আহমেদ আক্তার রানা কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি
০২:৩৫ এম
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জবাব দিয়েছেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু,
বিষয়টি নিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে একটি বিশেষ পোস্ট করে তিনি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেন।
গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালীন স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমার বাড়ি কুলাউড়ায়, ঐ লোকটা বার বার উঠছে আপনি তাকে সুযোগ দিচ্ছেন না।" সংসদে দেওয়া তাঁর এই মন্তব্যটির একটি ভিডিও ক্লিপ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু তাঁর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন:"বিরোধী দলীয় নেতার লোকটা কয়েকবার দাঁড়িয়ে ছিল কথাটা যদিও সংসদীয় ভাষা নয় তবুও আমি বলতে চাই এলাকার মানুষ হিসাবে, দাবি খাটিয়ে সহানুভূতির সহিত কথাটা বলেছেন তাই কারো ঘাটাঘাটি করা ঠিক হবে না, ধন্যবাদ।"
উল্লেখ্য, ডা. শফিকুর রহমানের জন্মস্থান কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে হলেও তিনি অন্য আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন। অন্যদিকে শওকতুল ইসলাম শকু সরাসরি কুলাউড়া (মৌলভীবাজার-২) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নিজ এলাকার মানুষের প্রতি বিরোধী দলীয় নেতার এই সহানুভূতিশীল আচরণকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়ে এমপি শকু এই বিষয়ে আর কোনো বিতর্ক বা সমালোচনা না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্ব উপকূলে নতুন বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করছে দেশটির বহুজাতিক লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ উদ্দেশ্যে ফুজাইরাহ উপকূলে একটি নতুন বহুমুখী বন্দর এবং বিদ্যমান বন্দরে নতুন কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। এই তথ্যটি জানিয়েছে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।
প্রতিবেদনে দেশের বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার ঝুঁকি মোকাবিলা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার কারণে হরমুজে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার মধ্যে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নতুন বন্দর চালু হলে ওমান উপসাগরের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার ছাড়াই আমিরাতে পণ্য আনা-নেওয়া করা সম্ভব হবে। এরপর সড়কপথে এই পণ্যগুলোকে দুবাই, আবুধাবি এবং উপসাগরীয় অন্যান্য দেশে পরিবহন করা হবে।
বর্তমানে প্রকল্পের শর্তাবলি নিয়ে আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে প্রকল্পের কাঠামো ও অর্থায়ন সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন বন্দরটি দেড় বছরের মধ্যে নির্মাণ সম্পন্ন হতে পারে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরের কার্যক্রম ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ কমে যায়। এরপর থেকেই বিকল্প রুট ও অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ড উদ্যোগ নেয়।
তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়ে দিয়েছে, নতুন বন্দর নির্মাণের অর্থ হচ্ছে জেবেল আলি বন্দরের গুরুত্ব কমে যাওয়া নয়। তাদের পরিকল্পনা ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন স্থাপনাগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাসড়ক ধসে পড়ার কারণে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে ডালু-তুরা মহাসড়ক বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। এর ফলে প্রায় এক মাস ধরে শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে এবং বন্দরে কর্মরত শত শত লোড-আনলোড শ্রমিক বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে, বন্দরের রাজস্ব আয়ও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে এবং তা শূন্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে।
নাকুগাঁও স্থলবন্দর এবং আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি সূত্রে জানানো হয়েছে যে, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডালু-তুরা জাতীয় মহাসড়ক (ঘঐ-২১৭) বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে সড়কগুলো আরও ভেঙে গেছে। এর ফলে, শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বিধ্বস্ত এই সড়কে একাধিক ট্রাক দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভারতের ডালু ব্যবসায়ী এবং পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশে পণ্যবাহী ট্রাক পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন বন্ধ রাখতে। এছাড়া, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো হিলস এবং দক্ষিণ গারো হিলস জেলার ডালু-মহেন্দ্রগঞ্জ-গারোবাঁধা-তুরা এবং ডালু-তুরা সড়কের ওপরেও অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ধসের কারণে একাধিক স্থানে সড়ক বিধ্বস্ত হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে, গত ১০ জুলাই ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডালু অঞ্চলের ব্যবসায়ী এবং পরিবহণ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো একটি জরুরি বৈঠক করে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, সড়ক সংস্কার করে ভারি গাড়ি চলাচলের উপযোগী না করা পর্যন্ত জানমালের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কোনো পণ্যবাহী গাড়ি বর্ডারের দিকে পাঠানো হবে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে ওপার থেকে পাথর এবং কয়লা আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভুটানের একটি পাথরবাহী ট্রাক বিশেষ ব্যবস্থায় বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে বন্দরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে, ভারতের অংশে সড়ক ধসে পণ্য পরিবহণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে লোড-আনলোড শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
