ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শুটিংয়ে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান


শুটিংয়ে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান

বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান শুটিং সেটে গুরুতর আহত হয়েছেন। শুটিং করতে গিয়ে পরিচালক কবীর খানের পরবর্তী সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যে হাঁটুতে চোট পান তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, মুম্বাইয়ে সিনেমাটির শুটিং চলছিল। শুটিংয়ের শেষ দিনে কার্তিক গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নেন। দৃশ্যটির শুটিং চলাকালেই হাঁটুতে গুরুতর চোট পান তিনি।

এরপর তাকে দ্রুত মুম্বাইয়ের মাহিমের ফোর্টিস রাহেজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, এক দিনের মধ্যেই কার্তিকের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে। অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে তাকে কয়েক দিন বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

অভিনেতা কার্তিককে কাবীর খানের ক্রীড়ানির্ভর সিনেমায় কাশ্মীরের এক কিশোরীকে কিকবক্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া কোচের চরিত্রে দেখা যাবে।

বাস্তব জীবনের ক্রীড়াবিদ তাজামুল ইসলামের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। মুম্বাই ও কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।

এই সিনেমার মধ্যে কার্তিক তার প্রযোজনা হিসেবে অভিষেকও ঘটাচ্ছেন। তিনি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডোপামিন স্টুডিওসের ব্যানারে কবীর খান ফিল্মসের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন।

চোট থেকে সুস্থ হওয়ার পর কার্তিকের পরবর্তী কাজ হিসেবে অনুরাগ বসুর নাম ঠিক না হওয়া একটি রোমান্টিক সিনেমায় ফেরার কথা রয়েছে। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন শ্রীলীলা। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে টি-সিরিজ।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ানের এটি দ্বিতীয় যৌথ কাজ। এর আগে ২০২৪ সালে ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। মুরলিকান্ত পেটকারের জীবন অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও কার্তিকের ক্যারিয়ারে এটি নতুন মাইলফলক যোগ করে। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


‘এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের হারানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। এই জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এই জয়কে নিজের টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের দেশে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর তিনি বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিমন্সের অধীনে, ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার এক পর, এবার তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসার মাধ্যমে আরও বড় সাফল্য পেয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসের একটি অন্যতম বড় মুহূর্ত।

তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো যেকোনো দলের জন্য একটি বড় সাফল্য। কারণ সেখানে স্বাগতিকদের হারানো অত্যন্ত দুরূহ। তবে গত এক-দুই বছরে বাংলাদেশের টেস্ট দল ক্রমাগত উন্নতি করছে এবং সেই ধারাবাহিকতার ফলে দলের আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সিমন্স মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। যদিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্টে হার হওয়ার কথা তিনি মেনে নিলেও, তিনি উল্লেখ করেন যে তার আগে দল ভালো ক্রিকেট খেলেছে।

প্রস্তুতি ম্যাচে প্রত্যাশিত ফলাফল না এলেও, সেখান থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে, সেটি মূল ম্যাচে সহায়তা করেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের কোচ।

দলের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন যে, নাহিদ রানাকে চোটের কারণে মিস করলেও, অন্য তিন পেসার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করেছে এবং নিখুঁত বোলিং করে তার অভাব পূরণ করেছে।

ব্যক্তিগতভাবে এই জয় তাঁর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে সিমন্স বলেন, ড্রেসিংরুমে তিনি খেলোয়াড়দেরকে জানিয়েছেন যে, এটি তাঁর টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়।

সিমন্সের মতে, আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেও তিনি স্বাগতিকদের হারাতে পারেননি। তাই এবার বাংলাদেশের হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর অনুভূতি তাঁর কাছে বিশেষ।

দলের প্রস্তুতি এবং কঠোর পরিশ্রমের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। বিশেষ করে প্রস্তুতি ম্যাচের পর ৫৪ রানের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করছেন, সেটিকে তিনি এই সাফল্যের একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
তথ্যমন্ত্রী

হালাল শিল্পের সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


হালাল শিল্পের সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া একসঙ্গে হালাল শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে আরো সম্প্রসারণে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেছেন, এখন হালাল বিষয়টি শুধুমাত্র ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয় নয়; স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ খাদ্যের দিক থেকেও এর গুরুত্ব ক্রমে বেড়ে চলেছে।

এর ফলে, বিশ্বজুড়ে হালাল পণ্যের জন্য একটি বড় বাজার তৈরি হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘থিংক হালাল, গ্রো গ্লোবাল: স্ট্রেংদেনিং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ মার্কেট লিংকেজেস অ্যান্ড লিভারেজিং বাংলাদেশ’স হালাল ইন্ডাস্ট্রি ফর গ্লোবাল গ্রোথ’ শীর্ষক সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, হালাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এবং ঢাকায় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনের সহযোগিতায় এটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন– ঢাকায় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওসমান, হালাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ হালাল সার্টিফিকেশন বিভাগ, বিডা, বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতারা।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, হালাল ধারণা শুধুমাত্র ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বর্তমানে স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। ফলস্বরূপ, মালয়েশিয়া হালাল শিল্প ও পণ্যের জন্য একটি বড় বৈশ্বিক বাজারের সম্ভাবনা চিহ্নিত করতে পেরেছে, যা যথেষ্ট প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধেও অনেক মিল রয়েছে।

এই অভিন্নতা দুই দেশের জন্য একটি বড় শক্তিরূপে কাজ করছে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া নিজেদের মূল্যবোধ, সংস্কৃতি এবং নৈতিকতার জায়গাগুলো পারস্পরিকভাবে ভাগ করে নিয়ে হালাল শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে পারে।

হালাল খাদ্যসংস্কৃতিকে বৈশ্বিক বাজারের বড় একটি ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং খাদ্যসংস্কৃতির মধ্যে যে সাদৃশ্য রয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের নতুন বাজার তৈরি করতে সক্ষম হওয়া সম্ভব। ঢাকায় এ ধরনের একটি সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, হালাল পণ্যের বিশাল বৈশ্বিক বাজার ধরতে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং সুযোগ তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্বে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সমন্বিত ধারণা এবং তথ্যভিত্তিক প্যাকেজ তৈরি করা গেলে তারা এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবে।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করেছেন, বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের সম্ভাব্য ভোক্তারা আরো সংগঠিত এবং সহজলভ্যভাবে এসব পণ্য পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরাও এই বাজারে প্রবেশের সুযোগ খুঁজছেন। সঠিক উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এই দুই পক্ষকে একটি কার্যকর বাজার ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যেভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং মালয়েশিয়া সরকার সফরকে ঘিরে যেসব আয়োজন করেছে, তা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতার প্রতিফলন। এ জন্য তিনি মালয়েশিয়া সরকার ও প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, হালাল শিল্পে সহযোগিতা সেই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার সুযোগ করে দিতে পারে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, হালাল খাদ্য, হালাল সংস্কৃতি এবং ক্রমবর্ধমান হালাল মূল্যবোধ শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবসভ্যতার জন্য শক্তির উৎস হতে পারে।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, হালাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এবং ঢাকায় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে : রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদার ভিত্তিতে থাকবে। তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেন, ‘স্বার্থ ছাড়া ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ আমন্ত্রণ জানালে তাকে সাধুবাদ জানায় সরকার।

তবে, তিনি আরও বলেন, স্বার্থ থাকলে এগোবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস রয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

রিজভী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদার ভিত্তিতে হবে। এখানে কিছু বাড়াবাড়ি হলে বিএনপি সরকার সায় দেবে না।’

এছাড়া, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের নেওয়া নানা কল্যাণমুখী কাজ জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদল মাঠে থাকবে বলেও আশা করেন রিজভী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে জেলে পরিবারের দেখা পেলেন ইমরান খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


অবশেষে জেলে পরিবারের দেখা পেলেন ইমরান খান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান দীর্ঘ ৯ মাস পর অবশেষে তার বোন ও স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলেন। কারাবন্দী এই জনপ্রিয় নেতার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে পরিবারের উদ্বেগের মধ্যে সম্প্রতি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহে একদিন পরিবারকে দেখা করার অনুমতি দেয়। এই সাক্ষাৎ রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে অনুষ্ঠিত হয়।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, চলতি বছরে প্রথমবারের মতো ইমরানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান তার বোন নোরিন নিয়াজি। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশনার কারণে জেলখানার কনফারেন্স রুমে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য তাদের এই সংক্ষিপ্ত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সময় ইমরানের শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি তার সাম্প্রতিক চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নোরিন নিয়াজি ইমরান খানকে সুপ্রিম কোর্টের সেই গুরুত্বপূর্ণ আদেশের বিষয়টিও অবহিত করেন, যেখানে তাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু বৈঠকের পর রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা থেকে তার বোন বঞ্চিত থাকেন। কারণ, শীর্ষ আদালত আগেই সচেতন করেছে যে—এই সাক্ষাৎকে যদি কোনো ধরনের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তবে দেওয়া সুবিধাটি বাতিল করা হবে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইমরানের অন্যান্য বোন—আলিমা খান, উজমা খান কিংবা তার ফুফাতো ভাই কাসিম জামানকে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এমনকি পিটিআই-এর কোনো রাজনৈতিক নেতাকেও জেলের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

বোনের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি পৃথকভাবে স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ পান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিব্যুনালের তথ্যমতে, আদিয়ালা জেলের একই কনফারেন্স রুমে ইমরান ও বুশরা বিবির এই সাক্ষাৎ স্থায়ী ছিল প্রায় ৩৫ মিনিট।

একই জেলে বন্দী থাকা বুশরা বিবিও দীর্ঘদিন পর তার আগের সংসারের সন্তান মুসা, মুবাশশারা মানেকা এবং জা মেহেরুন্নেসার সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কাটান।

উল্লেখ্য, এই বছরের শুরু থেকেই একাধিক মামলায় রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে কারাবন্দী রয়েছেন ৭২ বছর বয়সী ইমরান খান। বর্তমানে তিনি আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শীর্ষ আদালত দুই দিনের মধ্যে তাকে শিফা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দেন, যেখানে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত তার চিকিৎসা চলতে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%