০৪:৩১ পি.এম
আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হবে, এই আহ্বান জানিয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান।
বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।
অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান উল্লেখ করেন, রাজমুকুট অর্জন করা যত সহজ, তা ধরে রাখা ততটা সহজ নয়। আজ আমাদের বিজয়ের দিন। এই বিজয়ের তাৎপর্যকে ধরে রাখতে পারস্পরিক ঐক্য ও সমঝোতা বজায় রাখতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে হবে। সতীর্থদের মাফিয়া চক্র ও সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে সকলের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১২ তলা একাডেমিক ভবনের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই আমাদের চেতনার অংশ। জুলাইয়ের আদর্শকে ধারণ করে আগামী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমরা একত্রিত হয়ে একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব। আগামী প্রজন্মই বাংলাদেশকে উত্তরোত্তর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আজকের আনন্দ শোভাযাত্রার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করা। জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি আমরা কোনো দিন বেইমানি করব না। এই দিনে আমরা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে
পরে বিকেল ৫টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ‘আমরাই গড়ব স্বপ্নের বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্যসহ নানান পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।
দিনব্যাপী আয়োজনের অন্তর্ভুক্ত সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন