ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী


স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল এই অঞ্চলের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল। তিনি জানিয়েছেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স এবং স্থানীয় মানুষের নিঃস্বার্থ সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানকে আরও উন্নত করতে সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

মন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও সেবার পরিধি বাড়াতে আমরা বিভিন্ন দিক থেকে টেকসই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, যা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, কোনো মানুষ যেন টাকার অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হবে।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সেবার মানসিকতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যারা চিকিৎসা নিতে আসেন, তারা যেন শুধুমাত্র ওষুধ না নিয়ে, বরং ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক ব্যবহারের মাধ্যমেও সুস্থতা বোধ করতে পারেন। আমি হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে তারা আরও বেশি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করে।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের

বুধবার বিকাল ৩টায় সভাকক্ষে সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা সেবা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম.এ. আহবাবের সভাপতিত্বে এবং ডা. আব্দুল মোক্তাদির কোরেশী সুমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও চিকিৎসকেরা হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিশোধ ছাড়া বিকল্প দেখছে না ইরান, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩২ পি.এম


প্রতিশোধ ছাড়া বিকল্প দেখছে না ইরান, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান পরিস্থিতি যেকোনও সময় বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে সতর্কতা জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, তেহরান মনে করছে সামরিক হামলার জবাব না দিলে সেটি দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে এবং ভবিষ্যতে আরও আক্রমণের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

তেহরানভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো আব্বাস আসলামি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে উভয় পক্ষের হামলা সীমিত মাত্রায় পরিচালিত হলেও বৃহত্তর ও দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার ঝুঁকি প্রত্যাখ্যান করা যায় না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ইরানের দৃষ্টিতে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনও বাস্তব বিকল্প নেই। কারণ, কোনও ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখালে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল সেটিকে ইরানের দুর্বলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করবে। একই সঙ্গে তারা এটিকে ভবিষ্যতে আরও হামলা চালানোর জন্য একটি সবুজ সংকেত হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে।”

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সামনে বর্তমানে জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরোধ সক্ষমতার প্রশ্ন, অন্যদিকে আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি- দুই ধরনের চাপ বিদ্যমান। ফলে তেহরানের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করা হচ্ছে।

আব্বাস আসলামি আরও বলেন, কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে তার মতে, ওয়াশিংটন আলোচনার টেবিলে আরও বেশি ছাড় আদায়ের উদ্দেশ্যে চাপ সৃষ্টির কৌশল গ্রহণ করেছে।

তিনি মন্তব্য করেন, “যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করতে এই চাপ প্রয়োগ করছে বলে অনেকেই মনে করছেন।”

অন্যদিকে, ইরানের সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ দ্রুত কোনও শান্তিচুক্তি বা সমঝোতা হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী নন। দেশটি অভ্যন্তরে যুদ্ধবিরতি ও শান্তিচুক্তি নিয়ে ব্যাপক সংশয় এবং সন্দেহ দেখা যাচ্ছে।

আসলামির ভাষ্য অনুযায়ী, “এখানে খুব বেশি আশাবাদ নেই। অনেকেই মনে করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে যে বক্তব্যগুলো দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর পেছনে অন্য উদ্দেশ্য থাকতে পারে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, এসব বক্তব্যের লক্ষ্যে বৈশ্বিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। আবার অনেকে মনে করছেন, এগুলো কেবল উত্তেজনা ও হামলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার রাজনৈতিক কৌশল।”

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যই নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের জন্যও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে, তেলের দাম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলতে থাকলেও সংঘাত প্রশমনের সম্ভাবনার পাশাপাশি নতুন করে সামরিক উত্তেজনার বৃদ্ধির আশঙ্কা সমানভাবে বিদ্যমান বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে নজিরবিহীন হামলা: চরম আতঙ্কে জিসিসি দেশগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


কুয়েতে নজিরবিহীন হামলা: চরম আতঙ্কে জিসিসি দেশগুলো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটের মধ্যে কুয়েতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষকদের মত অনুযায়ী, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হামলা কেবল কুয়েতের জন্যই নয়, বরং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের বেসামরিক বিমান চলাচল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে তীব্র, দ্রুতগতির এবং সমন্বিত হামলার ঘটনা। বর্তমান যুদ্ধবিরতির সময়কাল সাধন করার পরও এত বড় মাত্রার হামলা দেখা যায়নি।

