মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৪ পি.এম
মোশাররফ করিম ও ফারুক আহমেদ বহু নাটকে একসঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন। তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়ন পর্দায় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে বরাবরই। ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’, ‘ফাঁদ ও বগার গল্প’, ‘মানিব্যাগ’, ‘বিহাইন্ড দ্য ট্র্যাপ’ এবং ‘সিকান্দার বক্স’-এর মতো দর্শকপ্রিয় নাটকে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। তবে, জনপ্রিয় এই দুই অভিনেতা দীর্ঘদিন এক পর্দায় অনুপস্থিত ছিলেন। অবশেষে পাঁচ বছর পর তারা আবারও জুটি বাঁধছেন।
নতুন নাটক ‘চেয়ারম্যানের হাসবেন্ড’-এ মোশাররফ করিম ও ফারুক আহমেদকে দেখা যাবে। নাটকটি নির্মাণ করছেন সুজিত বিশ্বাস। এতে তারা দুই ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন।
নাটকের কাহিনীতে বড় ভাই ফারুক আহমেদের অদ্ভুত কর্মকাণ্ড নিয়ে ছোট ভাই মোশাররফ করিমের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হয়। নাটকের গল্প এই দুই ভাইয়ের খুনসুটি ও দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলে।
দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করতে পেরে ফারুক আহমেদ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেছেন, "অনেক দিন পর তারা দুজন মনের মতো একটি কাজ পেয়েছেন।" নাটকটির শুটিং আনন্দের সঙ্গে করেছেন তারা। এ সময় সহশিল্পী মোশাররফ করিমের অভিনয়দক্ষতা ও শুটিংয়ের প্রতি তার একাগ্রতার প্রশংসা করেন ফারুক আহমেদ।
জানা গেছে, সম্প্রতি গাজীপুরের পুবাইলে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। এতে মোশাররফ করিম ও ফারুক আহমেদ ছাড়াও অভিনয় করেছেন নীলাঞ্জনা নীলা, সায়কা আহমেদ, নূরে আলম নয়নসহ আরও অনেকে। নাটকটি শিগগিরই ইউটিউবে মুক্তি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের প্রতিযোগিতার মাঠে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরে, চীন পূর্বের মতোই পদক তালিকার শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে রেখেছে। চীনারা মোট ২৪৩টি পদক নিয়ে শীর্ষ চূড়ায় অবস্থান করছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ তালিকার নিচের দিকে মাত্র ১টি ব্রোঞ্জ পদক জিতে রয়েছে।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, চীন ১৩৮টি স্বর্ণ, ৫৮টি রৌপ্য ও ৪৭টি ব্রোঞ্জসহ মোট ২৪৩টি পদক জিতে একক আধিপত্যের সঙ্গে পদক তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। স্বাগতিক দেশ জাপান ৪২টি স্বর্ণ, ৬৮টি রৌপ্য ও ৬৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৭৭টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ২৪টি স্বর্ণ, ২৬টি রৌপ্য ও ৪৯টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৯৪টি পদক নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পারফরম্যান্স বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তারা ৫টি স্বর্ণ, ২১টি রৌপ্য ও ২২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৪৮টি পদক নিয়ে তালিকার অষ্টম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ১টি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে নেপাল, ব্রুনাই, লাওস, মঙ্গোলিয়া ও সিরিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে পদক তালিকার শেষের দিকে অবস্থান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ; সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতে প্রেরণ
চট্টগ্রামের খুলশী থানা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলশী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) খুলশী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুর রহিমের দিকনির্দেশনায় অপারেশন অফিসার এসআই (নিঃ) গোলাম মোহাম্মদ নাসিম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সোহেল প্রকাশ মনু (২২), আরিফুল ইসলাম (২৩), মো. দেলোয়ার হোসেন প্রকাশ সাঈদ (২৩), আশরাফুজ জামান প্রকাশ জনি (২১), মো. পারভেজ (৬০) ও মো. শাহাবউদ্দিন (৪৫)।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে *খুলশী থানার মামলা নম্বর-৭, তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর **৬, ৮, ৯, ১০ ও ১১ ধারায়* মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ছয়জনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের যেকোনো ধরনের কার্যক্রম প্রতিহত করতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারও ফুটপাত দখল হয়ে গেছে গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায়। ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কের একটি অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে লেগুনা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড। সড়কের পাশে রাখা হচ্ছে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল। এর সঙ্গে ফুটপাতজুড়ে বসেছে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার ও দোকানপাট।
ফলে ব্যস্ততম টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কটি পরিণত হয়েছে যানজটের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযানের পর কয়েক দিন ফুটপাত ও সড়ক তুলনামূলকভাবে দখলমুক্ত থাকলেও পরে আবার আগের চিত্র ফিরে আসে। বর্তমানে ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগ নেই। বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়কের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
গতকাল রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, টঙ্গী স্টেশন রোডের বিভিন্ন অংশে ফুটপাতের ওপর পরিবহন কাউন্টার, ছোট দোকান ও নানা ধরনের অস্থায়ী স্থাপনা রয়েছে। সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে লেগুনা, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। যাত্রী ওঠানামার সময় এসব যানবাহন সড়কের ওপর অবস্থান করায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়। ব্যস্ত সময়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা বলছেন, স্টেশন রোডে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে একের পর এক পরিবহন স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেশি। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহনকেও অনেক সময় ধীরগতিতে চলতে হয়।
স্থানীয়রা আরোও বলেন, সরকারি জায়গা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা এবং পরিবহন স্ট্যান্ডের নেপথ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রয়েছে। বিএনপি নেতাদের নাম ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি এসব নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের দাবি, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশকে 'ম্যানেজ' করে দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাতের দখল ও সড়কের ওপর স্ট্যান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার, দোকানপাট ও স্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়। সব মিলিয়ে এখানে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের চাঁদাবাজি হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। কারা এই অর্থ আদায় করছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত- তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। অভিযান শেষ হওয়ার পর পরই আবারও একই জায়গায় দোকান, কাউন্টার ও বিভিন্ন স্ট্যান্ড গড়ে ওঠছে। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তাদের মতে, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হলে শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না; উচ্ছেদের পর সেখানে যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সড়কের ওপর যত্রতত্র পরিবহন দাঁড় করানো বন্ধ করে নির্দিষ্ট স্থানে স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