রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ পি.এম
বাংলাদেশ ফ্রান্সের সঙ্গে বৈধ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে চায়। ঢাকা একই সঙ্গে দুই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতাকে আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ফ্রান্সের তিন সিনেটরের একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে দুই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
ফ্রান্সের সিনেটের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়ন (আইপিইউ) কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও মতবিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
শামা ওবায়েদ ফ্রান্সে বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বিশেষ করে ওষুধ, চামড়া, সিরামিক ও পাটজাত পণ্যের মতো খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। এসব খাতে আরো বেশি ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অভিবাসন ও শ্রমিক চলাচলসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের কর্মীদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হন। একই সঙ্গে বৈধ ও নিয়মিত শ্রমিক চলাচলের আরো সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে ফ্রান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও জানান।
বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। দুই পক্ষ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
বৈঠকে দুই পক্ষ আশা প্রকাশ করে যে, সংসদীয় প্রতিনিধি দলের পারস্পরিক সফর বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে এবং দুই গণতান্ত্রিক দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারি আরো শক্তিশালী করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি পাথরবাহী ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে ঢাকা-গফরগাঁও-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে মশাখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন লংগাইর ইউনিয়নের গোলাবাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ঢাকা ও ময়মনসিংহমুখী বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় ট্রেন থেমে থাকায় শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন।
গফরগাঁও রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, পাথরবাহী ট্রেনটি গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর রেলস্টেশন থেকে গফরগাঁওয়ের দিকে আসছিল। মশাখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন গোলাবাড়ী এলাকায় পৌঁছানোর পর ট্রেনটির দুটি বগি হঠাৎ রেললাইন থেকে ছিটকে যায়। এর ফলে লাইনটি ট্রেন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
গফরগাঁও রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মো. হানিফ আলী জানান, পাথরবাহী ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দ্রুত রেলপথ সচল করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ক্রেন পাঠানো হয়েছে। ক্রেন পৌঁছানোর পর লাইনচ্যুত বগি সরানোর কাজ শুরু হবে। বগি দুটি সরিয়ে রেললাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এদিকে আকস্মিকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। কেউ ঢাকা, কেউ ময়মনসিংহ আবার কেউ মাঝপথের বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়েছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গফরগাঁও-জয়দেবপুর এবং গফরগাঁও-ময়মনসিংহ অংশের রেলপথের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। কোথাও রেললাইনের নিচে পর্যাপ্ত পাথর নেই, আবার কোথাও স্লিপারের অবস্থাও দুর্বল। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই রুটে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ রেলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন। ঢাকা ও ময়মনসিংহের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ায় সামান্য দুর্ঘটনাতেই কয়েকটি জেলার যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এর আগে গত ৭ই আগস্ট গফরগাঁও রেলস্টেশনের পয়েন্ট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় এক মাসের মাথায় আবারও একই রুটে ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় রেললাইনের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। বারবার ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রেলপথের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।
তাদের মতে, শুধু দুর্ঘটনার পর বগি উদ্ধার ও লাইন সচল করলেই হবে না; স্থায়ীভাবে নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে রেললাইন, স্লিপার ও পাথরের অবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারের প্রস্তুতি চলছিল। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-গফরগাঁও-ময়মনসিংহ রুটে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ ফরিদগঞ্জের গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি ও নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারটি ঘটেছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তারিখে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সোহাগ (২৭) এবং যুবলীগ নেতা আহাদ খাঁন জুয়েল (৩৫)কে আজ (রোববার) আটক করা হয়। পরে ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগকে বিএনপির অফিস ভাঙচুরের মামলায় এবং ইউপি সদস্য জুয়েলকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিকালে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের গ্রেফতারের পর বিএনপির নামধারী কিছু ব্যক্তি তাদের জন্য তদবির করার চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই সংবাদে উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ চলাকালীন তারা সটকে পড়েন।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের নেতা আশিকুর রহমান মন্তব্য করেন, "নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকে আটক করার ঘটনায় আমাদের দলের সাবেক নেতা কিভাবে তার পক্ষে তদবির করতে আসে? যা দুঃখজনক।" তিনি আরও জানান, প্রতিবাদ জানাতে থানার সামনে আসার পর ওই নেতাসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজন কৌশলে সটকে পড়েন।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ যদি রিপাবলিকানদের হাতে আসে, তাহলে প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকদের প্রত্যেককে ৫ হাজার ডলার করে ‘ডিভিডেন্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে রিপাবলিকানরা যদি জয়ী হয়, তাহলে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সহজ হবে।
ট্রাম্পের ভাষায়, “আমি জানি না। তবে রিপাবলিকানরা জয়ী হলে এটা সহজ। দেশের সব প্রাপ্তবয়স্ককে ৫ হাজার ডলার দেওয়া হবে। আমরা সহজেই তা সামলাতে পারব, কারণ আমরা বেশি অর্থ আয় করছি।”
ডেমোক্র্যাটরা এমন প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে ‘সবকিছু ভেঙে পড়বে’ এবং দেশ অর্থনৈতিক মন্দায় চলে যাবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আর আমি সব সময় আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো এক দিনের সফরে মঙ্গলবার সিলেটে আসছেন। রাষ্ট্রপতির এই সফরের প্রেক্ষিতে সিলেট নগরজুড়ে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির যাতায়াতের পথ এবং কর্মসূচির স্থানগুলোতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সড়কের ডিভাইডার, কিন ব্রিজ, সার্কিট হাউসসহ বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে রং করা হচ্ছে এবং হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন এবং পরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরানের (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সংবর্ধনার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ঐতিহাসিক এই সফরকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) একটি সমন্বয় সভা করেছে। এসএমপি কমিশনার মো. সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), পিজিএর, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে নগরে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ডিউটি মোতায়েনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সফর শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি সিলেট ত্যাগ করবেন ঢাকার উদ্দেশ্যে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