বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৪৭ এম
কুমিল্লা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ কুমিল্লায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়। চোখের যত্ন এবং দৃষ্টি শক্তি রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে র্যালিতে জেলার বিভিন্ন চক্ষু চিকিৎসকগণ অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে অফথালমোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ওএসবি) কুমিল্লা শাখার উদ্যোগে নগরীর ঝাউতলা এলাকা থেকে র্যালিটি শুরু হয়। পরে এটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালির পর টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা বলেন, চোখের সুস্থতা রক্ষায় নিয়মিত সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। চোখের ছোট খাটো সমস্যাকেও অবহেলা করলে পরবর্তীতে তা জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের দৃষ্টিজনিত সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’-এই বার্তা শুধুমাত্র বিশ্ব দৃষ্টি দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের চোখের যত্নের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। দৃষ্টি শক্তির কোনো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।
সভায় বক্তব্য রাখেন ওএসবি কুমিল্লার উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. জামাল নিজাম উদ্দিন আহামেদ, সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. বেলাল, সাধারণ সম্পাদক ডা. এ এম আনিছুর রহমান, প্রফেসর ডা. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ডা. নাজমুস সাদাত পিলু, প্রফেসর ডা. মোস্তফা কামাল মজুমদার, ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. জিয়া উদ্দিন শিকদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আরিফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ডা. আশিকুর রহমান ভূঁঞা প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও গবেষকরা আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে অনলাইনে নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন। নিবন্ধনের শেষ সময় ১২ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় ২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া মাস্টার্স ফাইনাল, বিবিএ, এমএড, বিএসসি ইন সিএসই, এলএলবি ফাইনাল, বিএফএ অনার্স ও বিএফএ পাস পরীক্ষায় ২০১৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
এমবিএ পরীক্ষায় ২০১৩ থেকে ২০২২, বিএড অনার্সে ২০১৪ থেকে ২০২৩, বিএসসি ইন ইসিইতে ২০১২ থেকে ২০২৩ এবং এমএসসি ইন সিএসইতে ২০১১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন।
বিবিএ ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা নিবন্ধন করতে পারবেন। একইভাবে বিএসসি অনার্স ইন অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড এভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিবিএ ইন এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা অংশ নিতে পারবেন। অনার্স ইন থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজে ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া বিএসসি অনার্স ইন এফডিটি, বিএসসি অনার্স ইন এএমটি, বিএসসি অনার্স ইন কেএমটি এবং এমবিএ ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন।
মাস্টার্স ইন অ্যাপ্লাইড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্টে ২০১৬ থেকে ২০২৩, মাস্টার্স ইন মিডিয়া অ্যান্ড জার্নালিজমে ২০২০ থেকে ২০২২, এমপিএডে ২০২০ থেকে ২০২৩ এবং এমএসএডে ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তীর্ণরা নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন। এছাড়া অন-ক্যাম্পাস এমএএস/এএমবিএতে ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে উত্তীর্ণ এবং এমফিল/পিএইচডি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের গবেষকরাও সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন ফি ৪ হাজার টাকা অথবা ৪০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি সনদের জন্য ৮০০ টাকা অথবা ১০ মার্কিন ডলার সনদ ফি দিতে হবে। তবে ইতোমধ্যে মূল সনদ গ্রহণ করে থাকলে সনদ বাবদ কোনো ফি দিতে হবে না।
নিবন্ধন করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে। পেমেন্টের জন্য সোনালী সেবা, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা যাবে। মাস্টারকার্ড, ভিসা, অ্যামেক্স ও নেক্সাসসহ বিভিন্ন কার্ডে পেমেন্টের সুযোগ রয়েছে।
নিবন্ধন-সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য ০১৩৪৭-৫৫২১৫১-৭ এবং পেমেন্ট-সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য ০১৩৪৭-৫৫২১৫৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। সহযোগিতার সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট। এছাড়া [email protected] ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট সময়, ভেন্যু ও অনুষ্ঠানসূচি যথাসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের ১০ নম্বর আমড়াজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ এই পুরাতন ভবনটির কারণে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে আলো-বাতাস বঞ্চিত হয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকছে নতুন ভবনের একটি বড় অংশ। এছাড়া খেলার মাঠটি সংকুচিত হয়ে পড়ায় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরাতন ভবনটি যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। পরিত্যক্ত স্থানটি মশা-মাছি, বিভিন্ন জীবাণু এবং বিষাক্ত সাপের প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে; বর্ষা মৌসুমে এ উপদ্রব আরও বাড়ে। স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, রাতের বেলা নির্জনতার সুযোগ নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনটিতে বখাটেদের আড্ডা বসে এবং এটি মাদক সেবনসহ নানা অপকর্মের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি মাঠের ভেতরের অযাচিত গাছপালার কারণেও শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফরিন ও শাহরিয়া জানায়, আমাদের মাঠ ছোট হয়ে গেছে, আমরা ঠিকমতো খেলাধুলা করতে পারি না। পুরাতন ভবনের ভেতর বিষাক্ত সাপ আর পোকা-মাকড়ের ভয়ে আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।
বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির (এমএমসি) সদস্য সাথী ইসলাম এবং অভিভাবক রফিক হাওলাদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভবনটির কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর এটি বখাটেদের আড্ডা ও গাঁজাসহ নানা অপকর্মের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়। আমরা দ্রুত এটি অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।
বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও ঝুঁকি নিয়ে প্রধান শিক্ষক সান্তনা চক্রবর্তী বলেন,
বিদ্যালয়ের সামনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এটি সামনে থাকায় নতুন ভবনের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে আলো-বাতাস ঢুকছে না এবং মাঠও ছোট হয়ে গেছে। ভবনটি অপসারণ করা সম্ভব হলে মাঠের পরিধি বাড়বে, সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ফুলের বাগান করা যাবে এবং শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে খেলাধুলার সুযোগ পাবে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান জানান,
বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় এই পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করা হবে এবং অপসারণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে গত সপ্তাহে তেলবাহী জাহাজে হামলার সংখ্যা ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর যেকোনো সপ্তাহের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। হামলার পরপরই জাহাজ চলাচলে এই পতন দেখা গেছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য থেকে এসব বিষয় জানা গেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, কেপ্লার নামে একটি তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। গত ২৩ জুলাইয়ের পর এটিই সবচেয়ে কম সংখ্যা।
৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কেপ্লারের বিশ্লেষক এমানুয়েল বেলোস্ত্রিনো ও ইউই তোরিকাতা লিখেছেন, “যুদ্ধকালীন সর্বোচ্চ অবস্থার তুলনায় আগের সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহন ২৭ শতাংশ কমেছে। প্রতিদিন অন্তত ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে।”
তারা আরো উল্লেখ করেছেন, “এটি এখন সেপ্টেম্বরে গড় পরিমাণের পর্যায়ে ফিরে এসেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এটি ৭৪ শতাংশ।” বিশ্লেষকেরা জানান, এই পতনের বেশির ভাগই হয়েছে ওমান উপসাগরে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে। এ প্রক্রিয়ায় এক ট্যাংকার থেকে আরেক ট্যাংকারে পণ্য স্থানান্তর করা হয়।
তবে ওমান উপসাগরের উপকূল ও লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি বেড়ে প্রতিদিন ৬৭ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় এটি দ্বিগুণেরও বেশি। বিশ্লেষকেরা বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই বাড়তি রপ্তানি তা পুষিয়ে দিয়েছে।
তাদের মতে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের মোট রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়েই রাখা সম্ভব হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে ১০টিতে দাঁড়ায়। তবে রোববার ও সোমবার প্রতিদিন ২০টির বেশি জাহাজ চলাচল করেছিল। বুধবারের সংখ্যা তার তুলনায় অনেক কম। গত দুই দিনে প্রণালিতে প্রবেশকারী জাহাজের সংখ্যা বেরিয়ে যাওয়া জাহাজের চেয়ে বেশি ছিল।
এই হিসাবের মধ্যে এমন জাহাজগুলো নেই, যেগুলো শনাক্ত হওয়া এড়াতে তাদের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ করে প্রণালি পার হয়েছে। সব জাহাজের চলাচলের তথ্য দেওয়া এলএসইজি-এর হিসাবে, মঙ্গলবার আটটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজ প্রণালিতে ঢুকেছে এবং চারটি বের হয়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ১৪টি।
এলএসইজি জানায়, মঙ্গলবার চলাচল করা জাহাজগুলোর মধ্যে পাঁচটি ছিল তেলবাহী ট্যাংকার। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজ আল মাফইয়ারও ছিল। জাহাজটি কাতারের রাস লাফান থেকে গ্যাস নিয়ে পাকিস্তানের পোর্ট কাসিমের দিকে যাওয়ার কথা ছিল।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সূত্রগুলো জানায়, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যেকোনো সপ্তাহের তুলনায় সর্বোচ্চ ছিল। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোও তেল রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার করেছে।
সর্বশেষ ঘটনায় কাতারের মদিনাত আশ শামাল থেকে ৫১ নটিক্যাল মাইল উত্তরে একটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো উড়ন্ত বস্তু আঘাত হানে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। এসব জাহাজের মধ্যে ছিল তেলবাহী ট্যাংকার, গ্যাসবাহী জাহাজ, বাল্ক কার্গো জাহাজ ও কনটেইনারবাহী জাহাজ।
এসব জাহাজে বহন করা পণ্য বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশের সমান ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কক্সবাজার ও কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তাজা গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ মহড়া পরিচালনা করবে। আগামী ১১ থেকে ১৯ অক্টোবর, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। আজ বৃহস্পতিবার বিমান বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিমানবাহিনী জানায়, এই সময় কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জ এবং কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জের আকাশসীমায় তাজা গোলাবর্ষণ করা হবে। তাই প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য ওই দুই এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিশেষত, ওই অঞ্চলে চলাচলকারী বিমান, জাহাজ ও ছোট নৌযান এবং কুতুবদিয়া দ্বীপসংলগ্ন এলাকার জনসাধারণকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফায়ারিং রেঞ্জের আওতাভুক্ত এলাকা পরিহার করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