ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিরাজগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত


সিরাজগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় একটি অটোভ্যানের তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়।

শুক্রবার (৫ জুন) বেলকুচি উপজেলার মেঘমল্লা এলাকার এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর জানান, ‘সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস বেলকুচির মেঘমল্লা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি অটোভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন।’

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি সড়ক থেকে সরানোর কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, অতঃপর…

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ এম


ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, অতঃপর…

কুমিল্লার অশোকতলা এলাকায় এক ভিক্ষুককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার কাছ থেকে ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং নেতা ‘টোকাই’ সামিরকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জানা যায় যে, গত ৩১ মে সন্ধ্যায় অশোকতলা এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং ছিল, যারা ভিক্ষুকের ওপর আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়েছিল। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিক্ষুককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং সারাদিনের ভিক্ষায় আনা ১৬০ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

বিষয়টি যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তখন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি লোকজনকে দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন।

পরে অশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’কে শনাক্ত করা হয়। বুধবার (৩ জুন) তাকে আটক করার পর প্রশাসক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

বুধবার বিকেলে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করেন। পরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারের নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটককে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরীতে সন্ত্রাস, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কঠোর শাস্তির মুখোমুখি, লাইসেন্স বাতিলের হতে পারে সম্ভাবনা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ এম


আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কঠোর শাস্তির মুখোমুখি, লাইসেন্স বাতিলের হতে পারে সম্ভাবনা!

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষকে এরই মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দায়ী মােদের ৭২ ঘণ্টা (আগামী ৭ জুন বিকেল ৪টা পর্যন্ত) সময় বেঁধে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে উত্তর দেওয়ার জন্য। যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল হয়ে যেতে পারে!

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক স্বাক্ষরিত শোকজ লেটারে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, গত ২৭ মে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজের’ বিধান লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না?

পত্র জারি হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালটির মালিক ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনার পর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে ১ জুন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তদন্তকালে কমিটি হাসপাতালের ডিজি, এডি, শিশু বিভাগের প্রধান, এনআইসিইউতে কর্মরত চিকিৎসক, ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত নার্স, আয়া এবং রোগী ও রোগীর অ্যাটেনডেন্টসহ মৃত নবজাতকদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য গ্রহণ করে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিচালনায় ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’ অধ্যাদেশের বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। উক্ত নিয়মের চরম অবহেলার কারণেই ওই ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে কমিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী সাব্যস্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আদ্-দ্বীন হাসপাতালটি উক্ত অধ্যাদেশের ৮ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধিত। তদন্তে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলায় ধারা মোতাবেক কেন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তার যৌক্তিক কারণ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে বা লিখিতভাবে জানানোর জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এক-দুদিন বয়সী ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১ জুন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করে দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৪ জুন তারা রিপোর্ট জমা দেয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তদন্তের সারমর্ম তুলে ধরে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদনটি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। ওই তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ৯০০ বর্গফুটের যে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে নবজাতকদের রাখা হয়েছিল, তা ছিল চারপাশ থেকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ এবং সেখানে কোন বিকল্প ভেন্টিলেশন বা আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ছিল না। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত (প্রায় ৫০ জন) মানুষের উপস্থিতিতে রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত এসি বন্ধ থাকায় কক্ষটিতে অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে নবজাতকদের শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন ঘটে।

এটি সবসময় খুবই ভয়াবহ ছিল, ঘটনার সময় ওয়ার্ডটিতে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং শিশুরা মুমূর্ষু অবস্থায় চলে গেলেও নার্সরা কোনো চিকিৎসককে ডাকেননি। নার্সদের দায়িত্বে চরম অবহেলা, যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের তীব্র দায়িত্বহীনতা ও ত্রুটিপূর্ণ অবকাঠামোর কারণেই এই দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তদন্ত কমিটি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে বেশ কিছু জরুরি সুপারিশ করেছে। প্রথমত, হাসপাতাল পরিচালনায় ব্যবহৃত ভবনের উপযুক্ততা নিশ্চিতকরণ এবং যত্রতত্র কাচের কক্ষ নির্মাণ বন্ধ করে জরুরি ‘ইমার্জেন্সি মেডিকেল রেসপন্স’ ব্যবস্থা সক্রিয় করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক এবং প্রশিক্ষিত সেবিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীর স্বজনদের অতিরিক্ত উপস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোপরি, বেসরকারি হাসপাতালের নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভবন পরিদর্শন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার জন্য নীতিগত শর্তারোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, 'আমার আইনে যতটুকু কঠোর (হার্ড) হওয়া সম্ভব, আমরা ততটুকুই যাবো। এবার আর কাউকে মাফ করা হবে না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ এম


দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে একজন বাংলাদেশির মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এখন ২২ জনে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন ইতোমধ্যে ওই বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।

হাইকমিশন জানায়, নিহত বাংলাদেশির নাম মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৪৪)। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে ফেসবুকে নুরুল আমিনের মৃত্যুর তথ্য জানায় হাইকমিশন।

