ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ


প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ

কাঠালিয়ায় তদন্তাধীন ঘটনায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উদ্বেগ, ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা অফিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১৩ নম্বর পশ্চিম চেঁচরী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্রীদের যৌন হয়রানির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার হাওলাদার বিদ্যালয়ের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির একাধিক ছাত্রীর সাথে বিভিন্ন অজুহাতে অসদাচরণ ও যৌন হয়রানি করে আসছেন। এর আগে ১ থেকে ২ মাস পূর্বে 'কুলসুম' নামের এক ছাত্রীর সাথেও একই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী একই অভিযোগ নিয়ে সামনে আসে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে তার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, স্থানীয় সালিশদারদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে এবং জরিমানার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেই টাকা অন্য এক শিক্ষকের কাছে জমা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: পাবনা জেনারেল হাসপাতালের কেবিনে সন্দেহজনক প্রবেশ, আনসারের হাতে যুবক আটক

ঘটনা সম্পর্কে কাঁঠালিয়া উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ.কে.এম জামান শুরুতে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানালেও, পরবর্তী সময়ে মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সুর পাল্টে বলেন, "আমি কিছু জানি না, আপনাদের কাছেই প্রথম জানতে পারলাম।"

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহিনুল ইসলাম মজুমদার মুঠোফোনে জানান, "এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষক সমাজের মাঝে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।"

স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষা অফিসে বিতর্কিতরা বহাল তবিয়তে থাকায় এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার মূল দায়িত্ব শিক্ষকদের কাঁধে, সেখানে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহল অবিলম্বে শিক্ষা অফিস থেকে বিতর্কিতদের অপসারণ এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম

এছাড়া কাঁঠালিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের মাসের পর মাস মৌখিক ছুটি দেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মে শিক্ষা বিভাগ জর্জরিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর এমন নির্যাতন ও শিক্ষকদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ দেখে আজ প্রশ্ন জাগে—আর কত ফুল এভাবে ঝরে পড়বে? কবির ভাষায় বলতে হয়—“এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি।” কিন্তু সেই জন্মভূমির স্কুলেই যদি শিশুরা নিরাপদ না থাকে, তবে এ পাপাচার কার দায়িত্বে ছায়া ফেলবে?

আজ কেন এই রহস্যজনক নীরবতা? আজ কোথায় মানবাধিকার? আজ কোথায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)? আজ কোথায় নির্যাতিত ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলো? আজ কোথায় নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকা বিভিন্ন সংগঠন? কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঠিক বিচার পেতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে দ্রূত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জানান, "লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারী ও শিশুদের ধর্ষণ-হত্যার হুমকি, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উদ্বেগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজের আগুনে ৪ জন দগ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজের আগুনে ৪ জন দগ্ধ

গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় একটি গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজের কারণে আগুনে চারজন দগ্ধ হয়েছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় রিয়াজ ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন ইউনাইটেড সিলিন্ডার রি-টেস্টিং সেন্টার-২ এর ৪১টি সিলিন্ডারে আগুনের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী আব্দুল্লাহর ২০ ভাগ, ১৯ বছর বয়সী আহাদের ৫৫ ভাগ, ২৬ বছর বয়সী আশরাফুলের ১৫ ভাগ এবং ২৫ বছর বয়সী নাঈমের চার ভাগ দগ্ধ হয়েছে। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, রাত পৌনে ৯টার দিকে ইউনাইটেড সিলিন্ডার রি-টেস্টিং সেন্টার-২ এর ৪১টি সিলিন্ডারে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার লিকেজের কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের সদস্য তালহা বিন জসিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুনের ঘটনায় চারজন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ও আহাদ এমএইচডিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং নাঈম জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে আছেন। আহাদ শরীরের ৫৫ ভাগ পোড়া নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুর্মিটোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


কুর্মিটোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঝটিকা মিছিল করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোরের দিকে এই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

এটি জানা গেছে যে, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদের নেতৃত্বে এই ঝটিকা মিছিলটি বের করা হয়। মিছিল চলাকালীন নেতাকর্মীরা 'জয় বাংলা' এবং 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

