শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৩ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে ‘আলোর দিশারী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী প্রায় তিন হাজার বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন যানবাহনের শ্রমিকদের মাঝে ফলদ, বনজ ও ওষুধি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আলোর দিশারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জামিনুল হক জামিল, সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, আরএসডি মাদ্রাসার সুপার মাওলানা দেলোয়ার হোসেন এবং ব্যবসায়ী মনির হোসেনসহ এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ।
আলোর দিশারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জামিনুল হক জামিল বলেন,
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে আমাদের এলাকা তথা দেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। কেবল চারা বিতরণ করলেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি গাছের সঠিকভাবে পরিচর্যা ও রক্ষা করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়াই আলোর দিশারী ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, আজকের রোপণ করা এই ছোট্ট চারাটিই আগামী দিনে ছায়া ও অক্সিজেন দিয়ে আমাদের সমাজকে সুরক্ষিত রাখবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এই ধরণের সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও চালকদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন উপস্থিত অতিথি ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)-এর প্রধান হেইডি ওভারটন বৃহস্পতিবার টিকার পক্ষে সতর্কভাবে সমর্থন জানিয়েছেন। এদিন সিনেটে তার নিয়োগ অনুমোদনের শুনানিতে স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
হোয়াইট হাউসের বর্তমান উপদেষ্টা ওভারটনকে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে নেওয়া স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। ট্রাম্প নিজে টিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আসছেন।
গত মাসে ওভারটনকে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেখা যায়, ট্রাম্প এমন একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন যাতে হাম, মাম্পস ও রুবেলা প্রতিরোধী সম্মিলিত এমএমআর টিকাকে তিনটি আলাদা টিকায় ভাগ করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়। ওই সময় ট্রাম্প ভিত্তিহীনভাবে দাবি করেছিলেন, বহুল ব্যবহৃত এই সম্মিলিত টিকা প্রাণঘাতী হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সিনেটের শুনানিতে ওই মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ওভারটন বলেন, ‘এমএমআর টিকা বর্তমানে এফডিএর অনুমোদিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত।’
তিনি বলেন, ‘এটি নিরাপদ ও কার্যকর। বর্তমানে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এটিই আমাদের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।’
যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হয়েছে। চলতি বছর পেনসিলভানিয়ায় টিকা দিয়ে প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশটিতে টিকা নেওয়ার হারও কমছে।
ওভারটনের সিনেট অনুমোদন পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন রিপাবলিকান সিনেটর ও চিকিৎসক বিল ক্যাসিডি। তিনি ওভারটনকে প্রশ্ন করেন, ‘এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এমন কোনো টিকা আছে কি, যেটি অনিরাপদ?’
জবাবে ওভারটন বলেন, ‘এফডিএর তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে থাকা প্রতিটি টিকাই নিরাপদ ও কার্যকর।’
তার এই বক্তব্য ট্রাম্প এবং দেশটির স্বাস্থ্য ও মানবসেবা মন্ত্রী রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের অবস্থান থেকে কিছুটা ভিন্ন বলে মনে হয়েছে। কেনেডি দীর্ঘদিন ধরে টিকা নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রতত্ত্ব প্রচার করে আসছেন।
তবে ওভারটন সরাসরি বলতে অস্বীকৃতি জানান যে টিকা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য ভুল ছিল কি না। একইভাবে, কোনো প্রেসিডেন্টের নির্দেশ জনস্বাস্থ্যের স্বার্থের পরিপন্থী হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন কি না—এমন প্রতিশ্রুতিও দেননি।
ওভারটন বলেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ‘গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তারিত আলোচনা’ হয়েছে। তিনি ট্রাম্পকে তার ‘সর্বোত্তম পরামর্শ’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
সিনেটররা ওভারটনের গর্ভপাতের ওষুধ নিয়েও প্রশ্ন করেন। এর আগে তিনি এই ওষুধকে ‘নারীদের জন্য বিপজ্জনক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, কারণ এফডিএ এ বিষয়টিও নিয়ন্ত্রণ করে।
৩৭ বছর বয়সী ওভারটনের নিয়োগ সিনেটে অনুমোদিত হলে তিনি এফডিএর ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রশাসক হবেন।
ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এফডিএ নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সংস্থাটিতে ব্যাপকসংখ্যক কর্মী ছাঁটাই হয়েছে, বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা পদ ছেড়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোস্ট গার্ড গভীর সমুদ্র থেকে ৮ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে, যাদের একটি ফিশিং বোট ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসছিল।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১১টার দিকে সুন্দরবনের কোকিলমনি থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে মাছ আহরণের সময় একটি ফিশিং বোট ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকে, যেখানে ৮ জন জেলে ছিলেন। পরবর্তীতে, মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসার পর ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায়, ওই ফিশিং বোটের একজন জেলে বোট মালিককে কল করে বিষয়টি জানায় এবং কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, কোস্ট গার্ড স্টেশন কোকিলমনি দ্রুত একটি উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং গভীর সমুদ্র থেকে বিকল বোটসহ ৮ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
উদ্ধারকৃত জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খাবারও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে, বোটসহ মালিকপক্ষের কাছে তাদের হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফরহাদ তালুকদারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় থানা ও জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
ফরহাদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তাদের দাবি, ফরহাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তবুও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান জানিয়েছেন, ফরহাদ তালুকদারকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে বরিশাল আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলতি বছরে প্রথম ছয় মাসে আর্জেন্টিনায় দারিদ্র্যের হার ৩২ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের আয় বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের শাসনামলে দারিদ্র্য কমানোর যে অগ্রগতি ছিল, তার একটি অংশ আবারও হারিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ইন্ডেকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দারিদ্র্যের হার ৪ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে গেছে।
চরম দারিদ্র্যের হারও ৬ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছে।
বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। দেশটির ১৪ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে। আর ১০ দশমিক ৮ শতাংশ শিশু চরম দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছে।
ইন্ডেকের হিসাব অনুযায়ী, যেসব প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মৌলিক পণ্য ও পরিষেবার ব্যয়ভার বহন করার জন্য প্রায় ৩৪০ ডলার প্রয়োজন, তাদের দরিদ্র হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, যাদের মৌলিক পণ্য ও পরিষেবার ব্যয়ভার বহন করার জন্য প্রায় ১৫০ ডলার প্রয়োজন, তাদের চরম দরিদ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এই পরিসংখ্যান প্রেসিডেন্ট মিলেইয়ের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মুক্তবাজারপন্থী মিলেই তার প্রথম দুই বছরে দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমিয়ে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছিলেন।
মিলেই ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের দারিদ্র্যের হার ব্যাপকভাবে ওঠানামা করেছে। তিনি কঠোর ব্যয়সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দুর্বল অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে দারিদ্র্যের হার ৫২ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছিল। সেই সময় মিলেই ক্ষমতায় আসার পর দেশটির মুদ্রা পেসোর মূল্য ৫০ শতাংশের বেশি কমে যায়। এরপর ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে দারিদ্র্যের হার কমে ২৮ দশমিক ২ শতাংশে নেমে আসে।
চলতি বছরের শুরুতে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে শুরু করার কারণে দারিদ্র্যের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পরে মূল্যস্ফীতি আবার কমে আগস্টে ১ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ায়, যা ১৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ আর্জেন্টিনায় দারিদ্র্যের উচ্চহারের জন্য কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তাকে দায়ী করেছেন আর্জেন্টাইন ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউসিএ) সামাজিক ঋণ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের গবেষক এদুয়ার্দো দোনজা।
ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং মিলেইয়ের বিদেশি পণ্যের জন্য আর্জেন্টিনার বাজার আরও উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির উৎপাদন ও খুচরা বিক্রয় খাতে বিপুলসংখ্যক চাকরি কমেছে। এর ফলে আমদানিও বেড়েছে।
মিলেই ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রায় ৩০ হাজার প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বেকারত্বের হার বেড়ে ৭ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ।
তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধুমাত্র বেকারত্ব নয়, বরং অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের উচ্চ হারও দারিদ্র্য বৃদ্ধির একটি বড় কারণ।
দোনজা বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা বেকারত্ব নয়, চাকরির অনিশ্চয়তা। কারণ পরিবারগুলো যখন আয় থেকে বঞ্চিত হয়, তখন তাদের কোনো না কোনো কাজ খুঁজে নিতে হয়—যেমন বর্জ্য সংগ্রহ, রাস্তায় পণ্য বিক্রি বা রেলস্টেশনে খাবার বিক্রি।’
মিলেইর দাবি, তার ক্ষমতায় আসার পর দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর আবার কমে আসার হিসাবের ভিত্তিতে তিনি ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে এনেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