ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় কার্যকর না হলে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রেজাউল করিম


‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় কার্যকর না হলে সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রেজাউল করিম

জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম মন্তব্য করেছেন যে, গণভোটের রায় কার্যকর না হলে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তিনি রোববার সকালে লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে উত্তর তেমুহনী এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।

ড. রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের জনগণ দুটি ভোট প্রদান করেছে—একটি সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে এবং অন্যটি গণভোটে নিজেদের মতামত প্রকাশের জন্য। তিনি বলেন, সরকার দলীয় ভোটের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসলেও গণভোটে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়কে অস্বীকার করছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, "একটি ভোট যদি বৈধ হয়, একই দিনে দেওয়া অপর ভোটটি কেন অবৈধ হবে?" তিনি সতর্ক করেন যে, যদি গণভোটের রায় মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। কারণ জনগণ উভয় ভোটে অংশগ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: উত্তরায় ট্রাফিক বিভাগের কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, তাদের বর্তমান লংমার্চ কর্মসূচি সরকার পতনের জন্য নয়, বরং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিতে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার তাগিদ দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। তিনি বলেন, "অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।" তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্থিতিশীল ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

সচেতনতামূলক এই ক্যাম্পেইনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এ আর হাফিজুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাছিরুদ্দিন মাহমুদ, শহর জামায়াত আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফাহার নিশান এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মমিনউল্লাহ পাটওয়ারীসহ স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন: প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে আগামী রোববার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যাটোর দাবি, কালিনিনগ্রাদ অবরুদ্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


ন্যাটোর দাবি, কালিনিনগ্রাদ অবরুদ্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে রাশিয়ার কৌশলগত ছিটমহল কালিনিনগ্রাদ অবরুদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। সম্প্রতি ন্যাটো সামরিক কমিটির প্রধান অ্যাডমিরাল জুসেপ্পে কাভো দ্রাগোনে ইতালীয় দৈনিক লা রিপাবলিকা-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অ্যাডমিরাল দ্রাগোনে উল্লেখ করেছেন, সংবাদমাধ্যমে কালিনিনগ্রাদ অবরুদ্ধ করার বিষয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং একটি অবাস্তব ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, জোট এমন কোনো অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে না।

ন্যাটো কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা ন্যাটোর নেই। তবে প্রতিপক্ষের যেকোনো আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে জোটের কাছে যথেষ্ট অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা রয়েছে।

ন্যাটোর এই বক্তব্যটি এসেছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কঠোর সতর্কবার্তার পর। ১ অক্টোবর পুতিন হুঁশিয়ারী দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ার ভূখণ্ড বা কালিনিনগ্রাদে সরাসরি কোনো সামরিক আক্রমণ বা অবরোধের চেষ্টা হলে মস্কো তার অস্ত্রাগারে থাকা সমস্ত অস্ত্র, পারমাণবিক অস্ত্রসহ, ব্যবহারে বাধ্য হবে।

বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত এবং পোল্যান্ড ও লিথুয়ানিয়ার মাঝখানে অবরুদ্ধ কালিনিনগ্রাদ দীর্ঘকাল ধরে একটি সামরিক সংবেদনশীল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি লিথুয়ানিয়া সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে সম্ভাব্য হাইব্রিড হুমকি মোকাবিলার সতর্কতামূলক অংশ হিসেবে। তবে ন্যাটো জানিয়েছে, তাদের পূর্ব ফ্রন্টের পরিস্থিতি জটিল হলেও তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সূত্র : তাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ছাড়া সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ছাড়া সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, সমাজের গভীরে বিদ্যমান সংকট ও অপরাধের স্থায়ী সমাধান কেবল আইন-আদালত, পুলিশ প্রশাসন কিংবা হাসপাতাল বৃদ্ধি করে সম্ভব নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকট ও অপরাধের স্থায়ী সমাধানের জন্য মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সমন্বিত সামাজিক ও মনোদৈহিক (সাইকোসোশ্যাল) পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত একটি জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

ডা. জাহিদ দেশের জনসংখ্যা ও অপরাধের বর্তমান চিত্র তুলে ধরেন, জানিয়ে দেন যে, দেশের জনসংখ্যা ১৮০ মিলিয়ন এবং ভূখণ্ড ৫৬ হাজার ১২৬ বর্গমাইল।

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিশাল জনগোষ্ঠীর তুলনায় আপনি কত জেলখানা বানাবেন, কত হাসপাতাল বানাবেন? কত পুলিশ, ডাক্তার কিংবা নার্স নিয়োগ দেবেন? হাউ ইউ আর গোয়িং টু অ্যাড্রেস দিস ইস্যুজ?’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, অপরাধের পেছনে থাকা সামাজিক ও পারিবারিক কারণগুলো বিশ্লেষণ করে যদি স্থায়ী প্রতিকার করতে না পারি, তবে কোনো সমস্যারই সমাধান হবে না।

দেশের ডেমোগ্রাফিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের মনে রাখতে হবে যে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশ নারী এবং ৩৪ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে। সাইকোসোশ্যাল কাজ করার প্রধান ক্ষেত্র কিন্তু এই বিশাল জনগোষ্ঠী।

বাল্যবিয়ের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ৫১ শতাংশ বাল্যবিয়ে হচ্ছে, যা একটি সভ্য সমাজে অকল্পনীয় ও অসহনীয় (আনবেয়ারেবল)। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে ঔদ্ধত্য দেখিয়ে বলেন—‘এটা আমরা করবই, কে ফিরায়?’ এই ধরনের গোঁয়ার্তুমি ও অবুঝ মানসিকতা শুধু আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সে বিয়ের কারণে মা ও অনাগত সন্তানের শারীরিক, মানসিক ও পুষ্টিগত যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা উপলব্ধি করানোর জন্য সমাজকর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের (সাইকোসোশ্যাল অ্যাপ্রোচ) কোনো বিকল্প নেই।