তথ্য বলছে যে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে কুয়েতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। এবারও একইভাবে কুয়েতকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলায় ইরান থেকে কুয়েতের দিকে ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৭টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন যে, এই হামলার ধরন এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের সংখ্যা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাতের শুরুর দিকে দেখা হামলাগুলোর সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। এ কারণে কেবল কুয়েত নয়, পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়েত বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। উপসাগরীয় অঞ্চলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো বিশ্বব্যাপী বিমান যোগাযোগ ও বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এ ধরনের হামলা বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিতে পারে এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলতে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশ এখন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, জাতীয় বিমান সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো আগামী ২৪ ঘণ্টাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে দেখছে।

তাদের মতে, কুয়েতে হামলার পর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের বিমানবন্দর নিরাপত্তা এবং আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করতে পারে।

পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই ধরনের হামলা আবার ঘটে, তাহলে তা কেবল সামরিক উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমান পরিবহন, জ্বালানি বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নতুন এক আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের দিকে এগোচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোসাদ্দেককে চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


মোসাদ্দেককে চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল

প্রায় চার বছরের ব্যবধানে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জাতীয় দলে ফিরে আসছেন। এই নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দল ঘোষণা করেছে। সেই দলে ফিরছেন কাজী নুরুল হাসান সোহানও।

মোসাদ্দেক শেষবার জাতীয় দলে খেলেছিলেন ২০২২ সালের নভেম্বরে, আর ওয়ানডে খেলেছেন ওই বছরের আগস্ট মাসে। দীর্ঘ সময় পর তিনি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য দলে ফিরছেন। চলতি প্রিমিয়ার লিগে এই অলরাউন্ডার ৮ ম্যাচে ৩১০ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তার নেতৃত্বে আবাহনী বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ টেবিলে দুই নম্বরে অবস্থান করছে।

এই অলরাউন্ডারকে ৬ নম্বরে খেলার জন্য নেওয়া হয়েছে। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন মোসাদ্দেককে দলে ফিরিয়ে আনার কারণ ব্যাখ্যায় জানিয়েছেন, ‘মোসাদ্দেককে আমরা ৬ নম্বরে চিন্তা করছি, এখানে সে খুব ভালো ব্যাট করছে। ৬ নম্বরে তার দক্ষতা আমাদের কাজে লাগবে। সে অভিজ্ঞ, আগেও খেলেছে এবং প্রিমিয়ার লিগে ভালো ফর্মে আছে।’

গত এপ্রিলের নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে আফিফ হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন বাদ পড়েছেন। এই দুজনের জায়গায় সৈকত ও সোহান ফিরে এসেছেন। অন্য সবাই তাদের নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছে।

আফিফ ও অঙ্কনের বাদ পড়া নিয়ে প্রধান নির্বাচক মন্তব্য করেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে অঙ্কনকে আমরা খুব বেশি সুযোগ দিতে পারিনি এবং আফিফকেও যথেষ্ট সুযোগ দিয়েছি, সেটাও বলতে পারব না। সে আরও সুযোগ পেতে পারত। তবে এই মুহূর্তে আমরা কিছু টেকটিক্যাল পরিবর্তন এনেছি।’

তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেটি অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুন, দ্বিতীয় ওয়ানডে ১১ জুন এবং তৃতীয় ওয়ানডে ১৪ জুন। সবগুলো ম্যাচ মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ স্কোয়াডের সদস্যরা হলেন: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন কুমার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে : বাসস চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে : বাসস চেয়ারম্যান

খুলনায় ‘হরিদাশকাটি স্বাধীনতা সংসদ’-এর উদ্যোগে একটি বছরব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের হরিদাশকাটি ফুটবল মাঠে ফলদ বৃক্ষরোপণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাসস’র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীন।

হরিদাশকাটি স্বাধীনতা সংসদের সভাপতি শেখ আল-এহসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহরিয়ার সেলিমের পরিচালনায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্যদের মধ্যে স্বাধীনতা সংসদের উপদেষ্টা শেখ আল এমরান, ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউপি সদস্য শেখ আব্দুল গফুর, শেখ আনিসুর রহমান শিবলু, শেখ হারুন, কমিটি ও ক্লাব সদস্য উৎপল দে, তপন কর, খান জাবেদ, শেখ সাহান আব্দুল্লাহ, হাসান আব্দুল্লাহ, শেখ তুহিন, শেখ মিজান, শেখ সোয়েব, খান মোবারেক হোসেন, মৃদুল, মুশফিক, রাসেল, সাকিব, শহিদুল, বব রকি, মামুন, আশিক, রায়হান, মাসুম এবং আপন প্রমুখ।

