ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীগ্রাসে ছোট হচ্ছে বরিশাল!


নদীগ্রাসে ছোট হচ্ছে বরিশাল!

নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি, ঘরবাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ৩৮ বছরের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ফলে দেখা যাচ্ছে, নদীভাঙনের কারণে বরিশালের ভৌগলিক মানচিত্র ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।

বর্তমানে বরিশাল বিভাগের প্রায় ১০২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। পরিবেশ গবেষক ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বিভাগের অন্তত ১২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। সচেতন মহলের সূত্রে অভিযোগ উঠছে, অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুহারা হয়ে যাচ্ছেন।

গত ৩০ বছর ধরে মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়ন বিলীনের পথে রয়েছে। সরেজমিনে কথা হচ্ছে উপজেলার সত্তরোর্ধ্ব বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ মোল্লার সঙ্গে। মেঘনাপ্রবাহের দিকে তাকিয়ে তিনি স্মৃতিচারণ করছেন তার হারিয়ে যাওয়া বসতভিটা নিয়ে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

অশ্রুসজল চোখে নুর মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, যে মাটিতে আমার শৈশব-কৈশোর কেটেছে, আজ তার পুরোটাই মেঘনা নদীর গর্ভে। পাকা ঘরবাড়ি, ধani জমি, বাপ-দাদার ভিটে; সবকিছু আমার চোখের সামনে তলিয়ে গেছে।

একই এলাকার বাসিন্দা রাবেয়া বেগমের আশঙ্কা, নদী যেভাবে এগোচ্ছে, দ্রুত বাঁধ নির্মাণ না হলে পুরো ইউনিয়ন একদিন মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। মফিজুল ইসলাম বলেন, ত্রাণ চাই না, বরং আমরা স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ চাই।

শুধু মেঘনা নদী নয়, কীর্তনখোলা, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, সন্ধ্যা, তেঁতুলিয়া, কারখানা ও সুগন্ধা নদীর ভাঙনের ফলে বরিশালের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চরবাড়িয়া এলাকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। সেখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পরও গত বর্ষা মৌসুমে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

চরবাড়িয়ার বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া বলেন, নদী আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে। আমি তিনবার বাড়ি হারিয়ে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন এই জায়গাটাও ভাঙনের মুখে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের নদীতে ডুবে মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।

আরও পড়ুন: শেরপুরে নিখোঁজ ভারসাম্যহীন বিধবার মরদেহ উদ্ধার

১৯৮৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বছরের পর বছর নদীভাঙনের কারণে বরিশালের মানচিত্র সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর তলদেশ থেকে অবাধে বালু উত্তোলন এই ঝুঁকিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের পরও অনেক এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বরিশাল বিভাগীয় আহ্বায়ক রফিকুল আলম বলেন, অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী থেকে অনিয়ন্ত্রিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণেই প্রতি বছর বরিশালে লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুহারা হচ্ছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১০২ কিলোমিটার বাঁধ বর্তমানে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বরিশাল বিভাগ (দক্ষিণাঞ্চল)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক ভুঁইয়া বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের পাশাপাশি স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য কয়েকটি বড় প্রকল্প প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

আরও পড়ুন: পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: এমপি খোকন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবির কঠোর সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবির কঠোর সতর্কতা

সিলেটের সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবি কঠোর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকাতে সিলেটের সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভের পর বাংলা ভাষাভাষী লোকজনকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি’ অ্যাখা দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। চলতি মাসের মধ্যে বিএসএফের পুশ ইন (সীমান্তের এই পারে জোর করে লোকজনকে ঠেলে দেওয়া) করার ঘটনা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার শুন্য রেখায় এখনও অবস্থান করে আছে পুশ ইন-এর শিকার মানুষ। দেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে পারেননি তারা। তবে সুযোগ বুঝে বিএসএফ যাতে ফের পুশ ইন করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি তাদের তৎপরতা বাড়িয়েছে। বিজিবি বলছে, যদি কেউ বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে অবৈধভাবে সীমান্তের এই পারে পুশ ইন না করে আইন অনুযায়ী তাদের প্রত্যাবর্তন করা উচিত। রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রে বিষয়টি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে বিএসএফ সেই আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে অবৈধভাবে সীমান্তের এই পারে ঠেলে দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। বিজিবি জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বিজেপি সরকারের আসার কারণে পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুশ ইন প্রতিরোধ ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধের জন্য সিলেট সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি)। ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশ-ইন ঠেকাতে জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বিজিবি। বিজিবির সিলেট ব্যাটালিয়ন জানিয়েছে, ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকানোর জন্য সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করার সাথে সাথে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, চিহ্নিত জায়গায় স্ট্যান্ডবাই ডিউটি রাখা হচ্ছে, নিজস্ব ও বেসামরিক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে, মাইকিং চলছে, গণসংযোগ হচ্ছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় সভা পরিচালনা করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকান্ড সম্পর্কে দ্রুত বিজিবিকে তথ্য প্রদান করার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক কর্ণেল নাজমুল হক জানান, সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করতে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় বিজিবির এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীসহ ২১ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং ও মাদকসেবীসহ ২১ জন গ্রেফতার

রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডেভিল, জুয়াড়ি, কিশোর গ্যাং সদস্য ও মাদকসেবীসহ মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
৮ জুন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসীম উদ্দীন-এর নেতৃত্বে থানা পুলিশের আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে ডেভিল হান্ট, জুয়া, কিশোর গ্যাং কার্যক্রম এবং মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২১ জনকে আটক করা হয়। অভিযানে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি জোরদার করা হয়।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি চলছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


আজ দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি চলছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের

৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন।

একই দাবিতে ট্রেইনি চিকিৎসকরাও তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে, বেলা ১১টায় হাসপাতালের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন নবম গ্রেডের সমপর্যায়ে উন্নীত করা, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ এবং বিএমডিসি ২০২৫ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা, যা ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে।

ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন গত ৩ জুন এসব দাবি উত্থাপন করে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়। পরে ৪ জুন ও ৬ জুন হাসপাতালের প্রধান ফটকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

দাবি পূরণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার (৭ জুন) থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। বর্তমানে আজ সোমবার তাদের কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন চলছে।

ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত আলোচনায় বসে তবে সংকট সমাধান সম্ভব। তা না হলে দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

তবে রোগীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা সচল রাখা হচ্ছে, বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌতম আদানি ফিরে পেলেন এশিয়ার শীর্ষ ধনীর খেতাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


গৌতম আদানি ফিরে পেলেন এশিয়ার শীর্ষ ধনীর খেতাব

ভারতের প্রখ্যাত শিল্পপতি এবং আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব আবারও ফিরে পেয়েছেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নেয়ার্স তালিকার উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।

আদানি গ্রুপের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে তার মোট সম্পদের পরিমাণে ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে।

ফোর্বসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, শুক্রবার (৫ জুন) আদানি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে একদিনেই গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ২৫০ কোটি (২.৫ বিলিয়ন) ডলার বাড়ে। এর ফলস্বরূপ, তার মোট সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯২০ কোটি (৮৯.২ বিলিয়ন) ডলারে। এভাবে তিনি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি (৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) এবং সফটব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মাসায়োশি সনকে (৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার) পিছনে ফেলে এশিয়ার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেন।

আদানি গ্রুপের কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণেই আদানির সম্পদ বৃদ্ধি ঘটেছে। ফোর্বস জানিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে আদানি পাওয়ার, আদানি পোর্টস, আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি গ্রিন এনার্জি ও আদানি এনার্জি সলিউশনস। এর মধ্যে আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ারের দাম ৬.৯ শতাংশ এবং আদানি এনার্জি সলিউশনসের শেয়ারের দাম ৩.৮ শতাংশ বেড়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত আদানি গ্রুপের প্রধান ছয়টি কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৯ হাজার ১০০ কোটি (১৯১ বিলিয়ন) ডলার।

আদানির এই শীর্ষস্থানে ফিরে আসা গৌতম আদানি এবং তার প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় ধরনের প্রত্যাবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। মার্কিন বিচার বিভাগ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে দেওয়ার পর থেকেই এই ধনকুবেরের ভাগ্য ফিরতে শুরু করে। অভিযোগ খারিজের পর গত এক মাসে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শুরু থেকেই গৌতম আদানি এবং তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%