ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবার সাদিক কায়েম ও ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন আব্দুল কাদের


এবার সাদিক কায়েম ও ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন আব্দুল কাদের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের অভিযোগ করেছেন, অভ্যুত্থানের পর শিবিরের সদস্য সাদিক কায়েম ও ফরহাদরা নিপীড়ন ও নির্যাতনের ভুক্তভোগী হওয়ার গল্প বলতেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিবিরের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, এটি সত্য; তবে সাদিক কায়েমরা এসব নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেননি এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য কোনো উদ্যোগও নেননি। তাদের মধ্যে হল ছেড়ে দেওয়ার মতো ত্যাগের কোনো নজির নেই। বরং, তারা হলে অবস্থান করেছেন, ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী বা পদধারী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন এবং নির্যাতনকারী ছাত্রলীগের সহযোগী হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন।

বুধবার বিকালে আব্দুল কাদের তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এসব কথা তুলে ধরেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, শিবিরের কর্মী মাত্র নয়, বরং সাদিক ও ফরহাদের মতো নেতৃস্থানীয় শিবিরের সদস্যরাও নিয়মিত ছাত্রলীগের মিছিল ও মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছেন, পদ গ্রহণ করেছেন এবং গেস্ট রুম ব্যবহার করেছেন। অথচ তাদের সংগঠনের কাঠামো এবং মেসে থাকার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তারা কৌশলগত কারণে হলে অবস্থান করেছেন এবং ছাত্রলীগের সংস্কৃতি চর্চা করেছেন।

আরও পড়ুন: জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে নাঈম ও ইমরান

তিনি আরও লেখেন, বিপরীতে অনেক শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। তারা হলে থাকতে পারেননি এবং বাহিরে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছেন; তবুও তারা ছাত্রলীগের সঙ্গে আপোষ করেননি। শত প্রতিবন্ধকতার ঊর্ধ্বে গিয়ে তারা প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ চালিয়ে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৬ এম


সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী

নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দেশটির কমিউনিস্ট পার্টি—ইউনিফায়েড মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদীর (সিপিএন-ইউএমএল) একজন জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার ললিতপুরে দলের কার্যালয়ে শপথ গ্রহণের পর তিনি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন শেষে বিদ্যা দেবী ২০২৩ সালের ৯ মার্চ দায়িত্ব ছাড়েন। প্রায় তিন বছর পর তিনি আবার দলীয় রাজনীতিতে ফিরছেন। ২০১৫ সালের অক্টোবরে নেপালের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে, বিদ্যা দেবী সিপিএন-ইউএমএলের সহসভাপতি ছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান।

রাজনীতিতে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও তিনি শুরুতে বাধার সম্মুখীন হন। ইউএমএল তার সদস্যপদ বাতিল করে। দলটির যুক্তি ছিল, যিনি প্রেসিডেন্টের মতো সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, তার সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে ফিরে আসা উচিত নয়।

গত বছর দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নবম বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্টদের রাজনৈতিক দলের সদস্য না হওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়। পরবর্তীতে দলের অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় বলা হয়, যিনি পুরো জাতির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাকে সাধারণ দলীয় কর্মী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা ঠিক নয়।

নির্দেশনায় বিদ্যা দেবীকে জাতির গর্ব হিসেবে সম্মান জানানোর কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তার সদস্যপদ নবায়নের প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না বলেও উল্লেখ করা হয়। তবে প্রায় ১৪ মাস পর ইউএমএল নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। সেইসাথে বিদ্যা দেবীকে জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দলের চেয়ারম্যান কে পি শর্মা ওলি একটি অভ্যন্তরীণ নির্দেশনা জারি করে তার নিয়োগ আনুষ্ঠানিক করেন। দলের গঠনতন্ত্রের কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে বলা হয়, কেন্দ্রীয় কমিটি ও দলের নেতৃত্বের হাতে থাকা বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের মধ্যে বিদ্যা দেবীর অবস্থানও নির্ধারণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান কে পি শর্মা ওলির পর তার স্থান। অর্থাৎ, তিনি এখন দলের নেতৃত্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