আকস্মিকভাবে অনুষ্ঠিত এই মিছিল ও স্লোগানের কারণে কুর্মিটোলা হাসপাতাল এলাকার পরিবেশ কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং সড়কে যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। তবে, এই কর্মসূচি খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে নিষিদ্ধ ঘোষিত এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সততা ও বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সততা ও বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা

আজকের লেখার শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি ঘটনা তুলে ধরতে চাই। মনে হয়, এ ঘটনা অন্য কোথাও কেউ উল্লেখ করেনি। আমি অনেক দিন আগে ঘটনাটি শুনেছিলাম, তবে এটি পাবলিকলি প্রকাশ করা উচিত কি নাÑতা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। এখন মনে হচ্ছে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য এটি জানানো প্রয়োজন।

এক ভদ্রলোক এক প্রয়োজনে ইসকান্দার মজুমদার সাহেবের কাছে যান। এটি ছিল স্রেফ মানবিক ব্যাপারÑনির্দোষ সামাজিক সহযোগিতা। মজুমদার সাহেব ভাবলেন, প্রেসিডেন্ট জামাই রাগ করবেন না। প্রেসিডেন্ট বাসায় আসবেন এবং তিনি তখন নিজের মেয়ের জামাইয়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথাটি বলবেন। এই হিসাব করে তিনি মইনুল হোসেন রোডের বাড়িতে গেলেন। প্রেসিডেন্ট বাসায় এলেন। যথারীতি সালাম ও কুশলবিনিময় হলো। যথারীতি সমীহের সঙ্গে শ্বশুরের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করলেন। এরপর দুজনেই দুপুরের খাবার খেতে শুরু করলেন। ইসকান্দার সাহেব একটু আমতা আমতা করে বললেন, বাবা, কী বলব লোকজন বলে প্রেসিডেন্টের শ্বশুর। এই কথা শুনেই প্রেসিডেন্টের মুখাবয়ব পরিবর্তিত হয়ে গেল। তিনি বললেন, ওহ তাহলে আপনিও তদবির শুরু করে দিয়েছেন?

পরিবেশের পরিবর্তন টের পেয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যে এডিসি প্রবেশ করেছিলেনÑতিনি দৌড়ে ডাইনিং রুম থেকে বের হয়ে আসেন। ওই এডিসি সাহেব পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি তার নিকটজন এবং বন্ধু-বান্ধবের কাছে বর্ণনা করেছেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তদবিরের বিরুদ্ধে কতটুকু সতর্ক ও কঠোর ছিলেনÑউপরের ঘটনার মাধ্যমে তা বোঝা যায়। একটি মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য তিনি এই কঠোরতা অবলম্বন করেছিলেন। কে ডান, কে বাম, তিনি দেখতেন না। কে নিজ দলের, আর কে বিরোধী দলের, সেটিও তিনি দেখতেন না। তিনি শুধু প্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতা দেখতেন।

আজ যারা জিয়ার সৈনিক হিসেবে দাবি করে বড় বড় পদ বাগিয়েছেনÑতারা কি নিজের শ্বশুর মশায়ের মুখের ওপর এ রকম শক্ত কথা বলার সাহস দেখাতে পারবেন? দলের অনেক মুনশি জানেনও না যে তারা কার শিরনি খাচ্ছেন। যে জিয়ার সততার গল্প শুনে এ রকম ধাক্কা খেতামÑএখন সেই দলের জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলের আইএসসি পাসের খবর শুনে ততোধিক বড় ধাক্কা খেতে হয়।

বিএনপির সাইকোলজি বা মনস্তত্ত্বে একসময়ের জোটের জুনিয়র পার্টনার জামায়াতকে প্রতিপক্ষ বা একই লেবেলের বিরোধী দল হিসেবে মেনে নেওয়া কষ্টকর। এর একটি মনস্তাত্ত্বিক কিংবা রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যেতে পারে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্য একটি দলের টেনশন বা প্রতিযোগিতা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু একটি দলের সঙ্গে একটি কাগজের টেনশন কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। কোনো একটি জায়গা থেকে এই টেনশনটি বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বা তাতে হাওয়া দেওয়া হচ্ছে।

