ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ, জেমসের কনসার্টসহ নানা আয়োজন


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ, জেমসের কনসার্টসহ নানা আয়োজন

আজ সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’ উদযাপন করা হচ্ছে, যেখানে শোভাযাত্রা, চারুকলা প্রদর্শনী, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কনসার্টের মতো বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সংগীত পরিবেশন করবেন নগরবাউল জেমস।

রবিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমানের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন অনুষ্ঠান এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

সকাল ৯টায় শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হবে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য। এরপর শোভাযাত্রা, শিল্পকর্ম ও চিত্রপ্রদর্শনী এবং কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৩টায় বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চে উঠবেন জেমস। কনসার্টটি রাত ৯টার মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

দর্শকদের সুবিধার্থে শহীদ মিনার ও মূল মঞ্চের সামনে দুটি এলইডি পর্দা এবং বাহাদুর শাহ পার্কে জায়ান্ট স্ক্রিন স্থাপনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিবেচনা করছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ৩০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪৭ জন ফেল, ছাত্রদলের প্রতিবাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ এম


নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি অনুমোদন পাওয়ার পর সংগঠনটির নেতাকর্মীরা আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করেন। এ সময় নেতারা সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার, সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে সোনাইমুড়ী সরকারি কলেজ মাঠ থেকে উপজেলা ও পৌরসভা ছাত্রদলের উদ্যোগে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোনাইমুড়ী বাইপাস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন রনি, সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ইমাম হোসেন রকি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইব্রাহিম বাবু, সদস্য সচিব নুর হোসেন সবুজ এবং পৌরসভা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব আলী হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা উল্লেখ করেন, নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বক্তারা বলেন, দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ছাত্রদলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, বটবাহিনী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও অতীতের অপকর্মের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বক্তারা নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান যেন কোনো অপশক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে।

এ সময় দলের দুঃসময়ে ত্যাগী কর্মীদের নবগঠিত কমিটিতে মূল্যায়ন করায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি বক্তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নিতে দুপুর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোনাইমুড়ী সরকারি কলেজ মাঠে জড়ো হন। পরে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে শোভাযাত্রাটি অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, আগুনের তীব্রতা কমলে রিলিফ কূপ খনন হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ এম


গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, আগুনের তীব্রতা কমলে রিলিফ কূপ খনন হবে

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গত পাঁচ দিন ধরে মাটির নিচ থেকে নির্গত গ্যাসের আগুন জ্বলছে। বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেট থাকার সম্ভাবনা দেখছেন। উৎস ও মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য বাপেক্স ও পেট্রোবাংলা ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগুনের তীব্রতা না কমলে বিকল্প বা ‘রিলিফ কূপ’ খনন করা হতে পারে। তবে সম্ভাবনার সঙ্গে দুর্ঘটনার শঙ্কাও বাড়ছে। জননিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিলিফ কূপ খননের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এবং বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা আগুনের উৎসকে একটি অগভীর গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার বলে ধারণা করছেন। তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন এবং পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, ইনানীর ওই উৎস থেকে উৎপাদন ও ব্যবহারযোগ্য গ্যাস বা জ্বালানি তেল পাওয়া গেলে এটি হবে দেশের ৩১তম খনিজ কূপ।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা আগুনের প্রকৃতি এবং গ্যাস নির্গমন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুকতাদির বলেন, "এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা রয়েছে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই এ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব।" তবে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, কারণ যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন ও মাইনস) প্রকৌশলী শোয়েব জানান, বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন মহাব্যবস্থাপককে নিয়ে বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলায় একটি সভা হয়েছে। সেখানে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে, নির্গত গ্যাসটি থার্মোজেনিক ও বায়োজেনিক প্রকৃতির হতে পারে। তবে আগুনের শিখার রঙ দেখে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেট থাকার বিষয়টিও অনুমান করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের উৎস একটি অগভীর গ্যাসের মজুত বা শ্যালো রিজার্ভার। দেশে সাধারণত ভূগর্ভের দেড় থেকে পাঁচ কিলোমিটার গভীরে গ্যাসের মজুত পাওয়া যায়। তবে গ্যাসের উৎস ও প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ সময় আগুনের শিখার উচ্চতা ও গ্যাস নির্গমনের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পেট্রোবাংলার এই কর্মকর্তা জানান, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের পর যদি দেখা যায় আগুনের শিখার উচ্চতা বেড়েছে বা একই রকম রয়েছে, তাহলে আগুন বন্ধ করার জন্য প্রাথমিকভাবে একটি রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা করা হবে। সাইড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে রিলিফ কূপ খননের মাধ্যমে গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে। তবে গ্যাসের প্রবাহ কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আশপাশেও গ্যাসের অস্তিত্ব

