ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল


সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মন্তব্য করেছেন, "সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।" তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার ব্যক্তি জীবনে প্রতিফলন ঘটানোর জন্য আত্মনিয়োগ ও পরিশ্রম করা প্রয়োজন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড, আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রাক্তন ছাত্র মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান মো. আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। এছাড়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন এবং কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন চৌধুরী।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দফা দাবি ১১-দলীয় জোটের

অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ জিয়াউল হক ও অধ্যাপক সৈয়দা নার্গিস সুলতানা এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আহসান চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানিমন্ত্রী ডিসিদেরকে এলপিজির কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


জ্বালানিমন্ত্রী ডিসিদেরকে এলপিজির কৃত্রিম সংকট খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের কোথাও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে।

মন্ত্রী একই সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, "দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, "কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হতে পারে।"

মন্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কেন এলপিজির ঘাটতির কথা শোনা যাচ্ছে এবং কেন অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন দিতে।

তিনি বলেন, "জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" যেসব এলাকায় এলপিজির সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেসব এলাকায় সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, "কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে কিংবা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরো সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন জ্বালানিমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে নয়ছয়ের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে নয়ছয়ের অভিযোগ

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল অনুমোদনের অভিযোগ উঠেছে।

একই সঙ্গে জেলা হিসাব ও অর্থ (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স) কার্যালয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিল নিষ্পত্তি, পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধার অর্থ ছাড়েও অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন আদায়ের।

এসব বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধান হিসাব মহানিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষকের (সিএজি) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীদের মধ্যে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেত্রকোনা জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আবদুল গাফফারও রয়েছেন। জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কর্মকর্তা মো. মনজুরুল কবীরসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান তিনি।

অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। এ জন্য গত ২০ মে ই-টেন্ডার আহ্বান করা হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৫৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪৫ টাকা ৮৯ পয়সা। পরে বগুড়ার সালেক সোলার পাওয়ার লিমিটেডকে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আবদুল গাফফারের অভিযোগ, কাজ পাওয়ার প্রায় এক মাসের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি ও ওয়ার্ক অর্ডার সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু প্রকল্পের দৃশ্যমান কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কার্যালয়ে বিল অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলের ভাউচার প্রস্তুত ও অনুমোদন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় অভিযোগে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রায় শতাধিক সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এটি প্রকল্পের মোট কাজের প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে স্থাপন করা প্যানেলগুলোর সঙ্গে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া প্রকল্পের দৃশ্যমান কাজেরও উল্লেখযোগ্য অংশ এখনও অসম্পন্ন রয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জেলা হিসাব ও অর্থ কার্যালয়ে প্রকল্পটির বিলসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য না দিয়ে এক সপ্তাহ সময় নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারীর দাবি, এই সময়ের মধ্যে তড়িঘড়ি করে বেশ কিছু সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে।

শুধু সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিল নয়, নেত্রকোনা জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কার্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘিরেও অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। বৈধ বেতন-ভাতা ও ইনক্রিমেন্টের বিল নিষ্পত্তি থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশনসংক্রান্ত কাজেও অনৈতিকভাবে অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে সাত শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ বা কমিশন দিতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। অর্থ না দিলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও নানা ধরনের হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গত ৫ মে জেলা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উচ্চমান সহকারী আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের অফিস সহকারী এনামুল হক। যৌথ স্বাক্ষর করা ওই অভিযোগে কার্যালয়ের একজন অডিটর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি, অসদাচরণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই এলাকার বাসিন্দা ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত পরিদর্শিকা নাসিমা সিদ্দিকীর স্বামী মো. আবু তাহের বলেন, ‘আমার স্ত্রী চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পেনশনে যান। সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও নানা টালবাহানা করা হচ্ছিল। পরে অনৈতিক লেনদেনের পর কাজটি করে দেওয়া হয়।’

অভিযোগকারী মো. আবদুল গাফফার বলেন, ‘জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কর্মকর্তা মো. মনজুরুল কবীরকে এসব বিষয়ে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান সালেক সোলার পাওয়ার লিমিটেডের ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে প্রকল্পের বিল ও কাজের অগ্রগতি নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স কর্মকর্তা মো. মনজুরুল কবীর বলেন, ‘রুফটপ সোলারের যে বিল দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ম মেনেই দেওয়া হয়েছে।’ তবে অভিযোগের অন্যান্য বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি।

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রকল্পটির কাজ চলমান রয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর বিল দেওয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে ঠিকাদারের কাছ থেকে বিলের সমপরিমাণ অর্থের একটি চেক জামানত হিসেবে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাড়ছে চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় ৬২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাড়ছে চাপ
 