আমার দেশ-এর বর্তমান ভূমিকা নিয়ে বর্তমান শাসক দলটির একটি অংশের মধ্যে হতাশা বা ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমার দেশ-এর বিরুদ্ধে এই হতাশা বা ক্ষোভটি বিএনপির কোনো স্তরের নেতৃত্বের মাঝে দেখা যাচ্ছে না। এ পর্যন্ত মাত্র দুজন মাঝারি গোছের হাইব্রিড নেতা কাগজটির ওপর মনের ঝাল মিটিয়েছেন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির প্রক্সিদের একটি সরব উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

এই প্রক্সিরা কনের সইদের মতোÑকনে কবুল বলতে না পারলে কনের কোনো সই কবুল বলে দেন এবং খাজেগানে মজলিশ তা কনের কবুল ধরে ‘মাশাল্লাহ-মাশাল্লাহ’ বলা শুরু করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ‘খাজেগানে মজলিশ’রা আবার সক্রিয় হয়ে পড়েছেন। কাজেই সাধু সাবধান।

দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা। একই সঙ্গে বিরোধী দলের কাজ সরকারকে ঠিক ট্র্যাকে রাখা। ফলে প্রত্যেকটি ম্যাচিউরড গণতন্ত্রে গণমাধ্যম কিছুটা বিরোধী দলের পক্ষে কাজ করে।

আমার কেন যেন মনে হচ্ছেÑবিএনপি আজ যে চোখে আমার দেশকে দেখছেÑ১১ দলীয় ঐক্য ক্ষমতায় এলে অনেকটা কাছাকাছি দৃষ্টিতে তারা আমার দেশকে দেখতেন। আর আমরাও ‘গুপ্ত বিএনপি’ হিসেবে বিবেচিত হতাম। ইসলামবিরোধী ট্যাগও হয়তোবা জুটে যেত।

মিডিয়ার সত্যকথন বা বস্তুনিষ্ঠতা ততটুকু ভালোবাসি, যতটুকু নিজের পক্ষে যায়। একটু বিপক্ষে গেলেই আগের সবকিছু ভুলে গ্রামের বাতাসীর মায়ের মতো ‘গোলামের-পুত-গোলাম’ ডেকে বসি।

সরাসরি জিয়া পরিবার এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে যে সুশীল পত্রিকাগুলো বিএনপিকে ডোবানোর জন্য অজস্র মিথ্যা বলে গেছেÑসেগুলো নিয়ে এদের মনে কোনো ক্ষোভ বা খেদ নেই। জজ মিয়া মহানাটকের জজ মিয়াকে এরা ভুলে গেছেন। অথচ বিএনপিকে পিউরিফাই বা ভাসানোর নিয়তে আমার দেশ-এর সত্য রিপোর্টগুলো এরা সহ্য করতে পারছেন না।

আর এ সুযোগটি গ্রহণ করছে আমার দেশ এবং বিএনপির কমন শত্রুটি। কৌশলগত কারণে তারা বিএনপির নতুন সুহৃদ সেজে গেছে। সমালোচনার এসব ছোটখাটো বন্যাকে বাধা দিলে সামনে ভয়ংকর সুনামিকে মোকাবিলা করতে হতে পারে।

আমার দেশ ছিল বিএনপির ধানক্ষেতের সঙ্গী এবং বর্তমান সুহৃদ এই ‘খাজেগানে মজলিশ’রা বিএনপির কুঞ্জবনের সাথি। সেই কুঞ্জবনের সাথিদের প্ররোচনায় বা উৎসাহে সেই ধানক্ষেতের সাথিদের ঘায়েল করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বিশেষ করে, যেই সাথি যাকে নড়ানো যাবে না, টলানো যাবে না, ভাঙা যাবে না, মচকানো যাবে নাÑঅন্য কোনো ইশারা দিলেও কাজ হবে না।

