ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা : আনসার মহাপরিচালক


দুর্গাপূজায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা : আনসার মহাপরিচালক

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ মন্তব্য করেছেন যে, দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম ও পারস্পরিক সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির আয়োজনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

আনসার মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, ক্ষমতাকেন্দ্রিক মানসিকতার পরিবর্তে জনসেবা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততাকে প্রাধান্য দিয়ে সম্মিলিতভাবে দেশের জন্য কাজ করার সংস্কৃতিকে আরো সুদৃঢ় করতে হবে।

আরও পড়ুন: এনসিপি নেতাদের শহীদ রিয়া গোপের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করছেন।

মহাপরিচালক জানান, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা, দায়িত্ব বণ্টন, তথ্য আদান-প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পূজার নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপস’ সমন্বিত দায়িত্ব পালন ও নিরাপত্তা কার্যক্রমের তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এসময় দুর্গাপূজায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মৃত্যুবরণকারী টিডিপি সদস্য কুড়িগ্রামের লিমন শেখ (২২), গাইবান্ধার ভিডিপি সদস্যা পারভীন (৪৬) এবং টাঙ্গাইলের ফিরোজ খানের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মহাপরিচালক জানান, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে আনসার বাহিনী জননিরাপত্তায় ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: বিএনপি দিল্লির মাধ্যমে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তাপঝড়’ এর প্রভাবে সারাবিশ্বে ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


‘তাপঝড়’ এর প্রভাবে সারাবিশ্বে ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা

বিশ্বজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতীতে তাপপ্রবাহ ছিল স্বল্পস্থায়ী এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনা, কিন্তু বর্তমানে তা ব্যাপক এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, কখনো কখনো মাসের পর মাস স্থায়ী হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই ধরনের ভয়ংকর তাপপ্রবাহকে ‘তাপঝড়’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী একটি রেকর্ড গড়া তাপঝড় পৃথিবীর প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকাকে কোনো না কোনো সময়ে প্রভাবিত করেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রয়টার্সের প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৬০-এর দশকে বছরে গড়ে প্রায় পাঁচটি তাপঝড় সক্রিয় থাকত। চলতি দশকে সেই সংখ্যা বেড়ে বছরে গড়ে প্রায় ১০২টিতে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় দশকে পৃথিবীর তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পরিবর্তন শনাক্ত করেছে সংস্থাটি।

রয়টার্স বিশ্বের ১০ লাখের বেশি ভৌগোলিক এলাকার ১৯৬০ সাল থেকে প্রতিদিনের তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। এ কাজে দুই ডজন আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু গবেষকের মতামতও নেওয়া হয়েছে।

রয়টার্সের সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো স্থানে টানা পাঁচ দিন বা তার বেশি সময় অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা থাকলে তাকে তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর এমন তাপপ্রবাহ যদি পৃথিবীর মোট আয়তনের অন্তত এক শতাংশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তাকে ‘তাপঝড়’ বা হিট স্টোর্ম বলা হয়।

সংস্থাটির বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৬০-এর দশকের সবচেয়ে বড় তাপপ্রবাহটি প্রায় ৪৬ দিন ধরে আটলান্টিক মহাসাগর, লাতিন আমেরিকার কিছু অংশ ও পশ্চিম আফ্রিকার ওপর বিস্তৃত ছিল। এটি পৃথিবীর প্রায় ছয় শতাংশ এলাকাকে প্রভাবিত করেছিল। বিপরীতে, চলতি দশকের সবচেয়ে বড় তাপঝড়টি ৩৬৭ দিন স্থায়ী হয়ে পৃথিবীর প্রায় ৮৫ শতাংশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

তাপঝড়ের প্রভাব কেবল অসহনীয় গরমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি খরা ও দাবানল বাড়াতে পারে, কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে এবং প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ায়।

২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ওই তাপঝড়ের সময় সৌদি আরবের মক্কায় হজের সময় তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়েছিল। এতে এক হাজার ৩০০ জনের বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় দীর্ঘস্থায়ী খরা ও দাবানল পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে লিবিয়ার দেরনা শহরে বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যাও দেখা দেয়।

২০২৬ সালের জুন ও জুলাইয়ে ইউরোপের বড় অংশে তীব্র গরমের কারণে রেললাইনের ইস্পাত বেঁকে যায়। ইউরোপের কয়েকটি দেশের সরকার এক সপ্তাহে স্বাভাবিকের অতিরিক্ত ১০ হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব দিয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুসারে, ১৯৬০-এর দশক থেকে চলতি দশক পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। একই সময়ে তাপপ্রবাহ ও তাপঝড়ে আক্রান্ত পৃথিবীর গড় অংশ ১২ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণ পানির পর্যায়ক্রমিক ঘটনা এল নিনোও তাপপ্রবাহকে আরও তীব্র করছে।

নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনের অধ্যাপক জেমস রেনউইক বলেছেন, তাপঝড় বৈশ্বিক সভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ তাপ। এর ফলে দুর্ভিক্ষ, খাদ্যসংকট, মৃত্যু ও সম্পদের জন্য সংঘাত বাড়তে পারে।

বর্তমান তাপপ্রবাহটি পৃথিবীর বড় একটি অংশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘রাইমুন্ডো’ নামের এই তাপপ্রবাহটি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবং পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকাকে প্রভাবিত করে। গ্রীষ্মকালে ইউরোপজুড়ে তীব্র দাবদাহ এবং স্পেন ও ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনার সঙ্গে এই তাপপ্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে জলবায়ু ঝুঁকিগুলোকে এমনভাবে তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার সময় প্রায়শই বৈশ্বিক তাপমাত্রার লক্ষ্যমাত্রার কথা উঠে আসে, কিন্তু ব্যাপক এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তাপপ্রবাহগুলো দৈনন্দিন জীবনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে আরও প্রত্যক্ষভাবে ফুটিয়ে তোলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ আফ্রিকায় সৈকতে সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙ্গরের আক্রমণে নারীর প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


