রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৮ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েনকে উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ফুলের শুভেচ্ছা জানান এবং পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করে। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সুদৃঢ় বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফল চীন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মত প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল, সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে, যার মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বহুগুণ বাড়বে।
এ সময় রাষ্ট্রদূত চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করে দুই দলের সার্বিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। দ্বিপাক্ষিক এ সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজকের দিনটিতে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে, মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব বেবী রাণী কর্মকার এবং আইসিসিসিএডি’র রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভাইজার ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ উভয়পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। সচিব আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকটি যেন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। এর আওতায় গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কার্যকর অবদান রাখতে হবে। তিনি মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর-অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার সর্বোচ্চ সুবিধা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।
সচিবের বক্তব্যে আরও বলা হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সমন্বিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই সমঝোতা স্মারকটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ অধিদপ্তর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আইসিসিসিএডি সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য প্রকল্প প্রণয়ন ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের নীতি, কর্মসূচি ও কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে কারিগরি সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ফোরাম ও পলিসি ডায়ালগে অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব জোরদারে সহযোগিতা করা হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলন (কপ)-এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তাও প্রদান করবে আইসিসিসিএডি।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মো. মীর হোসেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও মূল্যায়নকোষের চীফ ড: মো. হাবিবুর রহমান, আইসিসিসিডি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হক প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত এবং রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড একাদশের মধ্যে একটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) নিজেদের একশ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য। শুক্রবার মুম্বাইয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে এক বিবৃতিতে বিসিসিআই জানায়, ২০২৮ সালে বোর্ডের শতবর্ষ উদযাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তাদের সাধারণ পরিষদ।
২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে এই শতবর্ষ উদযাপন কর্মসূচি। এটি ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদযাপনের তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করছে বোর্ড। সভায় আলোচিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে একটি হলো ভারত বনাম রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা।
তবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা এখনও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। উদযাপনের পরিকল্পনা ঠিক কীভাবে সাজাবে বোর্ড, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এখন পর্যন্ত মোট নয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে আইসিসি বিশ্ব একাদশ। ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে এশিয়া একাদশের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে খেলে তারা। এরপর ২০০৫ সালের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে এবং একটি টেস্ট খেলে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলে তারা। এছাড়া ২০১৮ সালের মে মাসে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি খেলে বিশ্ব একাদশ।
আইসিসি বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে এখনো কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি ভারতীয় দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের শার্শা অঞ্চলে একটি বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে তিনটি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে, লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর বাড়ি থেকে এই ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকালে পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। খামারপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর বসতবাড়ির গোয়ালঘরে একটি সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগ দেখতে পান স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা। ব্যাগের ভেতরে তিনটি ককটেল সদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তারা দ্রুত গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ককটেলগুলো উদ্ধার করে নিরাপদে হেফাজতে নেয়।
শার্শা থানার ওসি শামিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেল তিনটি উদ্ধার করেছে। কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো গোয়ালঘরে লুকিয়ে রেখেছিল, সেই বিষয়টি তদন্তে পুলিশ ইতোমধ্যে নিবিড়ভাবে কাজ শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিকো নোদা প্রায় ৪০ বছর ধরে রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের হাতে রাজনৈতিক প্রচারপত্র তুলে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তিনি এই অভ্যাসটি বজায় রেখেছেন।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে চিবা এলাকার মিনামি-ফুনাবাশি স্টেশনে নোদাকে দেখা যায়। তার সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেখানে প্রচারপত্র বিতরণের কথা ছিল। তিনি এবারের প্রচারপত্র বিতরণের সময় কোনো বক্তব্য দেননি। যাত্রীদের হাতে সরাসরি প্রচারপত্র তুলে দেন তিনি।
এই প্রচারপত্রগুলোর মধ্যে দুর্যোগ বীমা, শিশু সহায়তা ও প্রাদেশিক সংস্কারের মতো স্থানীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। কিছু যাত্রী নোদাকে চিনতে পেরে তার কাছ থেকে প্রচারপত্র গ্রহণ করেন, আবার অনেকেই তাকে না চিনেই পাশ দিয়ে চলে যান।
নোদার স্টেশনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিলির অভ্যাসটি ১৯৮৬ সালে শুরু হয়। সে সময় তিনি জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেননি। ১৯৮৭ সালে তিনি চিবা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৩ সালে জাপানের সংসদের নিম্নকক্ষে নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন নোদা। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পরও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের এই পদ্ধতি তিনি বন্ধ করেননি।
নোদার সরকারি ওয়েবসাইটে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর কর্মসূচিতে বিভিন্ন রেলস্টেশনে সকালে প্রচারপত্র বিতরণের একাধিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র প্রচারপত্র বিতরণ করছেন এবং বক্তব্য দিচ্ছেন না।
জাপানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে প্রচারপত্র বিতরণ ও যাত্রীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ঘটনা পরিচিত। তবে নোদার ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে তার দীর্ঘ সময় ধরে একই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে।
প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করার পরও প্রায় চার দশক ধরে একইভাবে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে প্রচারপত্র তুলে দেওয়ার এই অভ্যাস তার রাজনৈতিক জীবনের ভিন্ন একটি দিক তুলে ধরেছে।
সূত্র: দ্য গালফ নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