বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
শেরপুরের নকলায় আগস্ট মাসের সব কর্মদিবসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্দীপনা পুরষ্কার হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। বুধবার উপজেলার বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি যেসব শিক্ষার্থী গত মাসে কোন কার্যদিবসে অনুপস্থিত থাকেনি তাদের মাঝে পুরষ্কার হিসেবে বই, খাতা ও কলম প্রদান করা হয়। পাঁচ ক্লাসের শ্রেণি শিক্ষকগন নিজ নিজ শ্রেণির মাসসেরা পুরষ্কার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলেদেন।
পাঠদান শুরুর আগে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুল ইসলাম এ পুরষ্কার বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসময় সহসুপার মো. ফজলুল করিম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. মোশারফ হোসাইন ও মোসাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, শওকত আলী, নুসরাত জাহান নিপা, সহকারী মৌলভী হযরত আলী, ফুলেছা খাতুন, সবুজা খাতুন ও ওসহিগিী বেগম; সহকারী শিক্ষক মাহাদী মাসুদ, তাহেরা সুলতানা, মুক্তা খাতুন, আবু রায়হান, মোজাহিদুল ইসলাম, আয়শা সিদ্দিকা, ইয়াছিন আহাম্মেদ, উজ্জল মিয়া, লাবনী বেগম ও আরিফ হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সুপার শহিদুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিত নিশ্চিত করতে তথা শ্রেণিমুখী করতে কয়েক বছর ধরেই মাসের সব কর্মদিবসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্দীপনা পুরষ্কার প্রদান করা হচ্ছে। এতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার দিন দিন বাড়ছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার ওপর নতুন করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের পাশাপাশি ঐতিহাসিক ‘লেক অন্টারিও’ (Lake Ontario)-এর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। এই পদক্ষেপের ফলে দেশের ভেতরেই তীব্র জনরোষ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন জনগণের একটি বড় অংশ প্রেসিডেন্টের এই দুই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। ২০২৬ সালের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) আগে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ তার নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও অস্বস্তি সৃষ্টি করছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও জরিপকারী প্রতিষ্ঠান ইপসোস (Reuters/Ipsos)-এর সাম্প্রতিক একটি যৌথ জনমত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, লেক অন্টারিও-র নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার আদেশের বিরুদ্ধে ৬৩ শতাংশ আমেরিকান রায় দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ। এমনকি ট্রাম্পের নিজ দলের রিপাবলিকানদের মধ্যেও ৪৩ শতাংশ সদস্য এই নামকরণের বিরোধিতা করেছেন, যেখানে সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন মাত্র ৩৩ শতাংশ।
কানাডার সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন বাণিজ্যিক সংঘাত ও শুল্কনীতির ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। জরিপ অনুযায়ী, ৫৭ শতাংশ আমেরিকান কানাডিয়ান পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের বিপক্ষে মতামত দিয়েছেন। এর বিপরীতে, মাত্র ২০ শতাংশ নাগরিক ট্রাম্পের এই কঠোর বাণিজ্য নীতিকে সমর্থন জানিয়েছেন।
আমেরিকানদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, কানাডার সঙ্গে অযাচিত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিরোধ তৈরির পেছনে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নীতিই দায়ী। ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা এই সংকটের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছেন, যেখানে কানাডাকে দায়ী করেছেন মাত্র ১২ শতাংশ। এছাড়া ৪০ শতাংশ আমেরিকান আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই বাণিজ্যিক সংঘাতের ফলে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভৌগোলিক কোনো স্থান বা জলাশয়ের নাম পরিবর্তনের ট্রাম্পের এই ঝোঁক এবার দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। ইতিপূর্বে মেক্সিকো উপসাগরের নাম ‘গালফ অব আমেরিকা’ করার উদ্যোগের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের ওপর জন অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল। কানাডা সীমান্ত ঘেঁষা মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলোর রিপাবলিকান প্রার্থীরাও চিন্তিত, কারণ ট্রাম্পের এমন নীতি তাঁদের আসন্ন নির্বাচনে ভোটের সমীকরণে পিছিয়ে দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ৯২টি বা এমনকি ২০০-৩০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার যে প্রতিবেদন রয়েছে, সেটিকে তিনি নাকচ করেছেন।
আজ বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল হাসানের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
নুরুল হাসান প্রশ্ন করেন, "আমরা পত্রপত্রিকা এবং বিভিন্নভাবে দেখছি যে, বিশেষ করে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংকটের কারণে কেউ বলছে ৯২ টি আর কেউ বলছে আরো বেশি ২০০-৩০০ কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা হয়ে গেছে। কতগুলো কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং কতদিন নাগাদ সেটা আবার চালু করা হবে?"
প্রধানমন্ত্রী উত্তরে বলেন, প্রতিবেদনে উল্লেখিত সংখ্যাগুলো সঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি একটু বেশি তথ্য নিতেন, তাহলে দেখতেন—আপনি যে ৯৫টি কারখানা বন্ধের কথা বলেছেন, সেই তথ্যের সূত্র যারা ব্যবহার করেছিলেন, তারা পরের দিনই দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, তাদের তথ্য সম্পূর্ণ ভুল ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবেদনটিতে সম্ভবত ২০২২ সালের কোনো পুরোনো সংবাদ বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।’
এর আগে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী বছর থেকে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য জুতা ও স্কুলব্যাগ বিতরণ কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারণ করা হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে যশোর পিটিআই অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহি ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কার্যকর ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি সেবার মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেনগুলোও সরকারের মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার একটি সেশন পরিচালনাকালে প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন শ্রেণির মৌলিক মানদণ্ড, বিদ্যালয় পরিদর্শনের নিয়ম ও কার্যপদ্ধতি, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতাসহ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) মো. মতিয়ার রহমান এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, সহকারী সুপারিনটেনডেন্টসহ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা কলেজের অতীতের গৌরবময় ঐতিহ্য ও উৎকর্ষ ফিরিয়ে আনার জন্য কলেজের ছাত্র-শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এক সময় ঢাকা কলেজ ছিল দেশের সর্বোৎকৃষ্ট বিদ্যাপীঠ। দেশের রাজনীতি, নেতৃত্ব, লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, প্রশাসক ও আলোকিত মানুষ তৈরিতে ঢাকা কলেজের অবদান ছিল বিশাল। ছাত্র-শিক্ষক সবাই মিলে সেই গৌরবময় ঐতিহ্য ও উৎকর্ষ পুনরুদ্ধার করতে হবে।
আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সভাপতি মীর সরফত আলী সপু এবং সদস্য কামরুজ্জামান রতন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান।
আজ বিকেলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে বাসসকে এসব তথ্য জানান।
এ সময় তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে দেশের জনগণের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য ও সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে কলেজের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন।
এসময় তারা আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য এসোসিয়েশনের ১৮৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে সদয় আমন্ত্রণ জানালে রাষ্ট্রপতি সেখানে উপস্থিত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির সচিববৃন্দ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