ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানে হামলায় অস্বীকৃতি, নেতানিয়াহুকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান


ইরানে হামলায় অস্বীকৃতি, নেতানিয়াহুকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান (আইডিএফ চিফ অব স্টাফ) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামিরের মধ্যে একটি অপ্রত্যাশিত ও তীব্র দ্বন্দ্বের খবর প্রকাশিত হয়েছে। চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ইরান সংশ্লিষ্ট একটি সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নেতানিয়াহু যে নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন, তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন আইডিএফ প্রধান।

সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা যায়, রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে বা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে এই উস্কানিমূলক সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সামরিক নেতৃত্ব। আইডিএফ প্রধান জামির এই নির্দেশনা কার্যকর করার আগে সুনির্দিষ্ট আইনি অনুমোদন এবং লিখিত দলিলের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে এই ধরনের পদক্ষেপ তেহরানের সাথে বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সামরিক কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় নেতারা এই ঘটনাকে দেশের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ ও ক্ষমতা ধরে রাখতে ইসরায়েলের নাগরিকদের জীবন ও নিরাপত্তাকে বাজি রাখতে দ্বিধা করছেন না নেতানিয়াহু। তবে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইডিএফ প্রধানের সাথে বিরোধের এই খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বাজে বকা’ বলে খারিজ করেছেন।

আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ এই সামরিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন পুরো অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিংড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


সিংড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত

নাটোরের সিংড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে সাবেক মেয়র মরহুম শামীম আল রাজি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান মন্টুর স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিফাইনালটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় উপজেলার ইন্দ্রাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এই খেলায় বড়িয়া মৎস্য আড়ত ফুটবল একাদশ ও কালিগঞ্জ ফুটবল একাদশ অংশগ্রহণ করে।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বড়িয়া মৎস্য আড়ত একাদশের হয়ে গোল করেন নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় চুক্কা। অন্যদিকে, খেলা শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে কালিগঞ্জ ফুটবল একাদশের আবু কাহার গোল করে সমতা ফিরিয়ে আনেন। পরে ট্রাইব্রেকারে ৪-১ গোলে বড়িয়া মৎস্য আড়ত ফুটবল একাদশ বিজয়ী হয়। খেলায় নাইজেরিয়ান দুইজন খেলোয়াড় ছাড়াও নাটোর, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খেলোয়াড়বৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মাঠের চারপাশে হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে যুব সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও পরিবেশ কর্মী আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাদত হোসেন মিন্টু, উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, চৌগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শের আলী, চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল পাশা, সাংবাদিক ও পরিবেশ কর্মী হাসিবুল হাসান শিমুল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রবিউল করিম রবি প্রমুখ।

খেলার উদ্যোক্তা যুব সমাজের প্রতিনিধি আব্দুল করিম বলেন, "মাদক থেকে যুব সমাজকে দুরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্ভাবনা নাকি অব্যবস্থাপনার শিকার: পাকিস্তানের পর্যটনশিল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


সম্ভাবনা নাকি অব্যবস্থাপনার শিকার: পাকিস্তানের পর্যটনশিল্প

দীর্ঘকাল ধরে পর্যটনের সাফল্য মূলত পর্যটকের সংখ্যা, হোটেল কক্ষ ব্যবহারের হার এবং ব্যয়ের ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র অতিরিক্ত পর্যটকের চাপের কারণে সংকটে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বিচ্ছিন্ন বোধ করার কারণ হচ্ছে পর্যটকের চাপ বৃদ্ধি, যা অবকাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, সংস্কৃতির বাণিজ্যিক রূপ নিচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি করছে। ফলে পর্যটন বৃদ্ধি সত্ত্বেও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যটনের সাফল্য শুধুমাত্র সংখ্যা দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। যদি স্থানীয় মানুষের কল্যাণ, পরিবেশের সুরক্ষা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে পর্যটন দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

ভবিষ্যতে সফল পর্যটনকেন্দ্র হবে সেগুলো, যারা পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে স্থানীয় মানুষের কল্যাণ, সংস্কৃতি এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেবে। এইভাবে স্থানীয় জনগণ উপকৃত হবে, অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং পর্যটনকেন্দ্রের নিজস্ব পরিচয় বজায় থাকবে।

