ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন, কী হতে পারে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ?


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন, কী হতে পারে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ?

আমেরিকা এবং ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন অটুট সম্পর্কের ভিত্তি এখন ধীরে ধীরে নড়বড়ে হয়ে উঠছে। গত কয়েক দশক ধরে মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইসরায়েলপন্থী শক্তির যে অবস্থান ছিল, তা এখন পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে যা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সামাল দেওয়া ইসরায়েলের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

ওয়াশিংটন থেকে ইসরায়েলকে পাঠানো আশ্বাসবাণীগুলো এখন অনেকাংশে প্রথাগত বা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। ‘সম্পর্ক অটুট’ কিংবা ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি প্রতিশ্রুতি ইস্পাতকঠিন’; এই ধরনের বাক্যগুলো বারবার উচ্চারিত হচ্ছে, তবে বাস্তবে ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে আমেরিকার নীতিতে বড় ধরনের ভিন্নতা ধরা পড়ে। ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৭৩ সালের যুদ্ধে যখনই মার্কিন এবং ইসরায়েলি স্বার্থের সংঘাত তৈরি হয়েছে, আমেরিকা শেষ পর্যন্ত নিজের জাতীয় স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই সময় থেকেই ইসরায়েলকে একটি শিক্ষা নিতে হয়েছে যে, পৃষ্ঠপোষক আমেরিকার সঙ্গে যখন উদ্দেশ্য মিলে না, তখন ইসরায়েলকেই ছাড় দিতে হয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ব্যবধান আরও প্রকট হচ্ছে। আমেরিকা বর্তমানে তার মনোযোগ মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দিকে দিচ্ছে, যেখানে তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চীনকে মোকাবিলা করা। পেন্টাগনের কৌশলগত পরিকল্পনা থেকে পরিষ্কার যে, মধ্যপ্রাচ্যের অশেষ সংঘাত এখন আমেরিকার কাছে মূল লক্ষ্যের চেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার শক্তির ব্যবহার এখন আর কেবল ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং আরব দেশগুলোর সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপনের দিকে ঝুঁকছে ওয়াশিংটন।

আরও পড়ুন: সৌদিতে চারটি ড্রোন ভূপাতিত, সহায়তা দেওয়ার কথা ভাবছে মিসর

আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ইসরায়েলকে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে অনীহা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে দ্বিদলীয় ঐক্যের ভিত্তিতে কয়েক দশক ধরে এই সম্পর্ক টিকে ছিল, তা এখন বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ২০২৮ সালে যখন সামরিক সহায়তার নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে, তখন মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানে থাকবে। সেখানে করদাতাদের অর্থ বিদেশি রাষ্ট্রে দেওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে।

সূত্র: এশিয়া টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির বিপক্ষে টিকে থাকার লড়াইয়ে ইকুয়েডর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৫ এম


জার্মানির বিপক্ষে টিকে থাকার লড়াইয়ে ইকুয়েডর

জার্মানির জন্য ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচটি তুলনামূলকভাবে চাপমুক্ত অবস্থায় রয়েছে। নকআউট পর্ব নিশ্চিত হওয়ায় তারা এই ম্যাচে বলের দখল ধরে রাখা, কৌশলগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং মূল খেলোয়াড়দের অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি থেকে দূরে রাখার সুযোগ পাবে।

অন্যদিকে, ইকুয়েডরের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। তাদের সামনে কার্যত ‘করো অথবা মরো’ সমীকরণ রয়েছে, কারণ দুই ম্যাচে তারা মাত্র এক পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। আইভরি কোস্টের কাছে ১-০ গোলে হার এবং কুরাসাওয়ের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র তাদের নকআউট পর্বে একটি কঠিন পথ তৈরি করেছে। তাই পরবর্তী পর্বের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য জার্মানির বিপক্ষে জয় করা অপরিহার্য।