মাঠপর্যায়ে দক্ষ সমাজকর্মীর ঘাটতির চিত্র তুলে ধরে অধ্যাপক ডা. জাহিদ আরও বলেন, গ্রামে বা ওয়ার্ডে নবম গ্রেডের কোনো কর্মকর্তা থাকেন না, কেবল ইউনিয়ন পর্যায়ে একজন ডাক্তার থাকেন। বাকি সবাই দশম বা তার নিচের গ্রেডের।

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি বিভাগে যেমন প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জন করে ব্লক সুপারভাইজার আছেন কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগে প্রতি ৪ হাজার মানুষের জন্য হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট আছেন, সমাজকল্যাণেও তৃণমূল পর্যায়ে তেমন জনবল দরকার।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে শুধু এইচএসসি পাসের সনদের ভিত্তিতে সোশ্যাল ওয়ার্কার নিয়োগ দিলে হবে না। তাদের থিওরিটিক্যাল ও প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান থাকতে হবে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, অতীতে রাজনৈতিক বা খেয়ালখুশি মতো অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সরকার একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই রাতারাতি সব বাতিল না করে, বিদ্যমান কাঠামোগুলোকে জনবান্ধব ও যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, গবেষক ও একাডেমিশিয়ানদের যৌথভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরণের মিসপারসেপশন আছে যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বলতেই আমরা বুঝি যে খুব সিভিয়ার কিছু হচ্ছে। রোগী হয়তো চিৎকার করছে, রোগীর হয়তো সিজোফ্রেনিয়া হচ্ছে, সেগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, একই সাথে আমাদের এই সচেতনতা জনগণের মাধ্যমে তৈরি করা প্রয়োজন যে আমরা একেবারে খুবই হেলদি লুকিং, ওয়েল ফাংশনিং নাগরিক যারা আছে তারা অনেকেই কিন্তু ডিপ্রেশনে ভুগছেন।

বাস্তবায়ন পরিকল্পনার অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা কয়েকটি বিষয়কে প্রায়োরিটি হিসেবে আইডেন্টিফাই করেছি। অ্যাডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথ, ডিজিটাল অ্যাডিকশন ও প্যারেন্টাল সেপারেশন— এই তিনটা কিন্তু আমাদের সমাজে আগে বড় ধরণের কোনো সমস্যা ছিল না।’

এছাড়া তিনি ‘ইন্টিমেট পার্টনার ভায়োলেন্স অ্যান্ড ডোমেস্টিক ট্রমা’ ও ‘পেরিনেটাল অ্যান্ড পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন’ মোকাবিলাতেও বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান।

সেমিনারে সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।

এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলা, ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৫ ফ্লাইট বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলা, ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৫ ফ্লাইট বাতিল

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের দ্বারা সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার পর বিমানবন্দরটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়, যার ফলে ঢাকা-রিয়াদ রুটে পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় ১২ অক্টোবর রাত ৩টা পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকার কথা রয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা কাউছার মাহমুদ নিশ্চিত করেছেন যে, ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি সত্যি।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের এসভি৮০৪/৮০৫ ও এসভি৮০৬/৮০৭, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি৩৩৯ ও বিজি৩৪০ এবং রিয়াদ এয়ারের আরএক্স ৭৬৩/৭৬৪।

সৌদিয়ার এসভি৮০৪/৮০৫ ফ্লাইটটি ১০ অক্টোবর রাত ১১ টা ৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করার কথা ছিল এবং ১১ অক্টোবর রাত ১২ টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

অন্যদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-রিয়াদগামী বিজি৩৩৯ ফ্লাইটটি ১১ অক্টোবর রাত ২টা ৫ মিনিটে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল।

সৌদিয়ার এসভি৮০৬/৮০৭ ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ ও বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল এবং রিয়াদ এয়ারের আরএক্স ৭৬৩/৭৬৪ ফ্লাইটটি সকাল ৭ টায় অবতরণ ও ৮ টা ৩০ মিনিটে ঢাকা ছাড়ার সূচি ছিল (সবগুলো স্থানীয় সময় অনুযায়ী)।

এদিকে, ১০ অক্টোবর ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস ৩৮১ ফ্লাইটটির পথ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সেটি রাত ৩ টা ১০ মিনিটে অবতরণ করে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যাত্রীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানায়, ফ্লাইট পুনর্নির্ধারণ ও হালনাগাদ তথ্য তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। যাত্রীরা সহায়তার জন্য তাদের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে বা নিকটস্থ বিক্রয় কেন্দ্রে যেতে পারেন।

এদিকে, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবরের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ হামলায় দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।

বাংলাদেশ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্নকারী এবং বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এ হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।’

সৌদি আরবের প্রতি দৃঢ় সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় চারজন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


রাজধানীতে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় চারজন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। রোববার শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান এই তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আ ন ম আয়াসসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আ ন ম আয়াস (২৯), মো. সাকিবুল হাসান (১৯), মো. সুজন মিয়া (১৮) এবং মারজিয়া খন্দকার রিমি (২৭) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

শনিবার সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে যান রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আ এন এম আয়াসসহ অন্যান্য সদস্যরা। তাদের আটক করে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে। পরে তাদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।

৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এরপর ফুটপাতের পাশের দেয়ালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামসহ দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তির প্রতিকৃতি আঁকা হয়। পরে দেয়ালসংলগ্ন ফুটপাত পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%