ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বানারীপাড়ায় জুলাই শহীদ তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত, গণঅভ্যুত্থানের অর্জন কুক্ষীগত করার অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে: রহমাতুল্লাহ


বানারীপাড়ায় জুলাই শহীদ তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত, গণঅভ্যুত্থানের অর্জন কুক্ষীগত করার অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে: রহমাতুল্লাহ

বরিশালের বানারীপাড়ায়, জুলাই শহীদ ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। এ সময় তিনি বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতাকে কুক্ষীগত করার অপচেষ্টাকারীরা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু। যারা গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চেয়েছিল, তারা কখনোই সফল হবে না।"

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড়চাউলাকাঠী গ্রামের সন্তান ও জুলাই শহীদ ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রহমাতুল্লাহ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আন্দোলন। দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ এ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের সফলতার পর একটি মহল এ অর্জনকে কুক্ষীগত করে নিজেদের একক অবদান হিসেবে প্রচারের চেষ্টা চালায়।

আরও পড়ুন: মদনে বিদ্যালয় রক্ষার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

তিনি আরও বলেন, ওই মহলের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ভোটে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করা। তবে সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যারা গণঅভ্যুত্থানের অর্জন ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল, তারাই এখন প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমতার লোভ থেকেই একটি মহল জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণেরও চেষ্টা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত সরকার শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।

কবর জিয়ারত শেষে রহমাতুল্লাহ শহীদ তাহিদুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: যুবদল নেতাকে হত্যার হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জেলা ওলামা দলের সহ-সভাপতি মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিলম চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, হাজিক দাঈয়ান ইশতী, জুলাই কন্যা লাবণ্য রহমানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বড়চাউলাকাঠী গ্রামের সন্তান ছাত্রদল নেতা তাহিদুল ইসলাম। তাঁর স্মরণে মঙ্গলবার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের দেওয়া ‘ম্যানপ্যাডস’ কি আমেরিকার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


চীনের দেওয়া ‘ম্যানপ্যাডস’ কি আমেরিকার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে?

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন করে শক্তিশালী করতে চীনের তৈরি কাধে রেখে নিক্ষিপ্ত বিমান ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র ‘ম্যানপ্যাডস’ ইরানের হাতে পৌঁছাচ্ছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ মডেলের মধ্যে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি শর্ট-রেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য ইরান একটি চুক্তি করেছে, যার মূল্যের পরিমাণ ছয় থেকে সাত কোটি ডলার। কয়েক মাসের টানা মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের স্থায়ী ও ভারী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার পর, সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দেশের নিম্ন-উচ্চতার আকাশসীমাকে শত্রুমুক্ত রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

হংকংভিত্তিক একটি মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাকিস্তানের আকাশ বা স্থলপথ ব্যবহার করে এই অস্ত্র ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এই অস্ত্র চালানের খবর ভিত্তিহীন বলে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে, তবে এই ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসন্তোষের কারণ হতে পারে। মার্কিন পক্ষ থেকে জানানো হয়, কারণ অতীতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ না করার ব্যাপারে ব্যক্তিগত আশ্বাস দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে, ইরান রাশিয়ার সঙ্গেও তাদের ভেরবা ম্যানপ্যাডস কেনার বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা তাদের স্বল্পপাল্লার প্রতিরক্ষা বলয়কে আরও মজবুত করছে।

এই চীনা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খুব দ্রুত স্থানান্তরযোগ্য এবং ইনফ্রারেড প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ায় রাডারে এদের উপস্থিতি গোপন রাখা কঠিন। এর ফলে মার্কিন ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারে আচমকা আক্রমণ চালানো সম্ভব হবে। এই প্রযুক্তি ৬ কিলোমিটার দূরত্ব এবং ৪ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত যেকোনো লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে সক্ষম, যা মূলত কম উচ্চতায় উড়তে থাকা এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের জন্য বিশাল হুমকি তৈরি করেছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় লক্ষ্যবস্তু পর্যবেক্ষণ ও তল্লাশি চালাতে গিয়ে একাধিক মার্কিন বিমান ও ড্রোন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। কম উচ্চতায় উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের হেলিকপ্টার ও বিমান আক্রান্ত হওয়ায় ওয়াশিংটনের কৌশলগত এবং রাজনৈতিক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

