ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিজিবি সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিলো


বিজিবি সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিলো

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের মাধ্যমে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলে, তা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির বাধার কারণে বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে ব্যর্থ হয়ে, শেষ পর্যন্ত নদীপথে তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নদীপথে ওই ব্যক্তিকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠানো হয়।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীনস্থ জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করা হয়। সীমান্ত পিলার ১৫২/১০-এস থেকে আনুমানিক ১২০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের ১৪৬ ব্যাটালিয়নের নার্সারিপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪, পুলিশের জিম্মায় গাড়ি

বিষয়টি জানার পর জামালপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেন। বিজিবির বাধার কারণে বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি। পরে মঙ্গলবার সকালে নদীপথে তাকে আবার ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ।

তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এবং তিনি কোন দেশের নাগরিক, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন: পাঁচ শিক্ষকেই ৫ শত ৫০ শিক্ষার্থীর পাঠদান, শিক্ষক সংকটে ভুগছে ভাণ্ডারিয়ার একমাত্র সরকারি বালিকা বিদ্যালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মানবতাবিরোধী অপরাধ

হাসিনা, কামাল ও কাদেরসহ এখন পর্যন্ত যে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


হাসিনা, কামাল ও কাদেরসহ এখন পর্যন্ত যে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সাতটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৬৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অন্তর্ভুক্ত আছেন। ২২ জনের মধ্যে ১৮ জন পলাতক অবস্থায় রয়েছেন এবং চারজন কারাগারে আছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর সর্বশেষ রায়ে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ২২ জনে পৌঁছেছে।

সর্বশেষ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য ছয়জন হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তাদের অনুপস্থিতিতেই এ মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের সপ্তম রায়।

সাত মামলার রায়ে ৬৮ জন দণ্ডিত

ট্রাইব্যুনালের প্রথম ছয়টি রায়ে মোট ৬১ জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে পৃথক ব্যক্তি হিসেবে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। তবে মোট মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা ছিল ১৬টি। কারণ, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান চানঁখারপুল ও রামপুরা-বনশ্রী হত্যাকাণ্ড—দুটি মামলাতেই মৃত্যুদণ্ড পান।

সপ্তম রায়ে আরও সাতজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় এখন মোট দণ্ডপ্রাপ্তের সংখ্যা ৬৮ এবং পৃথক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ২২।

যে সাত মামলায় রায়

শেখ হাসিনা মামলা: ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাসিনা ও কামালের বিচার তাদের অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

চানঁখারপুল হত্যাকাণ্ড: ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং সাবেক এডিসি শাহ আলম মোহাম্মদ আখতারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আরও পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে তিন থেকে ছয় বছরের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আশুলিয়া হত্যাকাণ্ড ও লাশ পোড়ানো: ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ও যুবলীগ ক্যাডার রনি ভূঁইয়াসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য চার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হলেন এএফএম সায়েদ, আব্দুল মালেক, বিশ্বজিৎ সাহা ও মুকুল চোখদার। এ ছাড়া নয়জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে সাতজনকে যাবজ্জীবন এবং দুজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড: ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্য তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রামপুরা-বনশ্রী হত্যাকাণ্ড: ২০২৬ সালের ২৮ জুন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং তরিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

হাসানুল হক ইনু মামলা: ২০২৬ সালের ৩০ জুন জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে দোষী সাব্যস্ত করে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

ওবায়দুল কাদের মামলা: ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২২ জন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২২ জন হলেন—শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, মো. সাইফুল ইসলাম, রনি ভূঁইয়া, হাবিবুর রহমান, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, শাহ আলম মোহাম্মদ আখতারুল ইসলাম, এএফএম সায়েদ, আব্দুল মালেক, বিশ্বজিৎ সাহা, মুকুল চোখদার, আমির হোসেন, সুজন চন্দ্র রায়, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান।

হাবিবুর রহমান চানঁখারপুল ও রামপুরা-বনশ্রী হত্যাকাণ্ড—দুই মামলাতেই মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মৃত্যুদণ্ড হলেও পৃথক ব্যক্তি হিসেবে ২২ জনের হিসাবের মধ্যে তাকে একবারই গণনা করা হয়েছে।

