বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৬ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের নারীরা জাতীয় পর্যায়ের গণ্ডি অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মেয়েদের খেলাধুলার সুযোগ ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা আবশ্যক।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর লালমাটিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, মেয়েদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে। দাবা, ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, ক্রিকেটসহ শিক্ষার্থীদের আগ্রহের প্রতিটি খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। শুধু জাতীয় পর্যায় নয়, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশের মেয়েরা অংশগ্রহণ করবে এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে—এটাই লক্ষ্য।
শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করতে মাঠ, প্রশিক্ষণ, কোচিং কিংবা প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে তাঁর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও তিনি প্রদান করেন।
তিনি বলেন, নারী শিক্ষার্থীরা দেশের গর্ব। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের দায়িত্ব আরও শক্তভাবে গ্রহণের জন্য তাদের প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি—সব ক্ষেত্রেই তাদের দক্ষতা ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও মানোন্নয়নে সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও ইতিবাচক সহযোগিতা প্রয়োজন। ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে লালমাটিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজকে আরও মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলায় সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনে আমন্ত্রণ জানালে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
লালমাটিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি রুনা লায়লা রুনা। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাইরের নারী উদ্যোক্তাদের উন্নতির লক্ষ্যে এসএসএলকমার্সের সহযোগিতায় পরিচালিত সর্বাত্মক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম জেডকমার্স এবং রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি আঞ্চলিক নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল ব্যবধান কমানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জেডকমার্স সম্প্রতি নাটোর উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তাদের ৩০০ সদস্যকে প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেছে। জেডকমার্স এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মালিকরা কোডিং বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই সম্পূর্ণ কার্যকর অনলাইন স্টোর তৈরি ও পরিচালনা করতে সক্ষম হন।
প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা পণ্যের তালিকা প্রদর্শন, অর্ডার ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, নিজস্ব স্টোরের লিংক শেয়ার এবং এসএসএলকমার্সের বিশ্বস্ত পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। এর মূল সুবিধাগুলি তিনটি—কোনো কোডিং ছাড়াই কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যক্তিগতকৃত ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালু করার সুবিধা; দেশের বিশ্বস্ত পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ও নিরাপদ লেনদেনের সমন্বিত ব্যবস্থা; এবং একটি ড্যাশবোর্ড থেকেই পণ্যের মজুত, অর্ডারের অবস্থা ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণের জন্য সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা সুবিধা।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রাতিষ্ঠানিক পরিসর এবং এসএসএল কমার্সের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে একত্রিত করে চেম্বারের ৪০০ সদস্যকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব জানিয়েছে, এই সহযোগিতা সদস্যদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এর ফলে উদ্যোক্তারা পেশাদার ডিজিটাল স্টোর ও সহজ ব্যবস্থাপনা সরঞ্জাম পাবেন, যা স্থানীয় ব্যবসা থেকে ভৌগোলিক সীমারেখার বাইরে সম্প্রসারণে সহায়তা করবে এবং স্থানীয় নারী ব্যবসায়ীদের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিশ্বমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের ডিজিটাল বাণিজ্যিক পরিবেশ দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে সারাদেশে ৩ লাখেরও বেশি ফেসবুকভিত্তিক ও অনলাইন ব্যবসা সক্রিয় রয়েছে। এর আনুমানিক ৫০ শতাংশ নারীদের দ্বারা পরিচালিত অথবা নারীদের যৌথ মালিকানাধীন। শহর ও জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নারী উদ্যোক্তারা কাঠামোগত ও সরবরাহসংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নিজেদের উদ্যোগে এগিয়ে যাচ্ছেন, জীবিকা গড়ে তুলছেন এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।
উদ্যোগটি সম্পর্কে এসএসএলকমার্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাইয়ান এস. ইসলাম বলেন, "দেশের বৃহত্তম অনলাইন পেমেন্ট সক্ষমতাদাতা হিসেবে ডিজিটালভাবে দক্ষ, লেনদেনে স্বাধীন এবং ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ গঠনে আমাদের ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রমাণিত সক্ষমতা এবং আধুনিক উদ্ভাবনকে আমরা জেডকমার্সের মতো ব্যবসাবান্ধব সমাধানে রূপ দিয়েছি। এই যাত্রায় রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।"
রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি রোজেটি নাজনীন বলেন, "আমাদের সদস্যদের জন্য এটি একটি পরিবর্তনের সূচনা। আমাদের অনেক নারী উদ্যোক্তা শুধুমাত্র নিজেদের দৃঢ়তা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যবসা গড়ে তুলেছেন, কিন্তু নিজেদের তাৎক্ষণিক বাজারের বাইরে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সরঞ্জাম তাদের ছিল না। জেডকমার্সের মাধ্যমে তারা একটি পেশাদার স্টোর, নিরাপদ পেমেন্ট এবং সারাদেশে বিক্রি করার আত্মবিশ্বাস পাবেন। রাজশাহীর নারীদের জন্য এই সুযোগ নিয়ে আসতে পেরে আমরা গর্বিত।"
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পরপরই চেম্বারের সদস্যদের জন্য একটি নিবিড় ডিজিটাল ব্যবসা সক্ষমতা বৃদ্ধির সেশন আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় ধাপে ধাপে অনলাইন স্টোর তৈরি, পণ্যের তালিকা উন্নয়ন, অর্ডার অনুসরণ, স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইনে বিক্রির নিরাপত্তা এবং ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে প্রচার ও গ্রাহক সম্পৃক্ততা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
অংশগ্রহণকারীরা জেডকমার্স প্ল্যাটফর্মের সরাসরি প্রদর্শনী দেখেন এবং অনুষ্ঠানস্থল থেকেই বিক্রি শুরু করার জন্য একান্তভাবে যুক্ত হওয়ার সহায়তা পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে ৫৬তম আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে পদকজয়ী বাংলাদেশ দলের সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ দল গত ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই কলম্বিয়ার বুকারামাঙ্গা শহরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে।
বিশ্বের ৯৫টি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ একটি রৌপ্য, দুটি ব্রোঞ্জ এবং একটি সম্মানসূচক পদক অর্জন করে।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ।"
"ভবিষ্যতে তোমরাই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেদেরকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "এজন্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না বরং সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।"
তিনি এ সময় প্রত্যাশা করেন যে, বাংলাদেশ দল ভবিষ্যতে আরো বড় সাফল্য অর্জন করবে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
....
