শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে।
নতুন আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।
নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ী পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।
ভিসা বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।
অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু অ্যামপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যে বিষাক্ত মদ পানে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, নাগাল্যান্ডে ১৯৯০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মদ বিক্রি ও পান নিষিদ্ধ (Prohibition State) করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে মোকোকচুং (Mokokchung) জেলায় ৮ জন এবং তুয়েনসাং (Tuensang) জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ভেজাল বা বিষাক্ত মদ পানের কারণে এই করুণ পরিণতি ঘটেছে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আই বুংলাং চ্যাং-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সিনিয়র পুলিশ সুপার ভেসুপ্রা কেজো জানিয়েছেন, তদন্তকারী দল বিষাক্ত মদের উৎস চিহ্নিত করতে এবং সরবরাহের শিকড় খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছে।
এখন পর্যন্ত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং প্রায় ৩,০০০ বোতল অবৈধ মদ জব্দ করেছে। একই সঙ্গে বিষাক্ততার মূল কারণ ও বিষের মাত্রা নিশ্চিত করতে নমুনাগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য গুয়াহাটিতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন সাধারণ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, কোনো অজ্ঞাত বা লেবেলহীন অ্যালকোহল পান না করার জন্য। এছাড়া, মদ পানের পর মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা, শ্বাসকষ্ট বা চেতনা হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এই কারণে, প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা সেই বরাদ্দকে কাজে লাগাতে চাই।"
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটিতে শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, "অতীতের সরকার শিক্ষার বরাদ্দের নামে লুটপাট করেছে।" শিক্ষার উন্নয়নে দুর্নীতি প্রতিরোধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের অঙ্গীকার করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "এক্ষেত্রে কোনো আপস করব না।" শিক্ষার ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি সংসদ রাঙামাটির উপদেষ্টা মাওলানা আনোয়ারুল মোস্তফা হেজাজী।
আলোচনাসভা শেষে শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ, সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সেরামপুরে দলের সমাবেশে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে যে, দলের নেতাদের ‘গৃহবন্দি’ করে রাখা হয়েছে।
তিনি শনিবার সমাবেশস্থলে যাওয়ার সড়ক নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য ‘বিজেপির গুণ্ডারা’ দায়ী করেন এবং সেখানে পুলিশের উপস্থিতি নেই বলেও অভিযোগ করেন।
মমতা বলেন, ‘আমাদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। আমাকে সমাবেশস্থলে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু আমি যাব এবং সমাবেশে বক্তব্য দেব। পারলে আমাকে থামান।’
তিনি আরও জানান, আদালতের অনুমতি থাকায় সমাবেশ নির্ধারিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে। মমতা বলেন, সমাবেশটি আদালতের অনুমতি নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে এবং এটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা পুলিশ ও প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু তারা বিষয়টিতে ‘চোখ বন্ধ করে’ রয়েছে।
মমতা অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গের রাস্তায় ক্ষমতাসীন বিজেপি ‘সন্ত্রাস চালাচ্ছে’। তিনি প্রশ্ন তুলেন, বিজেপিশাসিত উত্তরপ্রদেশ ও বিহারেও এমন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে না, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে এত ‘সন্ত্রাস’ কেন চালানো হচ্ছে?
এর আগে টিএমসির মমতা-সমর্থিত অংশ অভিযোগ করে, সেরামপুরের সমাবেশে যাওয়ার পথে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। দলীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, হুগলির উত্তরপাড়ায় বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়ি কালো পতাকা হাতে একটি দল ঘিরে ধরে। এ সময় তারা স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি গাড়িতে ডিম ও পাথর নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসে উশু ডিসিপ্লিনের মহিলাদের ৫২ কেজি ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ জিন্নাত আক্তারকে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের (বিওএ) পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে জাপানের আইচি-নাগোয়া থেকে টিজি ৩৩৯ ফ্লাইটযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিওএর পক্ষ থেকে জিন্নাত আক্তারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এসময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ উল্লাহ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য রাসেল কবির সুমন এবং বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এশিয়ান গেমসের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে জিন্নাত আক্তারের এই অর্জন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। তাঁর এই সাফল্য দেশের ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে সকলেই আশাবাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