গত মার্চের নির্বাচনে ইউএমএল পরাজিত হওয়ার পর দলটির পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যা দেবীর প্রত্যাবর্তন দলের রাজনীতিতে নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। দলের নেতাদের ধারণা, তার ফিরে আসায় ইউএমএল আরও শক্তিশালী হতে পারে। তবে তার প্রত্যাবর্তনে দলের ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্যেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলটির ওপর চেয়ারম্যান কে পি শর্মা ওলির প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

১৯৭৮ সালে সিপিএন-মালের যুব সংগঠনে কাজের মাধ্যমে বিদ্যা দেবী ভান্ডারির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৮০ সালে তিনি বিরাটনগরের মহেন্দ্র মোরাং বহুমুখী ক্যাম্পাসের ছাত্র সংসদের কোষাধ্যক্ষ হন। ১৯৮২ সালে তৎকালীন সিপিএন-মালের কেন্দ্রীয় সদস্য মদন ভান্ডারিকে বিয়ে করেন তিনি।

১৯৯৩ সালে এক জিপ দুর্ঘটনায় মদন ভান্ডারির মৃত্যু ঘটে। একই বছর সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন বিদ্যা দেবী। কাঠমান্ডুর একটি উপনির্বাচনে তৎকালীন নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি কৃষ্ণ প্রসাদ ভট্টরাইকে হারিয়ে তিনি জয়ী হন। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে ২০১৫ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বিদ্যা দেবী ভান্ডারি। দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর, তিনি আবার সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে ফিরেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআইজি পরিচয়ের জেরে কপাল পুড়ল অতিরিক্ত ডিআইজির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৬ এম


ডিআইজি পরিচয়ের জেরে কপাল পুড়ল অতিরিক্ত ডিআইজির

নিজেকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি পরিচয় দিয়ে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করার পাশাপাশি অনুমোদিত ছুটির আগেই বিধিবহির্ভূতভাবে কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা একটি প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয় এই প্রজ্ঞাপন।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে কর্মরত অবস্থায় টুটুল চক্রবর্তীর ২০২৫ সালের ১৪ ও ১৫ নভেম্বর দুই দিনের কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি এবং ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর তিন দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ১৩ নভেম্বর পূর্বাহ্নে কোনো প্রস্থান প্রতিবেদন দাখিল না করেই বিধিবহির্ভূতভাবে কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

ওই দিন তিনি নিজেকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি পরিচয় দিয়ে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করেন। পরে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রাজশাহী ছাড়েন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এর আগে কয়েকবার রাজশাহী বিমানবন্দরে নিজেকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করায় টুটুল চক্রবর্তী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসেন। এ ঘটনায় জনসম্মুখে পুলিশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। পরে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও প্রদান করা হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি এবং সময় বাড়ানোর জন্যও আবেদন করেননি। এরপর অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ২ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা ৭ মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তিনি ২৩ জানুয়ারি থেকে পলাতক রয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এরপর গত ১৬ জুন তাকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশে জানতে চাওয়া হয় কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অন্য কোনো গুরুদণ্ড দেওয়া হবে না। তবে এবারও তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরে কর্তৃপক্ষ চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ বিষয়ে গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পিএসসি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে বলে মত দেয়।

সবশেষে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে গত ৫ অক্টোবর টুটুল চক্রবর্তীকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টুটুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি গত ২৩ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থল থেকে পলাতক। এসব কারণে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

টুটুল চক্রবর্তী ২০তম বিসিএসে ২০০১ সালের ৩১ মে পুলিশে যোগদান করেন। তিনি ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজির দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৩১ মে তিনি পুলিশ সুপার থেকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়। চাকরি জীবনে ডিএমপির ডিসি ছাড়াও সিরাজগঞ্জ ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টুটুল চক্রবর্তী বিপিএম পদক অর্জন করেছিলেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ এম