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘৫৬তম আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে পদকজয়ী বাংলাদেশ দল’-এর সদস্যবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
কলম্বিয়ার বুকারামাঙ্গা শহরে গত ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করে।
বিশ্বের ৯৫ টি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ একটি রৌপ্য, দুটি ব্রোঞ্জ এবং একটি সম্মানসূচক পদক অর্জন করে।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ।"
"ভবিষ্যতে তোমরাই বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেদেরকে সেভাবে গড়ে তুলতে হবে।"
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, "এজন্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেই হবে না বরং সহশিক্ষা কার্যক্রমেও নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে হবে।"
বাংলাদেশ দল ভবিষ্যতে আরো বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি এসময় প্রত্যাশা করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহাম্মদ জাহাঙ্গীর মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, সততা, আন্তরিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আগামী দিনের টেকসই ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তাদের (এএসপি) যোগদানপূর্ব দিকনির্দেশনামূলক ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
আইজিপি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সতেরো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিপুল জনআকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশ পুলিশকে নতুন পথরেখা নির্মাণ করতে হয়েছে, যা জনপ্রত্যাশা, মানবাধিকার, নারী, শিশু ও বয়স্ক নাগরিকদের প্রতি সংবেদনশীল। নবপদায়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের নব উদ্যম ও অঙ্গীকার নিয়ে জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যেককে পুলিশ বাহিনীর একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে জনতার পাশে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, পুলিশিং একটি সেবা ও চ্যালেঞ্জ। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সমাজ ও রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা করে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ পুলিশ লিডার আখ্যায়িত করে আইজিপি বলেন, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের তৈরি করতে হবে। নিত্যনতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। দায়িত্ব পালনকালে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আইন ও বিধি-বিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। পুলিশ প্রধান বলেন, জনগণের সঙ্গে আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের সেবা দিতে হবে।
৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে ৭২ জন কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বইয়ের দশকের একটি জনপ্রিয় গান ‘প্রেমের সমাধি’ নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন আঙ্গিকে ফিরে এসেছে। ১৯৯৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘প্রেমের সমাধি’র এই কালজয়ী গানটি দীর্ঘ ৩০ বছর পর নতুন রূপে প্রকাশিত হয়েছে। নতুন সংস্করণের নামকরণ করা হয়েছে ‘প্রেমের সমাধি ২.০’ হিসেবে।
এন্ড্রু কিশোরের কণ্ঠে গাওয়া ‘প্রেমের সমাধি ভেঙে, মনের শিকল ছিঁড়ে, পাখি যায় উড়ে যায়’ গানটি একসময় শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সম্প্রতি সিনেমাটির ‘চাচা, হেনা কোথায়?’ সংলাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুরোনো গানটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
গানটির মূল কোরাস অক্ষুণ্ন রেখে নতুন সংস্করণটি তৈরি করা হয়েছে সেই জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে অনুপম মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে ‘প্রেমের সমাধি ২.০’ ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয়।
নতুন গানটির কথা লিখেছেন আহমেদ রিজভী। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল। কণ্ঠ দিয়েছেন মোহাম্মদ মিলন। ভিডিওতে মিলনের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অলঙ্কার চৌধুরী। ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। ভিডিওতে ইমরান মাহমুদুলেরও উপস্থিতি রয়েছে।
মূল ‘প্রেমের সমাধি’ গানটির কথা লিখেছিলেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এবং সংগীতায়োজন করেছিলেন আনোয়ার জাহান নান্টু। সিনেমাটিতে বাপ্পারাজ ও শাবনাজের অভিনয়ের দৃশ্যের সঙ্গে গানটি দর্শকদের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিল। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরোনো এই জনপ্রিয় গানকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতেই ‘প্রেমের সমাধি ২.০’ তৈরি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