সরকারি দলটির প্রতি একটাই পরামর্শÑএসব গঠনমূলক সমালোচনা থেকে বেনিফিট নিতে চেষ্টা করুন। আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রোপাগান্ডা যুদ্ধে কয়েক স্তরে বহু সংবাদপত্র ছিল। এত কিছুর পরও আওয়ামী লীগের পতন ঠেকাতে পারেনি। এত বড় মিডিয়া শক্তি ও সমর্থন নিয়েও কেন এই লজ্জাজনক বিদায় নিতে হলো? পদার্থবিদ্যার সেই বিখ্যাত সূত্র দিয়েও আমার মনে হচ্ছে এর অন্তর্নিহিত কারণটি ব্যাখ্যা করা যায়। আমরা জানি E=mc2। এখানে E শক্তি, m ভর, আর c হলো আলোর বেগ। সত্য হলো আলো আর মিথ্যা হলো এর বিপরীত অন্ধকার। কাজেই মিথ্যার ভর যত বিশাল হোক না কেনÑওর গতি নেগেটিভ থাকায় কম ভরের সত্যের সামনে টিকতে পারে না।

কাজেই আমার দেশসহ যারাই সত্য কিংবা বস্তুনিষ্ঠতার পক্ষে দাঁড়াবে, তারা মিথ্যার পক্ষের বিশাল বিশাল মিডিয়া শক্তিকে নৈতিকভাবে পরাজিত করবে ওপরের এই ফর্মুলাটি মেনেই। সত্যের খুব বেশি ভর বা সঙ্গী লাগে না। কুষ্টিয়ায় যখন একাকী ও নিঃসঙ্গ মাহমুদুর রহমান ফ্যাসিবাদের দোসর কর্তৃক আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন তার এই সামান্য ভরের সঙ্গে ছিল সত্যের সেই অপরিসীম গতি।

মিডিয়া জগতে এ রকম কয়েক সারির যোদ্ধা থাকলেও তারা আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত পতন থামাতে পারেনি। কারণ এদের সবার সঙ্গে ‘আমি খাড়ায়ে পড়লে তুমি বসাইয়া দিবা’Ñলীগের এ রকম একটা বোঝাপড়া ছিল। অন্যদিকে, আমার দেশ জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি শক্তির জন্য একটা ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করেছে। কাজেই ব্রাদার, এখন শরীর বা গতরটা একটু চুলকালেও শেষদিকে লীগের মতো দেশ ছাড়তে হবে না।

শেখ হাসিনার সময় দেখা গেছেÑএকটা বিশেষ কিসিমের মোসাহেব গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছে। এরা ছিল অধিকতর চতুরÑএরা চারপাশের বাস্তবতাকে স্বীকার করত, অনিয়ম-দুর্নীতির কথাও তুলে ধরত। কিন্তু সবশেষে কনক্লুসন টানত, সবাই খারাপ; কিন্তু হাসিনা ভালো।

জনগণের ক্ষোভের উত্তাপ এরা হাসিনাকেও বুঝতে দেয়নি। হাসিনার চারপাশে এরা একটা ‘ইনসুলেটিং শিল্ড’ তৈরি করে ফেলেছিল। হাসিনার ইমেজ বৃদ্ধির জন্য ১০ টাকা দিয়ে চোখের ডাক্তারের টিকিট কেনার গল্প করত, দৈনিক মাত্র তিন-চার ঘণ্টা ঘুমানোর গল্প শোনাত, তার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার গল্প করত, রবীন্দ্রসংগীত শোনার গল্প করত। হাসিনা অবশ্য অন্যের প্রশংসার জন্য অপেক্ষা করতেন না। নিজের প্রশংসার ঢুলটি নিজেই বাজাতেন। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে নিজ হাতে লাইট-ফ্যানের সুইচ বন্ধ করার কথা জানাতেন। জনগণকে কাঁঠালের বার্গার, পেঁয়াজ ছাড়া তরকারি খাওয়ার রেসিপি দিলেও নিজে খেয়েছেন দৈনিক ১০ কোটি টাকার খাবার।

শেখ হাসিনার এসব কাজের সঙ্গে একটা ডিএনএর প্রভাব লক্ষ করা যায়। একই হৃদমে উনি বলতেন, আমার ডানে চোর, বামে চোর। অথচ সেই চোরদের একটাকেও পাকড়াও করেননি। বরং সবচেয়ে বড় চোরটিকে (রেডক্রসের তখনকার চেয়ারম্যান) নিজের ক্যাশিয়ার বানিয়েছিলেন। একইভাবে নিজের দুই মেয়েও দুই মহাচোরকে নিজেদের ক্যাশিয়ার বানিয়েছিলেন।

