ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হায়ার বাজারে নতুন টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন


হায়ার বাজারে নতুন টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন

হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড গৃহস্থালি পণ্যের বাজারে নতুন প্রিমিয়াম টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার এবং তাদের প্রথম মাইক্রোওয়েভ ওভেন সিরিজ উন্মোচন করেছে। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে প্রতিষ্ঠানটির ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্যগুলো প্রদর্শিত হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় গ্রাহকদের চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে পণ্যের পরিসর বৃদ্ধি করার পাশাপাশি নিরাপদ, স্মার্ট ও সুবিধাজনক গৃহস্থালি সমাধান প্রদান করাই নতুন পণ্যগুলোর বাজারে আসার উদ্দেশ্য।

টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার ‘শকপ্রুফ ওয়াটার হিটার, সেফ অ্যাজ আনপ্লাগড’ ধারণার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এই সিরিজে উন্নত হিটিং প্রযুক্তি এবং সুপার টাইটানিয়াম এনামেল ট্যাংক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রিমিয়াম গোল্ডেন ফিনিশের এই সিরিজে ৩৫ ও ৪৫ লিটারের হরাইজন্টাল এবং ৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেল পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ, বেসরকারি ব্যাংক থেকে দুজন

৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেলটিতে ‘নো হ্যাংগিং, নো ড্রিলিং’ সুবিধা রয়েছে। ফলে এটি দেয়ালে ড্রিলিং বা মাউন্টিং ছাড়াই সুবিধামত স্থানে স্থাপন করা সম্ভব।

এছাড়া, হায়ার তিন ধরনের মাইক্রোওয়েভ ওভেন বাজারে এনেছে। এগুলো হলো ২০ লিটারের সোলো, ২৩ লিটারের গ্রিল এবং ৩০ লিটারের কনভেকশন মডেল। ৩০ লিটারের ফ্ল্যাগশিপ মডেলটিতে মাইক্রোওয়েভ, গ্রিল, কনভেকশন ও এয়ার ফ্রাই—চার ধরনের সুবিধা রয়েছে। ফলে একই যন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের খাবার রান্না ও প্রস্তুত করা যাবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন পণ্য উন্মোচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে হোম অ্যাপ্লায়েন্সের পরিসর আরও বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতে বৈশ্বিক প্রযুক্তির সঙ্গে স্থানীয় গ্রাহকদের চাহিদার সমন্বয় করে উন্নত ও ব্যবহারবান্ধব পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের স্মার্ট ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপনে সহায়তা করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন: বেসিক, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. আবদুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


ড. আবদুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটেছে। তবে, তিনি এখনো রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ড. আবদুল মঈন খানকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হবে।

এর আগে, বুধবার রাতে বুকে ব্যথা ও কাশি নিয়ে মঈন খান এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন।

তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।

এদিকে, ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ সময়, তিনি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রতিমন্ত্রীকে মঈন খানের বর্তমান শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে অবহিত করেন। মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকারও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা টোকিওতে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা টোকিওতে মারা গেছেন

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) টোকিওর একটি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৯০ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তার ছেলে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত মেয়াদে জাপানের নেতৃত্ব দেওয়া এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ক্ষমতা ছাড়ার পরও বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন।

ইয়াসুও ফুকুদার বাবা তাকেও ফুকুদাও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে শিনজো আবের আকস্মিক পদত্যাগের পর দেশটির দায়িত্ব নেন ইয়াসুও। জাপানের ইতিহাসে বাবা ও ছেলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার একমাত্র নজির এই ফুকুদা পরিবারই।

ফুকুদার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, 'জাপানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ফুকুদার অবদান অসামান্য। দেশের জনগণের প্রতি তার দীর্ঘদিনের নিবেদিতসেবার জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে চীন-জাপান সম্পর্ক সুদৃঢ় করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন ফুকুদা। ২০০৮ সালের মে মাসে তৎকালীন চীনা প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওকে টোকিওতে স্বাগত জানান তিনি। সেখানে দুই নেতা 'যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে পারস্পরিক সুবিধাজনক সম্পর্ক' গড়ার ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ক্ষমতা ছাড়ার পরও দুই দেশের অঘোষিত দূত হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ২০১৪ সালের জুলাইয়ে বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার গোপন বৈঠকটি পরবর্তীতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও শি জিনপিংয়ের মধ্যকার ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠকের পথ সুগম করেছিল।

ফুকুদার মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গো জিয়াকুন। ফুকুদাকে 'চীনা জনগণের পুরানো বন্ধু' হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে তার অবদানের প্রশংসা করেন তিনি।

২০০৮ সালের জুলাইয়ে হোক্কাইদোতে জি-৮ শীর্ষ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ফুকুদা। তার নেতৃত্বেই সদস্য দেশগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ অন্তত ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রায় সম্মত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে বিশ্ব রাজনীতির মূল আলোচনায় নিয়ে আসে।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভেষজ রক্তপণ্য ব্যবহারের কারণে হেপাটাইটিস সি-তে আক্রান্ত ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আইন পাস করান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভুক্তভোগীদের কাছে দু'বার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমাও চেয়েছিলেন ফুকুদা। এছাড়া খাদ্যে ভেজাল ও কেলেঙ্কারি রুখতে তিনি যে ভোক্তা অধিকার সংস্থা (কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স এজেন্সি) গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা ২০০৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগে ইয়াসুও ফুকুদা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিরো মোরি এবং জুনিচিরো কোইজুমির শাসনামলে চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে গুনমা প্রদেশ থেকে প্রতিনিধি পরিষদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তার মূল রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।

ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মাথায় ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং তার স্থলাভিষিক্ত হন তারো আসো। পরবর্তীতে ২০১২ সালে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেন এই প্রভাবশালী নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগের এমপির বিরুদ্ধে পুনর্বাসনের অভিযোগ, মুখ খুললে মামলা করার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


আ.লীগের এমপির বিরুদ্ধে পুনর্বাসনের অভিযোগ, মুখ খুললে মামলা করার হুমকি

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন, সরকারি পুকুর ও সার ডিলারশিপ বণ্টনে অনিয়ম এবং উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে উঠেছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, এমপির এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলার ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন ‘রাজশাহী-৫ আসনের ভুক্তভোগী বিএনপির নেতাকর্মীরা’। তাঁরা সংবাদ সম্মেলন থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা, নেতাকর্মীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহার এবং পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলামের অপসারণ ও প্রত্যাহার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পুঠিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার সরকার আল-আমীন। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেন বানেশ্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম নবী ও সাবেক ছাত্রনেতা আহসান হাবিব।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি সংসদ ভবনে সরকারপ্রধান/প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ করাতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পল্লব সেনগুপ্ত ও আওয়ামী লীগকর্মী মাজহারুল ইসলাম মিন্টুকে নিয়ে যান এমপি নজরুল ইসলাম মন্ডল। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শীর্ষ পর্যায়ের সাক্ষাতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁরা এ ঘটনায় নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রশ্ন তুলেছেন।

অভিযোগকারীদের মতে, এমপির আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কেবল রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্থানীয় দলীয় কার্যক্রম ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলোর ওপর এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে।

বিএনপি নেতারা পুঠিয়া-দুর্গাপুরের সরকারি পুকুর ইজারা ও মাছ চাষের ব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার অধিকাংশ সরকারি পুকুর আওয়ামী লীগের এক অর্থদাতাকে দিয়ে চাষ করানো হচ্ছে।

এছাড়া এমপির সুপারিশপত্রে পছন্দের ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয় সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুঠিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট রিশাদ হোসেন কেতাব এবং পুঠিয়া পৌরসভা এলাকায় শাহেদ হাসানকে সার ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। শাহেদ হাসানের বাড়ি ময়মনসিংহে উল্লেখ করে তাঁকে এমপির ‘নাতিজামাই’ বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নে ডিলারশিপ পাওয়া শফিউল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

নেতারা এসব নিয়োগের পেছনে রাজনৈতিক পরিচয়, আত্মীয়তা কিংবা কোনো আর্থিক লেনদেনের প্রভাব রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়েও স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। বিএনপি নেতাদের দাবি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিতে এমপির পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সভাপতি ও সদস্য করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি ও দলীয় অনুদান, ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বরাদ্দ এবং উন্নয়নকাজের থোক বরাদ্দ কোথায় কীভাবে ব্যয় হচ্ছে—তার কোনো স্বচ্ছ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার কারণেই দুর্গাপুর পৌর ছাত্রদল ও যুবদলের চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রসঙ্গ টেনে যুবদল নেতা দেলোয়ার সরকার আল-আমীন বলেন, এমপির বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত বা মন্তব্য প্রকাশ করলেই দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি জানান, গত ১৩ আগস্ট বিড়ালদহ পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি পারিবারিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকেসহ বিএনপির নয়জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। উক্ত ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না দাবি করে দেলোয়ার বলেন, কেবল রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই এই মামলা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া গত ১১ অক্টোবর চারজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এসব মামলার পেছনে সংসদ সদস্যের প্রত্যক্ষ চাপ রয়েছে এবং পুঠিয়া থানার ওসি তাঁকে সহযোগিতা করছেন বলে দেলোয়ার অভিযোগ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, মামলার বাদী খন্দকার সোহেল মাহমুদ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। প্রমাণ হিসেবে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাবিব খানের সঙ্গে সোহেলের একটি ছবি প্রদর্শন করেন দেলোয়ার। তাঁর দাবি, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কসহ কয়েকজন নেতা ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে ওসি স্পষ্ট জানান যে, সংসদ সদস্যের চাপ থাকার কারণেই তিনি মামলা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

সাবেক ছাত্রনেতা আহসান হাবিব বলেন, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিব খান হলেন এমপির ভাতিজা আজাদ মন্ডলের জামাতা। তাঁর অভিযোগ, হাবিব খান শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করে সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় এমপি কী পদক্ষেপ নিয়েছেন—তা জানতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর তাঁকেও মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করা হয়।

আহসানের প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বললে কেন বিএনপির নেতাকর্মীদেরই মামলার মুখোমুখি হতে হবে?

‘ভিন্নমত পোষণে হয়রানির শিকার’

বানেশ্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম নবী বলেন, নির্বাচনের আগে পুঠিয়া-দুর্গাপুর আসনে নজরুল ইসলাম মন্ডল ছাড়াও বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ছিলেন। যাঁরা তৎকালীন সময়ে তাঁর সমর্থক ছিলেন না, তাঁদেরকেই এখন বেছে বেছে হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি দলের ভেতরে ভিন্নমত দমনের এক ভয়াবহ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে পুনরায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলামের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার ও অপসারণ দাবি জানানো হয়।

প্রতিক্রিয়া

অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ভাতিজা তানজিম আরিন ফোন রিসিভ করেন। তিনি জানান, সংসদ সদস্য বর্তমানে বিশ্রামে আছেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আহসান হাবিবকে এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিলেন রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


আহসান হাবিবকে এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিলেন রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে আহসান হাবিবকে একই বিভাগের সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যান পদে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির ১০ শতাংশ কোটায় তাকে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। অবসরে যাওয়ার আগে আহসান হাবিব তার নিজ ক্যাডারে প্রত্যাবর্তন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%