হাইকমিশন জানিয়েছে, নুরুল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার ওই হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। তারা কাছের ম্যাক্স হসপিটালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্রুত নুরুল আমিনের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য কাজ করছে।

আগামী বুধবার (৩ জুন) সকালে দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার বহুতল ভবনে অবস্থিত ওই হোটেলে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত ২২ জনের মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছেন রয়টার্স।

হাইকমিশন জানায়, এবারের আগুনের ঘটনায় অন্তত আটজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা আহত ও বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশিদের সঙ্গে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। মিশনের প্রধান ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের শারীরীক অবস্থা খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসও দিচ্ছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার কিছু আগে হোটেলটিতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আটটি ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানা যায়, দুপুরের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পুলিশের জানিয়েছে, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাকর্মীদের সমন্বিত অভিযানে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে আশপাশের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, এ ঘটনায় বুধবার রাতেই ফ্লারিশ স্টে নামে ওই হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর হোটেলের মালিক লভকেশ বাজাজকে বৃহস্পতিবার চার দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। হোটেলটি পরিচালনাকারী হিসাবরক্ষক জয় মিশ্র এবং ম্যানেজার রাকেশকে খুঁজছে পুলিশ। বাজাজের মালিকানাধীন কাছাকাছি আরও দুটি একই ধরনের প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই ডজনেরও বেশি কক্ষ থাকা সত্ত্বেও হোটেলটির লাইসেন্স ছিল মাত্র ছয়টি কক্ষ পরিচালনার জন্য। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি অগ্নিনিরাপত্তার বেশ কয়েকটি নিয়ম লঙ্ঘন করেছিল।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা যাচ্ছে যে, ভবনের বেজমেন্টে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর দ্রুত আগুন পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। তদন্তকারীরা অগ্নিনিরাপত্তা বিধিমালা লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে রয়েছে ফায়ার সার্ভিসের অনাপত্তিপত্র (ফায়ার এনওসি) না থাকা, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য মাত্র একটি পথ থাকা, জানালাগুলো সিল করে রাখা এবং অনুমোদিত ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি লোককে সেখানে অবস্থান করানো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আইএইএ’র চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ, ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আইএইএ’র চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ, ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রায় তিন মাস পরে, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে তাদের মূল্যায়নে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। একই সময়ে, এ প্রতিবেদনে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে পূর্বের উদ্বেগও রয়ে গেছে, আইএইএ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে প্রতিবেদনটি পাঠানোর সময়, সংস্থাটি তেহরানকে আবারও তাদের পরমাণু কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। এর অর্থ হলো, ইরানের কাছে যেসব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিপুল পরিমাণ মজুত রয়েছে, তা সাম্প্রতিক যুদ্ধেও বড় কোনো ক্ষতির মধ্যে পড়েনি বলেই মনে হচ্ছে। প্রায় এক বছর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, কিন্তু এরপর থেকে ওই ইউরেনিয়াম মজুত সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা জানায়নি।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নতুন বিমান হামলা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এটি আইএইএর প্রথম প্রতিবেদন। ওই হামলার অন্যতম ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একাধিকবার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করাই সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনারও একটি বড় অচলাবস্থার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলমান আলোচনায়, ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে এই মজুত ত্যাগের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রাথমিক চুক্তির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেখানে পারমাণবিক বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য ফেলে দেওয়া হতে পারে।

আগামী সপ্তাহে আইআইএর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরসের ত্রৈমাসিক বৈঠকের আগে প্রকাশিত দুটি গোপন প্রতিবেদনের একটি ছিল এটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা নথিগুলোতে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আগের প্রতিবেদনের তুলনায় খুব সামান্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএইএর মহাপরিচালক ইরানকে জোর দিয়ে জানিয়েছেন যে, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) অনুযায়ী নিরাপত্তা তদারকি চুক্তি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি এবং কোনো পরিস্থিতিতে ইরান একতরফাভাবে এর বাস্তবায়ন স্থগিত রাখতে পারে না।

আইএইএ এখনও গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পুনরায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। একই সাথে, ইরান সংস্থাটিকে জানায়নি তাদের স্বল্প ও উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বর্তমান মজুত কোথায় এবং কী অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও, যা প্রায় ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধতার অস্ত্র-উপযোগী ইউরেনিয়ামে পরিণত হওয়ার খুব কাছাকাছি।

আইএইএ সতর্ক করে বলেছে, প্রায় এক বছর ধরে ঘোষিত ইউরেনিয়াম মজুত যাচাই করতে না পারা অস্ত্র বিস্তারের উদ্বেগ তৈরি করছে এবং এটি এনপিটি নিরাপত্তা চুক্তি পালনের ক্ষেত্রেও উদ্বেগজনক। সংস্থাটির মতে, এত দীর্ঘ সময় নজরদারির বাইরে থাকলে পারমাণবিক উপাদানের অবস্থান সম্পর্কে ধারাবাহিক তথ্য বা ‘জ্ঞানগত ধারাবাহিকতা’ হারিয়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোতে পূর্বে ঘোষিত সব পারমাণবিক উপাদান সম্পর্কে ধারাবাহিক তথ্য পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র : রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%