দরিদ্রতম এবং কনিষ্ঠতম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে নিজস্ব বিমানে করে এবং ‘হেভি একটা ভাব’ নিয়ে কানাডার অটোয়ায় কমনওয়েলথ সম্মেলনে গেলেন ১৯৭৩ সালে। সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউয়ের বর্ণনায়, He arrived in style at Ottawa in his own aircraft। বিমানটি নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল আট দিন। আমাদের দুর্ভাগা কিংবা সৌভাগ্য যে এই দৃশ্যটি ধরা পড়ে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়কের চোখেÑএ যেন ‘পড়বি তো পড় মালীর ঘাড়ে’। তিনি তার বিশ্ব বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে এ ঘটনাটি আমাদের তখনকার সরকারপ্রধানের নামসহ উল্লেখ করে গেছেন। সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লি কুয়ান ইউ নিজে গিয়েছিলেন সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে চড়ে। তিনি যখন বিদায়ের সময় এয়ারপোর্টের দিকে রওনা হয়েছেন, তখন দেখেন খয়রাতের জন্য আবেদনকারী এই ড্যাশিং নেতার বিশেষ বিমানটিতে দুটি বড় বস্তা লোড করা হচ্ছে।

বিশ্বসভায় এ রকম করুণভাবে ধরা খাওয়াসহ এই দেশটির ইতিহাস গল্পের নেংটা রাজার কাহিনিতে ভরপুর। মোসাহেব দল পোশাকবিহীন রাজার পোশাকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে রাস্তায় নামিয়ে দেয়। আজব এক দেশ, রাস্তায় যেই দেখে সেই রাজার পোশাকের প্রশংসা করে। শেষমেশ এক বাচ্চা ছেলে জানিয়ে দেয়, রাজার গায়ে কোনো পোশাক নেই।

সব সিম্পটম দেখে মনে হচ্ছে, তারেক রহমানকে ঘিরে এ রকম একটা মোসাহেব গোষ্ঠীর জন্ম সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু এর সব দায় যে প্রধানমন্ত্রীর তা এরা বুঝতে দিচ্ছে না।

সব আলামত দেখে আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, শেখ হাসিনার মতোই একই নেরেটিভ বানানোর পথে আমাদের এই প্রিয় ভাই সব যুক্ত হয়ে গেছেন। দেশের ব্যবসা এখনো সেই আগের অলিগার্কদের নিয়ন্ত্রণে রয়ে গেছে। আমরা কিছু বিষয় চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর পরও কোনো বিক্রিয়া বা ক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না।

জাতির প্রাণভোমরা হিসেবে বিবেচিত এনার্জি সেক্টর সেই আগের অলিগার্ক কিংবা তাদের পোষ্যদের হাতেই রয়ে গেছে। এসপিএম (Single Point Mooring) এবং এফএসআরইউ (Floating, Storage and Regasification Unit) নিয়ে দুটি কলাম আমিও লিখেছি। কিন্তু কোনোরূপ পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না।

বরং এসপিএম নির্মাণের অনিয়ম ঢাকতে অনেক কসরত করে ইন্দোনেশিয়ার একটা তৃতীয় শ্রেণির কোম্পানিকে কাজ দেওয়া হয়েছে। কাজ দেওয়ার পর নিয়মবহির্ভূতভাবে আবার সরকারি ট্যাক্সের ৩০০ কোটি টাকা সরকারের ওপর চাপানো হয়েছে। এসব নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সাপোর্টিং ডকুমেন্টসহ লেখা হয়েছে। তারপরও কোনো অ্যাকশন দেখা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে ট্রেন লাইন নির্মাণসহ আরো কিছু কাজের অর্ডার পাস হয়েছে। বিশ্বে এ রকম রাস্তা নির্মাণের তুলনামূলক খরচের হিসাবে দেখা যাচ্ছেÑআমাদের খরচ সর্বোচ্চ। এগুলো নিয়ে শেখ হাসিনার সময়ে আমরা অনেক সমালোচনা করেছি। এবার সেই খরচ না কমে আরো বেড়েছে। দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতি ও অদক্ষতার যে দুষ্টচক্রটি গড়ে উঠেছিল, তা শতভাগ মজুত রয়েছেÑশুধু কয়েকটি চেহারার পরিবর্তন হয়েছে মাত্র।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে একটা খণ্ড স্মৃতি এখনো হৃদয়ে গেঁথে আছে। ১৯৮০ সালের কোনো একটি দিন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে প্রেসিডেন্ট জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দেবেন। বয়েজ স্কাউট হিসেবে সেই ছোট মঞ্চে একপাশে আমি অ্যাটেনশন হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। একটু কান্নি দিয়ে দেখি, অন্যপাশে অনেকটা আমার মতোই অ্যাটেনশন হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ত্রিশালের তখনকার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল মনসুর আহমেদ।

