ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দৌলতপুরে পীর হত্যার ১৭ দিন পর দুইজন গ্রেফতার


দৌলতপুরে পীর হত্যার ১৭ দিন পর দুইজন গ্রেফতার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ফিলিপনগরে দরবারে হামলা ও দরবার প্রধান কথিত পীর বাবা কালান্দার আব্দুর রহমান ওরফে শামীমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৭ দিন পর দৌলতপুর থানা পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় এটি প্রথমবারের মতো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হলো।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে পশ্চিম দক্ষিণ ফিলিপনগর এলাকার নাহারুল মন্ডলের ছেলে বিপ্লব (২৬) এবং রবিউল ইসলামের ছেলে আলিফ ইসলাম (২৩)। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের বিশেষ অভিযানে এই দুজনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ফরজ আলী নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছিল, কিন্তু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে তার পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতা দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় বাবা কালান্দার আব্দুর রহমান ওরফে শামীমের দরবারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে এবং একপর্যায়ে দরবার প্রধান শামীমকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুর রহমান ১৩ এপ্রিল রাতে দৌলতপুর থানায় জামায়াত শিবির নেতা সহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান: সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুরে বিজিবির অভিযানে আটক ৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০২ এম


মহেশপুরে বিজিবির অভিযানে আটক ৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) পৃথক তিনটি চোরাচালান বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ঔষধ আটক করেছে। আটককৃত এসব ঔষুধের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

রোববার ভোর ৪ টার দিকে লড়াইঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৬০/১৩৭-এস সংলগ্ন নয়াপাড়া গ্রামের শহীদের বাঁশ বাগান থেকে হাবিলদার তবিবুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৩০০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়। এই ঔষধগুলোর আনুমানিক মূল্য ৯০ হাজার টাকা। একই দিনে, শ্রীনাথপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৬১/৮-এস এর নিকট চাপাতলা গ্রামের শাহাজাহানের কলা বাগান থেকে হাবিলদার হেমায়েতের নেতৃত্বে ৭০০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়। এই চালানের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

এরপর, সকাল ১১ টার দিকে লড়াইঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৬০/১৪৩-এস সংলগ্ন লড়াইঘাট গ্রামের জনির লিচু বাগান থেকে হাবিলদার আতোয়ার রহমানের নেতৃত্বে আরও ৮১০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়। এই ঔষধগুলোর আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এসব অভিযানে কোনো আসামি আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপসায় জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ'র ৩১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


রূপসায় জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ

খুলনা জেলা শাখা জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ এর আওতাধীন রূপসা উপজেলা শাখার আংশিক আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। ৩১ সদস্যের এই কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে জি.এম আসাদুজ্জামান অপুকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে ডি এম সাব্বির হোসেনকে মনোনীত করা হয়েছে। (১৯ এপ্রিল) খুলনা জেলা জিয়া সাইবার ফোর্স জেডসিএফ'র সদস্য সচিব জোয়াদার মো. আবু হানিফ, জেলা যুগ্ম-আহবায়ক মো. নাজমুল গোলদার এবং যুগ্ম আহবায়ক আরাফাত বিল্লাহ এর স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মো. মাসুম বিল্লাহ সুমন, যুগ্ম-আহবায়ক মো. আকাশ, মো. খাইরুল ইসলাম, মো. হাফিজুর রহমান, মো. নেওয়াজ শরিফ, নয়ন ইসলাম রানা, মো. শফিক খান, মো. বাইজিদ, জাহিদুল ইসলাম, শাহরিয়ার আব্দুল্লাহ, মো. সাজু সরদার, মো. বাবু, নাহিদ হাসান, সালমা খাতুন বৃষ্টি এবং সদস্য হিসেবে জি. এম ইসরাইল হোসেন, ফরহাদ হোসেন হৃদয়, মো. মিরাজ সরদার, হিরন শেখ, লাতফান ফাইয়াজ, মো. হুমায়ুন কবির, শামিম সরদার, মো. মফিজুল, মো. রাকিব, মো. এনামুল, ইয়াকুব হোসেন এবং বিন সাকিব ইমন।

এই আংশিক কমিটি নেতৃবৃন্দের নির্দেশ অনুযায়ী ৭ দিনের মধ্যে আহবায়ক কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করার এবং ১৫ দিনের মধ্যে অধিনন্ত সকল ইউনিট কমিটি জেলা দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনতার হাতে আপত্তিকর অবস্থায় প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমান আটক, অতঃপর বহিস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৩ এম


