বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৫ এম
জামালপুর জেলার ইসলামপুরে মুখশিমলা দালাল বাড়ী মোড়ে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ফলে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের দালাল বাড়ি মোড় মার্কেটে আঃ সালামের মুদির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে এবং আঃ সালাম ও জাহাঙ্গীর আলমের মুদির দোকান, রাজিব মিয়ার ওষুধের দোকান, বিকাশের দোকান, নয়া মিয়ার চা ও মনোহারী দোকান এবং ইসমাইল হোসেনের পান সুপারী দোকান—এই পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
প্রতিটি দোকানে যথেষ্ট পরিমাণ মালামাল ছিল এবং বিকাশের দোকানে নগদ টাকা পুড়ে যাওয়ার কারণে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা হয়েছে। ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে ৮ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি এবং ২০ লাখ টাকার মতো মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্কাউটসের উদ্যোগে, শেরপুর জেলার রোভারের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কাউটিং বিষয়ক ৪৪৮তম ওরিয়েন্টেশন কোর্স। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তুলশীমালা ট্রেনিং কাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
তিনি ওই সময় বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্কাউটিং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ৪৪৮তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্সের কোর্স লিডার, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইফুল ইসলাম কমলসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ এবং শেরপুর স্কাউটসের লিডার-সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তাগাছায় অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে অভিযোগকারীরা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পক্ষ থেকে সমাধানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে সরকারি দপ্তরগুলোর তরফ থেকে। সোমবার উপজেলা প্রশাসন, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) মুক্তাগাছার যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় জেলা পরিষদ ডাক বাংলো মাঠে এই গণশুনানির আয়োজন করে।
গণশুনানির সভাপতিত্ব করেন সনাক মুক্তাগাছার সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সবুর। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয় উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মকার।
শুনানিতে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা সমাজসেবা অফিস, উপজেলা সাব-রেজিস্টার অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন এবং সুবিধাভোগীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রায় ৪ শতাধিক সাধারণ নাগরিক এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এতে ১৭ জন অংশগ্রহণকারী উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের সেবা খাত বিষয়ে মোট ২৩টি অভিযোগ ও পরামর্শ উত্থাপন করেন।
সরকারি সেবা প্রদানকারী অফিসারদের মধ্যে গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুবনা আহমেদ লুনা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন কান্তি সাহা, মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবিতা নন্দী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকিয়া আক্তার, সাব রেজিস্ট্রার এস এম শফিউল বারী এবং উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান।
টিআইবির এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো: দেলোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: আখতারুজ্জামান এবং সনাক সদস্য এম ইদ্রিছ আলী। এতে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন আকন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গণশুনানিতে অভিযোগকারীগণ কর্তৃক উত্থাপিত বিষয়ের মধ্যে ছিল, উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে সেবা পেতে হয়রানি, স্বজনপ্রীতি, দালালদের দৌরাত্ম, সেবা পেতে বিলম্ব, ঘুষ লেনদেনের জন্য বাধ্য করা, নামজারি বা খারিজ করতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, রশিদ ব্যতীত অর্থ লেনদেন, কর্মকর্তার অনুপস্থিতি, অফিসের সময়সূচি অনুসরণ না করা, দায়িত্বে অবহেলা, অভিযোগ ও পরামর্শ বক্সের অভাব, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সেবাগ্রহীতাদের প্রতি মনযোগের ঘাটতি, তথ্য প্রকাশে অনীহা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি ইত্যাদি। এছাড়া, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, অবৈধভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত করা, প্রশাসনিক বা আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনের জন্য অনুরোধ করেন অংশগ্রহণকারীগণ।
