ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিভক্ত হয়ে অস্তিত্ব সংকটের মুখে মুসলিম ব্রাদারহুড


বিভক্ত হয়ে অস্তিত্ব সংকটের মুখে মুসলিম ব্রাদারহুড

 

যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর সাম্প্রতিক একটি নিবন্ধে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে একসময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ বর্তমানে চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং কাঠামোগত সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

এই সংগঠনটি, যা প্রায় এক শতাব্দী প্রাচীন, এখন বিভক্ত হয়ে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলতম অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। এক সময় মিশরসহ গোটা আরব বিশ্বে যাদের ব্যাপক রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, তারা আজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কঠিন লড়াইয়ে নেমেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, এই পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হলো তাদের অভ্যন্তরীণ তীব্র বিভক্তি। ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতৃত্ব বর্তমানে দুটি প্রধান শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, একটির কেন্দ্র লন্ডনে এবং অন্যটির অবস্থান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে।

নেতৃত্বের বৈধতা, তহবিলের নিয়ন্ত্রণ এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে এই দুটি শিবিরের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব চলছে। প্রবীণ নেতাদের মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই এবং দিকনির্দেশনাহীনতার কারণে সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের তরুণ কর্মীরা ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছেন। এর ফলে অনেকেই সংগঠন থেকে নিজেদের পুরোপুরি গুটিয়ে নিচ্ছেন।

২০১৩ সালে মিশরের রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর থেকেই ব্রাদারহুড গত কয়েক বছর ধরে দেশটির সরকারের ধারাবাহিক ও কঠোর দমন-পীড়নের শিকার হয়ে আসছে। সংগঠনের শীর্ষ নেতাসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী এই সময়ে কারাগারে বন্দি হয়েছেন অথবা বিদেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।

অবশ্য, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে সংগঠনটির উপর একটি বড় ধরনের ধাক্কা পড়েছে। এক সময়ে তুরস্ক ও কাতার মুসলিম ব্রাদারহুডকে প্রকাশ্য সমর্থন ও আশ্রয় দিলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারা মিশর এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে ইস্তাম্বুল এবং দোহার মতো নির্বাসিত ব্রাদারহুড নেতাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোতে তাদের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

এছাড়া, শুধু মিশর নয়, বরং তিউনিসিয়া ও মরক্কোর মতো উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোতেও ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক ও আদর্শিক মিত্ররা ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় কঠোর নজরদারি এবং নতুন প্রজন্মের ভিন্ন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কারণে মুসলিম ব্রাদারহুড সাধারণ মানুষের কাছে তাদের পুরনো আবেদন হারিয়ে ফেলেছে। ধারাবাহিক ব্যর্থতা ও বিভক্তির প্রেক্ষিতে সংগঠনটি আদৌ এই গভীর সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির ‘কোলাকুলি’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর মশকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১০ এম


মোদির ‘কোলাকুলি’ নিয়ে রাহুল গান্ধীর মশকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

বিদেশি নেতাদের সঙ্গে মোদির কোলাকুলির অভ্যাসটিকে কটাক্ষ করেন রাহুল গান্ধী।

ভারতের দিল্লিতে কংগ্রেসের একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চরম ব্যঙ্গ করেছেন রাহুল গান্ধী। তিনি বিশেষ করে বিদেশি নেতাদের সঙ্গে মোদির কোলাকুলি বা জড়িয়ে ধরার অভ্যাসটিকে কটাক্ষ করেন।

মঞ্চের মধ্যেই তিনি দলের আরেক নেতা সন্দীপ দীক্ষিতকে জড়িয়ে ধরে বলেন, “মোদি ভাবেন এটাই বুঝি বিদেশনীতি!” তখন সন্দীপ দীক্ষিতও রসিকতা করে বলেন, “আপনি আমাকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি ভেবে জড়িয়ে ধরেননি তো?” এই কথায় উপস্থিত সবাই হেসে ওঠেন।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এমন রসিকতায় ভীষণ চটেছে বিজেপি। দলের নেতারা বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এমন সস্তা কথাবার্তা বলাটা অত্যন্ত নোংরা এবং এটি ‘নর্দমার স্তরের’ আচরণ। এক বিজেপি নেতা তো রাহুলের মানসিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

মজা করার পাশাপাশি রাহুল গান্ধী মোদি সরকারের কাজেরও কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সময় ভারত তার প্রভাব খাটিয়ে শান্তি আনতে পারত। কিন্তু মোদি সরকার কিছুই করেনি, উল্টে পাকিস্তান সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।

এছাড়া অরুণাচল প্রদেশে চীন ভারতের সেনাদের টহল দিতে বাধা দিচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। রাহুলের দাবি, এই বিষয়গুলো নিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেই চাপা অসন্তোষ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমালোচনা নয়, পাশে থেকে উৎসাহ দিন: নেইমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


সমালোচনা নয়, পাশে থেকে উৎসাহ দিন: নেইমার

সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে সান্তোসের দলে খেলেছেন নেইমার, তবে ইকুয়েডরের ক্লাব মাকারার বিপক্ষে তিনি গোল পাননি। তবে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের জন্য ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তার করা দুই অ্যাসিস্টের ফলে সান্তোস দুটি গোল পায়। শেষ পর্যন্ত, পিছিয়ে পড়লেও ২-১ গোল ব্যবধানে জয় লাভ করে সান্তোস।

