ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চীনে ভূমিধসে নিহত ৮, নিখোঁজ আরও ৩৪ জন


চীনে ভূমিধসে নিহত ৮, নিখোঁজ আরও ৩৪ জন

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিং শহরের উপকণ্ঠে শুক্রবার ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং ৩৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এই ভূমিধসে একাধিক বাড়িঘর চাপা পড়েছে এবং এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৮ মিনিটে চংকিং পৌরসভার পেংশুই কাউন্টিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নিচে নেমে এসে ১০টিরও বেশি আবাসিক ভবন চাপা দেয়। পেংশুই কাউন্টির মেয়র রেন শুজিয়াং জানান, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর রয়েছে।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুর্ঘটনার কারণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং উদ্ধারকাজ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। স্থানীয় পরিকল্পনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের প্রধান ওয়াং চুয়ানজুন জানিয়েছেন, ভূমিধসে প্রায় ১৮ হাজার ঘনমিটার পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পাথরটির আয়তন ছিল প্রায় ৩ হাজার ঘনমিটার।

আরও পড়ুন: চিনা স্যাটেলাইটে ধরা পড়লো ইরান ঘিরে ৩ মার্কিন রণতরী

তিনি আরো সতর্ক করেছেন যে, ভারি বৃষ্টিপাত বা দীর্ঘ সময়ের গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরিদর্শনে পাহাড়ের চূড়া ও ঢালের বিভিন্ন স্থানে এখনও অস্থিতিশীল পাথরের স্তূপ দেখা গেছে।

ভূমিধসের পর আরো দুর্ঘটনা এড়াতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে ৮০০ জনের বেশি কর্মী অংশ নিচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পাহাড় থেকে ছোট ছোট পাথর গড়িয়ে পড়া এবং অস্বাভাবিক শব্দ শোনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা দ্রুত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় সংবাদপত্র চংকিং ডেইলি জানায়, সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলাকালীনই একটি বড় ধরনের ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের আবাসিক এলাকার ওপর পড়ছে।

আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় শিশু সোহাগ হত্যা: ইমাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ড

ধসের স্থানটির আশপাশে বেশ কয়েকটি ভবন ছিল এবং উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। তবে অস্থিতিশীল ভূখণ্ড এবং নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কার কারণে উদ্ধার অভিযান বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে সিসিটিভি জানিয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কমলা রঙের পোশাক পরা উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে খননযন্ত্র ব্যবহার করছেন। এক পর্যায়ে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একজন ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। ভূমিধসের ফলে পাহাড় থেকে বিশাল পাথরের খণ্ড নিচের একটি জলপথে গিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলের পাশে থাকা প্রায় পাঁচ ও পনেরো তলা উচ্চতার দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ধসে পড়েনি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনাস্থলটি উজিয়াং নদীর একটি অংশের কাছে, যা ছোট ছোট শহর ও ধাপযুক্ত কৃষিজমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় চীনা কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১৩ হাজারের বেশি ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাঁবু, ভাঁজ করা বিছানা এবং জরুরি পারিবারিক সহায়তা কিট। পেংশুই কাউন্টি চংকিংয়ের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। এটি হুবেই ও গুইঝৌ প্রদেশের সীমান্তঘেঁষা একটি এলাকা।

আরও পড়ুন: আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে ৬০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি চুক্তি করল ইরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে ৬০ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি চুক্তি করল ইরাক

পশ্চিমা জ্বালানি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে তেল, গ্যাস এবং পাইপলাইন খাতে ইরাক কয়েক ডজন চুক্তি করেছে। শুক্রবার, ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র-ইরাক ব্যবসায়িক সম্মেলনে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের 'বাধ্যতামূলক নয়' এরূপ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। ইরাক সরকার জানিয়েছে, তারা বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে এবং বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলোর জন্য দেশটিকে আরও উন্মুক্ত করতে চাইছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করেও যাচ্ছে।

সম্মেলনে, দোভাষীর মাধ্যমে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি বলেন, তাদের সরকার সবার জন্য 'দরজা খোলা রাখার নীতি' অনুসরণ করছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো কোম্পানি বা বিনিয়োগকারী নতুন প্রকল্প নিয়ে ইরাকের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে। সরকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের চেম্বার অব কমার্সে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে ইরাকের সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছিলেন।

ইরাকের এই উদ্যোগটি এমন সময় এসেছে, যখন দেশটি বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস রপ্তানির নতুন পথ খুঁজছে। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প রপ্তানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বাগদাদ।

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত টম ব্যারাক বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ একদিকে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, ইরাক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে নতুন কৌশলগত নিরাপত্তা সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

সম্মেলনের আগে, বৃহস্পতিবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান শেভরনের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেন। এরপর, ইরাকের কর্মকর্তারা শেভরনের সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করেন। এই সকল চুক্তির মাধ্যমে ইরাকের পশ্চিম কুরনা-২ এবং নাসিরিয়া তেলক্ষেত্রে কমিশনির সম্ভাব্য কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে।