মো. শোয়েবের মতে, আশপাশের কয়েকটি ভূতাত্ত্বিক স্তর থেকেও গ্যাস জ্বলতে দেখা গেছে। ভূগঠনে কিছু পরিবর্তনের কারণে গ্যাস নির্গমন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বাপেক্স সেখানে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা করবে। জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্যাস মজুতের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে। সেখানে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক গ্যাসের মজুত পাওয়া গেলে নতুন কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের ইনানী ছোট খাল ব্রিজসংলগ্ন একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। ওই সময় মাটির প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে পাইপ ঢোকানোর পর গ্যাস বের হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সেই গ্যাসে আগুন ধরে যায়।

পরে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। ঘটনাস্থলে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বাপেক্সের একটি কারিগরি দল স্থানটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগুনের উৎস ও আশপাশের এলাকাকে বিভিন্ন নিরাপত্তা অঞ্চলে ভাগ করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০০ মিটারে ১৪৪ ধারা জারি

এরপর উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পান্না আক্তারের এক আদেশে ঘটনাস্থলের আশপাশের ২০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ ঘটনায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থল ও আশপাশে আগুন জ্বালানো, ধূমপান, দিয়াশলাই বা লাইটার ব্যবহারসহ স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে- এমন সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে এলাকায় মাইকিংয়ের পাশাপাশি বসানো হয়েছে কাঁটাতারের বেড়া ও লাল পতাকা। তবে এসব সতর্কতামূলক ব্যবস্থার পরও ঘটনাস্থলের আশপাশে মানুষের ভিড় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ১৪৪ ধারা জারির পরও প্রতিদিনই বিকালে ঘটনাস্থলে মানুষের ভিড় বেড়ে যাচ্ছে। অনেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক

এদিকে আগুনের এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ছৈয়দ আলম জানান, বাপেক্সের পক্ষ থেকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়ায় তারা আশা করেছিলেন এর মধ্যে আগুনের তীব্রতা কমে আসবে। কিন্তু দিন দিন তা আরো বাড়ছেই।

আরেক বাসিন্দা বেলাল উদ্দিন বলেন, আগুনের কারণে রাস্তার দুই পাশ দিয়ে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। যানবাহন নিয়ে চলাচলেও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

শহিদুল আলম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ঘটনার তিন দিন পর প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। কিন্তু তা অমান্য করেই উৎসুক লোকজন ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিড় করছেন। এভাবে চলতে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে দর্জি হোসেন আহমেদের মৃত্যু, ছেলে আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০২ এম


লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে দর্জি হোসেন আহমেদের মৃত্যু, ছেলে আহত

লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের মারধরে দর্জি হোসেন আহমেদের (৫০) মৃত্যু ঘটে। রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজিরদিঘির পাড় বাজারে এই ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেল ফেরত দিতে তালবাহানা করার জের ধরে ১০ মিনিটের কথা বলে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

নিহত হোসেন উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের হামছাদী গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত সুলতান আহম্মদের পুত্র। পেশায় তিনি দর্জি ছিলেন। মারধরের ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের মতে, সাইফুলের মোটরসাইকেল একই বাড়ির শাকিল ১০ মিনিটের কথা বলে নেয়। ১৯ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল নেওয়ার পর তা ফেরত দিতে তালবাহানা করে। এর ফলস্বরূপ শাকিল ও বিপ্লবের মারধরে সাইফুলের বাবার মৃত্যু ঘটে।

