বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৮ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, ভুল তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার প্রতিরোধে প্রচলিত উদ্যোগ সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কেবল প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই হবে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই ধরনের অপপ্রচারকে পূর্বেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি’ বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষ সাধারণত নিজের পছন্দের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ তথ্য শুনতে চায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম এবং নির্দিষ্ট কিছু উৎস সেই তথ্যগুলো সামনে নিয়ে আসে। এই প্রবণতাকে ‘ইকো চেম্বার’ বলা হয়।
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনার উদাহরণ তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যদি কেউ বিশ্বাস করতে চান যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন এবং এরপর সবকিছু নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু পেজ ও উৎস সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে, যারা এ ধরনের তথ্য প্রচার করছে।
তিনি বলেন, মানুষ নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী তথ্য গ্রহণ করে। তবে, বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতা এবং মনগড়া তথ্যের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে পরিচালিত এক পর্যালোচনায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় ৪৫০টি পরিকল্পিত অপতথ্য প্রচার অভিযান চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০টি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
তথ্য উপদেষ্টা আবারও বলেন, ভুল তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ঠেকাতে প্রচলিত উদ্যোগ সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় না। তাই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কেবল প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই হবে না, সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ ধরনের অপপ্রচার আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী গভীর উদ্বেগ ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির লাশ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধারের ঘটনায়।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই ক্ষোভের কথা জানান। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একইসাথে, তিনি নিহত তাহসিফ সাউরির রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
গোলাম পরওয়ার বলেন, নদী থেকে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার লাশ উদ্ধারের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাবেক সামরিক কর্মকর্তার এভাবে নিহত হওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে দেশবাসীর মনে গুরুতর প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই ঘটনার দায় এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর চরম ব্যর্থতা ও গাফিলতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যেসব গোয়েন্দা সংস্থা বিমান বাহিনীর মতো একজন সাবেক কর্মকর্তার জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তারা আবার বিরোধীদলের নেতাদের বিরুদ্ধে আজগুবি, ভুয়া ও কাল্পনিক তথ্য ছড়িয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এটি হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, একজন নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, কী পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না- তা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করতে হবে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে কোনো কর্মকর্তা বা সংস্থার দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে অবহেলা করে কেউ দায়মুক্তি পেতে পারেন না। তাহসিফ সাউরির পরিবার যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, রাষ্ট্রকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুল রহমানের বিরুদ্ধে টেন্ডার প্রক্রিয়া, উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নূর আজিজুল রহমানের বিরুদ্ধে নগর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাব বিস্তার, নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া, কমিশন বাণিজ্য এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে নকশা অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিবরণে বলা হয়েছে, গত দুই দশকে সিলেট নগরের ড্রেনেজ, ছড়া সংরক্ষণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও কাজের প্রক্রিয়ায় নূর আজিজুল রহমান প্রভাব বিস্তার করেছেন। শত শত কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম এবং নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নূর আজিজুল রহমানকে ঘিরে অতীতের একটি অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থার সময় যৌথ বাহিনী তাঁকে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল।
এ ছাড়া, ২০২৩ সালের ২৩ মে সিসিকের নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে ভারী স্টিলের পাইপ পড়ে ল্যান্স করপোরাল মো. দেলোয়ার হোসেন নামের এক সেনাসদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নূর আজিজুল রহমানের নাম এক নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার নম্বর হিসেবে কোতোয়ালি থানার ২৪/১৫০ উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর ০১ এবং সিআর মামলা নম্বর ৩৫২-এও তাঁর নাম আসামি হিসেবে রয়েছে বলে অভিযোগের বিবরণে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত থাকলেও সিসিকের কিছু পুরোনো ফাইল তৈরি ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় নূর আজিজুল রহমানের প্রভাব রয়েছে।
জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিসিকের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, দরপত্র, ব্যয় ও অনুমোদনপ্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি উঠেছে।
তবে উল্লিখিত বিষয়ে নূর আজিজুল রহমানের বক্তব্য জানতে চাইলে,তিনি বলেন অভিযোগগুলো সত্য নয় ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেনের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের তথ্য চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ইমরান মুন্সীকে মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাজাপুর-কাঁঠালিয়া এলাকার সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মিতুর নাম উল্লেখ করে এবং কাঁঠালিয়া থানার ওসি নাছের রায়হানের মাধ্যমে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
এ ঘটনায় সরকারি প্রকল্পের তথ্য চাওয়ার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
*অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শিগগিরই মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।*
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ- বিশ্বম্বপুর ও তাহিরপুরের সাথে জনগুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক উঁচুকরণসহ বিভিন্ন সংস্কার কাজে সড়ক বিভাগের ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিন্নমানের কাজটির বিষয়ে স্হানীয় বাসিন্দাদের নানামুখী অভিযোগ ও ভোক্ষ রয়েছে। স্হানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের সংসদ সদস্য (সুনামগঞ্জ -৪)এডভোকেট নূরুল ইসলাম নুরুল গত মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে নিম্নমানের নির্মাণকাজ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্হানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নূরুল ইসলাম অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগনের সামনে সরেজমিনে গিয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের দূর্বল প্রকৃতির কাজ দেখতে পেয়ে ঠিকাদারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট বিভাগকে।
এই ঘটনার ঘণ্টা খানিক যেতে না যেতেই কাকতালীয় ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবির ভিত্তিহীন অভিযোগ করে দরখাস্ত করেন নির্মাণ প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম।
সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে অভিযোগ করার কারণে স্হানীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
তারা বলেন আওয়ামী লীগের দোসর ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের আমলের মতো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে উন্নয়ন কাজ করতে চায় আমরা এম পি মহোদয় কে সাথে নিয়ে সাময়িক কাজ বন্ধ রেখেছি। স্হানীয় বাসিন্দারা জানান
তাতেই ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।
খুঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রকল্পের মূল ঠিকাদার বদরুল ইকবাল তিনি ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে চলে যান। মুল ঠিকাদারের নিকট থেকে ২০ কোটি টাকায় কাজটির সাব-ঠিকাদারি নেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হোসেন। প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আজাদ হোসেন জেলে চলে গেলে সড়কের প্রকল্প কাজের দায়িত্ব নিয়ে নেন আওয়ামীপন্থি অন্য ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম।
গতকাল দুপুরে ফের সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী, দলীয় নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীকে নিয়ে নির্মাণকাজ এলাকা পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য।
স্হানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট নূরুল ইসলাম নুরুল বলেন, গত মঙ্গলবারে একটি অনুষ্ঠান থেকে যাওয়ার পথে এলাকার সাধারণ জনগণ আমাকে দাঁড় করিয়ে নির্মাণ কাজের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেন। তখন আমি নিজেও দেখতে পাই সড়কের সদ্য নির্মিত গার্ডওয়াল একদিকে হেলে পড়েছে। ব্লক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। মাটি কমম্পেকশন না করে জিও টেক্টের ওপর নিম্নমানের ব্লক বসিয়ে সড়কের প্রটেকশন দেওয়া হচ্ছে।
ভিট বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে কৃষি জমির টপ সয়েল।
যা দেখে আমি হতবাক হয়ে স্হানীয় জনসাধারণের সামনেই নিম্নমানের কাজ বন্ধ করে গুণগত মানের সামগ্রী দিয়ে উন্নয়ন কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগকে অবহিত করি।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, এমপি মহোদয়ের উত্থাপিত অভিযোগগুলো আমরা সরজমিন তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাব।
সাব ঠিকাদার শফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানান জন্য বারবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