১১ জন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২২ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী রয়েছেন ১১ জন। তারা হলেন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, সাইফুল ইসলাম ও রনি ভূঁইয়া।

বাকি ১১ জন পুলিশ কর্মকর্তা।

কারাগারে চারজন, পলাতক ১৮

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২২ আসামির মধ্যে বর্তমানে চারজন কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন আশুলিয়া মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মালেক ও মুকুল চোখদার এবং আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়।

অন্য ১৮ জন পলাতক রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে সীমান্তে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ হিজড়া আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


ঝিনাইদহে সীমান্তে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ হিজড়া আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ জন হিজড়াকে আটক করেছে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)। একই রাতে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ, ভায়াগ্রা ট্যাবলেট এবং কীটনাশক ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে, প্রায় ৭টার দিকে, বাঘাডাংগা বিওপির আওতাধীন বাজারপাড়ার একটি মেহগনি বাগানে বিশেষ টহলের সময় সীমান্ত পিলার ৬০/৭৫-আর থেকে প্রায় ২০০ গজ ভেতরে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন হিজড়া সম্প্রদায়ের ৬ জন। বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেন। আটককৃতদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ই সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে, মাটিলা বিওপি এলাকার শ্মশানঘাট থেকে ২২ বোতল ভারতীয় মদ এবং ২ হাজার পিস ভারতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় গয়েশপুর বিওপি এলাকার গোয়ালপাড়া গ্রাম থেকে ৯৭ প্যাকেট এবং উথলী বিওপি এলাকার সন্তোষপুর গ্রাম থেকে ১৩২ প্যাকেট ভারতীয় কীটনাশক জব্দ করা হয়। রাত পৌনে ১টার দিকে, মাধবখালী বিওপি এলাকার একটি আমবাগান থেকে ৩৮৮ পিস ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে, উদ্ধারকৃত মাদক ও চোরাচালান পণ্যের ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অভিযুক্তদের আদালতে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষিকার ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


ময়মনসিংহে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষিকার ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল

ময়মনসিংহে স্কুলে যাওয়ার সময় অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সৌখিনারা আক্তার সৌজি নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু ঘটে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সৌখিনারা আক্তার সৌজি ফুলপুর উপজেলার সাহেব রোড এলাকার রফিকুল ইসলামের কন্যা। তিনি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সৌখিনারা আক্তার অটোরিকশায় করে স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে অসাবধানতার কারণে তাঁর ওড়না অটোরিকশার চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। ফলে তিনি অটোরিকশা থেকে সড়কে পড়ে যান।

এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

প্রধান শিক্ষিকার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক সমাজের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও আ’লীগ অর্থযোগানদাতাসহ গ্রেফতার ৩ জন আদালতে প্রেরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


গোমস্তাপুরে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও আ’লীগ অর্থযোগানদাতাসহ গ্রেফতার ৩ জন আদালতে প্রেরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের অর্থযোগানদাতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সাথে নিয়মিত মামলার এক আসামি এবং মোবাইল কোর্টে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত অপর এক আসামিসহ মোট ৫ জনকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত রাতে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়

মোঃ খাদিমুল ইসলাম (২৮):পিতা- মোঃ শাহজাহান আলী দুখু, সাং- শ্যামপুর, ইউনিয়ন- বাঙ্গাবাড়ী, থানা- গোমস্তাপুর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। (দলীয় পরিচিতি: সহ-সভাপতি, গোমস্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ)।
মোঃ সাদেক আলী (৪৫):পিতা- মৃত তহসেন আলী, মাতা- মৃত মনোয়ারা বেগম, সাং- নরশিয়া, ইউনিয়ন- বোয়ালিয়া, থানা- গোমস্তাপুর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। (দলীয় পরিচিতি: আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও অর্থ যোগানদাতা)।
মোঃ জান্নাতুল আলম মধু (৪৮):পিতা- মৃত আবুল কালাম আযাদ, সাং- নয়াদিয়াড়ী, ইউনিয়ন- গোমস্তাপুর, থানা- গোমস্তাপুর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। (দলীয় পরিচিতি: সাবেক সহ-সভাপতি, গোমস্তাপুর ইউনিয়ন যুবলীগ এবং গোমস্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব হুমায়ুন রেজার আপন ভাগ্নে)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালে সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%