কারো দিকে না তাকিয়ে প্রেসিডেন্ট মঞ্চে উঠলেন। তার এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে এমপি সাহেব হাত মেলানোর সাহস দেখালেন না। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা শেষ করে মঞ্চের পাশে রাখা জিপটিতে গিয়ে চড়লেন। যে প্রেসিডেন্ট তার দলীয় এমপির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন না। তিনিই জিপে চড়ে হাতটি বের করে দিলেন সাধারণ জনগণের উদ্দেশে। পুরো মাঠ ঘুরে অপেক্ষমাণ জনগণের সঙ্গে হাত মেলালেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার ছিপছিপে শরীরটিতে যেমন কোনো মেদ জমতে পারেনি, তেমনি মোসাহেবরা তাকে ঘিরে ইনসুলেটিং শিল্ড তৈরি করতে পারেনি।

এই মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানটির সঙ্গে এই খণ্ড ও ছোট্ট স্মৃতিটুকু আমাকে নস্টালজিক করে তোলে। আজ এটি ভেবে ভালো লাগে যে সেই জিয়ার সন্তানই আমাদের সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর দেড়শ টাকার লাঞ্চ এবং সাধারণ জীবনযাপনের গল্প শুনে সবাই জিয়ার ছবিটি দেখতে পায়।

কিন্তু এই সুখের অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কেন হয় নাÑসেই কারণগুলো জরুরি ভিত্তিতে অনুসন্ধান করা দরকার।

লেখক: কলামিস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক করতে যাচ্ছেন বলিউডের খলনায়ক মুকেশ ঋষি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক করতে যাচ্ছেন বলিউডের খলনায়ক মুকেশ ঋষি

বলিউডের পর্দায় অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান ও আমির খানের মতো তারকাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। খলনায়ক হিসেবে দর্শকের মনে নিজের দাপুটে উপস্থিতি দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এবার সেই পরিচিত মুখ মুকেশ ঋষি ঢাকাই সিনেমায় দেখা দিতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন বলিউডের এই অভিনেতা।

মোহাম্মদ ইকবালের পরিচালনায় নির্মিতব্য ‘নসিব’ সিনেমায় প্রধান খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করবেন মুকেশ ঋষি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমাটির পরিচালক নিজেই। ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ ইকবাল গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমার নতুন সিনেমা ‘নসিব’-এ খলচরিত্রে অভিনয় করবেন মুকেশ ঋষি। তিনি চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসবেন শুটিংয়ে অংশ নিতে। সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়ে অংশ নেবেন এই অভিনেতা।’

বলিউডে খলনায়ক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি পেলেও মুকেশ ঋষির অভিনয়জীবন বেশ বৈচিত্র্যময়। তিনি হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি তেলুগু, তামিল, কন্নড়, মালয়ালম ও পাঞ্জাবি ভাষার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। নব্বইয়ের দশক থেকে বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় নিয়মিত কাজ করে আসছেন এই অভিনেতা।

বিশেষ করে ‘গুন্ডা’ সিনেমায় বুল্লা চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান মুকেশ ঋষি। পর্দায় তার ভয়ংকর উপস্থিতি ও সংলাপ বলার ভঙ্গি দর্শকদের মধ্যে আলাদা সাড়া ফেলেছিল। এ ছাড়া বলিউডের একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

এবার ‘নসিব’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিষেক হতে যাচ্ছে এই অভিনেতার। বলিউডের পরিচিত এই খলনায়কের উপস্থিতি সিনেমাটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দর্শকের অপেক্ষা, ঢাকাই সিনেমার পর্দায় মুকেশ ঋষির সেই চেনা দাপট কতটা নতুনভাবে ধরা দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%