জনতার হাতে আপত্তিকর অবস্থায় প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমান আটক, অতঃপর বহিস্কার

মোকাদ্দেসুর রহমান নামের এক প্রভাষক জনতার হাতে আটক হয়েছেন, যখন তিনি আট বছরের জমজ দুই পুত্র সন্তানের জননীর (৩০) সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ছিলেন। উত্তেজিত জনতা পরে ওই প্রভাষককে গণপিটুনি দেয়। এই ঘটনা ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল গ্রামে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে। অভিযুক্ত প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমান পাশ্ববর্তী একটি কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার সালামপুর ইউনিয়নের সাধুপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমান সরিকল বাজার এলাকায় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন। এ সময় ওই বাজারের পাশ্ববর্তী এক গৃহবধূর সাথে তার পরিচয়ের সূত্রধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে পরকীয়া প্রেমে পরিণত হয়।

সূত্রে আরও জানা গেছে, সরিকল গ্রামের ওই নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী রয়েছেন এবং তিনি কথা বলার শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন। এ সুযোগে প্রভাষকের সাথে তার স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় আলোচনা চলছিল। বুধবার সন্ধ্যার পর স্থানীয় কয়েকজন যুবক পূর্ব থেকে ওৎপেতে থেকে প্রভাষককে ওই নারীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমানকে গণপিটুনি দিয়ে আটক করে রাখেন।

অভিযুক্ত প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমান ও তার পরকীয়া প্রেমিকা ওই নারী জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে গত দুই মাস ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। গৃহবধূ তার পরকীয়া প্রেমিক প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমানকে বিয়ে করতে রাজি হলেও প্রভাষক বিয়ের ব্যাপারে কোন মুখ খোলেননি। খবর পেয়ে উজিরপুর উপজেলার শোলক গ্রামের ওই গৃহবধূর বাবার পরিবারের সদস্যরা সরিকলে ছুঁটে আসেন। তবে রাত একটা পর্যন্ত তারা কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমানের প্ররোচনায় অসুস্থ স্বামীর কাছ থেকে ইতোমধ্যে কৌশলে ওই নারী সরিকল বাজারের তার প্রায় কোটি টাকার সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। অভিযুক্ত প্রভাষকের কর্মস্থল আগরপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এবায়দুল হক শাহীন বলেন, "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আমার নজরে আসে।" এরপর তাৎক্ষণিক কলেজ গবর্নিং বডির সভাপতিসহ অন্যান্যদের সাথে ভার্চুয়ালে সভা করে প্রভাষক মোকাদ্দেসুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলেজের প্রভাষক আমিনুল ইসলাম খসরুকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যদের আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রশ্ন উঠেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৪ এম


পটুয়াখালীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রশ্ন উঠেছে

পটুয়াখালীর গলাচিপায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামির উপস্থিতি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। গত সোমবার উপজেলা পরিষদের নতুন সম্প্রসারিত ভবনের চতুর্থ তলায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক, সেক্রেটারি ও গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। একই সভায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোসাম্মদ রেনু আক্তারও উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, রেনু আক্তারের বিরুদ্ধে সি আর মামলা নম্বর ৪৭৯/১৭-এ জারি হওয়া ওয়ারেন্টের একটি কপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই নথিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিল ও স্বাক্ষর রয়েছে। নথি অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে এক বছরের সাজা রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমরা জানার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন থানায় অনেক ওয়ারেন্ট থাকে, সবগুলোর তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না। তার নামে ওয়ারেন্ট আছে কি না, সেটি যাচাই করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “সভাটির আয়োজক উপজেলা প্রশাসন। সেখানে কারা উপস্থিত থাকবে, সেটি তাদের বিষয়।” অন্যদিকে, অভিযুক্ত রেনু আক্তার দাবি করেন, তিনি ওই মামলায় গত মাসে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। তবে জামিনসংক্রান্ত কোনো নথি বা আইনজীবীর নাম জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “তিনি কমিটির সদস্য নন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে সভায় এসেছিলেন। আর সাজা বা ওয়ারেন্টের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব পুলিশের।” ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে, ওয়ারেন্টভুক্ত একজন আসামি কীভাবে প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নিলেন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা কতটুকু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%