৯ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

সময়ের স্রোত তার নিজস্ব নিয়মে বয়ে চলে। এই স্রোতের ধারায় ঘটে নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, মনীষী ও সাধারণ মানুষের জন্ম-মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ হয় মানবসভ্যতা, গড়ে ওঠে ইতিহাস। প্রতি বছরের পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় প্রতিটি দিনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে এমন অনেক ঘটনা ও ব্যক্তিত্ব, যা ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

আজ ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার। চলুন ইতিহাসের পাতায় চোখ রেখে জেনে নিই—এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম ও মৃত্যু।

ঘটনাবলি

১৫১৪ - ফ্রান্সের রাজা দ্বাদশ লুই মেরি টিউডরকে বিয়ে করেন।

১৭০৮ - রাশিয়া ও সুইডেনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ডেনিপার যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

১৭৭৯ - তাঁত বয়নে যন্ত্রপাতি প্রবর্তনের প্রতিক্রিয়ায় ম্যান্চেস্টারে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা দাঙ্গা শুরু করে।

১৮৭৪ - বিশ্ব ডাক ব্যবস্থা চালু হয়।

১৮৯৯ - লন্ডনে প্রথম পেট্রোলচালিত মোরটরযান চলাচল শুরু হয়।

১৯১১ - চীনে রাজতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৯৪০ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানি লন্ডন শহরে ব্যাপক বোমাবর্ষণ শুরু করে।

১৯৬২ - ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে আফ্রিকার দেশ উগান্ডা।

১৯৭৬ - মুম্বাই ও লন্ডন শহরের মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপিত হয়।

১৯৯৬ - সাবেক প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।

২০০৪ - আফগানিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মত সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২০০৬ - উত্তর কোরিয়া প্রথম পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

জন্ম

১২৫৩ - দশম চার্লস; ফ্রান্সের রাজা।

১২৬১ - ডেনিস; পর্তুগালের রাজা।

১৭৫৭ - দশম চার্লস; ফ্রান্সের রাজা।

১৮৩৫ - ক্যামিল সেন্ট-সায়েন্স; ফরাসি সুরকার ও পথপ্রদর্শক।

১৮৫২ - হারম্যান এমিল ফিসার; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৮৫৩ - এমিল রো; বিশিষ্ট ফরাসী চিকিৎসক ও গবেষক।

১৮৭৪ - নিকোলাস রোয়েরিচ; রাশিয়ান প্রত্নতত্ত্ববিদ ও চিত্রশিল্পী।

১৮৭৯ - মাক্স ফন লাউয়ে; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক।

১৮৯২ - ইভো আন্দ্রিচ; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সার্বীয় লেখক ও কবি।

১৯০৬ - লেয়পোলড সেডার সেনঘোর; সেনেগালের কবি, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

১৯০৭ - জ্যাককুয়েস টাটি; ফরাসি অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯২১ - টাডেউসজ রোযেওিসজ; পোলিশ কবি ও নাট্যকার।

১৯২৭ - ফ্রান্সিস ও’ফেরেল আইরিশ; ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

১৯৩৩ - পিটার ম্যান্সফিল্ড; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।

১৯৩৮ - হেইঞ্জ ফিশার; অস্ট্রিয়া শিক্ষাবিদ, রাজনীতি ও ১১তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৩৯ - জন পিলজার; খ্যাতনামা অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক ও ডকুমেন্টারি নির্মাতা।

১৯৪০ - জন লেনন; ইংরেজ গায়ক, দ্য বিটলস ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪৫ - আমজাদ আলি খান; বিশিষ্ট ভারতীয় সরোদবাদক তথা শাস্ত্রীয় সংগীতজ্ঞ।

১৯৪৭ - ফ্রান্স গাল; ফরাসি গায়িকা।

১৯৫০ - জডয় উইলিয়ামস; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অধ্যাপক ও সমাজকর্মী।

১৯৫৩ - টনি শালহোউব; আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৫৭ - প্রথম চার্লস; নোবেল ফ্রান্সের রাজা।

১৯৬২ - হোর্হে বুরুচাগা; প্রখ্যাত আর্জেন্টিনীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৬৪ - গুইলারমো ডেল টোরো; মেক্সিক্যান আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৬ - ডেভিড ক্যামেরন; যুক্তরাজ্যের রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

