মোঃ সজিব হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
০৭:৩১ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার ৭২নং আথাইল শিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মজলুম জননেতা শরিফুল ইসলাম তুহিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সাগর হোসাইন এবং প্রধান শিক্ষক মো. হামিদুল ইসলাম। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গাছ লাগানো ও পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে উঠলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মনোভাব তৈরি হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানো ও গাছের যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় বসতবাড়ির উঠান ও যাতায়াতের মূল পথ আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাহীন মৈশান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এর ফলে একটি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রতিবাদ করার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের মাইজখার গ্রামের মৈশান বাড়িতে। ভুক্তভোগী মোহন মৈশান মৃত কোরবান আলীর ছেলে। অভিযুক্ত শাহীন মৈশান একই এলাকার শামছুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, মোহন মৈশানদের দুই ভাই ও পাঁচ বোনের নামে মোট ৯০ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। কয়েক বছর আগে স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশের মাধ্যমে জমি বণ্টন করা হয়। সেই সময় মোহনের ভাই মতিন মৈশান নিজের ও এক বোনের অংশসহ ৩০ শতাংশ জমি মেপে বুঝে নেন। পরে তিনি ওই জমি শাহীন মৈশানের কাছে বিক্রি করেন।
পরিবারটির দাবি, জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝে নেওয়ার পর কয়েক বছর ধরে কোনো সমস্যা হয়নি। हाल ही में শাহীন দাবি করেন, বিক্রেতা মতিন মৈশানের কাছ থেকে তিনি আরও জমি পাওনা রয়েছেন। তবে সেই জমি দাবি করতে গিয়ে তিনি মোহন মৈশানের বসতভিটার অংশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মোহনের দুটি বসতঘরের মাঝের উঠান ও যাতায়াতের প্রধান পথে বাঁশের বেড়া দেওয়ায় ঘর থেকে বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে পরিবারটি নিজেদের বাড়িতেই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী মোহন মৈশান বলেন, “শাহীন আমার ভাই মতিনের কাছ থেকে জমি কিনে মেপে বুঝে নিয়েছিলেন। এখন কয়েক বছর পর এসে গায়ের জোরে আমার বসতবাড়ির সীমানায় ঢুকে চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। আমার বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা কেয়ারটেকারকে ঘর ছেড়ে চলে যেতে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা এখন নিজ বাড়িতেই বন্দি জীবন কাটাচ্ছি।”
মোহনের দুই বোন জাহানারা ও হোসনেয়ারা বেগম বলেন, “মতিনের জমি মেপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মতিনের সঙ্গে শাহীনের জমি নিয়ে কোনো হিসাব বাকি থাকলে তিনি মতিনের সঙ্গে আলোচনা করবেন। কিন্তু তা না করে আমাদের বাড়ির যাতায়াতের পথ আটকে বেড়া দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক ও আবুল কালাম জানান, সালিশি বৈঠকে সবার উপস্থিতিতে সীমানা মেপে শাহীনকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি সন্তুষ্ট হয়েই জমি বুঝে নেন। এখন মতিনের কাছে জমি পাওনার অজুহাত দেখিয়ে মোহনের জায়গা দখল করা এবং পথ বন্ধ করা সম্পূর্ণ অন্যায়।
বাড়ির কেয়ারটেকার নাছিমা বেগম বলেন, “গত তিন দিন ধরে আমি এই ঘরে অবরুদ্ধ। ঘরের দরজা খুললেই বাঁশের বেড়া। আমাকেও বারবার ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহীন মৈশান। তিনি বলেন, “আমি ২৬ শতাংশ জমি কিনেছি। আরও ৪ শতাংশের ওপর দিয়ে গ্যাসলাইন যাওয়ায় তা কিনিনি, তবে মতিন আমাকে ভোগ করতে বলেছেন। কিন্তু আমি এখনো ২৬ শতাংশ জমি পুরোপুরি বুঝে পাইনি। মতিন আমাকে জানিয়েছেন, উত্তরের দিকে আমার জমি পাওনা আছে। সে হিসাব অনুযায়ী মোহনের দিকেই আমার জায়গা রয়ে গেছে। তাই আমি বেড়া দিয়েছি। ঝামেলা মিটমাট না হওয়া পর্যন্ত বেড়া সরবে না।”
এদিকে খবর পেয়ে চান্দিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াজ উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়। এসআই মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মূল বিক্রেতা মতিন মৈশানকে ডেকে এনে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”
তবে পুলিশের উপস্থিতির পরও বাঁশের বেড়া না সরানোয় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি এবং চলাচলের পথ উন্মুক্ত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল সদর থানার উদ্যোগে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৫ আগস্ট) সকালে শহরের শ্রী শ্রী কালিবাড়ী নাট মন্দির প্রাঙ্গনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর প্রধান উপদেষ্টা ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি শ্যামল হোড়ের সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর থানার (ওসি তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি, টাঙ্গাইলের জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক পিনাকী দে, সদস্য সচিব শংকর সরকার, শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর উপদেষ্টা মনিন্দ্র মোহন ঘোষ, সহ সভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টির সহকারী পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকার, শ্রী শ্রী ছোট কালিবাড়ীর সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সরকার প্রমুখ।
টাঙ্গাইলে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত।
মতবিনিময় সভার শুরুতেই পবিত্র গীতা পাঠ করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নরেশ সরকার। সভাটি সঞ্চালনা করেছেন শ্রী শ্রী কালিবাড়ীর সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সরকার।
টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর টাঙ্গাইল জেলায় ১৩৫৭টি পূজা মন্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২৩৩ টি, মির্জাপুর উপজেলায় ২৭০ টি, দেলদুয়ার উপজেলায় ১২৮ টি, সখীপুর উপজেলায় ৪৪ টি, কালিহাতী উপজেলায় ১৮২ টি, নাগরপুর উপজেলায় ১৩৮ টি,
বাসাইল উপজেলায় ৮১ টি, ভূঞাপুর উপজেলায় ৩৪ টি, গোপালপুর উপজেলায় ৫৭ টি, ধনবাড়ী উপজেলায় ৩৬ টি, মধুপুর উপজেলায় ৬০ টি ও ঘাটাইল উপজেলায় ৯৪ টি পূজা মন্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ারফোর্স বা আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ‘হুমকির’ কারণে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নিয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে লন্ডন থেকে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে ব্রিটিশ পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর জন্য যে বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে, সেই আরএএফ ফেয়ারফোর্ডকে ঘিরে কথিত ষড়যন্ত্রের তদন্তের অংশ হিসেবে যুবকটিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে আছেন।
সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশিং বিভাগ জানিয়েছে, ওয়েস্টমিনস্টারে ওই যুবককে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি একই এলাকায় একটি স্থাপনায় তল্লাশি পরিচালনা করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি হুমকির কারণে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইরান কথিত ওই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ জাতীয় সমন্বয়ক ভিকি ইভান্স মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। আরএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে পুলিশ বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালাচ্ছে।
এর আগে তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিকও রয়েছেন। যদিও বর্তমানে তারা সবাই জামিনে মুক্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাকদারের সাথে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত অবিলম্বে বন্ধ করার এবং কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
গুতেরেস আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ চলাচলের অধিকার পুনর্বহালের গুরুত্বের ওপর বিশেষভাবে জোর দেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক শান্তির বিষয়টি তুলে ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের কথা উল্লেখ করেন। গুতেরেস বলেন, "ফিলিস্তিনিদের এ অধিকার স্বীকৃত না হওয়া পর্যন্ত অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।"
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর জন্য পাকিস্তানের মধ্যস্থতার ভূমিকাকে তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন। সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