মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৬ পি.এম
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিভাবে এবং কাদের নিয়ে গঠিত হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি, গঠনপ্রক্রিয়া ও রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব ও গঠনমূলক পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জাতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্তটিকে বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় সংসদে পর্যালোচনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ও ধাপ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে কিছু স্পষ্ট প্রস্তাবের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা ভিন্নমতও রয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় কিংবা চতুর্থ—কোন ধাপে কীভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামো রূপ পাবে, সে বিষয়ে একাধিক বিকল্প উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
সংসদ ও সংসদের বাইরে সর্বজনীন আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি সর্বসম্মত কাঠামোয় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গণমাধ্যমের মতামত নিয়েছে কমিটি
বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে গণমাধ্যম খাতের বিস্তৃত প্রতিনিধি দলের মতামত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও বার্তা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অংশ নেন।
এর আগে রোববার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতামত নেওয়া হয়। দীর্ঘ আলোচনার সুযোগ দিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের আয়োজন দুই ধাপে করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের কাছ থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছু পরামর্শ পাওয়া গেছে। অন্যদেরও দ্রুত লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে সংবিধান সংশোধনের আলোচনা শুধুমাত্র গণমাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানান কমিটির সভাপতি। পর্যায়ক্রমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, বিশিষ্টজন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সাবেক ও বর্তমান বিচারক এবং গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনা ও নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশীদার ও শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও সরাসরি মতামত নেওয়া হবে। সবশেষে দেশের শীর্ষ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে।
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা
সংবাদ সম্মেলনে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টিও উঠে আসে। বাংলাদেশের মতো এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের যৌক্তিকতা নিয়ে মতভেদ থাকলেও জুলাই জাতীয় সনদের ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে এ পথেই এগিয়ে যেতে চায় বিশেষ কমিটি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনসভা বা সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ভিন্ন কোনো উপযুক্ত সংশোধনী প্রস্তাব এলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সেটিও বিবেচনার সুযোগ থাকবে।
বৈঠকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচারব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত রাখার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।
বিরোধী দলকে আলোচনায় আসার আহ্বান
সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে বাদ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ কারণে বিরোধী দলসহ সব পক্ষকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করে সব পক্ষ যাতে সক্রিয় সংলাপে অংশ নেয়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধন আইন প্রণয়নই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
বিএনপির পক্ষ থেকে উত্থাপিত ‘একক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না’—সংক্রান্ত নীতিগত প্রস্তাবের বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসন রোধে তাদের অবস্থান অনড়। তবে সংসদে সব রাজনৈতিক পক্ষের বিকল্প প্রস্তাব আলোচনার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেছেন, যারা বোরকা পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে গেছেন, তারা আর কখনোই দেশে ফিরে আসতে পারবেন না। যুবদলসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে রেখে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের অরাজকতা মোকাবিলায় সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের সময় খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবস্থানকে কঠোরভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এই দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং আমাদের নেতাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে, যদি বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের সীমা ভেঙে যায় এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামেন, তাহলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান এবং আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।
সমাবেশের শেষে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দিনরাত সমান তালে চলছে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য দেব-দেবীর প্রতিমা গড়ার কাজ।
উপজেলার মাঝি বাড়ি মন্দিরসংলগ্ন কর্মশালায় গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা মাটি দিয়ে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের মূর্তি গড়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। নিপুণ হাতে কাঠামোগুলোতে মাটির প্রলেপ দিয়ে দেব-দেবীর রূপ ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
মৃৎশিল্পীরা জানান, মাটির কাজ সম্পূর্ণ শুকানোর পর শিগগিরই শুরু হবে রং ও প্রতিমা সাজসজ্জার কাজ। পূজার দিন ঘনিয়ে আসায় সময়মতো মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা পৌঁছে দিতে এখন দম ফেলার সুযোগ নেই তাদের। উৎসবের আগেই যেন সব প্রস্তুতি নিখুঁতভাবে শেষ হয়, সে লক্ষ্যে শিল্পীরা কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি যাচাই-বাছাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, প্রখ্যাত শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ।
উল্লেখ্য, এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এলাকার শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
কাউখালী প্রাথমিক শিক্ষক বদলি যাচাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য এইচএম দ্বীন
এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন,
আমাকে কাউখালী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি যাচাই-বাছাই কমিটিতে শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে মনোনীত করায় পিরোজপুর ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মঞ্জুরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। দীর্ঘকাল ধরে শিক্ষার আলো ছড়ানো এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নে কাজ করে আসছি। এই নতুন দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক এবং এটি পালনে আমি শতভাগ নিষ্ঠাবান থাকবো।
প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিক্ষার মূল ভিত্তি। শিক্ষকরা যদি উপযুক্ত পরিবেশে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন, তবেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভালো শিক্ষা পাবে। বদলি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা অসচ্ছতা যাতে স্থান না পায়, আমি সেদিকে কড়া নজর রাখবো। জ্যেষ্ঠতা, মানবিক কারণ এবং নীতিমালা মেনে যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ উপায়ে প্রতিটি শিক্ষক বদলির আবেদন মূল্যায়ন করা হয়, তা সুনিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৯ শে সেপ্টেম্বর রোজ মঙ্গলবার,
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর উদ্যোগে "বিসিক চাকরি মেলা -২০২৬" এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এনডিএ'র চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক "মাসুকুল ইসলাম রাজিব"শাহ বিএনপি অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উন্নয়নমূলক পরামর্শ প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