যদিও এই হালকা ম্যানপ্যাডস দিয়ে উচ্চ-উচ্চতার বা দূরপাল্লার যুদ্ধবিমান ঠেকানো সম্ভব নয়, তবে যুদ্ধের পরবর্তী পর্যবেক্ষণ, উদ্ধার অভিযান ও সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার কার্যক্রমকে এটি মারাত্মকভাবে ধীর এবং ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে। ইরান হয়তো উচ্চতার দিক থেকে মার্কিন বিমানবাহিনীর পূর্ণ আধিপত্য থামাতে পারবে না, তবে মাটির কাছাকাছি অবস্থিত আকাশসীমায় মার্কিন ড্রোন ও এয়ারক্রাফটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়ে বিমান হামলা কার্যক্রমকে একটি দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার নিরাপত্তায় সরকারের নতুন উদ্যোগ, উদ্বোধন হলো সিআইআরএস ও এনআরএস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


সাইবার নিরাপত্তায় সরকারের নতুন উদ্যোগ, উদ্বোধন হলো সিআইআরএস ও এনআরএস

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA) কর্তৃক উদ্ভাবিত দুটি অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে- Cyber Incident Reporting System (CIRS) এবং National ICT & Cyber Security Rating System (NRS)। একই অনুষ্ঠানে জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি ২০২৬-২০৩০-এর প্রাথমিক খসড়া উপস্থাপন এবং অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হয়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই প্লাটফর্ম উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “আজ Cyber Incident Reporting System (CIRS) এবং National ICT & Cyber Security Rating System (NCRS) উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। একই সঙ্গে জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি ২০২৬-২০৩০-এর প্রাথমিক খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছে, যা আগামী দিনের সাইবার নিরাপত্তা কার্যক্রমের দিক-নির্দেশনা দেবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার হামলা, তথ্য চুরি, অনলাইন প্রতারণা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ঝুঁকিও বাড়ছে। CIRS প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিক ও প্রতিষ্ঠান সহজে সাইবার ঘটনার রিপোর্ট করতে পারবে এবং দ্রুত প্রতিকার পাবে। অন্যদিকে NCRS সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা মূল্যায়ন ও উন্নয়নে সহায়তা করবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার, অপপ্রচার ও অনলাইন হয়রানি রোধে সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ, স্থিতিশীল ও আস্থাশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার, প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি জানান, উদ্যোগগুলো দেশের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন পাসের পর বাংলাদেশ সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করার নতুন যাত্রা শুরু করেছে। তিনি বলেন, আজকের উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই; ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যেতে হলে সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা শুধু সরকারের নয়, নাগরিক, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত দায়িত্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচার রোধে সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।

ব্যাংকিং, আর্থিক খাত এবং সরকারি তথ্যভাণ্ডারের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে সাইবার ঝুঁকি আরও বাড়বে, তাই এআই, সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই হবে বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রধান ভিত্তি।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, CIRS প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা সাইবার-সংক্রান্ত ঘটনা দ্রুত ও কাঠামোবদ্ধভাবে রিপোর্ট করতে পারবেন। প্রতিটি রিপোর্ট যাচাই, বিশ্লেষণ, এসকেলেশন, প্রতিক্রিয়া, মনিটরিং ও নিষ্পত্তির সমন্বিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হবে।

