, প্রত্যাবাসন সম্পূর্ণরূপে স্বেচ্ছায় হচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন। তাদের আশঙ্কা, দেশে ফিরে গেলে এসব মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
মঙ্গলবার সকালে মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের লুমুত নৌঘাঁটির কাছে একটি স্টেডিয়ামে নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িসহ বেশ কয়েকটি বাস এসে পৌঁছায়। পরে বাসগুলো বন্দরের দিকে চলে যায়। রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্দরে মিয়ানমারের দুটি নৌবাহিনীর জাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ নোঙর করা ছিল।
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ৩৭০ জন পুরুষ, ৭৯ জন নারী, ২০ জন ছেলে এবং ৭ জন মেয়ে রয়েছেন। তাদের বয়স ৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিয়ানমার সরকারই দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য এসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, পরিচয় শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি এবং যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রত্যাবাসনের পরবর্তী ধাপগুলোও সম্পন্ন হবে।
মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র এবং কুয়ালালামপুরে দেশটির দূতাবাসের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। তবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চলতি মাসে জানিয়েছে, যাচাই করা বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরানোর জন্য তারা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাজ করছে।
ফেরত পাঠানো নিয়ে উদ্বেগ
মালয়েশিয়া জানিয়েছে, দেশটিতে থাকা মিয়ানমারের নাগরিকদের কারণে সরকারের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের উপস্থিতিকে নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবেও দেখছে দেশটি।
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটির সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে লড়াই করছে। এর ফলে দেশটিতে এখনো অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের শরণার্থীদের নিরাপদ এবং স্থায়ীভাবে দেশে ফেরানো সম্ভব নয়। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, যাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে, তাদের পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় ইউএনএইচসিআরকে যুক্ত করা হয়নি।
এদিকে মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের, বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিরোধিতা বাড়ছে। এ কারণে দেশটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন আইন আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের পর অনেক রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেন। ওই ঘটনায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলা চলছে।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষে মালয়েশিয়ায় মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার নিবন্ধিত শরণার্থী ছিলেন। তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রোহিঙ্গা। চলতি বছর অনলাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে রোহিঙ্গাদের হয়রানি বেড়েছে। পরিস্থিতির কারণে অনেক রোহিঙ্গা স্কুল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
মঙ্গলবার যাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাদের জাতিগত পরিচয় বা শরণার্থী হিসেবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা আছেন কি না, সেটিও স্পষ্ট করা হয়নি।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালয়েশিয়ায় আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা কমানোর সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা কমানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশটিতে নিবন্ধিত মোট শরণার্থীর ৯৫ শতাংশের বেশি মিয়ানমার থেকে এসেছেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘কয়েক দশক ধরে এই সমস্যার কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। এর ফলে দেশের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে, গুরুতর সামাজিক সংকট দেখা দিয়েছে এবং মালয়েশিয়ার জন্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।’
এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র এবং কুয়ালালামপুরে দেশটির দূতাবাসের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি। তবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চলতি মাসে জানিয়েছে, যাচাই করা বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরানোর জন্য তারা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল দল ফিফা আসিয়ান কাপে দুইটি ম্যাচে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ গ্রুপ ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে এই ম্যাচ।
টি-স্পোর্টস ও টফিতে সরাসরি দেখা যাবে এই ম্যাচটি।
জামাল ভূঁইয়ারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ এবং সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। নিয়ম রক্ষার ম্যাচ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে তারা।
এই টুর্নামেন্টটি দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আটটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ স্টাফ কোয়ার্টারের একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে পুলিশ গৃহবধূ নিশি আক্তারের (১৯) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় তার স্বামী সাগর পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল হামিদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিশি আক্তারকে মারধরের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যাকারী বাইরে থেকে রুমটি তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিশি আক্তার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মো. খোকনের কন্যা। তার স্বামী সাগরের সঙ্গে ৫/৬ বছর আগে বিয়ে হয় এবং তাদের একটি ৪ বছরের সন্তান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিশি আক্তারের হত্যার কারণ বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে তদন্ত চলছে। তবে সন্দেহের তীর তার স্বামীকে ঘিরে রয়েছে, যিনি মাদকাসক্ত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি সারা দেশে সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে—এমনটি উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো রংপুরেও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী সাড়ে চার বছরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল জনগণ দেখতে পারবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগাহ থেকে ভেন্ডাবাড়ী সড়ক শক্তিশালীকরণ ও মেরামতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা আপনাদের বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না। বেহেশত পেতে হলে মহান আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। আমরা আপনাদের উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই। আগামী সাড়ে চার বছরে আপনারা সেই উন্নয়ন দেখতে পারবেন।"
মীর শাহে আলম আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, "দুই থেকে তিন হাজার গাড়ি নিয়ে লাখ লাখ লিটার তেল ও গ্যাস অপচয় করে তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।"
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের আমলে সৃষ্ট সংকট বর্তমান সরকারকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, "এ পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন। অথচ সরকার গঠনের ছয় মাস না যেতেই একটি নির্বাচিত সরকারকে পতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।"
তিনি আরো বলেন, "সরকারের পতন এত সহজ নয়। ২০ বছর ধরে বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছি। এ গদি জনগণের গদি। জনগণের সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত এ সরকারকে সহজে সরানো যাবে না।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা পাঁচ বছর জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। এরপর জনগণের কাছে ভোট চাইতে যাব। আমাদের কাজ পছন্দ হলে জনগণ ভোট দেবেন, পছন্দ না হলে ভোট দেবেন না। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবেন, কারা দেশ পরিচালনা করবে।"
জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা উচিত নয়, যাতে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ফিরে আসার পথ সুগম হয়। এ দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে আর ক্ষমতায় ফিরতে দেবে না। এ ধরনের কোনো ষড়যন্ত্রও দেশের মানুষ মেনে নেবে না।"
তিনি বলেন, "জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুরের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"
এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের জিয়ানগরে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা আলম মুন্সি (৭০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যায়, সোমবার রাতে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার কালাইয়া গ্রাম থেকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আলম মুন্সি গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আলম মুন্সি কালাইয়া গ্রামের মৃত জবেদ আলীর ছেলে এবং ০৪নং ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ০৫নং কালাইয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ আতিকুর রহমান ছগিরের পিতা। সন্ত্রাস বিরোধী আইনের একটি মামলায় আক দেখিয়ে মঙ্গলবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার তাকে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