পাকিস্তানের পর্যটন খাত দেখাচ্ছে যে, পরিকল্পনা ছাড়া শুধুমাত্র পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি কতটা ব্যর্থ হতে পারে। দেশটিতে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হলেও কার্যকর পরিকল্পনা ও বাস্তব ফলাফলে তা খুব কমই রূপ নেয়। ঈদের ছুটি এবং সরকারি ছুটির সময় পাকিস্তানের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে যানজট, আবর্জনা এবং প্রয়োজনীয় সেবার সংকট দেখা দেয়। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েন এবং পর্যটকদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়।

পর্যটকের ভিড় নিজে সমস্যা নয়, সমস্যা হলো তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। পর্যাপ্ত নির্দেশনা এবং আচরণবিধি না থাকায় অনেক পর্যটনকেন্দ্রে উচ্চস্বরে গান, বেপরোয়া আচরণ এবং বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। এর ফলে ভ্রমণের আনন্দ নষ্ট হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও ভোগান্তিতে পড়েন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবের কারণে পর্যটনের ধরন বদলে যাচ্ছে। অনেকেই কোনো স্থান ও তার সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার চেয়ে ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করতেই বেশি আগ্রহী। এর ফলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো ছবি তোলার জায়গায় পরিণত হচ্ছে এবং হারিয়ে যাচ্ছে সেখানকার প্রকৃতি, সংস্কৃতি এবং স্থানীয় মানুষের প্রতি সম্মান।

পাকিস্তানে পর্যটন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান এবং বোঝাপড়ার ঘাটতি রয়েছে। কথার এবং বাস্তবতার এই ব্যবধান পর্যটনশিল্পের জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে গন্তব্যের সুনাম নষ্ট হয়, দর্শনার্থীরা হতাশ হয়ে ফিরে যান, স্থানীয় মানুষ নিজেদের শোষিত মনে করেন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যায়। ফলে কোনো স্থান তার সৌন্দর্য এবং সংস্কৃতির বদলে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার জন্য পরিচিত হয়ে ওঠে।

প্রকৃত পর্যটনের সাফল্য নির্ভর করে সবার জন্য সুফল নিশ্চিত করার ওপর। পর্যটকদের জন্য প্রয়োজন নিরাপদ এবং খাঁটি অভিজ্ঞতা, শেখার সুযোগ এবং সম্মানজনক পরিবেশ। স্থানীয় জনগণের জন্য প্রয়োজন আয়, মর্যাদা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং সংস্কৃতি ও পরিবেশের সুরক্ষা। ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা, শুধুমাত্র মৌসুমি পর্যটকের ভিড়ের ওপর নির্ভরশীলতা নয়।

শুধু পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি করলেই পর্যটনশিল্প শক্তিশালী হয় না। দশ লাখ পর্যটক যদি স্থানীয় অর্থনীতিতে সামান্য অবদান রাখেন, স্থানীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করেন এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেন, তাহলে তাদের চেয়ে কমসংখ্যক সেই পর্যটকেরাই বেশি মূল্যবান, যারা দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন, দায়িত্বশীলভাবে অর্থ ব্যয় করেন এবং স্থানীয় জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থপূর্ণভাবে যুক্ত হন।

পাকিস্তানের জন্য এর অর্থ হলো, শুধুমাত্র স্লোগান দিয়ে নয়, বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এর জন্য পর্যটনকেন্দ্রের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষিত পেশাজীবী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগ করতে হবে। ছুটির দিনের বিশৃঙ্খলা সামলানোর পরিবর্তে সারা বছরের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। পাশাপাশি, শুধুমাত্র ছবি তোলার উপযোগী স্থান তৈরি নয়, স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পর্যটন পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন করতে হবে।

পাকিস্তানের অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় সমৃদ্ধ করতে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দায়িত্বশীল পরিকল্পনা ছাড়া এই সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব নয়। বেশি পর্যটক মানেই বেশি লাভ নয়। দায়িত্ববোধহীন পর্যটন স্থানীয় জনগণের শোষণের কারণ হতে পারে। অন্যদিকে সঠিক পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পর্যটন অর্থনীতি, সমাজ এবং সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তাই অর্থবহ এবং দায়িত্বশীল পর্যটন গড়ে তোলার সময় এখনই।

