বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ পি.এম
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কের আওতাধীন সব পাহাড়ি ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ।
টানা বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে জননিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে সব ধরনের টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখার পাশাপাশি কোনো দর্শনার্থীকে ঝরনায় প্রবেশ করতে না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জানানো হয়েছে যে, এর আগে গত ৭ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত তিন দিনের জন্য ঝরনাগুলোতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তবে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কে মোট ১১টি ঝরনা রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৯টিতে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উল্লেখযোগ্য ঝরনাগুলোর মধ্যে রয়েছে খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া, রূপসী, বাওয়াছড়া, সহস্রধারা ও সোনাইছড়া। বর্ষা মৌসুমে এসব ঝরনায় পর্যটকের ভিড় সবচেয়ে বেশি হলেও একই সময়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, বর্ষাকালে পাথুরে ঝিরিপথ, খাড়া পাহাড়ি পথ, আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং ঝরনার প্রবল স্রোতের কারণে এসব এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। মিরসরাই ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় বছরে উপজেলার বিভিন্ন ঝরনায় ৩৭টি ছোট-বড় দুর্ঘটনায় সাতজন পর্যটক নিহত এবং অন্তত ৫১ জন আহত হয়েছেন।
ঝরনাগুলোর ইজারাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স থ্রি বি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারহোল্ডার গিয়াস উদ্দিন বলেন, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই সব ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত টিকিট বিক্রি ও পর্যটক প্রবেশ—দুটিই বন্ধ থাকবে।
বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, পাহাড়ি এলাকায় এখনো ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
এতে আকস্মিক ঢল, ঝরনায় প্রবল স্রোত এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধবিরতি সমঝোতা বাতিল করে আবারও ইরানে হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে স্থানীয় সময় দেশটির বিভিন্ন শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আমেরিকা ইরানের চাবাহার বন্দরেও হামলা চালিয়েছে। দক্ষিণ উপকূলের এই বন্দরের কৌশলগত দিক দিয়ে ভারতের কাছে খুবই গুরুত্ব রয়েছে। সেখানেও হামলার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই অন্য মাত্রাজুড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য বলছে, বুধবার রাতে চাবাহার শহরজুড়েই একের পর এক বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের পরে শহরের বড় অংশে বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের উপর আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কার্যত পুরোদমে যুদ্ধ চলেছে। তখন চাবাহারে হামলা হয়নি। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে আবার নতুন করে অস্থিরতা শুরু হওয়ার পরেই এই বন্দরে হামলা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষকদের একাংশ।
ইরানের দক্ষিণ উপকূলে সিস্তান-বালুচিস্তান অঞ্চলে অবস্থিত চাবাহার বন্দর ভারত আর ইরান যৌথভাবে গড়ে তুলেছে। এই বন্দরের একটি টার্মিনাল সম্পূর্ণভাবে ভারত পরিচালনা করে। এখানে ভারতের কোটি কোটি রুপি বিনিয়োগ রয়েছে। পাকিস্তানকে এড়িয়ে ভারত মহাসাগরের মাধ্যমে আফগানিস্তান-সহ মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়তে এই বন্দর ভারতের কাছে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের সময় চাবাহার বন্দরের ব্যবহারে ভারতের উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ওয়াশিংটন। ঘটনাচক্রে, এরপরই কেন্দ্রীয় বাজেটে (২০২৬-২৭ অর্থবছর) চাবাহার বন্দর প্রকল্পের জন্য নতুন করে অর্থবরাদ্দ করেনি ভারত।
ইরানের সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, সেখানকার উপসাগরীয় উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণাঞ্চলীয় দু’টি এলাকা বন্দর আব্বাস এবং সিরিকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মার্কিন বাহিনীর হামলার বিরুদ্ধে বন্দর আব্বাস এলাকার কাছে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরানি বাহিনী।
বুধবার রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানে হামলার খবর জানায়। তাদের বক্তব্য, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে তাদের বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইরানের এই আস্ফালন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।” সূত্র: আল-জাজিরা, এই সময়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপির ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ, আইনি ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়েছে।