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম সামলাতে গিয়ে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে মোট ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৯৭টি পদও শূন্য রয়েছে।

শিক্ষা অফিস সূত্র আরও জানায়, উপজেলার ১০০টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক থাকলেও এর মধ্যে ৪৮টি বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজও করতে হচ্ছে। বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যেতে হয় তাদের। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ও মো. বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ করতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

এদিকে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের বিষয়েও দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা রয়েছে। ২০২৩ সালে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের দাবিতে একটি মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ৭৩/২৩। চলতি বছরের ২ জুলাই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

৬৮ নম্বর হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান সুমন বলেন, মামলাটি ২ জুলাই নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে রায়ে কী বলা হয়েছে, তা আমরা এখনো জানতে পারিনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামান বলেন, ৬২টি বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবিতে মামলা থাকায় প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন পদোন্নতির বিষয়ে কার্যক্রম হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ বিভিন্ন শূন্য পদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। সরকার নিয়োগ দিয়েছে। দ্রুতই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে বলে আশা করছি।

অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দ্রুত শূন্য পদ পূরণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


আইফেল টাওয়ারের প্রধান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন

আইফেল টাওয়ার পরিচালনাকারী সংস্থার প্রধান নির্বাহী সমালোচনার মুখে পড়েছেন, যখন একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠনের সফরের সময় নারী কর্মীদের সরিয়ে পুরুষ কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংস্থা ‘এসইটিই’ জানিয়েছে, মহাপরিচালক প্যাট্রিক ব্র্যাঙ্কো রুইভো চলতি বছরের শেষে পদ ছাড়বেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে এই দায়িত্বে রয়েছেন।

ঘটনার তদন্তে দেখা গেছে, সফর আয়োজনের সময় কিছু ভুল ও ঘাটতি ছিল। এর ফলস্বরূপ, নারী কর্মীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এসইটিই এই ঘটনার জন্য ‘অগ্রহণযোগ্য’ শব্দটি ব্যবহার করেছে। চলতি মাসের শুরুতে, হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন বোচাসনবাসী অক্ষর পুরুষোত্তম স্বামীনারায়ণ সংস্থার (বিএপিএস) প্রায় ১০০ সদস্যের একটি দল আইফেল টাওয়ার পরিদর্শনে যায়। এ সময় নারী কর্মীদের সরিয়ে তাদের জায়গায় পুরুষ কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এসইটিই জানায়, বিএপিএস সফরের সময় নারী কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ কম রাখার অনুরোধ করেছিল। তবে পরবর্তীতে সংস্থাটি জানায়, এই অনুরোধ মেনে নেওয়া ঠিক হয়নি। কর্মী ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি জানান, নারী কর্মীদের তাদের কাজের জায়গা থেকে সরে যেতে বলা হয়েছিল, যা তাদের জন্য অপমানজনক ছিল। কর্মীদের অভিযোগ, প্রতিনিধিদলটি আইফেল টাওয়ারে অবস্থানকালে নারী কর্মীদের কিছু নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাতায়াত করতেও নিষেধ করা হয়েছিল।

ঘটনার প্রতিবাদে আইফেল টাওয়ারের কর্মীরা ধর্মঘট করেন, যার ফলে টাওয়ারটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফ্রান্সের বিভিন্ন রাজনীতিকও এই ঘটনায় সমালোচনা করেন। ফ্রান্সের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়েল ব্রাউন-পিভেট বলেন, বিদেশি দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য নারী কর্মীদের সরে যেতে বাধ্য করার বিষয়টি তিনি মেনে নেবেন না।

প্যারিসের মেয়র এমানুয়েল গ্রেগোয়ার এই ঘটনাকে ‘অযৌক্তিক, অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি এ ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেন। এসইটিই-এর চেয়ারম্যান আরিয়েল ওয়েল মঙ্গলবার জানান, কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নেতৃত্বে পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

এদিকে, ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে বিএপিএস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চায়। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, এই ঘটনায় কেউ কষ্ট বা অসুবিধার শিকার হয়ে থাকলে তারা দুঃখিত। তারা পারস্পরিক সম্মান ও সেবার মূল্যবোধে বিশ্বাস করে বলেও জানায়।

বিএপিএস নিজেদের একটি আধ্যাত্মিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে পরিচয় দেয়। তাদের দাবি, হিন্দু ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। লন্ডন, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সিডনিসহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে বিএপিএসের মন্দির রয়েছে। সংগঠনটি ভগবান স্বামীনারায়ণের শিক্ষা অনুসরণ করে।

তার অনুসারীরা তাকে হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর অবতার হিসেবে মনে করেন। বিএপিএসের দাবি, নারী ও পুরুষকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা নারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই করা হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের রীতি বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি বৈষম্য করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%