অন্যদিকে, NRS দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আইটি, তথ্য নিরাপত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি জাতীয় রেটিং ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। National ICT and Cyber Security Maturity Rating Framework-এর ভিত্তিতে চারটি মূল স্তম্ভ এবং ১৩১টি নির্ণায়কের আলোকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে A থেকে E গ্রেডে মূল্যায়ন করা হবে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, CIRS ও NRS বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাইবার স্থিতিস্থাপকতা, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ আরও শক্তিশালী হবে এবং নিরাপদ, আস্থাশীল ও সহনশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞার সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারী (অব.), বিভিন্ন অংশীজন এবং আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারালিগ্যালদের কাজ শুধু পেশা নয়, জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


প্যারালিগ্যালদের কাজ শুধু পেশা নয়, জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, প্যারালিগ্যালদের কাজ কেবল একটি পেশা নয়; বরং এটি হল জনসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তারা মানুষের দোরগোড়ায় আইনি অধিকার ও আইনগত সেবা পৌঁছিয়ে ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা ঢাকায় বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর (ডিবিএলএ) এবং ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগে প্রণীত ‘ফ্রেন্ডশিপ কমিউনিটি প্যারালিগ্যাল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনজীবী হওয়ার আগে তিনি প্যারালিগ্যাল হিসেবে প্রান্তিক জনগণের মধ্যে আইনগত সচেতনতা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। এই কারণে তার প্যারালিগ্যালদের ভূমিকা এবং গুরুত্ব সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, মানুষের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্য ও সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্যারালিগ্যালরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মন্ত্রী বলেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া এবং রূপসা থেকে পাথুরিয়া পর্যন্ত দেশের প্রান্তিক জনগণের কাছে অধিকারবিষয়ক সচেতনতা পৌঁছাতে ফ্রেন্ডশিপ যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা দেশটির অন্যতম সেরা উদ্যোগ। এ ধরনের উদ্যোগ ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

মন্ত্রী প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালকে আরও সহজ, সংক্ষিপ্ত ও ব্যবহারবান্ধব করার জন্য পরামর্শ দেন। বিষয়গুলো সহজ ভাষা, চিত্র ও সারসংক্ষেপের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলে মাঠপর্যায়ে কর্মরত প্যারালিগ্যালদের জন্য তা আরও কার্যকর হবে বলে তিনি মনে করেন। তিনি মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার, প্রতিকার পাওয়ার উপায় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা সম্পর্কে সহজবোধ্য ধারণা ম্যানুয়ালে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্যারালিগ্যালদের মানুষের পাশে থেকে নিষ্ঠা, সততা ও মানবিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাদের মনে রাখতে হবে, এটি কেবল একটি চাকরি নয়; বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই কাজে আন্তরিকতা ও অঙ্গীকার থাকলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রুনা খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন আইন ও বিচার বিভাগীয় অতিরিক্ত সচিব খাদেম উল কায়েস, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসাইন এবং ফ্রেন্ডশিপের সিনিয়র পরিচালক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিকত্ব বিভাগের প্রধান আয়েশা তাসিন খান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘ফ্রেন্ডশিপ কমিউনিটি প্যারালিগ্যাল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল’ তৃণমূল পর্যায়ে প্যারালিগ্যালদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আইনগত সচেতনতা সম্প্রসারিত করার এবং ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। ম্যানুয়ালটি মাঠপর্যায়ে কর্মরত প্যারালিগ্যালদের জন্য একটি ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সহায়িকা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী বস্তু, পারমাণবিক বোমায় ধ্বংসের পরিকল্পনা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী বস্তু, পারমাণবিক বোমায় ধ্বংসের পরিকল্পনা!