বিশেষ করে, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি ইকুয়েডরের জন্য হতাশাজনক ছিল। ৭৪.৬ শতাংশ বলের দখল, ২৭টি শট য其中 ১৫টি লক্ষ্যে এবং ৯টি কর্নার আদায় সত্ত্বেও তারা জালের দেখা পায়নি। সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হলেও শেষ মুহূর্তে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়াটাই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তবে, জার্মানির বিপক্ষে একই ধরনের সুযোগ পাওয়া সহজ হবে না। শক্তিশালী রক্ষণভাগের কারণে পেনাল্টি বক্সে স্থান তৈরি করা কঠিন হবে, এবং প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর চাপও অনেক বেশি থাকবে।

জার্মানির আক্রমণভাগে রয়েছে একাধিক কার্যকর বিকল্প। মুসিয়ালার ড্রিবলিং, উইর্টজের সৃজনশীলতা, সানের গতি এবং হ্যাভার্টজের বহুমুখী ভূমিকা প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। এছাড়া বদলি হিসেবে নেমে আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করা দোকনিজ উন্দাভও প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে তিনি সক্ষম।

এখানেই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট। ইকুয়েডর যেখানে এখনও টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম গোলের অপেক্ষায়, সেখানে জার্মানি দুই ম্যাচেই মোট ৯ গোল করে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। এমনকি বেঞ্চের খেলোয়াড়দের নিয়েও তারা শক্তিশালী একাদশ নামাতে সক্ষম।

সম্ভাবনা রয়েছে যে, ইকুয়েডর শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে। কিন্তু ম্যাচের পুরো সময় এই চাপ ধরে রাখা তাদের জন্য কঠিন হতে পারে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বা দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যে গোল ব্যতীত থাকলে তাদের আরও ঝুঁকি নিতে হবে, যা পাল্টা আক্রমণে জার্মানির জন্য সুযোগ তৈরি করবে।

ম্যাচের প্রথম গোলটি তাই হতে পারে নির্ধারক। ইকুয়েডর যদি আগে এগিয়ে যায়, তাহলে লড়াই জমে উঠবে, তবে জার্মানি যদি প্রথম গোল করে, তাহলে দক্ষিণ আমেরিকার দলটিকে মানসিক চাপ অনেক বেড়ে যাবে।

সবশেষে, ইকুয়েডরের লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। ২০২৬ বিশ্বকাপে টিকে থাকার শেষ সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চাইবে না। তবে, আক্রমণে নির্ভুলতার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে না পারলে, শুধু দৃঢ়সংকল্প দিয়ে জার্মানির মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
উপকৃত হবে ২০ হাজারের বেশি শিশু

বাবুগঞ্জে ১৪৫ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৬ এম


বাবুগঞ্জে ১৪৫ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

সারাদেশের অন্যান্য এলাকার মতো আগামী ২৮ জুন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ১৪৫টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পেইনের আওতায় বাবুগঞ্জ উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৫০৪ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী ২ হাজার ৩৮৮ শিশু একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১ বছর থেকে ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী ১৮ হাজার ১১৬ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে এলাকার শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম চলবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ব্যাপক প্রচার কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। উপজেলা মোট জনসংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৮ জন বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, "বাংলাদেশের অনেক শিশু এখনও ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতিতে ভুগছে। এর অভাবে শিশুরা জেরোফথ্যালমিয়া বা রাতকানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।" এছাড়া হাম ও নিউমোনিয়ার মতো রোগের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভিটামিন ‘এ’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, "শিশুদের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তাই অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ে শিশুদের ক্যাম্পে নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা মন্তব্য করেন, "আগামী ২৮ জুন উপজেলার নির্ধারিত বয়সী প্রতিটি শিশু যেন ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারে, সে লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।" উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শতভাগ বাস্তবায়নের ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ বদ্ধপরিকর। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা প্রকাশ করছে, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনতার মাধ্যমে উপজেলায় শতভাগ শিশু এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতখানে নবাগত ইউএনও'র আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৮ এম


দৌলতখানে নবাগত ইউএনও

ভোলার দৌলতখানের উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল মতিন খান এর সভাপতিত্বে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত ছিলেন (নবাগত) সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফখরুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনের নানা দপ্তরের কর্মকর্তা, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক, প্রেস ক্লাব সভাপতি, রিপোর্টার্স ইউনিটি ও উপকূল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি, শিক্ষক প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন পেশার এবং শ্রেণির নেতৃবৃন্দ। সভায় পরিচয় পর্ব শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এলাকার আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন, অবৈধভাবে ফুটপাত দখলে যানজট নিরসন, ইভটিজিং ও উঠতি বয়সিদের উৎপাত, মাদক থেকে যুব সমাজকে রক্ষা ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা স্টেডিয়াম কোনটি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:১০ এম


২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা স্টেডিয়াম কোনটি?

উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি দেশে ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন শহরে আয়োজিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টের জমকালো এই আয়োজনে বরাবরের মতো এবারও নতুন ও পুরনো স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে নিজ নিজ শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই চলছে। বিশাল এই টুর্নামেন্টের উত্তেজনা এবং মাঠের বাইরের অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে বিবিসি স্পোর্টসের একঝাঁক অভিজ্ঞ সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার তাদের চোখে সেরা ও ব্যতিক্রমী স্টেডিয়ামগুলোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আবেগের বিচারে মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামকে অনন্য বলে অভিহিত করেছেন বিবিসির জ্যেষ্ঠ ধারাভাষ্যকার জন মারে। ফুটবল ইতিহাসের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী এই স্টেডিয়ামটি আধুনিকায়নের পরেও তার পুরনো জাদুকরী আবহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তার মতে, আজতেকা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে মেক্সিকান দর্শকদের উন্মাদনা ও বর্ণিল পরিবেশ এই বিশ্বকাপের সেরা মঞ্চগুলোর একটি।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে ডলাস স্টেডিয়ামের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিবিসির প্রধান ফুটবল লেখক ফিল ম্যাকনাল্টি এবং উপস্থাপিকা কেলি সোমারস। তীব্র গরমেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই স্টেডিয়ামের আরামদায়ক পরিবেশ এবং বিশালাকৃতির ছাদ দর্শকদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। স্টেডিয়ামের বিশালতা এবং অসাধারণ সাউন্ড সিস্টেম দর্শকদের খেলার গভীরে ডুবে যেতে সাহায্য করে বলা হয়েছে।

তবে পরিবেশ এবং স্থাপত্যের নান্দনিকতায় সিয়াটলের লুমেন ফিল্ড বা সিয়াটল স্টেডিয়াম সাংবাদিকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। ধারাভাষ্যকার ভিকি স্পার্কস এবং প্রতিবেদক গ্যারি রোজের মতে, এই স্টেডিয়ামের নকশা ও আকৃতির কারণে দর্শকদের চিৎকার এবং উল্লাস মাঠের ভেতরে এক অভূতপূর্ব বাতাবরণ তৈরি করে, যা প্রায়শই স্টেডিয়ামকে কেঁপে উঠতে বাধ্য করে। এছাড়া স্টেডিয়ামের চারপাশের মনোরম দৃশ্য এবং শহরের স্কাইলাইনের সৌন্দর্য একে একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।

নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের বিশালতার মুগ্ধতা যেমন সাংবাদিকদের আকর্ষণ করেছে, তেমনি আটলান্টা স্টেডিয়ামের অনন্য গঠনশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় দর্শকদের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা উপহার দিচ্ছে বলে মনে করেন সাংবাদিক ইয়ান ডেনিস। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে তারা প্রশংসা করেছেন সেখানকার ‘টেইলগেটিং’ সংস্কৃতির, যেখানে বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা খেলার আগে একই সঙ্গে খাবার ও আনন্দ উৎসবে মেতে উঠছে।

আবার অনেক ক্ষেত্রে বিশালতায় ঢাকা পড়ে যাওয়া ছোটখাটো সীমাবদ্ধতার কথাও উঠে এসেছে। যেমন বস্টন স্টেডিয়ামের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মতে, স্টেডিয়ামের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও দিকনির্দেশনা ও দর্শকদের যাতায়াতের ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতির সুযোগ ছিল। সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপের এই স্টেডিয়ামগুলো কেবল খেলার মাঠ নয়, বরং একেকটি আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে ফুটবল ফ্যানদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%