বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১৪ পি.এম
রাজশাহী নগরীর কাটাখালী থানাধীন পূর্ব বাতান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে বিজিবি। তবে, বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ সময় ৫০০ পিস ভারতীয় টেপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
বুধবার দুপুরে ১ বিজিবি, সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি সদস্যরা লক্ষ্য করেন, এক ব্যক্তি মাথায় বস্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করার জন্য ধাওয়া দিলে ওই ব্যক্তি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে বস্তার ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ৫০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কাটাখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাদক কারবারীকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- নবীজি (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে ন্যায়, মানবিকতা, শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়পরায়ণতা, দয়া, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা বর্তমান সমাজে ব্যাপকভাবে চর্চা করা প্রয়োজন। নৈতিক অবক্ষয়, হিংসা ও বিভেদ দূর করতে নবীজির (সা.) সীরাত ও সুন্নাহর শিক্ষা জীবনে ধারণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নবীপ্রেমের প্রকৃত প্রকাশ শুধু আলোচনা বা আনুষ্ঠানিকতায় নয়; বরং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ এবং আদর্শকে কর্ম ও চরিত্রে প্রতিফলিত করার মধ্যেই এর সার্থকতা। পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে নবীজির (সা.) শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়াও তিনি মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার কাওরান বাজার হযরত আম্বর শাহ্ জামে মসজিদে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে আয়েজিত ইছালে ছাওয়াব ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মধুবাগের ছোট্ট একটি খুপরি ঘরে পরিবারের সঙ্গে বসবাস উম্মে সালমার। তার বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করেন এবং মা নাজমা বেগম মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন।
অর্থের অভাব থাকা সত্ত্বেও সালমার পড়াশোনা থেমে থাকেনি। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি এ প্লাস পেয়ে সফল হয়েছেন। তার স্বপ্ন হলো চিকিৎসক হওয়া। তবে কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ নিয়ে তিনি অনিশ্চয়তায় ছিলেন
সালমার এই অবস্থার কথা জানার পর ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সালমার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি কলেজে ভর্তি ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি উম্মে সালমার ভালো ফলাফল এবং আর্থিক সংকটের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসএসসিতে এ প্লাস পেলেও অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে সালমা অনিশ্চয়তায় ছিলেন। জেলা প্রশাসকের নজরে বিষয়টি আসার পর তিনি সহযোগিতার উদ্যোগ নেন।
উম্মে সালমার বাবা মিরাজ আলী চা বিক্রি করে সংসার চালান। তার স্ত্রী নাজমা বেগম মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন। তাদের সামান্য আয় দিয়ে সংসারের খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে এর মধ্যেই তারা মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে আসছিলেন। মিরাজ আলী বলেন, "চা বিক্রি করে যে আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন। মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। মেয়ের এসএসসিতে এ প্লাস পাওয়ায় আমি খুব খুশি। তবে কলেজে ভর্তি ও পরবর্তী পড়াশোনার খরচ কিভাবে চালাবো, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। জেলা প্রশাসক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।"
নাজমা বেগম বলেন, "আমার মেয়ে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী। সালমার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়া। আমরা চাই, কোনোভাবেই যেন মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ না হয়। জেলা প্রশাসক পাশে দাঁড়ানোর কারণে আমরা এখন অনেকটা আশ্বস্ত।"
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "অদম্য মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর্থিক সংকট কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হতে পারে না। উম্মে সালমা প্রতিকূলতার মধ্যেও এসএসসিতে এ প্লাস পেয়েছেন, যা তার মেধা ও পরিশ্রমের প্রমাণ। তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের কথা জেনে জেলা প্রশাসন পাশে দাঁড়িয়েছে।"
ফরিদা খানম আরো বলেন, "কলেজে ভর্তি থেকে শুরু করে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সমাজের কোনো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থী যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "উম্মে সালমার মতো শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। আমি আশা করি, সালমা একদিন তার স্বপ্ন পূরণ করে একজন ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের জ্বালানি সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামকে শর্তসাপেক্ষে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর এবং অতিরিক্ত ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনবে। এর অর্থ হলো, সরকার বাল্ক রেটের পাশাপাশি একটি প্রণোদনাও দেবে।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ ৬-৭ টাকা হিসাবে এই ব্যবস্থায় ৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়ামসহ সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই প্রণোদনা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’
সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচিও চালু করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। জলবিদ্যুৎ, বায়ু ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আধা ঘণ্টা সময় নির্ধারিত ছিল। প্রশ্নোকাল পর্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লিখিত ৮টি প্রশ্ন ছিল। আধা ঘণ্টা সময়ে ৪টি লিখিত প্রশ্ন এবং ৬টি সম্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