পৃথিবীর দিকে ব্যাপক গতিতে ধেয়ে আসছে একটি বিধ্বংসী গ্রহাণু। তবে, ভয়াবহ সংঘর্ষ এড়াতে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি আবিষ্কারের দাবি করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।

একটি বড় গ্রহাণুর ভেতর পারমাণবিক বিস্ফোরক পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটানোই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে জানিয়েছেন তারা। খবরটি এসেছে দি ইন্ডিপেনডেন্ট থেকে।

গ্রহাণু মানবসভ্যতার জন্য বৃহৎ ধরনের হুমকি তৈরি করে। অতীতে এ ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতে পৃথিবীতে ভয়াবহ পরিবেশগত পরিবর্তন ঘটেছে। এর ফলে অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা শনাক্ত করেছেন ১০ থেকে কয়েকশ মিটার ব্যাসের এমন বহু গ্রহাণু, যেগুলো পৃথিবীর খুব কাছে উড়ে গেছে।

তবে, পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করা বিপুলসংখ্যক বড় গ্রহাণু এখনো অনাবিষ্কৃত রয়েছে। এই কারণে, পৃথিবীর সঙ্গে এগুলোর সংঘর্ষের বিষয়ে খুব বেশি দিন আগে থেকে আগে সতর্কবার্তা পাওয়া যায় না। অনেক সময় মাত্র কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ আগে সতর্কবার্তা আসে।

দি ইন্ডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, বিধ্বংসী গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ডার্ট মিশনে পরীক্ষিত পদ্ধতিসহ বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। তবে, কয়েকশ মিটার ব্যাসের বিশাল গ্রহাণুর ক্ষেত্রে এসব পদ্ধতিতে অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলোর গতিপথ কার্যকরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

চায়না একাডেমি অব লঞ্চ ভেহিকেল টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় গ্রহাণুকে কক্ষপথ থেকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া বা সরাসরি ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক বিস্ফোরণই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

‘স্পেস: সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা। চরম পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে, খুব বড় গ্রহাণু বা খুব অল্প সময়ের সতর্কবার্তা পাওয়া গ্রহাণুর ক্ষেত্রে এটাই হতে পারে একমাত্র বাস্তবসম্মত প্রতিরোধের উপায়।

তবে এত দিন পর্যন্ত প্রস্তাবিত পদ্ধতিগুলোর ক্ষেত্রে কোথায় এবং কিভাবে গ্রহাণুতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানো হবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করার কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। সর্বশেষ গবেষণায়, পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা একটি বড় গ্রহাণুতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর নতুন একটি পদ্ধতির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

এ জন্য গবেষকরা এমন একটি পরিস্থিতির কম্পিউটার সিমুলেশন করেছেন, যেখানে একটি মহাকাশযান প্রথমে একটি ভেদকারী যন্ত্র ব্যবহার করে গ্রহাণুর গভীরে একটি গর্ত তৈরি করবে। এরপর সেই গর্তের ভেতর একটি পারমাণবিক বিস্ফোরক প্রবেশ করিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। গবেষকরা বিভিন্ন মাত্রার পারমাণবিক বিস্ফোরণ এবং ভিন্ন ভিন্ন গভীরতায় বিস্ফোরক পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটলে গ্রহাণুর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়, তা মূল্যায়ন করেছেন। এ ছাড়া, উৎক্ষেপণ যানের বৈশিষ্ট্য এবং গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এর বেগ কত থাকবে, সেসব বিষয়ও বিশ্লেষণ করেছেন তারা।

গবেষকরা দেখেছেন, হিরোশিমায় নিক্ষেপ করা পারমাণবিক বোমার চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ শক্তিশালী বিস্ফোরণ প্রায় ১০০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণুকে চূর্ণবিচূর্ণ করতে সক্ষম। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, গ্রহাণু পৃষ্ঠের প্রায় ৩০ মিটার গভীরে বোমাটি পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটালে তা অগভীর স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর তুলনায় তিন গুণ বেগে গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।

এই গবেষণা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা বড় গ্রহাণু মোকাবেলার পরিকল্পনা তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে, যদি কোনো গ্রহাণু ক্ষতিকর আঘাত হানার আগে খুব কম সময় হাতে থাকে, তাহলে সেটিকে ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে পারমাণবিক বিস্ফোরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%