মৃত্যু

১৫৬২ - গ্যাব্রিয়েলে ফ্যালোপিও; ইতালিয়ান শারীরস্থানবিৎ ও চিকিৎসক।

১৮৩১ - ইওয়ানিস কাপোডিস্ট্রিয়াস; রাশিয়ান বংশোদ্ভূত গ্রিক আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

১৯২৪ - ভালেরয় ব্রয়ুসভ; রাশিয়ান লেখক, কবি ও সমালোচক।

১৯৩৪ - লুই বারটউ; ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৭৮ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৪ - আলেকজান্ডার; যুগোশ্লাভিয়ার রাজা।

১৯৪৩ - পিটার জেমান; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৬৭ - সিরিল চ্যরিল নরমান হিঙ্ঘলিউড; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৬৭ - চে গুয়েভারা; বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে খ্যাতিমান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের অন্যতম।

১৯৬৭ - আন্দ্রেঁ মউরোইস; বিখ্যাত ফরাসী ইতিহাসবিদ ও জীবন কাহিনী লেখক।

১৯৭৮ - জাকুয়েস বরেল; বেলজিয়ান শিল্পী, গীতিকার ও অভিনেতা।

১৯৮১ - কাজী মোতাহার হোসেন; বাংলাদেশী পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৮১ - মাজেদ আবশারার; ইহুদীবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনী নেতা।

১৯৮৭ - উইলিয়াম পি মারফি; নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও অধ্যাপক।

১৯৯৫ - অ্যালেক ডগলাস-হোম; ব্রিটিশ ক্রিকেটার, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৯ - আখতার হামিদ খান; পাকিস্তানের অর্থনীতিবিদ ও পণ্ডিত।

২০০৪ - জাক দেরিদা; আলজেরিয়ার বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করছে ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ এম


গাজায় প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করছে ইসরাইল

গাজার যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও ইসরাইলি হামলার ফলে গড়ে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হচ্ছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবিক সহায়তা সংস্থা ইসলামিক রিলিফ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরে অন্তত ১ হাজার ৪৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩২০ জন শিশু রয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে প্রায় একজন শিশু প্রাণ হারাচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় ১ হাজার ৪৭১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ১৮৯ জন আহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ৭৪ হাজার ২৫৪ জনে পৌঁছেছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। একই দিনে মধ্য গাজার খান ইউনিসে একটি বাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে।

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনের পশ্চিমে ইয়ামুন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর অভিযানের সময় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে।

গাজার ৬৫ শতাংশ এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা

ইসলামিক রিলিফের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ বা হলুদ রেখার মাধ্যমে গাজার প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রায় ২১ লাখ মানুষের এই ভূখণ্ডের বাকি ৩৫ শতাংশ এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষকে গাদাগাদি করে বসবাস করতে হচ্ছে।

গাজায় কর্মরত ইসলামিক রিলিফের এক সহায়তাকর্মী নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বাস্তবে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। বাস্তুচ্যুত মানুষের শিবির ও জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতেও হামলা চালানো হচ্ছে। ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনো কাটেনি।

মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে

ইসলামিক রিলিফের অভিযোগ, ইসরাইল এখনো গাজায় আশ্রয় তৈরির সামগ্রী, জ্বালানি ও চিকিৎসাসামগ্রী প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এতে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গাজার প্রায় ৮২ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। স্বাস্থ্যসেবার অর্ধেকেরও বেশি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া গুরুতর অসুস্থ ২০ হাজারের বেশি রোগীকে চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান

গাজায় বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার জন্য বিশ্বনেতাদের আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক রিলিফ।

সংস্থাটির মতে, কেবল কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি থাকলেই চলবে না; মানুষের প্রাণহানি বন্ধ এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

ইসলামিক রিলিফ বলেছে, নামমাত্র যুদ্ধবিরতিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয় থাকার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও হতাহত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা ও আশ্রয়সংকট অব্যাহত থাকায় গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%