নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
১১:১৪ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই দাম কমানোর সিদ্ধান্তটি শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।
বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলস্বরূপ। এই পরিস্থিতি চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা এবং তাদের নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের কারণে বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত দ্রুত কমে গেছে। ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্যাক-৩ ইন্টারসেপ্টর এবং আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস)-এর মজুতও সংকটজনক পর্যায়ে নেমে গেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনের দীর্ঘদিনের প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে একটি ‘অর্ডারস বুক’-এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানোর তদারকি করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে এসব অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে।
ইউরোপের প্রতিরক্ষায়ও চাপ
ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘিরে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, ইউরোপে থাকা প্যাক-৩ প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর এবং এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমেছে, যা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের কাছে ‘বিয়ন্ড ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মানে হলো প্রয়োজনের তুলনায় মজুত এতটাই কমে গেছে যে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংঘাতের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত প্রতিক্রিয়া জানানো কঠিন হতে পারে।
সম্প্রতি এপি-ও ইউরোপে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতিকে ‘বিয়ন্ড ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, রাশিয়ার সম্ভাব্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে পেন্টাগন ও ন্যাটো এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নয়। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেছেন, মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত দাবিগুলো ‘ভুল’ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
চীন ও রাশিয়াকে নিয়ে নতুন শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো—ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ব্যবহৃত অস্ত্রের ঘাটতি যদি দ্রুত পূরণ করা না যায়, তাহলে একই সময়ে অন্য কোনও বড় শক্তির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হলে ওয়াশিংটনকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সংঘাত এবং রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোর কোনও সরাসরি সামরিক উত্তেজনার ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় এসব সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধক্ষমতা বা ‘ডিটারেন্স’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইউরোপে মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ইউক্রেনেও এর প্রভাব পড়তে পারে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র চেয়ে আসছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব মজুত পুনর্গঠন না করা পর্যন্ত ইউক্রেনসহ মিত্রদের অতিরিক্ত সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অস্ত্রের মজুত ফিরতে লাগতে পারে কয়েক বছর। ইরান যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র দ্রুত প্রতিস্থাপন করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির মতো মিত্রদেশ থেকে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করে মজুত পুনর্গঠন করতে হলেও এতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।
প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়। এপি জানিয়েছে, ইরান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছে বলে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) হিসাব। প্রায় ২ হাজার ৩৩০টি ইন্টারসেপ্টরের মধ্যে আনুমানিক ১ হাজার ৫০০টি ব্যবহৃত হয়েছে বলে ওই হিসাবের উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর প্রায় ৬০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা রাখলেও দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ন্যাটোর তথ্যানুযায়ী, জার্মানিতে ইউরোপের প্রথম প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রও চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে উৎপাদন বাড়ালেও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেতে সময় লাগবে।
সরাসরি হামলা কমলেও সংকট কাটেনি
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি হামলার মাত্রা অনেকটাই কমেছে। তবে যুদ্ধের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বজায় রাখা এবং অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতি ধরে রাখার মধ্যে ভারসাম্য করতে হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অস্ত্রের মজুত দ্রুত পুনর্গঠন করা না গেলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক উপস্থিতি ও মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ওয়াশিংটনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ায় একযোগে কোনও সংকট তৈরি হলে এই ঘাটতি বড় কৌশলগত দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।
তবে মার্কিন প্রশাসন বলছে, দেশের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। পেন্টাগনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা রয়েছে এবং অস্ত্র উৎপাদন ও মজুত পুনর্গঠনের কাজও এগিয়ে চলছে।
তবু ইরান যুদ্ধ যে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে, তা এখন আর শুধু ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ উদ্বেগ নয়—মিত্রদেশগুলোতেও এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে যুদ্ধের সামরিক ফলাফলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিরোধ কৌশল নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইন-ইলেভেন হামলার ২৫ বছর পূর্তির আগে একটি নতুন নির্দেশনার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে কানাডার সরকারি সংবাদমাধ্যম সিবিসি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত ভয়াবহ হামলার ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবেদন তৈরির সময় সাংবাদিকদের ‘সন্ত্রাসবাদী হামলা’ শব্দটি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার ফোর্বসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিবিসি পূর্ব থেকেই ‘সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করে আসছে। তবে এবার ৯/১১-এর ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সিবিসির পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর কেরি কেলি বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, সিবিসির নীতিমতে ‘সন্ত্রাসবাদ’ বা ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দগুলো সরাসরি সংবাদমাধ্যমের বর্ণনায় ব্যবহার না করে, কেবল কোনো ব্যক্তির বক্তব্য উদ্ধৃত করার সময় অথবা নির্দিষ্ট উৎস বা সাক্ষাৎকারদাতা হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ হামলা সংঘটিত হয়। ওই হামলায় ২৬ জন কানাডীয় নাগরিকসহ প্রায় তিন হাজার মানুষ প্রাণ হারান। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর হামলার ২৫ বছর পূর্ণ হবে।
ফোর্বসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ‘টরন্টো সান’-এর এক কলামিস্ট দাবি করেছেন, ৯/১১ হামলা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে সিবিসি তাদের সাংবাদিকদের একটি নোট দিয়েছে। সেই নোটে হামলাটিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে বর্ণনা না করার নির্দেশনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য ভিকি প্যালানিডোও সিবিসির সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশনা ৯/১১ হামলায় নিহত ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের স্মৃতির প্রতি অবমাননাকর।
প্যালানিডো বলেন, ২৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনাটির গুরুত্বকে খাটো করার মতো এই নির্দেশনা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং অপমানজনক। গণআস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে যখন বামপন্থি এবং বিদেশি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া হয়, তখন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে সিবিসি একমাত্র সংবাদমাধ্যম নয়, এর আগে সংবাদ প্রতিবেদনে ‘সন্ত্রাসবাদ’ ও ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। যদিও ৯/১১ হামলাকে কেন্দ্র করে নয়, তাদের সাংবাদিকদের এই শব্দ দুটি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে কিংবা সম্ভব হলে এড়িয়ে যেতে বলা হয়েছিল।
এপির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদ বলতে বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে ভয় তৈরি করার উদ্দেশ্যে সহিংসতা ব্যবহারের বিষয়টি বোঝায়। কিন্তু ‘সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দ দুটি রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসঙ্গতভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় সংবাদ প্রতিবেদনে এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করে প্রতিষ্ঠানটি।
তথ্য সূত্র-
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে ভয়াবহ বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ৬১৬ জনে পৌঁছেছে। শনিবার সকালে নেপালের পুলিশ এক হালনাগাদ তথ্যে এই সংখ্যা প্রকাশ করেছে।
তবে, এর পূর্বে ভুলবশত ৬২৬ জন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। তথ্য অনুযায়ী, নেপাল ও তিব্বত, দুই অঞ্চলে মৃতের মোট সংখ্যা অন্তত ৬২৩ জন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেপালে বন্যায় আহত হয়েছেন ২ হাজার ৩০১ জন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে।
এছাড়া, নেপাল ও চীনের সীমান্তের উভয় পাশে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে কয়েক ডজন মার্কিন নাগরিকসহ অন্যান্য দেশের নাগরিক। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করছে।
তিব্বতের পরিস্থিতি সম্পর্কে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিবিসির চীনবিষয়ক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, তিব্বতের তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।
এদিকে, নেপালে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সহায়তায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। রাখীবন্ধন উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