দক্ষিণ আফ্রিকায় সৈকতে সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙ্গরের আক্রমণে নারীর প্রাণ গেল

দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতে সাঁতার কাটার সময় হাঙরের আক্রমণের ফলে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যা প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে।

বিশ্বব্যাপী হাঙরের আক্রমণে মৃত্যুর ঘটনা সাধারণত দেখা যায় না। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলে এ ধরনের প্রাণঘাতী ঘটনার কিছু ইতিহাস রয়েছে।

হামলার ঘটনা ঘটে কুগোম্পো সিটির (পূর্বের নাম ইস্ট লন্ডন) ওরিয়েন্ট সৈকতে। ঘটনার পর পৌর কর্তৃপক্ষ আশপাশের সব সৈকত বন্ধ করে দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘সকালে ওরিয়েন্ট সৈকতে একটি হাঙরের হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এতে একটি মর্মান্তিক প্রাণহানি হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই নারী নিয়মিত সাঁতার কাটতেন এবং ঘটনার সময় তিনি অন্য সাঁতারুদের একটি দলের সঙ্গে সমুদ্রে ছিলেন।

স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অন্য সাঁতারুরা পানিতে হাঙরের লেজ ও ডানা দেখতে পেয়েছিলেন। ফেসবুকের এক পোস্টে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, ‘ভুক্তভোগী নারীর ডান হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

গবেষকদের মতে, উপকূলীয় এলাকায় জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমানতা, সমুদ্রে মানুষের যাতায়াতের বৃদ্ধি, পরিবেশগত পরিবর্তন এবং হাঙর ও তাদের শিকারের বিচরণের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় এ ধরনের সামুদ্রিক প্রাণীর মানুষের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর যুক্তরাষ্ট্র তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। খবরটি আনাদোলুর মাধ্যমে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলারবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরা নামদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় ভিসা বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল হয়েছে, এবং এই সংখ্যা আরও বাড়ছে। ভিসাধারীদের জন্য আমাদের বার্তা পরিষ্কার—যুক্তরাষ্ট্রের আইন মেনে চলুন, নইলে দেশটিতে ভ্রমণের সুযোগ হারাবেন।’

নামদার আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে আমাদের দেশের এবং মার্কিন জনগণের নিরাপত্তা সর্বদা অগ্রাধিকার।’

এ সময় হোয়াইট হাউসের একটি পোস্টেও নামদার যুক্ত করেছেন। ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ট্রাম্প প্রশাসন ইতিহাসের অন্য কোনো প্রশাসনের তুলনায় দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।’

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও এক্সে একটি পোস্টে বলেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে এমন বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত কোনো বিদেশি নাগরিক যদি আইন ভাঙে, জালিয়াতি করে অথবা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে দুর্বল করার চেষ্টা করে, তাহলে তা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে বাংলাদেশিদের ব্যাংক কার্ডে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


বিদেশে বাংলাদেশিদের ব্যাংক কার্ডে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা

বিদেশে কেনাকাটা, ভ্রমণ এবং বিভিন্ন সেবার মূল্য পরিশোধের জন্য বাংলাদেশিদের ব্যাংক কার্ড ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ইস্যু করা ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে বিদেশে গ্রাহকরা মোট ৯৮৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় হয়েছে ৫০৫ কোটি, ডেবিট কার্ডে ৪২২ কোটি এবং প্রিপেইড কার্ডে ৬০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্ডভিত্তিক লেনদেনের তথ্য থেকে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে মোট বিদেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যয়ের ১৭.১৬ শতাংশ হয়েছে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, ভারত এবং সিঙ্গাপুর, যেখানে ব্যয়ের হার যথাক্রমে ১০.৮৬, ৯.৭৫, ৯.১২ এবং ৭.৯৮ শতাংশ।

বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে ব্যয়ের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সামগ্রিক কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের অর্থমূল্য প্রায় ১০৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের আগস্টে বেড়ে ৪৯ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

একই সময়ে দেশে ব্যাংক কার্ডের সংখ্যা প্রায় ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে কার্ডের সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৭০ লাখের কিছু বেশি, যা চলতি বছরের আগস্টে বেড়ে পাঁচ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ২৪১টিতে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ডেবিট কার্ড রয়েছে চার কোটি আট লাখ ৮৭ হাজার ৮০৪টি, ক্রেডিট কার্ড ২৮ লাখ পাঁচ হাজার ৪৪৯টি এবং প্রিপেইড কার্ড ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮টি।

সামগ্রিক কার্ড লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে গত আগস্টে দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে ব্যয় কিছুটা কমেছে। ওই মাসে এ ধরনের লেনদেনের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা আগের মাস জুলাইয়ে ছিল চার হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। এক মাসে কমেছে ৫.৪৪ শতাংশ।

আগস্ট মাসে দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে, যেখানে ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা। এছাড়া খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে ৫১৮ কোটি, ইউটিলিটি বিল পরিশোধে ৪৪২ কোটি এবং ওষুধ কেনায় ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন গ্রাহকরা।

অন্যদিকে, বিদেশি কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে গত আগস্টে বিদেশিরা ২৪৯ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। আগের মাসের তুলনায় এই ব্যয় বেড়েছে ৬.২৭ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৩৪.৬৬ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%