ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি


জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

ক্যাম্পাস ও দেশজুড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম ও তৎপরতার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এতে জবি ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেতও ছিলেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ‘স্বৈরাচার আর রাজাকার, মিলেমিশে একাকার’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায়। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পুনরায় সাংগঠনিক তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও সহিংসতার রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখতে আমরা সোচ্চার। নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠন যেন ক্যাম্পাসের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"

জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পুনরায় তৎপরতার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। আমরা কোনো ধরনের সহিংসতা চাই না। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এসব তৎপরতার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় একরাতে ১১০০ ড্রোন হামলা চালালো ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


রাশিয়ায় একরাতে ১১০০ ড্রোন হামলা চালালো ইউক্রেন

রাশিয়ার উপর ১১০০টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী, যা রাতভর চলেছিল। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রুশ কর্মকর্তারা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। মস্কোর মেয়র এই হামলাকে রাজধানীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। খবরটি এসেছে সামা টিভির মাধ্যমে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দেশজুড়ে এবং ক্রিমিয়া ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে ইউক্রেনের ১ হাজার ১০০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে রুশ বাহিনী।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, রাজধানীর দিকে যাওয়ার সময় ৪৫০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কয়েকটি ড্রোন মস্কোর তেল শোধনাগার এবং একটি আবাসিক ভবনে আঘাত হেনেছে।

এ হামলা রাশিয়ার সংসদীয় নির্বাচনের তৃতীয় ও শেষ দিনে সংঘটিত হয়। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি ছিল রাশিয়ায় প্রথম সংসদীয় নির্বাচন।

এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতা আরও সুসংহত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ তার নীতির বিরুদ্ধে সংগঠিত বিরোধিতার মাত্রা অত্যন্ত কম।

এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলেও ভোটগ্রহণ করেছে। মস্কো এসব অঞ্চলকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার দাবি করলেও সেগুলোর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে নেই। ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখলে আসা ক্রিমিয়াতেও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউক্রেন এই ভোটগ্রহণকে অবৈধ বলে নিন্দা জানিয়েছে।

মেয়র সোবিয়ানিন বলেন, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেন, হামলা নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে সক্ষম হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর দুই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


রাজধানীর দুই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনে এবং পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে পৃথকভাবে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

দুপুর ১টার দিকে হাইকোর্টের প্রধান ফটকের বাইরের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাইকোর্টের প্রধান ফটকের সামনের সড়কে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর দুপুর দেড়টার দিকে সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনাতেই বিস্ফোরণের পরপরই জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত বা কী উদ্দেশ্যে এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে শনিবার রাতেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। ফলে এক দিনের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েনকে উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ফুলের শুভেচ্ছা জানান এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করে। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সুদৃঢ় বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফল চীন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মত প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল, সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে, যার মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বহুগুণ বাড়বে।

এ সময় রাষ্ট্রদূত চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করে দুই দলের সার্বিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। দ্বিপাক্ষিক এ সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ পি.এম


মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজকের দিনটিতে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে, মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব বেবী রাণী কর্মকার এবং আইসিসিসিএডি’র রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভাইজার ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ উভয়পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। সচিব আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকটি যেন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এর আওতায় গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। তিনি মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর-অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

সচিবের বক্তব্যে আরও বলা হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই সমঝোতা স্মারকটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।

সমঝোতা স্মারকের আওতায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ অধিদপ্তর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আইসিসিসিএডি সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য প্রকল্প প্রণয়ন ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের নীতি, কর্মসূচি ও কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে কারিগরি সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ফোরাম ও পলিসি ডায়ালগে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব জোরদারে সহযোগিতা করা হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলন (কপ)-এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তাও প্রদান করবে আইসিসিসিএডি।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মো. মীর হোসেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও মূল্যায়নকোষের চীফ ড: মো. হাবিবুর রহমান, আইসিসিসিডি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হক প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%