নাকুগাঁও স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় অংশের সড়ক মেরামতের জন্য ওই দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থা (ঘঐওউঈখ) কাজ শুরু করলেও অতিবৃষ্টির কারণে সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ওপারের সড়ক মেরামত করা না হলে, এই বন্দরে আমদানি-রপ্তানিকারকদের বড় ধরনের লোকসান গুণতে হবে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে।
নাকগাঁও স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বকুল ভারতের ডালু বন্দরের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ধরেন সাংমার বরাত দিয়ে বলেন, নতুন করে যদি কোনো পাহাড়ি ঢল বা বৃষ্টি না হয় এবং রোদ থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সড়ক সংস্কারের কাজ শেষ হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি আশা করছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে নাকুগাঁও স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বলছেন, প্রায় এক মাস ধরে ভারতের অংশে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ অবস্থায় থাকায় পাথর কিংবা কয়লা কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে পারে না। তার ওপর অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ) সকালে বিশেষ ব্যবস্থায় বিকল্প সড়কে ভুটানের একটি পাথরবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেছে। প্রায় এক মাস ধরে বন্দরে কোনো পণ্য আমদানি না হওয়ার কারণে রাজস্ব তহবিল প্রায় শূন্যের কোঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডালাসের সেমিফাইনালে লা রোহারা ফরাসিদের কোণঠাসা করে ফেলেছে, ফলে তারা ফাইনালের টিকিট পাওয়ার পথে আরও সুবিধাজনক অবস্থানে চলে এসেছে। প্রথমার্ধে তারা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর, দ্বিতীয়ার্ধের আগমনে স্পেন ব্যবধান দ্বিগুণ করেছে। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে রাইট ব্যাক পেড্রো পোরোর দুর্দান্ত ও চোখ ধাঁধানো গোলের মাধ্যমে তারা ২-০ ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। এই গোলের পরে ফরাসিদের এখন শঙ্কার অবস্থায় পড়তে হয়েছে, কারণ তারা ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম কার্ডের ঝুঁকিতে থাকা আদ্রিয়েন রাবিওকে উঠিয়ে মানু কোনেকে মাঠে নামিয়েছিলেন। তবে কোচের এই কৌশল মাঠের পরিস্থিতিতে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে, মাঝমাঠ থেকে দানি ওলমোর একটি চমৎকার টার্নিং পাস পেয়ে বক্সে থাকা পেড্রো পোরো। টটেনহ্যামের রাইট ব্যাক পেড্রো কোন ভুল না করে নিখুঁত শটে বলটি ফরাসি জালে জড়িয়ে দিতে সক্ষম হন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র ১ গোল হজম করা স্পেনের বিপক্ষে ফ্রান্স এখন দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে চরম বিপদে রয়েছে।
স্পেনের আধিপত্য এখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ফরাসি রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল জালে বল জড়িয়ে দেন। তখন স্প্যানিশ সমর্থকরা ৩-০ গোলের উল্লাসে মাতোয়ারা, কিন্তু লাইন্সম্যান তখন অফসাইডের পতাকা তুলে দেন। ফলে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের দল বড় লজ্জার হাত থেকে এ যাত্রায় রক্ষা পায়। তবে অফসাইডের কারণে গোল না পেলেও, স্পেনের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ফ্রান্সকে অসহায় দেখাচ্ছে।
পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের দুই মিডফিল্ডার রদ্রি এবং ফ্যাবিয়ান রুইজ অসাধারণ খেলছেন। ফরাসিদের প্রতিটি কাউন্টার অ্যাটাক মাঝমাঠে রুখে দিয়ে তারা স্পেনের আক্রমণভাগের দিকে বল সরিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে, ফ্রান্সের উইঙ্গার ব্রাডলি বারকোলা অথবা অধিনায়ক এমবাপ্পে বারবার স্পেনের ডিফেন্সের সামনে খেই হারাচ্ছেন। ম্যাচ জয়ের জন্য ফ্রান্সের অলৌকিক কিছু করা প্রয়োজন, যা এই স্প্যানিশ ডিফেন্সের বিপক্ষে অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশ্যে প্রাইম টাইমে বিশেষ ভাষণ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই ভাষণে তিনি ইরান পরিস্থিতি, নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং তার অগ্রাধিকার পাওয়া আরও কয়েকটি বিষয় তুলে ধরতে পারেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে প্রেসিডেন্টের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ভাষণটি হবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমন্বয়ে।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পূর্ব উপকূলীয় সময় রাত ৯টায় তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। তবে, হোয়াইট হাউসের কোন স্থান থেকে ভাষণ দেবেন এবং নির্দিষ্ট কী বিষয়ে তিনি কথা বলবেন, তা এখনো জানানো হয়নি।
উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কথা বলতে চান। সেইসঙ্গে ভোটারদের কঠোর পরিচয়পত্র যাচাই সংক্রান্ত সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট নিয়েও বক্তব্য দিতে পারেন। বর্তমানে এই বিলটি কংগ্রেসে আটকে রয়েছে।
এছাড়া, ২০২০ সালের নির্বাচনের বিষয়ে তার প্রশাসনের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পর্যালোচনার ফলাফলও তুলে ধরতে পারেন ট্রাম্প। উল্লেখযোগ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল তিনি কখনোই মেনে নেননি।
তবে, জর্জিয়ার ২০২০ সালের সিনেট নির্বাচন নিয়ে ভাষণে কোনো ঘোষণা আসছে কিনা, সে বিষয়ে গুঞ্জন নাকচ করেছেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা।
তাদের ভাষ্য, ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট আরও নিয়মিত এ ধরনের প্রাইম টাইম ভাষণ দিতে চান, যাতে জনগণের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়।
সূত্র: অ্যাক্সিওস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