মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৩ পি.এম
ঝিনাইদহ, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাল্য বিবাহ এবং মাদকের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহে আজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও নাটিকা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি জেলা প্রশাসকের আয়োজনে তিন বছরের একটি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর্যায়ে আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সদর উপজেলার বাজার গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও নাটিকা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী সরকার, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিথিলা ইসলাম, জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুন্সি ফিরোজা সুলতানা, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন আলম প্রমুখ।
‘সোসাল মিডিয়া সমাজকে সংযুক্ত করার চেয়ে বিচ্ছিন্ন করছে’ এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাজার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ এবং পশ্চিম দূর্গাপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
এ সময় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি খন্ডনে বিতর্ক প্রতিযোগিতাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পরে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে অতিথিরা পুরস্কার বিতরণ করেন।
বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক নাটিকা প্রদর্শিত হয়। অংকুর নাট্য একাডেমির শিল্পীরা নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন।
জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বাসস’কে জানান, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পথনাটক, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, প্রতি বছর দেশে হৃদরোগের কারণে প্রায় তিন লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘হৃদরোগে মৃত্যুর এই ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।’
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে উপেক্ষা করা উচিত নয়। অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে হৃদরোগের কারণে অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। সুতরাং, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই সচেতন এবং সচেতনতার গুরুত্ব উপলব্ধি করি। কিন্তু অনেক সময় সেই সচেতনতাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর করি না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক—সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
চিকিৎসকদের সমাজের শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্রষ্টার পরেই চিকিৎসকরাই মানুষের ভরসাস্থল। মানুষের দুঃসময়ে চিকিৎসকরাই সবার আগে পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন মহামারি থেকে শুরু করে ডেঙ্গু ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা না ভেবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকেছেন। তাদের এই মানবিক ও পেশাগত দায়িত্ববোধ দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয়।’
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।
উল্লেখ্য, এর আগে মন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নেন।
কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডোন্ট মিস আ বিট’। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজনে এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। আর হৃদরোগীদের চিকিৎসায় নানা রকম উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে এবং এর অধীনে বিভিন্ন স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানসমূহে ৮টি পদে মোট ১১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়, যা চলবে ৩০ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। এসএসসি পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি-
পদের বিবরণ
আবেদন শুরু: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
চাকরির ধরন: স্থায়ী ও অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ। তবে প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
কর্মস্থল: নরসিংদী
বয়স: প্রার্থীদের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনপত্রের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি এবং ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদন ফি: পরীক্ষার ফি বাবদ টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে ১-৭ নং পদের জন্য ১১২ টাকা এবং ৮নং পদের জন্য ৫৬ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মালি সেনাবাহিনী এবং রাশিয়ার আধাসামরিক বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে। এই তথ্যটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
২০২০ ও ২০২১ সালে দুটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা মালির সামরিক জান্তা জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রাশিয়ার সহায়তা গ্রহণ করে। এই সময় তারা ওয়াগনার গ্রুপের আধাসামরিক সদস্যদের নিয়োগ করে, যা পরে আফ্রিকা কোরে রূপান্তরিত হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি ডাকার থেকে এ খবরটি জানায়।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এর আগে মালিতে অভিযান চলাকালীন সময়ে মালি সেনাবাহিনী ও রুশ আধাসামরিক বাহিনীর হাতে বেসামরিক নাগরিকদের নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অ্যামনেস্টির নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যাঞ্চলের সেগু ও মপতি এবং উত্তরের টিমবুকটু অঞ্চলের সাতটি স্থানে অন্তত ৩৪ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য তারা নথিবদ্ধ করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতদের কেউই মৃত্যুর সময় সরাসরি কোনো সংঘাতে অংশ নিচ্ছিলেন না।
এতে বলা হয়েছে, পালিয়ে যাওয়ার সময় বা গ্রেপ্তারের পর কয়েকজনকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। কারও গলা কেটে দেওয়া হয় এবং কাউকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। কিছু মরদেহও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে টিমবুকটু অঞ্চলের ছোট একটি জনপদ টিন আদান্দার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী ও ওয়াগনারের যৌথ টহলের সময় চারজন নিহত হন।
অ্যামনেস্টি একই অঞ্চলে ২০২৫ সালের মার্চ ও নভেম্বরে পরিচালিত দুটি ড্রোন হামলার কথাও উল্লেখ করেছে। ওই হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে অন্তত পাঁচটি শিশু ছিল।
সংস্থাটি জানায়, যৌথ সামরিক ও ওয়াগনার বাহিনীর টহলের সময় অথবা লেরে ও নামপালা সামরিক ঘাঁটিতে আটক অবস্থায় নির্যাতন বা দুর্ব্যবহারের শিকার ১৫ জন পুরুষের সাক্ষ্য তারা সংগ্রহ করেছে।
সাক্ষীরা টহল ও সামরিক ঘাঁটিতে ৩০ জনকে নির্যাতনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নির্যাতন অথবা ঘাঁটির অমানবিক পরিস্থিতির কারণে সেখানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
অ্যামনেস্টির মতে, নিহত ও নির্যাতনের শিকারদের মধ্যে অধিকাংশই ফুলানি, আরব ও তুয়ারেগ যাযাবর সম্প্রদায়ের সদস্য।
সংস্থাটি বলেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগসাজশের সন্দেহে কিছু ব্যক্তিকে তাদের জাতিগত পরিচয় এবং ওই গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় এমন এলাকায় তাদের উপস্থিতির কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এপ্রিল মাসে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস (এফআইডিএইচ) সহ তিনটি নাগরিক অধিকার সংগঠন মালি সেনাবাহিনী ও ওয়াগনারের বিরুদ্ধে কথিত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আফ্রিকান ইউনিয়নের মানবাধিকার আদালতে মামলা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিতে পারেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে।
তবে শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিচ্ছেন—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তার পক্ষ থেকেও প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে কলসকাঠী ইউনিয়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তৎপরতা বাড়ছে। এরই মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হাওলাদারকে ঘিরে দল পরিবর্তনের গুঞ্জন স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিএনপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কলসকাঠীতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফাহাদ খন্দকারে বিএনপিতে যোগদান ঘিরে চেয়ারম্যান পদে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের কেউ কেউ বলছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলসকাঠীতে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন ফাহাদ খন্দকার। যে কারনেই মনোনয়ন বঞ্চিত হতে পারেন শওকত হোসেন হাওলাদার। আর তাই মনোনয়ন বঞ্চিত হলে শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিতে পারেন বলে মনে করছেন দলের একাংশ।
একটি সুত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ আর জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার ভোটের ব্যবধান ছিল এক হাজার। সেদিক থেকে বিবেচনায় শওকত হোসেন হাওলাদার যদি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেয় তাদের দলীয় ও ব্যক্তিগত ভোট মিলিয়ে তিনি একটা ভাল অবস্থানে থাকবেন বলে মনে করছেন তার সমর্থকরা। আর তাই চেয়ারম্যান নিবাচিত হতে তিনি বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ দেয়ার খবরটি অমূলক নয় বলেও মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে শওকত হোসেন হাওলাদারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এসব বিষয় থেকে তার জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটিকে গুঞ্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
তবে এখন পর্যন্ত শওকত হাওলাদারের জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত নয়; এটি স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া একটি রাজনৈতিক গুঞ্জন।
এ বিষয় বিএনপি নেতা শওকত হোসেন হাওলাদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিএনপি রাজনীতি করছেন। দল থেকে কাকে মনোনয়ন দিবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়টিও তিনি নিছক সমালোচনা বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে 'রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই' বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