বছরব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পূর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনোয়ার আলদীন বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। বৃক্ষ আমাদের অকৃত্রিম অকৃপণ বান্ধব। বৃক্ষ আমাদেরকে ছায়া দেয়। মায়া দেয়, প্রশস্তি দেয় ও অক্সিজেন দেয়। এটি বাস্তুতন্ত্রের মূল ভিত্তি স্থাপন করে। একটি পূর্ণবয়স্ক বৃক্ষ দশজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের অক্সিজেন সরবরাহ করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গবেষকরা বলছেন পঞ্চাশ বছরের একটি বৃক্ষের অবদান আর্থিক মূল্যে প্রায় এক লাখ আটাশি হাজার মার্কিন ডলার। বৃক্ষ যে শুধু আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে তা কিন্তু নয়, বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতিটি কাজের সঙ্গে বৃক্ষ কোনো না কোনোভাবে জড়িত। জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড়, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার, নদী-খাল দখল ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বহু প্রাণী, উদ্ভিদ ও অণুজীব হারিয়ে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষার উপাদান নয়; এটি আমাদের টিকে থাকার নিরাপদ আশ্রয়। ইসলামে বৃক্ষরোপণকে উত্তম ইবাদত বলা হয়েছে। ইসলামি পরিভাষায় যাকে সদকায়ে জারিয়া বলা হয়।’

তিনি বলেন, ‘গাছপালা, বনভূমি-জীববৈচিত্র্য বিনাশ করে মানুষ কখনো আপন ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারে না। গাছের পৃথিবী সংকুচিত হওয়া মানে মানুষের বহুমুখী নিরাপত্তার বেস্টনীরও সংকুচিত হওয়া। জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে বাঁচাতে, পরিবেশকে বাঁচাতে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সবুজ জগৎ গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গাছ লাগাতে হবে এবং কাটা গাছগুলোর বিপরীতে নতুন বৃক্ষরোপণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি বছর লাখ লাখ গাছ কাটা হচ্ছে নগরায়ণ, কৃষি সম্প্রসারণ ও কাঠের জন্য। এই অপূরণীয় ক্ষতি রোধ করতে হলে রোপণই একমাত্র উপায়।’

আনোয়ার আলদীন আরো বলেন, বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল। বর্ষায় রোপিত গাছ সহজে মাটিতে শিকড় গাঁথতে পারে। ফলে গাছের বেড়ে ওঠা এবং টিকে থাকা দুই-ই সহজ হয়। প্রতিটি গ্রামে জনপদে দেশি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিতে হবে। রাস্তার পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, খাসজমিতে ও বাড়ির আঙিনায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো জরুরি। শুধু বিদেশি সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নয়; দেশীয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে দেশি মাছ, দেশি ধান, অচাষকৃত শাক ও জলজ প্রাণ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। একটি গাছ লাগানো মানে শুধু একটি চারা রোপণ নয়; এটি ভবিষ্যতের জন্য জীবন রোপণ করা। গাছ আমাদের নিরাপদ আশ্রয়। প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার সবচেয়ে বড় প্রহরী।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রত্যেক বাড়িতে বেশি বেশি ফলদ-ঔষধি পরিবেশবান্ধব গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে আনোয়ার আলদীন ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই দেশকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত থেকে বাঁচাতে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের যে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে দেশের প্রকৃতি-পরিবেশের চিত্র। প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণগুলো সর্বান্তকরণে অনুধাবন করেই বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব দেন। যা এখন বাস্তবায়িত করতে চলেছেন।’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শেখ আল-এহসান বলেন, ‘হরিদাশকাটি স্বাধীনতা সংসদ দীর্ঘদিন ধরে গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছ বিতরণ, সড়কের পাশ ও ফেলে রাখা জমিতে গাছ লাগানো হবে। উপকূলীয় দক্ষিণ অঞ্চলকে জলবায়ুর অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%