মূলত ইউরোপের দেশ মলদোভায় দক্ষ কর্মী পাঠানোর উদ্দেশ্যে ৮-৯ জুলাই ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এ বাছাই কার্যক্রম করেছে। ডিএমএ তথা ঢাকা মহানগর আনসারের ৩০০ জন শহর প্রতিরক্ষা দল (টিডিপি) নারী সদস্যার বাছাইয়ের প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত তরুণ-তরুণী দালালের খপ্পরে পড়ে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ ভূমধ্যসাগর পার হতে গিয়ে অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন।
আনসার বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও পরিকল্পনায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোনও রকম অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করতে ৫টি শক্তিশালী বাছাই কমিটি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রতিটি ধাপ তদারকি করছে। বাহিনীর সদর দপ্তরে কঠোর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার মধ্যে এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে এবং যা দেশের অভিবাসন খাতে এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
৮ জুলাই (বুধবার) প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগর আনসার উত্তর ও পূর্ব জোনের ১৩৯ জন টিডিপি নারী সদস্যার বাছাইয়ের পর আজ ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও পশ্চিম জোনের ১৬১ টিডিপি (নারী) বিদেশ গমনেচ্ছুক প্রার্থীরা তাদের 'স্ব-ঘোষণা' সেলফ ডিক্লারেশন ফর্মে স্বাক্ষর করেন।
এদিকে, প্রথাগত कागজ-কলম ব্যবহারের পরীক্ষার বদলে এখানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে। পরীক্ষার স্থানগুলোতে দায়িত্বরত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের কঠোর নজরদারিতে প্রার্থীরা নিজেদের স্মার্টফোনের জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সরাসরি 'গুগল ফর্ম'-এর মাধ্যমে লাইভ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, প্রার্থীদের শরীরের ওজন, উচ্চতা পরিমাপ এবং দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষাসহ অন্যান্য শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে। সম্মিলিত ৫টি কমিটির জুরি বোর্ডের সামনে সরাসরি সাক্ষাৎকারে অংশ নেয় প্রার্থীরা। আধুনিক নির্বাচনী পদ্ধতির মাধ্যমে প্রার্থীদের প্রতিটি ধাপের পরীক্ষার মূল্যায়নের জন্য একটি বিশেষায়িত সফটওয়্যারে ইনপুট করা হচ্ছে। ফলে, কোনো মানুষের হস্তক্ষেপ অথবা কারচুপি ছাড়াই সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধা তালিকা ও মূল্যায়ন মান তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ চীনের গুয়াংশি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ও ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট এবং অসংখ্য ঘরবাড়িও। হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। চারদিকে থৈ থৈ পানির কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং অনেক বাসিন্দা পানিবন্দি হয়ে আটকা পড়ে গেছেন। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিরাপদ আশ্রয় খোঁজার জন্য দিশেহারা হয়ে পড়েন।
এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পানিবন্দি মানুষদের বাঁচাতে দেবদূতের মতো এগিয়ে আসেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। গত সোমবার গুয়াংশি চুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেংঝৌ শহরের ইউনবিয়াও এলাকায় তারা এক অভাবনীয় উদ্ধারকাজ চালান। সেখানে বন্যার তীব্র স্রোতে আটকা পড়ে ছিলেন এক ট্রাক চালক। পানির তোড়ে তার কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছিল না, তাই উদ্ধারকর্মীরা ড্রোনের সাহায্য নেন। তারা ড্রোনের মাধ্যমে আটকে পড়া ওই চালকের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে আনেন। একইভাবে আরও অনেক সাধারণ মানুষকেও উদ্ধার করা হয়।
ড্রোনের সাহায্যে এই অভিনব উদ্ধারকাজের একটি ভিডিও প্রকাশ করে স্থানীয় হেংঝৌ রেডিও এবং টেলিভিশন স্টেশন। মুহূর্তেই সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করে। ফায়ার সার্ভিসের এই বুদ্ধিদীপ্ত ও সাহসী পদক্ষেপের প্রশংসায় ভাসছেন সবাই। অনেকেই মন্তব্য করছেন, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ভবিষ্যতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি দারুণ ‘রোল মডেল’ বা দৃষ্টান্ত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে অবস্থিত যাত্রীবাহী বাস এবং ফলবোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায়, কার্তিক (৫৮) নামের একজন ফল ব্যবসায়ী নিহত হয়ে গেছেন। এই দুর্ঘটনার ফলে আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার সময় উপজেলার নদোনা বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত কার্তিক লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নন্দী গ্রামের গণক ঠাকুর বাড়ির একজন বাসিন্দা। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, রামগঞ্জ থেকে ঢাকার দিকে চলে আসা আল বারাকা পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ফলবোঝাই পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষটি ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলেই ফল ব্যবসায়ী কার্তিক মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়াও, আহত দুইজনের মধ্যে হৃদয় নামে একজনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, বাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