পর্যটনের সাফল্য পরিমাপের ধারণা নতুন করে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ না দিয়ে, পর্যটক, স্থানীয় জনগণ এবং ব্যবসায়ীদের জন্য প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পরিবেশের সুরক্ষা, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয় এবং স্থানীয় মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

পাকিস্তানের পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রচলিত চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। পর্যটকদের জন্য প্রকৃত এবং অর্থবহ অভিজ্ঞতা তৈরি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ পর্যটনকর্মী তৈরির জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে পাকিস্তানের পর্যটনশিল্প টেকসইভাবে বিকশিত হতে পারে এবং দেশটির পর্যটনকেন্দ্রগুলো দায়িত্বশীল পর্যটনের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। পর্যটনকে নতুনভাবে দেখার এবং এর সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার সময় এসেছে।

মূল লেখাটির লেখক ড. শাব্বির আব্বাস নাকভি প্যালিওঅ্যানথ্রোপোলজিতে পিএইচডি করেছেন। তার গবেষণার প্রধান বিষয় ছিল সিন্ধু নদীর বিবর্তন। এ ছাড়া পর্যটন এবং আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়েও তার পিএইচডি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও কারখানা খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও কারখানা খোলার দাবিতে বিক্ষোভ

গাজীপুরের টঙ্গীতে পোশাক শ্রমিকরা বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে টঙ্গীর উত্তর আউচপাড়া এলাকার লাকী স্টার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার সামনে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকরা খাঁপাড়া-তিলারগাতী আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নিলে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

শ্রমিকদের মতে, কারখানাটিতে প্রায় ৯৫০ জন শ্রমিক কর্মরত আছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও ভাতা পরিশোধ না করেই কর্তৃপক্ষ গত ১৩ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। ছুটির মধ্যেই সোমবার সকালে শ্রমিকরা কারখানায় এসে বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন।

একপর্যায়ে তাঁরা খাঁপাড়া-তিলারগাতী আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেন, যার ফলে ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ ও শিল্পপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। পরে শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার কয়েকজন শ্রমিক জানিয়েছেন, ‘এখনো আমরা গত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা পাইনি। বেতন না পাওয়ায় ঘরভাড়া দিতে পারছি না, দোকানেও বাকি পড়েছে। ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’

লাকী স্টার অ্যাপারেলস লিমিটেডের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক মো. ফজলে আজিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেছেন, কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ না করে কারখানাটি বন্ধ রেখেছেন। বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সোমবার সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

যুদ্ধের কারণে ফ্লাইটের বিপর্যয়ের ফলে নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে না পারা এবং এ অবস্থায় আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি কর্মীরা দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, পরবর্তীতে সৌদি আরবে গেলে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁদের এন্ট্রি সম্পন্ন হবে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার ও এজেন্সিগুলো একসঙ্গে কাজ করলে জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমাতে হবে। যেখানে বিদেশে যাওয়ার জন্য তিন লাখ টাকার প্রয়োজন, সেখানে সাত থেকে আট লাখ টাকা নেওয়া অনুচিত। ব্যবসা হালাল উপায়ে পরিচালনা করতে হবে এবং কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে বিরত থাকতে হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, কর্মীদের বিদেশ গমনের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য এবং ভিসার বৈধতা দ্রুত যাচাইয়ের জন্য জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) আধুনিক প্রযুক্তি চালুর কাজ চলছে। যেকোনো অভিযোগ নিষ্পত্তিতে উন্মুক্ত ইমেইল সেবা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তা প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী গন্তব্য দেশের আইনকানুন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ বিষয়ে প্রচার-প্রচারণায় সরকারের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ।

প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সৌদি আরবে কারাবন্দি বাংলাদেশিদের আগামী রমজানে বিশেষ ক্ষমার আওতায় আনার বিষয়ে সৌদি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সমস্যা আলোচনা করে সমাধানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অভিবাসন ব্যয় কমানোর আহ্বান জানান।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া বলেন, সৌদি আরবে নিজ দেশের নাগরিকদের পর সবচেয়ে বেশি বসবাস করেন বাংলাদেশের কর্মীরা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে শ্রম খাতে আরও জোরদার হবে।

আলোচনা সভায় বিএমইটির মহাপরিচালক জামিল আহমেদ, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা তাকামুল পরীক্ষা সহজ করা, ফি কমানো, বিএমইটির জনশক্তি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং এজেন্সিগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%