এদিকে, হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়।

ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, সাইফুল শাকিলের কাছ থেকে মোটরসাইকেলটি ফেরত চাইলে শাকিল তালবাহানা করে। এ নিয়ে কাজিরদিঘিরপাড় বাজারে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু শাকিল বৈঠকে বসতে রাজি না হলে মোটরসাইকেলের মালিক সাইফুল ও তার বাবা হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সাইফুল ও বিপ্লব মিলে হোসেনকে মারধর করে, যার ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।

হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, "গত ১৯ অক্টোবর ১০ মিনিটের কথা বলে আমার কাছ থেকে গাড়ি নিয়ে যায় শাকিল। এরপর গাড়ি ফেরত না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কথা বলি। গত শনিবার গাড়ি ফেরত দেওয়ার কথা বলে আমাদের বসতে ডাকে। পরে আমি, আমার বাবা ও মেজো ভাই গাড়ি আনতে গেলে শাকিল আমার বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করে। এতে আমার বাবার মৃত্যু হয় এবং আমিও আহত হই। আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।"

সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জহুরুল ইসলাম রনি জানান, মৃত অবস্থায় হোসেনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, মোটরসাইকেলকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ রাতের ৫টি আমল যা বদলে দিতে পারে জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০২ এম


শেষ রাতের ৫টি আমল যা বদলে দিতে পারে জীবন

শেষ রাতের আমল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে শেষ রাতে বিভিন্ন আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই রাতে জাগরণ প্রবৃত্তি দমনে অধিক সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণে অনুকূল।’ -সূরা মুজ্জাম্মিল

বুজুর্গ আলেমরা শেষ রাতে কিছু আমলের কথা উল্লেখ করেছেন। এই আমলগুলো হলো-

দোয়া ও ইস্তেগফার: শেষ রাতে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা, দোয়া করা এবং কিছু চাইতে উৎসাহিত করা হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমাদের রব প্রতি রাতে দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন, যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকে। তিনি বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দেব; কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব।’ -সহিহ বুখারি: ১১৪৫

মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা: অন্য একটি হাদিসে এসেছে, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রাতে আল্লাহতায়ালা তার দয়ার হাত প্রসারিত করেন যেন দিবসের অপরাধী তার কাছে তওবা করে। এভাবে দিনে তিনি তার হাত প্রসারিত করেন, যেন রাতের অপরাধী তার কাছে তওবা করে। এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে পশ্চিম দিগন্ত থেকে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত। -সহিহ মুসলিম: ৬৮৮২

সাধ্যমতো নফল নামাজ পড়া: শেষ রাতের নামাজ পড়ার ব্যাপারে প্রশংসা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করো তোমার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে। আশা করা যায়, তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন।’ -সূরা বনি ইসরাঈল: ৭৯

কুরআনে কারিম তেলাওয়াত করা: কুরআনে কারিম তেলাওয়াত একটি মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। রাতের বেলায় এ আমলের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পায়। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে বস্ত্রাবৃত! রাতে নামাজে দাঁড়ান, কিছু অংশ ছাড়া, রাতের অর্ধেক কিংবা তার চেয়ে কিছুটা কম। অথবা তার চেয়ে বাড়াও আর ধীরে ধীরে সুস্পষ্টভাবে কুরআন পাঠ করো।’ -সূরা মুজ্জাম্মিল: ১-৪

তাসবিহ ও জিকির করা: রাতের ইবাদত শুধুমাত্র নামাজ ও কুরআন পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং কিছু সময় আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করাও অনেক সওয়াবের। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং রাতের একাংশেও তুমি তার তাসবিহ পাঠ করো এবং নামাজের পরও।’ -সূরা কাফ: ৪০

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর রাতের একাংশে তার উদ্দেশে সিজদা করো এবং দীর্ঘ রাত ধরে তার তাসবিহ পাঠ করো।’ -সূরা দাহর: ২৬

মহান আল্লাহ আমাদের আমল কবুল করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%