সম্মেলনে শেভরনের করপোরেট ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের সভাপতি জেক স্পিয়ারিং জানান, তাদের কোম্পানি একটি নতুন পাইপলাইন প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী, যা হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই ইরাকের তেল রপ্তানির সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি বলেন, এই পাইপলাইন চালু হলে ইরাক নতুন একটি রপ্তানি পথ পাবে। এর মাধ্যমে দেশটির তেল ভূমধ্যসাগর উপকূলে সিরিয়ার পশ্চিম উপকূলে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহের বিকল্প পথ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সামরিক ও নৌ স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


ইরানের সামরিক ও নৌ স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

 শুক্রবার টানা সপ্তম রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা চালানোর খবর দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, যা ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্যে। খবরটি জানায় বার্তা সংস্থা এএফপি। মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের নজরদারি কেন্দ্র, সামরিক রসদ অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভাণ্ডার এবং নৌ সক্ষমতাসংক্রান্ত স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বউ নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস খাদে, শিশুসহ নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


নতুন বউ নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস খাদে, শিশুসহ নিহত ২

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে কনে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় একটি মাইক্রোবাস খাদে পড়ে যায়, যার ফলে শিশু সহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বর-কনেসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতদের মধ্যে একজন হলেন সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের ৭ মাস বয়সী ছেলে জীবন ইসলাম এবং অন্যজন হলেন মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (২০)। রিয়াদ ইসলাম এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ওই বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে বর সহ প্রায় ১৫ জন অংশগ্রহণ করেন।

বিয়ের পর বরযাত্রীরা কনেকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। রাত ৩টার দিকে শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বর-কনেসহ অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বাকি ১২ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব বলেন, রাতে ১৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর গণমাধ্যমকে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দুইজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একইসঙ্গে দুর্ঘটনার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়ামালকে গোসল করানোর ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


ইয়ামালকে গোসল করানোর ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি

বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। তখন প্রতিবছর বার্সার ফুটবলারদের সাথে শিশুদের ছবি তুলে ক্যালেন্ডার বিক্রি করা হতো। আয় যেত ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে। এই ফটোশ্যুটে বার্সেলোনার স্কোয়াডের ১২ জন ফুটবলারকে বছরের ১২ মাসের প্রতীক হিসেবে একেকটি শিশুর সাথে জুড়ে দেওয়া হতো। অনেক খেলোয়াড়ই অংশ নিয়েছিলেন এমন ফটোশ্যুটে, তবে সেসব ছবির বেশিরভাগই হারিয়ে গেছে সময়ের সাথে। কিন্তু একটি ছবি আজও ইতিহাস হয়ে রয়েছে।

ছবিটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির সঙ্গে উদীয়মান প্রতিভা লামিন ইয়ামালের। পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, এবং দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য এই মুহূর্ত ধারণ করা হয়েছিল ১৯ বছর আগে। তখন ছবিটি তেমন নজর না পেলেও, আজ এই ছবিই সারা বিশ্বকে ভূমিধ্বংসী আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন দিন আগে এই ছবি নিয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন লামিন। তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'আমি অনেক বড় হয়ে গেছি এবং লিও-ও। আমি আশা করি ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারব, যেহেতু আমরা ফিনালিসিমায় খেলতে পারিনি।'

লামিনের পর এবার সেই ছবিটি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন লিওনেল মেসিও। শুক্রবার (৭ জুলাই) ফিফার একটি অনুষ্ঠানে মেসি অংশ নেন। এ আয়োজনের অংশ হিসেবে, দুদলের কোচ এবং অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে লামিনের সঙ্গে তার ২০০৭ সালে তোলা ছবির প্রসঙ্গ উঠেছিল।

ছবিটি প্রসঙ্গে মেসি মন্তব্য করেন, ‘সত্যি কথা হলো ছবিটা অদ্ভুত। কারণ এটাই জীবন। যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য। তবে সে এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সে ইতোমধ্যেই স্পেনের হয়ে ইউরো জয় করেছে। বর্তমানে সে দারুণ করছে এবং ভবিষ্যতও তার জন্য উজ্জ্বল। কিন্তু এই ম্যাচে আমরা চেষ্টা করব, যাতে সে তার সেরাটা খেলতে না পারে।’

মেসি বার্সেলোনায় তার সেরা সময় কাটিয়েছেন। আর্জেন্টিনা ছেড়ে কৈশোরে মূলত বার্সেলোনাতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। তাই ইয়ামালের প্রতি তার আলাদা একটি স্নেহ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'বার্সেলোনায় আমি অনেক সময় কাটিয়েছি এবং সেখান থেকে তার সঙ্গেও পরিচয় রয়েছে।' ২০০৭ সালের ইয়ামাল-মেসির ছবিটি আজ আলোচনা তৈরি করেছে। দুই দশক পর এখন তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে লড়াই করছেন। যা মেসি ‘ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্প’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%