এমনকি দুই গোলে অবদান রাখার পরও নেইমার ব্যাপক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। ম্যাচের প্রথমার্ধে একটি ভুল পাস দেওয়ার কারণে তাকে গ্যালারি থেকে দুয়ো শুনতে হয়। এই পরিস্থিতিতে, দলের প্রতি সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ম্যাচ শেষে, তিনি ইএসপিএন ব্রাজিলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছেন। নেইমার বলেন, ‘সেসময় আমরা এক গোলে পিছিয়ে ছিলাম। আমি জানি সমর্থকদের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু নেতিবাচক মানসিকতা নিয়ে স্টেডিয়ামে না এসে বাড়িতে বসে থাকা ভালো।

তিনি আরও বলেন, তখন আমি সেই সমর্থককে বলেছিলাম সমালোচনা নয়, আমাদের সমর্থন করুন। কারণ খেলা শেষ হতে তখনও ৬০ মিনিট বাকি ছিল। তাই দলকে উৎসাহ দিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক মনোভাব কমেছে

 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’-এর সাম্প্রতিক একটি জরিপে দেখা গেছে, ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আগের তুলনায় বর্তমানে কম সংখ্যক বাংলাদেশি ভারতকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। ৩৬টি দেশের ওপর চালানো এই জরিপ থেকে বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটি পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৪২ শতাংশ মানুষ ভারতের প্রতি ইতিবাচক বা ভালো মনোভাব পোষণ করেন। অথচ দুই বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালে পরিচালিত জরিপে এই হার ছিল ৫৭ শতাংশ। এর মানে হলো, গত দুই বছরে ভারতের প্রতি বাংলাদেশিদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ১৫ শতাংশ কমে গেছে।

এছাড়া, একটি বড় পরিবর্তনও দেখা গেছে। যেখানে আগে ২৪ শতাংশ মানুষ ভারতের ব্যাপারে কোনো মতামত দেননি বা নিরব ছিলেন, এবার সেই সংখ্যা কমে মাত্র ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, এখন অনেক বেশি মানুষ ভারতের বিষয়ে নিজেদের স্পষ্ট মতামত জানাচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে একটি বড় অংশ আগের চেয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন।

বাংলাদেশের মতো তুরস্ক ও নাইজেরিয়াতেও ভারতের জনপ্রিয়তা আগের চেয়ে কমেছে। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার মানুষ ভারতকে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। দেশটিতে ভারতের পক্ষে ইতিবাচক মত দিয়েছেন ৭৯ শতাংশ মানুষ, যা জরিপে অংশ নেওয়া ৩৬টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, পাকিস্তানের মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ ভারতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন, যা সবচেয়ে কম।

সব মিলিয়ে, সারা বিশ্বের ৩৬টি দেশের গড়ে ৪৫ শতাংশ মানুষ ভারতকে ভালো চোখে দেখেন এবং ৪১ শতাংশের দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক। তবে বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা যে দ্রুতগতিতে কমছে, সেটিই এই জরিপের অন্যতম প্রধান বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরল খনিজের সন্ধানে ইরান যাচ্ছেন চীনের বিজ্ঞানীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ এম


বিরল খনিজের সন্ধানে ইরান যাচ্ছেন চীনের বিজ্ঞানীরা

আধুনিক প্রযুক্তির অঙ্গীকার হিসেবে ‘রেয়ার আর্থ’ বা বিরল খনিজ খুঁজে পেতে ইরানে বিজ্ঞানী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে চীন। এই খনিজগুলো সাধারণত মাটি থেকে তোলার জন্য যা ব্যবহার করা হয়, তাছাড়া এগুলো ব্যবহার উপযোগী করার প্রযুক্তি চীন অন্য কোনো দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করে না। কিন্তু এখন তারা ইরানের সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গোপন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হবে।

বাস্তবে, রেয়ার আর্থ বিশেষ কিছু ধাতুর মিশ্রণ, যা আধুনিক অস্ত্র, যুদ্ধবিমান, মিসাইল, রাডার এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে, চীনে এই খনিজের সবচেয়ে বড় ভাণ্ডার রয়েছে এবং তারা বিশ্বের বেশিরভাগ সরবরাহ করে।

ফলে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন প্রবল উত্তেজনা এবং বাণিজ্য যুদ্ধ চলছে, ঠিক সেই সময়ে ইরান ও চীনের এই যৌথ উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র তাদের অস্ত্রের মজুত বাড়াতে এবং চীনের ওপর এই খনিজের নির্ভরতা কমানোর জন্য নিজেই বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে।

ইরানের মাটিতে এই মূল্যবান খনিজের প্রচুর মজুত থাকতে পারে, তবুও সেগুলো তুলতে ও ব্যবহার করতে তারা উন্নত প্রযুক্তির অভাবে রয়েছে। এ কারণে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সাহায্যে এখন এই খনিজ নিয়ে নতুন কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এটি মূলত ২০১৭ সালে চীন ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সম্মতিপত্রের একটি নতুন দিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%