দুদকের উপ-পরিচালক রনজিৎ কুমার কর্মকার গণশুনানিতে উত্থাপিত ইস্যুসমূহের সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ ও সুপারিশ করেন। উত্থাপিত অভিযোগসমূহ সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এসময় তিনি অংশগ্রহণকারীদের দুর্নীতি হ্রাস, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিকারে নানাবিধ আইন ও পদ্ধতি বা টুলস ব্যবহারের পরামর্শ দেন। যেকোনো অভিযোগের সমাধান পেতে তার দপ্তরে দ্রুত জানানোর জন্যও তিনি উৎসাহিত করেন। উল্লেখ্য, উক্ত গণশুনানির পূর্বে আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস উপলক্ষে ওয়েব পোর্টাল স্টাডির প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়। এছাড়া এ দিবসকে কেন্দ্র করে তথ্য অধিকার বিষয়ক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহে ইসলামি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা (নাশিদ) ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানটি ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে মেলান্দহ শাখা দ্বারা আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব একেএম এহছানুল হক।
ইসলামি ছাত্র আন্দোলন মেলান্দহ শাখার সভাপতি ইলিয়াস আহমাদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক কবি আল আমিন রুহানী।
অনুষ্ঠানে জামালপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি জাহিদুল ইসলাম, জামালপুর ইসলামি আন্দোলনের সেক্রেটারি মাও. সুলতান মাহমুদ সিরাজী, সংগঠনের মেলান্দহ শাখার সভাপতি মাও. আনোয়ার হোসাইন, সম্পাদক মাও. মোখলেসুর রহমান এবং স্বরকলার সম্পাদক একেএম জাকিরুল হক মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বেগুনবাড়ী স্লুইসগেট এলাকায় পানিতে ভাসমান একটি ড্রাম থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঘটনার চার দিন পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। প্রধান আসামী শামীম মিয়াকে (৩৮) গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শামীম মিয়া নেত্রকোনার কমলাকান্দা উপজেলার কৃষ্টপুর গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে, এবং তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার গলগন্ডা এলাকায় বসবাস করতেন। নিহত নিরঞ্জন ধর (৫৪) ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানাধীন রমেন্দ্র চন্দ্র সুত্রধরের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ নগরীর আউটার স্টেডিয়ামে এলাকায় একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। পিবিআই ময়মনসিংহ কার্যালয়ে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এই তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার জানান, শামীম হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামী। নিহত ব্যক্তি ময়মনসিংহের স্বর্ণকার ও অটোরিকশার মালিক নিরঞ্জন ধর। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে বেগুনবাড়ী স্লুইসগেট এলাকায় পানির নিচে একটি ড্রামের ভেতর থেকে বস্তাবন্দী মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিখোঁজ নিরঞ্জন ধরের পরিবারের সদস্যরা ছবি দেখে তাঁকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সবিতা রানী ধর বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পিবিআই স্ব-উদ্যোগে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে।
পিবিআই জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ময়মনসিংহ জেলা পিবিআইয়ের একটি বিশেষ দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পিবিআই সদর দপ্তরের সহযোগিতা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করে গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার বোর্ডবাজারের বটতলার সর্দার মার্কেট এলাকা থেকে শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেখানে তাঁর শ্যালক মাসুদ রানার ভাড়া বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
পিবিআইয়ের দাবি, নিরঞ্জন ধরের চারটি অটোরিকশা ছিল, যা ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকার সততা গ্যারেজে রাখা হতো। শামীম ওই গ্যারেজের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। এই সূত্রে নিরঞ্জনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। নিরঞ্জন নিয়মিত শামীমের বাসায় যাতায়াত করত। শামীমের বাবা-মা বাসায় না থাকার সুযোগে শামীম তাঁর ভাড়া বাসায় মেয়ে নিয়ে এসে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতেন। একদিন শামীমের অসতর্কতার সুযোগে নিরঞ্জন ধর একটি আপত্তিকর ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। এরপর থেকে শামীমকে ক্রমাগত ব্ল্যাকমেইল ও টাকা দাবি করতে থাকেন।
পিবিআই বলছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে শামীমের ভাড়া বাসায় গিয়ে নিরঞ্জন আবারও টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শামীম ঘরে থাকা শিল দিয়ে নিরঞ্জনের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া হয়। পরে বটি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়, যা তাঁর মৃত্যু ঘটায়। হত্যার পর মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন শামীম। প্রথমে একটি চটের বস্তায় মরদেহটি ভরে একটি প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে রাখা হয়। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে একটি মিশুক (ইজিবাইক) এনে ড্রামটি বেগুনবাড়ী স্লুইসগেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ড্রামটি পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে শামীমের দেখানো মতে তাঁর ভাড়া বাসা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত শিল ও বটি জব্দ করেছে পিবিআই।
পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়েছিল। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পিবিআইয়ের কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রচেষ্টায় দ্রুততম সময়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